কবি রবীন্দ্র নাথের সাথে নবী মুহাম্মাদের তুলনা কতটা যৌক্তিক

?oh=e8fa4605dcd7cb41dd201e24c01d81e6&oe=593E6670″ width=”500″ />

রবীন্দ্র নাথ মৃনালী দেবীকে ৭ বছর বয়সে ধর্ষণ করেছিল তাই একজন ধর্ষকের গান কবিতা বা জাতীয় সংগীত বাদ দেয়া কেন অযৌতিক হবে ? আমার আগের পোস্ট এর “পড়তে এখানে কিলিক করুন “শেষ দুটি মন্তব্যের বিষয় বস্তু এই পোস্ট টি দিতে অনুপ্রাণিত করলো।

আমরা জানি নবী মুহাম্মদ ৫১ বছর বয়সে ৬ বছরের শিশু আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন।কাজটি ছিল অত্যন্ত অনৈতিক।আজকের দিনে এইরকম কাজ করার কথা কেউ চিন্তাতেও আনতে পারবে না।কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে এই অনৈতিক কাজ কে নৈতিক প্রমান করতে রবীন্দ্র নাথের বিয়েকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।নির্লজ্জভাবে করা হচ্ছে মিথ্যাচার।আসলে প্রকৃত সত্য কি তা এই পোস্টে আলোকপাত করার চেস্টা করা হয়েছে।মূল আলোচনায় যাওয়ার পূর্বে রবীন্দ্র নাথ ও মুহাম্মাদের সংক্ষিপ্ত জীবনী জেনে নেয়া যাক।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়।রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ,৩৮টি নাটক,১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তাঁর সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন।রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
জন্ম : মে ৭, ১৮৬১
জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)
মৃত্যু : আগস্ট ৭, ১৯৪১ (৮০ বছর)
জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)
সমাধিস্থল : কলকাতা
ছদ্মনাম : ভানুসিংহ ঠাকুর (ভণিতা)
জীবিকা : কবি ঔপন্যাসিক নাট্যকার প্রাবন্ধিক দার্শনিক সঙ্গীতজ্ঞ চিত্রশিল্পী গল্পকার
ভাষা : বাংলা, ইংরেজি
জাতি : বাঙালি
নাগরিকত্ব : ব্রিটিশ ভারত ব্রিটিশ ভারতীয়
সময়কাল : বঙ্গীয় নবজাগরণ
সাহিত্য আন্দোলন : প্রাসঙ্গিক আধুনিকতা
উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ : গীতাঞ্জলি (১৯১০), রবীন্দ্র রচনাবলী “গোরা” “আমার সোনার বাংলা” “ঘরে বাইরে”
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার : সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার
(১৯১৩)
দাম্পত্যসঙ্গী : মৃণালিনী দেবী (বি. ১৮৭৩–১৯০২)
আত্মীয় : ঠাকুর পরিবার

