চিতোর (ধারাবাহিক উপন্যাস) প্রথম পর্ব


# পূর্বকথাঃ

এই কাহিনী দূর অতীতের। ভারতবর্ষে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালা বদল হয়েছে খুব বেশীদিন হয়নি। বেশ কয়েকদফা ব্যার্থতার পর আফগানি বংশোদ্ভূত মুইজুদ্দিন মোহাম্মদ, যিনি মোহাম্মদ ঘোরি নামে পরিচিত ১১৯২ সনে তারাই এর যুদ্ধে দিল্লীর শেষ স্বাধীন রাজপূত রাজা পৃথিবীরাজ চৌহানকে পরাজিত ও হত্যা করে ভারতবর্ষে সুলতানী শাসনের সূচনা করেছেন তখন। দিল্লী দখলের পর তিনি তার বিশ্বস্ত তূর্কি বংশোদ্ভূত সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবকের হাতে ভারতের দায়িত্ব ন্যাস্ত করে গজনী ফিরে যান; সূচনা হয় ভারতবর্ষের ইতিহাসে সুলতানি শাসনের। মূলত এ সময়টা সুলতা্নের শাসন উত্তর পশ্চীম ভারতেই সীমাবদ্ধ ছিল; দক্ষিন ভারত এবং পূর্ব দিকে বাংলা তখনো ছিল অসংখ্য ছোট ছোট স্বাধীন হিন্দু রাজ্যে বিভক্ত। রাজ্যগুলো আকারেও যেমন ছোট ছিলো, তেমন ছিলো সামরিক শক্তিতে দূর্বল।মূলতঃ ব্যবসা বাণিজ্য আর আভ্যন্তরীণ ঝামেলা সামলাতেই ব্যস্ত ছিলো তারা।দিল্লী দখলের পরে আফগানী সুলতানদের লোলুপ দৃষ্টি এবার এসে পড়লো দক্ষিণ এবং পূর্বের এই ছোট ছোট রাজ্যগুলোর উপর। কিন্তু মাঝখানে দূর্লঙ্ঘ্য বাধা হয়ে দেখা দেয় রাজপূত শাসিত রাজস্থান।ইতিহাসে রাজপুতরা হার না মানা দূর্ধষ যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।ইতিহাসে তারা কখনোই পরাভব স্বীকার করে নেয়নি কারো।সাফল্যের সাথে মহাবীর আলেকজাণ্ডারকেও রুখে দিয়েছিলেন তারা। তাদের বীরত্ব মুগ্ধ করেছিলো আলেকজাণ্ডার আর সেলুকাসকে।রাজপূতরা বীর যোদ্ধার জাতি হলেও ছিল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন রাজ্যে বিভক্ত, তাই উন্নততর যুদ্ধ কৌশলের অধিকারী বিশাল হানাদার বাহিনীর সাথে বীরের মত লড়লেও বারে বারেই হার মানতে হয়েছে। হার মানলেও সুলতানি আমল থেকে মোঘল আমল কোন সময়ই তাদের সম্পূর্ন পর্যুদস্ত করা যায়নি, হানাদারদের গলার কাঁটা হিসেবেই তারা রয়ে গেছিল। এ কাহিনী সেই অস্থির সময়ের।

# রাঘবঃ

রাজস্থান। প্রকৃতি এখানে অনুদার।চারদিকে কিন্তু এই রুক্ষ দিগন্ত বিস্তৃত ধু ধু মরুভূমি। শ্যামলিমার রেশমাত্র নেই এখানে।দিনে মাথার উপরে গনগনে সূর্যটা তার সমস্ত উত্তাপ নিয়ে যেন ঝাপিয়ে পড়ে। আর তার সাথে তেতে ওঠা বালিরাশি যেন পাল্লা দিয়ে ছোটায় উষনতার বাণ। রাতের লু হাওয়া কাপিয়ে দেয় শরীরের প্রতিটি অস্থিমজ্জা।রুক্ষতাই এখানে নিত্যসাথী।কিন্তু এই রুক্ষতার মাঝেও লুকিয়ে রয়েছে এক অপার্থিব সৌন্দর্য।রয়েছে আলাদা আকর্ষণ। মাথার উপরে গনগনে সূর্যের আলোকচ্ছটা সোনালী আভা ছড়িয়ে আছে মরুপ্রান্তরে।অগ্নিশিখার মতো তাদের স্বনিল উর্ধগতির দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে মাথা ঝা ঝা করে ওঠে। যেন নেশা লাগে। হয়তো এই অপার্থিব আকর্ষণের সাথেই জড়িয়ে রয়েছে মমতার এক অদৃশ্য সেতুবন্ধন। যার কারণে এই রুক্ষ প্রকৃতির মরুসন্তান রাজপুতদের অন্তর রুক্ষতার পাশাপাশি মমতায় ও পরিপূর্ণ।নিতান্তই সহজ সরল এখানকার অসমসাহসী মানুষেরা।তারা হাসিমুখে মরুঝড়ের মোকাবেলা করতে জানে, দেখাতে পারে শত্রুর সামনে বুক চিতিয়ে দাড়ানোর হিম্মত।ইতিহাসে তারা কখনোই বশ্যতা স্বীকার করেনি কারো।দিগ্বীজয়ী আলেওকজাণ্ডারকেও মোকাবেলা করেছে “ হর হর মহাদেব” নিনাদে অভূতপূর্ব বীরত্বের সাথে।এক ভগবান শিব ছাড়া তারা মাথা নোয়ায়না কারো কাছে। শত্রুতো দূরের কথা, অন্য দেবতাদের ও তারা তুচ্ছজ্ঞান করে।শত শত বছর ধরে সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে এই অকুতোভয় মরু সন্তানেরা।

