মুহাম্মদরা কি চিরকাল ধর্ষণই করে যাবে ?

?oh=434bbd688722d7c0d5ed903841e58e1c&oe=59414D3D” width=”500″ />

উপরের ছবিটির দিকে তাকান।কি সুন্দর তাইনা? যদি প্রশ্ন করি এদের সম্পর্ক কি হওয়া উচিত? নিশ্চই বলবেন কি আবার হবে? অবশ্যই পিতা- কন্যা অথবা দাদা- নাতনি হবে ?একদমই ঠিক।আমার তাই মনে হয়েছিল।শুধু আমার কেন? যদি একশো জন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হয় তাহলে একশো জন ই এই উত্তরটাই দিবে।আসলে আমরা যে সৃষ্টির সেরা মানুষ আমাদের এই নৈতিক চিন্তা শক্তিই তার প্রমান দিয়েছে।কিন্তু প্রকৃত সত্যটা মোটেও সুখকর নয়।

কিন্তু যদি আমি বলি এরা পিতা পুত্রী বা দাদা নাতনি নয় এরা আসলে স্বামী স্ত্রী।তাহলে আপনার নৈতিকতার সাথে আমার নৈতিকতার কি পার্থক্য হবে ?কি আমি বেহাইয়া নির্লজ্জ? আমি লুচ্চা ?আসিলেই তো একটা শিশু কন্যাকে একটা বৃদ্ধের স্ত্রী বানিয়ে দেয়া মোটেও নৈতিকতার পরিচয় রাখে না।কিন্তু ভুলে গেলে চলবেনা এই অনৈতিক কাজটি ই আমাদের আদর্শ কাজ।আজ থেকে চৌদ্দশ বছর পূর্বে আমাদের নবী মুহাম্মদ এই কাজটিই নৈতিকতার সাথে করেছিলেন।সেই নৈতিকতাকে আদর্শ মেনে আমরা এখনো তা পালন করে চলেছি।কাজেই আমাকে লুচ্চা বললে কিন্তু নবী মুহাম্মাদকেই প্রথম লুচ্চা বলতে হবে ?

ছবির কাহিনীটি আসলে ইয়েমেনের।ছয় বছরের এই শিশুটির নাম রায়ান।আবু ইফ্তেখাব নামক এক ধার্মিক উম্মত শিশুটির রূপ যৌবনে লালায়িত হয়ে নবী মুহাম্মাদের আদর্শ পালন করে ফেলে।কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় হারামিটার অত্যাচারে বাসর রাতেই অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে শিশুটি মারা গিয়েছে।অনেকে বলতে পারেন এর সাথে নবী মুহাম্মাদকে কেন টানছেন?মুহাম্মদ তো আয়েশাকে নয় বছর বয়সে সহবাস করেছিল। এর উত্তরে বলি তিন বছর পরে সেক্স করার জন্য কেউ তিন বছর আগে বিয়ে করে না।আয়েশার পিতা তখন বুঝতে পেরেছিলো এই বয়েসে তার কন্যাকে মুহাম্মাদের কাছে দিলে প্রথম রাতেই তার কন্যা মারা যাবে।আসলে নবী মুহাম্মদ ই শিশু ধর্ষণের দৃষ্টান্ত চালু করেছেন আর তার উম্মতরা এটিকে আদর্শ মেনে এখনো করে যাচ্ছে।

শুধু মুহাম্মাদকে দোষ দিয়েই বা কি হবে।ইসলামিক কালচারটাই বিচিত্র।মিডিল ইস্টে অনেক মুসলিম দেশে এখনো একটি প্রথা প্রচলিত আছে।তাহলো মেয়ের সতীত্ব পরীক্ষা।একটি মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েটির হাতে একটি সাদা কাপড় দিয়ে ছেলে ও মেয়েকে বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।বাইরে সকল আত্মীয় স্বজনকে সারা রাত জেগে অপেক্ষা করতে হয় মেয়েটির সতীত্বের পরীক্ষার জন্য। ছেলে ও মেয়ের যৌন মিলনের সময় মেয়েটির যৌনাঙ্গ দিয়ে যদি রক্ত বের হয় তাহলে সেই রক্ত সাদা কাপড়ে মেখে বাইরে অবস্থানরত আত্মীয় স্বজনদের কাছে দেয়া হয় এবং কাপড়টিকে পতাকা বানিয়ে সারা গ্রাম ঘুরিয়ে মেয়েটি যে সতী তা জানানো হয়।যদি রক্ত বের না হয় তাহলে মেয়েটিকে অসতী আখ্যা দিয়ে মেয়েটি ও তার পরিবারকে শরীয়ত মোতাবেক শাস্তি দেয়া হয়।এখন বলুন শিশুকালে বিয়ে দিয়ে মেয়ের যৌনাঙ্গ দিয়ে রক্ত বের করে সতী প্রমান করবেন নাকি প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দিয়ে অসতী আখ্যা নিয়ে শাস্তি ভোগ করবেন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “মুহাম্মদরা কি চিরকাল ধর্ষণই করে যাবে ?