নবী মুহাম্মাদ; আরবি محمد মোহাম্মদ এবং মুহম্মদ নামেও পরিচিত; তুর্কি : মুহাম্মেদ), পূর্ণ নাম : আবু আল-কাশিম মুহাম্মাদ ইবনে ʿআবদুল্লাহ ইবনে ʿআবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম (ابو القاسم محمد ابن عبد الله ابن عبد المطلب ابن هاشم) হলেন ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামী বিশ্বাসমতে আল্লাহ বা ঈশ্বর কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ নবী (আরবি: النبي আন-নাবিয়্যু‎) যার উপর ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। অমুসলিমদের মতে তিনি ইসলামী জীবন ব্যবস্থার প্রবর্তক। অধিকাংশ ইতিহাসবেত্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতে মুহাম্মাদ ছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতা।
জন্ম : মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ
২৯ আগস্ট ৫৭০
মক্কা, আরব (অধুনা মক্কা, মক্কা প্রদেশ, সৌদি আরব)
মৃত্যু : ৮ জুন ৬৩২ (৬২ বছর)
ইয়াসরিব (মদিনা), আরব (অধুনা মদিনা, হেজাজ, সৌদি আরব)
মৃত্যুর কারণ : অসুস্থতা (প্রবল জ্বর)
সমাধি : মসজিদে নববী এর সবুজ গম্বুজের নিচের সমাধিক্ষেত্র, স্থান :মদিনা, সৌদি আরব
অন্য নাম : আহমাদ, আবুল কাসিম, রাসূল, নবী
জাতিসত্তা : আরব
ধর্ম : ইসলাম
দাম্পত্য সঙ্গী : খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ (৫৯৫-৬১৯)
সাওদা বিনতু জামা (৬১৯-৬৩২)
আয়িশা (৬১৯-৬৩২)
হাফসা বিনতে উমর (৬২৪-৬৩২)
জয়নব বিনতে খুযায়মা (৬২৫-৬২৭)
উম্মে সালামা হিন্দ বিনতু আবি উমাইয়া (৬২৯-৬৩২)
জয়নব বিনতে জাহশ (৬২৭-৬৩২)
জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিস (৬২৮-৬৩২)
রামালাহ বিনতে আবি-সুফিয়ান (৬২৮-৬৩২)
রায়হানা বিনতে জায়েদ (৬২৯-৬৩১)
সাফিয়া বিনতে হুওয়াই (৬২৯-৬৩২)
মাইমুনা বিনতে আল-হারিস (৬৩০-৬৩২)
মারিয়া আল-কিবতিয়া (৬৩০-৬৩২)
সন্তান পুত্রগণ : কাসিম, আবদুল্লাহ, ইবরাহিম
কন্যাগণ : জয়নব, রুকাইয়াহ, উম্মে কুলসুম, ফাতিমা
পিতা : আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব
মাতা : আমিনা
আত্মীয় : আলি, উমর, আবু বকর, আবু সুফিয়ান

সংক্ষিপ্ত জীবনী দেখলাম।এবার মূল আলোচনায় আশা যাক।মুসলিম ভাইদের দাবি রবীন্দ্র নাথ মৃণালিনী দেবীকে ৭ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন।তাই মুহাম্মদ যদি আয়েশাকে ৬ বছরে বিয়ে করে ধর্ষক হয় তাহলে রবীন্দ্র নাথ ও মৃনালীকে ৭ বছরে বিয়ে করার জন্য ধর্ষক।এক দিক থেকে যুক্তিটা ঠিক আছে।যদিও বিকৃত মনের যুক্তি।কিন্তু মৃনালী দেবীর বয়স যদি ৭ বছর না হয় তাহলে এই যুক্তির যৌক্তিকতা কোথায় থাকবে।চলুন দেখা যাক…

উইকিপিডিয়া এবং বিশ্বভারতীর তথ্য মতে মৃণালিনী দেবী ১৮৭৩ সালের মার্চ মাসে জন্মগ্রহণ করেন আর ১৮৮৩ সালের ডিসেম্বর মাসে রবীন্দ্র নাথের সাথে তার বিয়ে হয় সংখ্যা টা হিসেবে করলে দাঁড়ায় ১০ বছর ৯ মাস অর্থাৎ মৃনালী দেবীর বয়স ৭ বছর দেখানো মুসলিম ভাইদের জঘন্য মানসিকতার প্রমান রাখে।

অপর দিকে আয়েশা ৬১৩ সালে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ৬১৯ সালে মুহাম্মাদের সাথে তার বিয়ে হয় সংখ্যা টা হিসেবে করলে দাঁড়ায় ৬ বছর।দেখুন আয়েশার নিজের মুখে বলা একটি হাদিস

সহি বুখারি, ভলুম-৭, বই -৬২, হাদিস নং- ৬৫
আয়েশা হতে বর্নিত- মহানবী তাকে ছয় বছর বয়েসে বিয়ে করেন, নয় বছর বছর বযেসে তাদের বিবাহিত জীবন শুরু হয়। হিসাম জানিয়েছিল- আমি জেনেছি আয়েশা মহানবীর মূত্যুর আগ পর্যন্ত নয় বছর যাবত বিবাহিত জীবন অতিবাহিত করেছিলেন।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে মুসলিম ভাইদের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার যে চেষ্টা তা প্রতিনিয়ত বৃথা যাচ্ছে।আসলে তারা বুঝতে চাই না যে মিথ্যা দিয়ে কখনো সত্যকে চাপা দেয়া যায়না।