আলো ঝলমলে রাজ দরবার। বাইরের প্রখর সূর্যের আলোকচ্ছ্বটা যেন আলোর বন্যা বয়ে দিয়েছে সবখানে। অন্ধকার সহ্যই করতে পারেননা মহারাজ রতন সিং। আলোর পূজারী তিনি। দিবারাত্র তাই আলোকিত থাকে রাজমহল। আর সূর্যের প্রখর আলোর মণিমাণিক্য খচিত সিংহাসনের উপরে ঠিকরে পড়ে ছড়াচ্ছে এক অপার্থিব জ্যোতি। সেই জ্যোতির আলোকচ্ছ্বটা ঠিকরে পড়ছে মহারাজের মাথার রাজমুকুট থেকেও।চারদিকে এত আলোর ছড়াছড়ির মাঝেও আজ বিমর্ষ মহারাজ রতন সিং।এক দৃষ্টিতে তিনি তাকিয়ে আছেন জানালার ফাক দিয়ে বাইরের বারান্দার কার্ণিশের দিকে।কয়েকজোড়া ময়ুরপঙ্খী পায়রা “বাকবাকুম” শব্দে নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতায় মশগুল।অদ্ভুত সুন্দর এই পায়রাওগুলোর ময়ূরপুচ্ছের দিকে তাকিয়ে থাকার আলাদা একটা মাদকতা আছে।মহারাজের খুব প্রিয় এই পোষা পায়রাগুলো।সারা রাজপ্রাসাদেই এদের তাই অবাধ বিচরণ।যেমন বিচরণ রাজ উদ্যানে খেলে বেড়ানো মায়া হরিণগুলোর।একজন জাত শিকারী হয়েও এই ক্ষত্রিয় রাজার অন্তর জুড়ে রয়েছে এই নিরীহ প্রাণীগুলোর জন্য অদ্ভুত এক মমতা। যা শুধুই কাছে টানে।

পায়রাগুলোর সমাবেশের দিকে চেয়ে থাকলেও সেদিকে কিন্তু মন নেই রতন সিং এর। মন আজ তার বিক্ষিপ্ত,বিচলিত।রতন সিং শুধু একজন সুশাসক আর কুশলী যোদ্ধাই নন, শিল্পরসিক হিসেবেও রয়েছে তার খ্যাতি।গুণীদের সমাদর তিনি করতে জানেন।তার রাজসভায় তাই ঠাই হয়েছে অনেক কবি ,শিল্পী ,গায়ক,ভাষ্কর,বাজনাদারের।যারা তার আনুকূল্যে প্রতিনিয়ত করে চলেছেন শিল্পের সাধনা।এদের প্রত্যেককেই বিশেষ সম্মান করেন তিনি।যেকোন পদস্থ রাজ কর্মচারীর চেয়ে সম্মান কোন অংশেই কম নয় তাদের।বরং ক্ষেত্রবিশেষে একটু বেশীই বলা চলে।

তাদেরই একজন বংশীবাদক রাঘব।রাঘবকে শুধুই একজন বংশীবাদক বললে অবিচার করা হবে।রীতিমতো বাশীর জাদুকর সে।বাশীর সুরে যে মানুষকে কাদানো বা হাসানো সম্ভব, তা আক্ষরিক তা আক্ষরিক অর্থেই অনেকবার প্রমাণ করে দেখিয়েছে রাঘব।আর সেই সাথে অনন্য শক্তি তার কাব্য রচনার।সুরে সুরে প্রশস্তি রচনা আর কাহিনী বিনির্মাণে রাঘব এক সহজাত প্রতিভা।আর সেই প্রতিভার বদৌলতেই রাঘব ক্রমশঃ হয়ে উঠেছেন রাজার বিশ্বস্ত প্রিয় পাত্রে।বিত্ত আর বৈভবে রাজদরবারে রাঘব আজ অদ্বিতীয়।