  1. প্রতিটি অত্যাচারিত ব্যাক্তিই
    প্রতিটি অত্যাচারিত ব্যাক্তিই নিজের উপর অত্যাচারের বিচার চাই। লেখক কি বলতে পারবেন আয়েশা রাঃ নিজে কি কখনো বলেছেন যে তার উপর অত্যাচার অথবা অবিচার করা হয়েছে? তিনি কি কখনো বলেছেন নবী মুহাম্মদ সাঃ এর সাথে বিয়েতে তিনি অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন?

  2. হাস্যকর মন্তব্য!বিচারকই যদি
    হাস্যকর মন্তব্য!বিচারকই যদি হয় অত্যাচারী তাহলে বিচার কার কাছে দেয়া হবে?দুদিন আগে ওবায়দুল কাদের এক এম পি কে চড় মেরেছেন এম পি কারো কাছে বিচার চাননি।এর মানে তো এই নয় যে এম পি চড়ে ব্যথা পাননি।

  3. এখন বলুন শিশুকালে বিয়ে দিয়ে

    এখন বলুন শিশুকালে বিয়ে দিয়ে মেয়ের যৌনাঙ্গ দিয়ে রক্ত বের করে সতী প্রমান করবেন নাকি প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দিয়ে অসতী আখ্যা নিয়ে শাস্তি ভোগ করবেন।

    হা হা হা। আপনাদের দেবতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও কিন্তু মৃণালিনী দেবীকে ৭ বছর বয়সে ধর্ষণ করেছিলেন। তাহলে এখন বলুন আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে সোনার বাংলা বাতিল করবেন, নাকি এই ধর্ষকের গান, কবিতা, নাটক আর পূজা অব্যাহত রাখবেন।

  4. পার্থিব- রবীন্দ্র নাথ নিশ্চই
    পার্থিব– রবীন্দ্র নাথ নিশ্চই মহামানব নয়? আর তার কাজ কর্ম হিন্দুদের আদর্শ ও নয়। এতটুকু কমন সেন্স আপনার থাকা উচিত ছিল।আর হ্যা মুহাম্মাদকে যে আপনি সাধারণ পাবলিকের সাথে তুলনা করলেন তার জন্য ধন্যবাদ।মুহাম্মদ যে সাধারণ পাবলিক ছাড়া কিছু নয় এই সত্যটি মুসলিম জাতি যত তাড়াতাড়ি অনুধাবন করতে পারবে সমাজ থেকে এই ধরণের জঘন্য কাজ ও ততো তাড়াতাড়ি দূরীভূত হবে।

    1. পার্থিব- রবীন্দ্র নাথ নিশ্চই

      পার্থিব- রবীন্দ্র নাথ নিশ্চই মহামানব নয়? আর তার কাজ কর্ম হিন্দুদের আদর্শ ও নয়।

      ও তার মানে আপনি স্বীকার করছেন- মুহাম্মদ সা মহামানব আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাধারন মানুষ। তহলে তো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমালচনা করা চলে কিন্তু মুহাম্মদ সা এর নয়। কারন মুহাম্মদ সা মহামানব আর আল্লাহর রাসূল ছিলেন বলেই তিনি আল্লাহর আদেশে আয়েশা রা কে বিয়ে করেছিলেন। আর মুহাম্মদ সা এর মৃত্যুর পরে আয়েশা রা সবচেয়ে বেশী ইসলাম প্রচারে ভূমিকা রেখেছিলেন। মা আয়েশার বর্নিত প্রায় ২০০০ এর বেশী হাদীস বুখারী শরীফে বর্নিত হয়েছে। ইসলাম ধর্মে আয়েশা রা এর ভূমিকা দেখতে আপনি নীচের লিংক যেতে পারেন–

      হযরত আয়েশা (রা): ইসলাম প্রচারে তাঁর ভুমিকা ও তাঁর মর্যাদা

      এসব কারনে আয়েশাকে বিয়ে করাটা প্রফেটিক বা অতিমানবীয়। তাই কোন সাধারন মানুষ ৬-৭ বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে গেলে সেটি অবশ্যই সমালচনার যোগ্য।

      1. মুহাম্মদ যে সাধারণ পাবলিক

        মুহাম্মদ যে সাধারণ পাবলিক ছাড়া কিছু নয় এই সত্যটি মুসলিম জাতি যত তাড়াতাড়ি অনুধাবন করতে পারবে সমাজ থেকে এই ধরণের জঘন্য কাজ ও ততো তাড়াতাড়ি দূরীভূত হবে।

        @ শুভ্র পল্লব

        আপনার যুক্তি মেনে মুহাম্মদকে সাধারন পাবলিক ধরলাম। আবার অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথও তো সাধারন পাবলিক। তাহলে যে যুক্তির নিরিখে আপনি মুহাম্মদের ধর্মকে ত্যাগ করতে বলছেন, তাকে ধর্ষক বলছেন , সেই একই যুক্তিতে রবীন্দ্রনাথকে ধর্ষক হিসেবে চিহ্নিত করে তার গান, কবিতা আর জাতীয় সংগীত বাদ দেবার দাবী জানালে সেটাকে তো অযৌক্তিক বলতে পারি না।

অ্যালেক্স শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 22 = 28