পরিশেষে বলি রবীন্দ্র নাথ বিয়ে করেছিলেন তার পরিবারের ইচ্ছাই।আর মুহাম্মদ বিয়ে করেছিলেন কামতাড়িত হয়ে।তাই মুহাম্মাদের অনৈতিক কাজ কে নৈতিক প্রমান করতে রবীন্দ্র নাথকে কলংকিত করে মিথ্যাচার করা সুস্থ মানসিকতার পরিচয় রাখে না।বরং এইটা বলে আপনারা গর্ববোধ করতে পারেন যে,মুহাম্মাদের ১৩ টা স্ত্রী ছিল রবীন্দ্র নাথের ছিল একটা।মুহাম্মাদের ২ জন স্থায়ী যৌন দাসী ছিল রবীন্দ্র নাথের একটিও না।মুহাম্মাদের অগণিত ডান হাতের মাল ছিল কিন্তু রবীন্দ্র নাথের একটিও ছিল না।মুহাম্মদ হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছিলেন কিন্তু রবীন্দ্র নাথ একজন কে ও হত্যা করতে পারে নি।মোটকথা মুহাম্মাদের এই সকল কার্যাবলী হিসেব করলে রবীন্দ্র নাথ মুহাম্মাদের কাছে নিতান্তই একটি শিশু ছাড়া আর কিছুই নয়।কাজেই রবীন্দ্র নাথের সাথে মুহাম্মাদকে তুলনা মূলত মুহাম্মাদকে অপমানের সামিল।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “কবি রবীন্দ্র নাথের সাথে নবী মুহাম্মাদের তুলনা কতটা যৌক্তিক

  1. কবি রবীন্দ্র নাথের সাথে নবী

    কবি রবীন্দ্র নাথের সাথে নবী মুহাম্মাদের তুলনা কতটা যৌক্তিক

    হা হা হা। আপনার বুদ্ধির দৌরত্ব আমাদের বোঝা হয়ে গেছে। কোনদিনই মুহাম্মদ সা এর সাথে রবীন্দ্রনাথের তুলনা করা হয় নি। আপনি আগের পোস্টে মুহাম্মদ সা অপরাধীর কাঠগরায় দার ্করিয়েছিলেন তিনি ৬ বছরের আয়েশা রা কে বিয়ে করেছিলেন এই দোষে। আমি বলেছিলাম তাহলে তো রবীন্দ্রনাথও ৭ বা ১০ বছরের মেয়ে বিয়ে করেছিল। তাহলে তো রবীন্দ্রনাথও একই অপরাধে অপরাধী। তুলনা শুধু এই ক্ষেত্রে করা হয়েছিল।

    অতঃপর আপনার গবেষণা থেকে যানা গেল-

    পরিশেষে বলি রবীন্দ্র নাথ বিয়ে করেছিলেন তার পরিবারের ইচ্ছাই।আর মুহাম্মদ বিয়ে করেছিলেন কামতাড়িত হয়ে।

    বাহঃ একেই বলে মিথ্যাচার। তা রবীন্দ্রনাথ বিয়ের জন্য কামতাড়িত হয়ে বিয়ে করেননি সেটি আপনি জানলেন কিভাবে? পৃথিবীর কোন পুরুষ কামতাড়িত না হয়ে বিয়ে করে! কাম বা যৌন আকাংখ্যা আছে বলেই মানুষ বিয়ে করে। তাছাড়া রবীন্দ্রনাথা কামতাড়িত ছিলেন বলেই ১০ বছরের মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। ৬ বছরের মেয়ে কামতাড়না পুরনের জন্য উপযুক্ত নয় কখনই।