আজ সেই রাঘবের বিরুদ্ধেই আজ গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে রাজদরবারে।অভিযোগের বিষয়টি কিন্তু নতুন কিছু নয়।বেশ কিছুদিন ধরেই বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছিল যে রাঘব তন্ত্রসাধনার সাথে জড়িত, যা রতন সিং এর রাজ্যে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।রতন সিং নিষ্ঠাবান শৈব,দেবাদিদেব মহাদেবের উপাসক তিনি।শৈব মতে বলিপ্রথা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আর তাই রাজ্যজুড়ে নিষিদ্ধ বলিপ্রথা।আর সেই সাথে নিষিদ্ধ সব ধরণের তান্ত্রিকতার সাধনাও।কিন্তু রাজসভাসদ হয়েও রাঘব স্বয়ং ভঙ্গ করেছেন সেই নিয়ম।যা রাস্ট্রদ্রোহিতার সমতূল্য।প্রথম প্রথম রাঘবের নামে অভিযোগ তেমন আমলে নেননি মহারাজ।রাজকার্যে জড়িত থাকলে নানা ধরণের মিথ্যা রটনা রটতেই পারে। এটা রাজনীতিরই অংশ।কিন্তু দিনের পরে দিন প্রজাদের নিকট হতে নিত্যনতুন অভিযোগ তাকেও বিচলিত করে তুলে।তবু সম্পর্কের খাতিরে প্রজারোষের আশংকা মাথায় নিয়েও এতদিন চুপচাপ ছিলেন তিনি।কিন্তু গতকালের ঘটনার পরে আর চুপ করে থাকা সম্ভব নয় কিছুতেই।

মেওয়ার দূর্গের দরিদ্র প্রজা বাউলী সিং এর ছয় বছর বয়েসী পুত্র খেলতে গিয়েছিলো বাড়ির পাশের মাঠে।হঠাত ভরদুপুরে চার অশ্বারোহী এসে বাজপাখির মতো ছো দিয়ে তুলে নিয়ে যায় তাকে। বাড়ির ছাদ থেকে পুরো ব্যাপারটা চোখে পড়ে বাউলী সিং এর স্ত্রী অরুণা সিং এর। আর তার ভাষ্য অনুযায়ী রাঘব নিজেই ছিলো সেই দলে।বাউলী সিং তার স্ত্রীকে নিয়ে ছুটে যান নগর কোতোয়ালের কাছে।যেহেতু রাজসভাসদ রাঘবের বিরুদ্ধে অভিযোগ , তাই কোতোয়াল সরাসরি সাহস দেখাতে পারলেননা কোন ব্যবস্থা নেয়ার।কোতোয়াল তাই তাদের নিয়ে গেলেন রাজদরবারে।তাদের মুখে সমস্ত ঘটনা শুনলেন মহারাজ।মূহুর্তের মধ্যেই রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে উঠলেন তিনি, প্রচণ্ড রাগে ব্রম্মতালু পর্যন্ত জ্বলে উঠলো তার।অনেক সহ্য করেছেন তিনি। আর নয়। এবার করতে হবে যবনিকাপা্ত।প্রজাদের কাছে রাজার মর্যাদা পিতৃসমতূল্য।আর রাজ্জাকেও তাই সন্তানদের প্রতিপালন করতে হয় সন্তানস্নেহেই।এটাই রাজধর্ম। আর শাস্ত্রানুসারে রাজধর্ম পালনে ব্যর্থ হলে পূর্বপুরুষকে নরকে পতিত হতে হয়।কোতোয়ালকে আদেশ দিলেন শিশুটিকে রাঘবের খপ্পর থেকে উদ্ধার করার আর রাঘবকে বন্দী করার।রাজার আদেশ পেয়ে সসৈন্যে কোতোয়াল ছুটে গেলেন রাঘবের আস্তানার উদ্দেশ্যে।সেখানে পৌঁছে রীতিমতো তাজ্জব বনে গেলেন তারা। নিজের আস্তানায় বিশাল এক ভয়াল দর্শন চামুণ্ডা দেবীর প্রতীমা স্থাপন করেছে রাঘব। আর তার সামনে বিশাল এক হাড়িকাঠ।হাড়িকাঠের গায়ে কালচে হয়ে লেগে আছে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ।মাটিতেও লেগে আছে ছোপ ছোপ রক্ত। পাশেই একটি খুঁটির সাথে বাধা আছে ছেলেটি। সারা শরীর হলুদ আর চন্দনে চর্চিত; কপালে রক্ত সিঁদুরের তিলক। সামনেই বিশাল এক ভয়াল দর্শন খাঁড়া। কক্ষের মাঝখানে পদ্মাসনে উপবীস্ট রাঘব।আর তাকে ঘিরে বৃত্তাকারে উপবীষ্ট তার অনুচরেরা।রাঘবের পরনে রক্তলাল বসন, কপালে রক্ততিলক।ভয়াল দর্শন এক কাপালিকের প্রতিমূর্তি যেন।রাঘবের ধৃষ্টতা দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান কোতোয়াল।রাজার আদেশ অমান্য করে তন্ত্রসাধনা!! এযে রীতিমতো রাজদ্রোহ!!রাঘব আর তার সঙ্গীদের বন্দী করলেন কোতোয়াল।উদ্ধার করলেন শিশুটিকে।আজ বিচার হবে রাঘবের প্রকাশ্য রাজদরবারে। এটাই নিয়ম।

