গাবরমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তার দাবি করছি

দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি আর মাস্তানিতে সব বাঘা-বাঘা মন্ত্রী-এমপি-মেয়রদের পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে গাবরমন্ত্রী শাজাহান খান, যাকে সহ্য করতে অনেক ধৈর্য্যের দরকার।

হারামীটা পরীক্ষা ছাড়া লাখ লাখ ড্রাইভারদের লাইসেন্স দিতে সুপারিশ করেছে, আবার সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ি ড্রাইভারদের যেন পুলিশ তদন্ত না করে এবং তাদের শাস্তি যেন কোনভাবেই তিন বছরের বেশি না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে।

সরকারি দলের আলোচনা সভায় মাথা সাপ্লাই দিয়ে আর গার্মেন্টস শ্রমিকদের দমিয়ে রেখে প্রধানমন্ত্রীর আস্থা অর্জন করে তার বুকের ছাতি একশ ইঞ্চি হয়ে গেছে। বোকা**টা আবার ১৯৫জন পাকি সেনা কর্মকর্তার বিচারের দাবিতে একটা গণ-আদালত করেছিল, যার কথা শোডাউন শেষ হবার পর নিজেই ভুলে গেছে।

তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর ও আরো তিনজনের মৃতুর জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় মানিকগঞ্জের একটি আদালত চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্সের ড্রাইভার জমির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়ায় যত গোলমাল।

চাঞ্চল্যকর এই মামলাটির বিচারকাজ চলার সময় প্রভাব খাটিয়ে এর গতি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছিল শাজাহান। তাতে ব্যর্থ হয়েই জাসদ থেকে এখন আওয়ামীলীগের নেতা বনে যাওয়া শাজাহান এখন তার পোষা বাস মালিক ও ড্রাইভারদের দিয়ে ধর্মঘট করিয়ে প্রতিশোধ নিচ্ছে, কেননা সড়ক নিরাপত্তা আইনের খসড়া খুব শীঘ্রই মন্ত্রীসভার বৈঠকে উঠবে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের দ্বিতীয় নেতা ওবায়দুল কাদের ও আইনমন্ত্রী শাজাহানকে আইনী প্রক্রিয়া বুঝিয়ে দিলেও হারামীটা বুঝতে পারছেনা। সে বুঝে খালি গরু-ছাগল।

এর আগে লঞ্চ দুর্ঘটনা রোধে মোবাইল কোর্টে পরিচালনা করতে গিয়ে এক মেজিস্ট্রেট শাজাহানের মেয়ের মালিকানাধীন একটি লঞ্চের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় জরিমানা করেছিল।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এইরকম মাতারি আপনার দলে একটা থাকলেই যথেষ্ঠ! অবশ্য আপনার বা আপনাদের তো আসলে লজ্জাশরম নাই। কারে কি কই!!!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

61 − = 54