    আপনার হাস্যকর যুক্তিগুল কেবল হাসিরই খোরাক যোগাবে, এর বেশী কিছু নয়।

    1. আমি বলেছিলাম তাহলে তো
      আমি বলেছিলাম তাহলে তো রবীন্দ্রনাথও ৭ বা ১০ বছরের মেয়ে বিয়ে করেছিল।

      বাহ্ বাহ্ মিথ্যাচার তো ভালোই শিখেছেন আর কামতাড়ণা না থাকলে একজন বুড়ার কখনো একটা শিশুকে বিছানায় নেয়ার কথা মাথায় আসে না

  2. তাই মুহাম্মাদের অনৈতিক কাজ কে

    তাই মুহাম্মাদের অনৈতিক কাজ কে নৈতিক প্রমান করতে রবীন্দ্র নাথকে কলংকিত করে মিথ্যাচার করা সুস্থ মানসিকতার পরিচয় রাখে না।বরং এইটা বলে আপনারা গর্ববোধ করতে পারেন যে,মুহাম্মাদের ১৩ টা স্ত্রী ছিল রবীন্দ্র নাথের ছিল একটা।মুহাম্মাদের ২ জন স্থায়ী যৌন দাসী ছিল রবীন্দ্র নাথের একটিও না।মুহাম্মাদের অগণিত ডান হাতের মাল ছিল কিন্তু রবীন্দ্র নাথের একটিও ছিল না।মুহাম্মদ হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছিলেন কিন্তু রবীন্দ্র নাথ একজন কে ও হত্যা করতে পারে নি।

    মুহাম্মদ সা নৈতিক না অনৈতিক সেটা তার স্ত্রীগনই ভাল বলতে পারবেন। মুহাম্মদ সা এর কোন ১৩ জন স্ত্রীর মধ্যে কেউই তাকে ছেড়ে যান নি বা অত্নহত্যা করেন নি। বরং প্রত্যেক স্ত্রী নবী মুহাম্মদকে নিয়ে গর্ব করতেন। আর নবী মুহাম্মদ সা এর আদর্শ সবচেয়ে বেশী লালন করেছিলেন তার স্ত্রী আয়েশা (রা)। মুহাম্মদ সা এর মৃত্যুর পর ইসলাম প্রচারে সবচেয়ে বেশী অগ্রনী ছিলেন আয়েশা (রা)। ইসলামের মূল হাদীস গ্রন্থগুলোতে (বুখারী, মুসলিম) শুধু আয়েশার (রা) প্রায় ২০০০ হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে।

    কাজেই রবীন্দ্র নাথের সাথে মুহাম্মাদকে তুলনা মূলত মুহাম্মাদকে অপমানের সামিল।

    জি আপনার কথাটা ১০০% সহী। আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি রবীন্দ্রনাথ তার শিশু স্ত্রী মৃনালিনী দেবীকে মোটেও পাত্তা দিতেন না। মৃনালিনী দেবীর সাথে সম্পর্ক মোটেও ভাল ছিল না। চুটিয়ে প্রেম করতেন তারই আপন ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা ঠাকুরের সাথে। ২৫২টি পত্র তিনি ইন্দিরাকে লিখেন। এছাড়া ভিক্টোরিয়া ওকম্পো নামের এক বিদেশী মহিলার সাথে রবীন্দ্রনাথের পরকীয়া ছিল। কাদম্বরী, শ্যামা সহ আরো অসংখ্য নারীর সাথে রবীন্দ্রনাথে অনৈতিক সম্পর্কের কথা না হয় বাদই দিলাম।

    মুহাম্মদ হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছিলেন কিন্তু রবীন্দ্র নাথ একজন কে ও হত্যা করতে পারে নি।