রাজ্জদরবারে উপস্থিত সভাসদ ,প্রজা, প্রহরী,পাত্র,মিত্র,আমাত্য সবাই উদগ্রীব হয়ে তাকিয়ে রয়েছে মহারাজের মুখমণ্ডলের দিকে।মহারাজের সামনে কোমড়ে বেড়ি পড়ানো অবস্থায় নতমস্তকে দণ্ডায়মান রাঘব।জানালার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে সরাসরি রাঘবের মুখের দিকে তাকালেন রতন সিং।চুপচাপ চেয়ে রইলেন কিছুক্ষণ।একইসাথে রাগ,অনুশোচনা আর বেদনার অনেকগুলো অভিব্যক্তি খেলা করে যেতে লাগলো তাঁর গম্ভীর মুখে।
—– রাঘব !!!
বজ্রনির্ঘোষ ঘোষিত হলো যেন মহারাজের কন্ঠে।যেন জেগে উঠলো ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি।সারা কক্ষে প্রতিফলিত হলো সেই বজ্রধ্বনি। শিহরণ জাগালো উপস্থিত সবার দেহমনে।
—- বলুন মহারাজ!!
—- এতো বড় স্পর্ধা তোমার? আমার সুস্পষ্ট আদেশ অমান্য করে আমার রাজ্যে তন্ত্রসাধনা করার সাহস তোমার হলো কি করে? তন্ত্রসাধনা যে আমার রাজ্যে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তা কি তোমার জানা নেই? তার উপরে নরবলির প্রচেষ্টা?তাও আবার আমার প্রজার রক্তে? তোমার কি কিছু বলার আছে?
—– এসব ষড়যন্ত্র মহারাজ।মহারাজের কৃপাদৃষ্টি যেন আমার উপর থেকে সরে যায়,সেজন্যই এসব অপপ্রচার।এসবে কান দেবেন না মহারাজ।
—– স্তব্ধ হও।এতোবড় মিথ্যাচার!রাজ কোতোয়াল তোমাকে হাতেনাতে আটক করেছে তন্ত্রসাধনার সময়ে।এর পরেও লজ্জিত হওয়ার পরিবর্তে তুমি করছো মিথ্যাচার!তোমাকে রাস্তা থেকে তুলে এনে আশ্রয় দিয়েছিলাম রাজপ্রাসাদে?আর এই তার প্রতিদান? সেনাপতি বাদল সিং………
—- আদেশ করুন মহারাজ।
—– এই মূহুর্তে এই রাজদ্রোহীকে প্রকাশ্যে মাথা মুড়িয়ে, মুখে চুনকালী মাখিয়ে, উলটো গাধার পিঠে বসিয়ে,ঢেড়া পিটিয়ে আমার রাজ্যের বাইরে বের করে সেয়া হউক।আমার উচিত ছিলো একে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করা।কিন্তু অতীত সম্পর্কের বিবেচনায় আমি এই নরাধমকে লঘুদণ্ডে দণ্ডিত করলাম।আর জীবনে এর মুখ যেন আমাকে আর দর্শন করতে না হয়।

বলে আর অপেক্ষা করলেননা মহারাজ।সিংহাসন ছেড়ে এগিয়ে গেলেন অন্তঃপুরের দিকে।যাওয়ার পথে আরেকবার মুখ ফিরিয়ে দেখে নিলেন রাঘবকে।স্থির দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাঘব।চোখের দৃষ্টিতে ঠিকরে পড়ছে ভয়ানক জিঘাংসা।সেই দৃস্টির দিকে তাকিয়ে কেমন অজানা আশংকায় ভরে উঠলো মহারাজের মন। প্রমাদ গণলেন তিনি।

(চলবে)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

49 − = 41