মুসলমান-মসজিদ-মাদ্রাসা-মাওলানা !

[•] জঙ্গিবাদ বিরোধী ফতোয়া দিয়ে মিডিয়াতে হিট হওয়া বিশিষ্ট মুসলমান মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসউদ এবার কথা বললেন সুপ্রিম কোর্টের সামনে স্থাপন করা গ্রিক দেবীর ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে !! নাহ, অবাক হইনি মোটেও । কারন, এটাই সহিহ মুসলমানের আসল রুপ বাকি সব অস্কার পাওয়ার মতন অভিনয় মাত্র ।

[•] আর সব মুসলমানের মতনই আমেরিকা যাওয়ার লোভ সামাল দিতে না পারা এই মাওলানা জঙ্গিবাদ বিরোধী লাখো আলেমের ফতোয়ার কপি হাতে নিয়ে জাতিসংঘে দাখিল করার বাহানায় ঘুরে এলেন নিউ ইয়র্ক আর গ্রাউন্ড জিরোর সামনে দাঁড়িয়ে ১১ সেপ্টেম্বরের বিমান এম্বুশে মুসলিমদের হাতে নিহত কয়েক হাজার মৃত মানুষকে উপহাস করে হয়তো বলেছিলেন “ইসলাম শান্তির ধর্ম”…..

[•] মুসলমান বোরকা পরলেও যেমন মুসলমান তেমনি শাড়ি,জিন্স পরলেও মুসলমানই । এদের মননের ক্ষেত্রে পোষাক তেমন কোন ভূমিকা রাখে না , রাখতে পারার মতন কোন উপায়ও নাই কারন, একমাত্র শান্তির ধর্মের অনুসারীদের পক্ষেই সম্ভব আফগানিস্তানে বোমা মেরে বৌদ্ধ মূর্তি উড়িয়ে দেয়া,বাংলাদেশে ফেসবুকে ভুয়া পোষ্ট দিয়ে হিন্দু বৌদ্ধদের উপাসনালয় জ্বালিয়ে ছাই করে লুটপাট করা আর এসব লুটপাটের জিনিস দিয়ে বড়লোক হওয়া এবং আমেরিকা , জার্মানি ও ফ্রান্সে কুপিয়ে গুলি করে ট্রাক উঠিয়ে দিয়ে মানুষ হত্যা করা (মুসলমানের ভাষায় কাফের হত্যা করা)…

[•] হিজাবী যে বাংলাদেশী মুসলিম হোয়াইট হাউসের কাজ থেকে ইস্তফা দিয়েছে ট্রাম্পের মুসলিম অভিবাসন আদেশের বিরুদ্ধে এই একই হিজাবী মুসলিম কিন্তু ফ্লোরিডা কিংবা নাসিরনগরের ঘটনার ব্যাপারে একদম চুপ ছিলো! কিংবা বৃটেনের যে টিউলিপ সিদ্দিকি বলল “আমি ট্রাম্পের বড় দু:স্বপ্ন” ….. এই মোসাম্মত টিউলিপদের কোন আওয়াজ কিন্তু শুনতে পাই নি নাসিরনগরের/রামুর ঘটনার ব্যপারে …… এমনকি যেভাবে ২০১৬ সাল জুড়ে বাংলাদেশে চাপাতি দিয়ে ইসলামের পবিত্রতা রক্ষা করতে সমানে কাফেরদের দুই টুকরা করে যাচ্ছিল নিব্রাশ টুথব্রাশ আর বাকি সব কিউট কিউট মুসলমান যুবকেরা তখনও !!

[•] মুসলমান মসজিদে গিয়ে আদতে কি করে সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ এবং বিতর্কের কারন । মসজিদ যদিও মুসলমানের মতে আল্লাহর ঘর কিন্তু এই মসজিদ হল মুসলমানের সন্ত্রাসী কাজকামের মূল ঘাটি এবং সেফ জোন । মাদ্রাসা হল জিহাদি রিক্রুটের ইসলাম সম্মত হালাল আদর্শ প্রতিষ্ঠান । যে কারনে এখন পর্যন্ত যত মুসলিম জঙ্গিই ধরা পরেছে সবকয়টাই হয় মাদ্রাসা ভিত্তিক প্রশিক্ষিত নয়তো মসজিদে দিনের পর দিন ধর্মীয় আলোচনার নামে কাফের মারার প্ল্যান করেছে বলে পরে প্রকাশ পেয়েছে ।

[•] মুসলমানের বোমা হামলা, ট্রাক হামলা, বিমান হামলা এবং চাপাতি হামলার পর কাফেরের রক্তে জঙ্গি উল্লাসে মত্ত থাকা সব মুসলমানদের পক্ষে কথা বলে/বলেছে কিছু মাওলানা । যাদের লক্ষ্য থাকে যে করেই হোক লোকের নজর সরিয়ে দেয়া, বিভ্রান্ত করা এবং এইসব ইসলামি খুন খারাবিকে জায়েজ করার জন্য সম্ভব সব কিছু করা । এইসব মুসলিম মাওলানারা মানুষের রক্তাক্ত লাশের উপর দাঁড়িয়ে বলতে থাকে “ইসলিম শান্তির ধর্ম….. যেসব মুসলমান এসব বোমা হামলার সাথে জড়িত তারা বিপথগামি,তারা সহিহ মুসলিম না,ইসলাম এসব হত্যা সমর্থন করে না…… ইসলাম শান্তির ধর্ম !!!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 + 1 =