    ঘরের কোনে প্রেম-পরকীয়ায় যারা ব্যাস্ত থাকে তারা তো যুদ্ধে গিয়ে শত্রুকে হত্যা করার সময় পাবার কথা নয়। যুদ্ধ আর সংঘাত ছাড়া পৃথিবীর ভাল কোন কিছুই লাভ হয় না, এমন কি স্বাধীনতাও না। তাই মুহাম্মদ (সা) এর জীবনের একটা বড় অংশ ছিল যুদ্ধ। আর যুদ্ধ মানেই তো শত্রুকে হত্যা করা। এটাই তো স্বাভাবিক।

    1. মৃনালিনী দেবীর সাথে সম্পর্ক
      মৃনালিনী দেবীর সাথে সম্পর্ক মোটেও ভাল ছিল না। চুটিয়ে প্রেম করতেন তারই আপন ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা ঠাকুরের সাথে। ২৫২টি পত্র তিনি ইন্দিরাকে লিখেন। এছাড়া ভিক্টোরিয়া ওকম্পো নামের এক বিদেশী মহিলার সাথে রবীন্দ্রনাথের পরকীয়া ছিল। কাদম্বরী, শ্যামা সহ আরো অসংখ্য নারীর সাথে রবীন্দ্রনাথে অনৈতিক সম্পর্কের কথা না হয় বাদই দিলাম।

      আমিতো শুনেছি রবীন্দ্র নাথ হাজার হাজার জারজ বাচ্চা পয়দা করেছিল যেমন করেছিল মুহাম্মদ দাসী মারিয়ার গর্ভে

  3. আচ্ছা রবীন্দ্রনাথকে না হয়
    আচ্ছা রবীন্দ্রনাথকে না হয় বাদই দিলাম। এবার আপনাদের কথা আলোচনা করা যাক। আপনারা তো মুক্তচিন্তার উদার মানুষ।
    তাহলে কেন আপনাদের অভিজিত রায়ের প্রথম স্ত্রী আত্নহত্যা করেছিল? কেন আপনাদের রাজীব হায়দারের স্ত্রী পরকীয়ায় অতিষ্ট হয়ে রাজীবকে তালাক দিয়েছিল? কেন বাসর রাতেই আপনাদের তসলিমা নাসরিনের সংসার ভেংগে গিয়েছিল? কেন হূমায়ূন আজাদ মদ্যপ হয়ে হোটেল কক্ষে মারা গিয়েছিলেন?

    যারা ওঝা সেজে ভূত তাড়াবে, তাদের জীবনই তো ঘুটঘুটে কাল অন্ধকারে ঢাকা। অথচ ভাবখানা যেন ধোয়া তুলসী পাতা।

  4. আচ্ছা রবীন্দ্রনাথকে না হয়
    আচ্ছা রবীন্দ্রনাথকে না হয় বাদই দিলাম। এবার আপনাদের কথা আলোচনা করা যাক। আপনারা তো মুক্তচিন্তার উদার মানুষ।তাহলে কেন আপনাদের অভিজিত রায়ের প্রথম স্ত্রী আত্নহত্যা করেছিল? কেন আপনাদের রাজীব হায়দারের স্ত্রী পরকীয়ায় অতিষ্ট হয়ে রাজীবকে তালাক দিয়েছিল? কেন বাসর রাতেই আপনাদের তসলিমা নাসরিনের সংসার ভেংগে গিয়েছিল? কেন হূমায়ূন আজাদ মদ্যপ হয়ে হোটেল কক্ষে মারা গিয়েছিলেন?

    হ্যা এইবার জাগায় এসেছেন।আমি না মুহাম্মাদের উম্মত না রবীন্দ্র নাথের উম্মত আর না রাজীব ,হুমায়ুন ,তাসলিমার অনুসারী।আমি সত্য প্রকাশ করেছি আর সেই সত্য যদি কোনো সর্বকালের আদর্শ বেক্তির সাথে মিলে যাই তাহলে সে তো দৃষ্টান্ত হিসেবে আসবেই।আর তাতে আপনি বেথিত হলে তো আমার কিছু করার নেই।অবশ্য যারা অনৈতিক কে অনৈতিক মানতে পারে না তাদের সাথে এসব কথা বলা আর উলু বনে মুক্ত ছাড়ানো একই কথা।

