চিরঅম্লান বাঙলা !

কৃষ্ণবর্ণ ক্ষীর্ণকায় বাঙালি আর্য সংস্কৃতিতে ছিল ঘৃণ্য, তাই আত্মাভিমান ছিল তার প্রচন্ড। তার নির্দিষ্ট ভৌগলিক সীমারেখা তাকে দিয়েছে বিশেষ ভাষা, সাহিত্য কৃষ্টি ও শিল্প। ময়নামতি তার অতীত, তার গর্ব, তার ঐশ্বর্য। বারবার আমরা আক্রান্ত হয়েছি বিদেশীদের দ্বারা তবুও ভুলবো না এই বাঙলার সোনারগাঁও থেকেই একদিন সুলতান গিয়াসউদ্দিন আযম শা পারস্যের কবি হাফিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

মোঘল সেনাপতি একদিন এই বাঙলাকে শিল্পে সমৃদ্ধ করেছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁ বাঙলায় প্রাচুর্য়ের ঢল বয়ে গেছেন। রাজপুত পাঠান সন্তান বাঙলার মাটিতে এসে বাঙলার স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। সুদূর কান্যকুব্জ থেকে এসে সেন বর্মণেরা বাঙলা দেশের পরিচিতি দিয়েছেন। তবুও রাজশক্তির হানাহানি থেকে বাঙালি চিরদিন দূরে থাকতে চেয়েছে। বিদ্যাচর্চা করেছে, জ্ঞানের অন্বেষণে মগধ, কাশ্মীর ও তিব্বত পর্যন্ত ধাবিত করেছে। নদীর বুকে ছত্রিশ আর চৌষট্টি, দাঁড়ের ছিপ বেয়ে গেছে বাঙালি। পদ্মা, মেঘনাকে জয় করেছে, সুন্দরবনে বাঘের সঙ্গে সাপের সঙ্গে কুমীরের সঙ্গে সংগ্রাম করে বেঁচেছে। তাই তার দেবতা ব্রক্ষ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর নয় তার দেবতা শীতলা, মনসা, দক্ষিণ রায়…………

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

15 − 13 =