    1. হ্যা এইবার জাগায় এসেছেন।আমি

      হ্যা এইবার জাগায় এসেছেন।আমি না মুহাম্মাদের উম্মত না রবীন্দ্র নাথের উম্মত আর না রাজীব ,হুমায়ুন ,তাসলিমার অনুসারী।

      না পেরে আবার সেই পিঠ টান। সারা বাংলাদেশের মুক্তমনা, নাস্তিকদের একমাত্র আর প্রধান আদর্শ হচ্ছে অভিজিত, রাজীব হায়দার, হুমায়ূন আজাদ আর তসলিমা নাসরিন। এদের অনুসারী না হলে সে কিছুতেই ইসলাম বিদ্বেষী, মুক্তমনা হতেই পারে না।

      আমি সত্য প্রকাশ করেছি আর সেই সত্য যদি কোনো সর্বকালের আদর্শ বেক্তির সাথে মিলে যাই তাহলে সে তো দৃষ্টান্ত হিসেবে আসবেই।আর তাতে আপনি বেথিত হলে তো আমার কিছু করার নেই।

      ঠিক। আপনি সত্য প্রকাশ করেছেন। কিন্তু সেটা আংশিক। আপনি ঘোড়ার লেজের আগা দেখিয়ে অন্ধকে বোঝাতে চেয়েছেন ঘোড়া দেখতে কিরকম। এই চালাকিটা আমরা ভালই বুঝি। তাই এর পর থেকে যখন ৬ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করার জন্য নাক সিটকাবেন, তখন দয়া করে মা আয়েশার নিজের মুখে বর্ননা করা নীচের হাদীসটাও দিবেন আশা করি-

      হযরত আয়েশা (রা) বলতেন আমি গর্বের জন্য নয় , বরং বাস্তব কথাই বলছি। আর তা হল, আল্লাহ তায়ালা এমন কয়েকটি বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যা আর কাউকে দান করেননি। আমার সাত বছর বয়সে রাসুল (সা) আমাকে বিয়ে করেছেন, নয় বছর বয়সে আমি স্বামী গৃহে গমন করেছি, আমিই ছিলাম রাসুল (সা) এর একমাত্র কুমারী স্ত্রী , যখন তিনি আমার বিছানায় থাকতেন তখন ওহী নাযীল হতো, আমি ছিলাম রাসুল সা এর সর্বাধিক প্রিয় স্ত্রী, আমার নির্দোষতা ঘোষণা করে কোরআনে আয়াত নাযীল হয়েছে, রাসুল সা আমার কোলে মাথা রেখে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন, আমি তার খলিফা ও তার সিদ্দিকের কন্যা, রাসুলুল্লাহর (সা) জীবনের শেষ মুহুর্তে আমার মুখের লালা তার মুখের লালার সাথে মিলেছে, আমার ঘরেই তাঁর কবর দেয়া হয়েছে। [সুত্রঃ সিয়ারু আলাম আন-নুবালা ৩/১৪০-১৪১]

      আর হ্যা যখন অন্যের জীবনের অনৈতিকতা নিয়ে লিখবেন, তখন আয়নায় একটু নিজেদের চেহারাটা দেখে নিবেন। আপনাদের জীবনের অনৈতিকতার লিস্টটা কিন্তু অনেক বড়। সময় পেলে সেসব নিয়ে পরে আলোচনার ইচ্ছা আছে।

  5. রাসুলুল্লাহর (সা) জীবনের শেষ
    রাসুলুল্লাহর (সা) জীবনের শেষ মুহুর্তে আমার মুখের লালা তার মুখের লালার সাথে মিলেছে

    আপনি যে সূত্র দিলেন তাতে কিন্তু আপনার নবী আরো কলংকিত হয়।অনেকে ধারণা করেন যে অত্যধিক যৌন ক্রীড়ার ফলে নবীর মৃত্যু হয়েছে।আর এজন্য আয়েশাকে অনেকে দোষী করে।আপনার এই সূত্র কিন্তু তার ই প্রমান করে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

63 + = 67