স্বাধিনতা কবে ছিল?

আজ ৭ ই মার্চ
এই দিনে মুজিব ডাক দিয়েছিল বিধায় চেতনার জানালা উন্মোচিত হয়েছিল বাঙালীর মনে প্রানে।
তাই হয়ত আমারা আজ স্বাধিন হয়েছি বলে দাত কেলাই।
কিন্তু প্রশ্ন হল সত্যি কি আমরা স্বাধিন?
নাকি স্বাধিন নামক একটা মোরকে আবদ্ধ।
আজ আমার এই লেখা বেশি বড় করব না
বলতে পারেন এ আমার অভিমত।
আমি বেক্তিগত ভাবে মনে করি স্বাধিনতা প্রতিষ্ঠা লাভ এর পূর্বে হয়ত মানুষের নূন্যতম বাক স্বাধিনতা ছিল।
যদি নাই থাকতো তাহলে কি করে এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে প্রকাশ্যে ১৭ মিনিটের বক্তব্য দিয়েছিল?
জনকের বক্তব্য যদি লক্ষ্য করে দেখি তাহলে বোঝা যাবে তা সম্পূর্ণ তৎকালিন সরকার বিরুদ্ধতা।
কিন্তু মজার বিষয় হল তখন কিন্তু কেউ বাধা দেয় নি।
দেশ স্বাধিন হল
মুজিব কে হত্যা করা হল
আবার দেখুন তখন কিন্তু আরজ আলি মাতুব্বর বেচেছিল। তিনি ছিলেন একজন বাংলাদেশের দার্শনি,মানবতাবাদী, মুক্ত চিন্তাবিদ এবং লেখক। যে কিনা সত্যের সন্ধানে ও সৃষ্টির রহস্য লিখে প্রমান করে গিয়েছেন সত্য কত সুন্দর।কই কেউ তো তখন বাধা হয়ে দারায় নি! তারপর যদি বলি এদেশিয় সন্তান আহমদ শরীফ স্যার।একজন ভাষাবিদ,খ্যাতনামা মনীষী।তিনি জন্মসূত্রে মুসলমান হলেও স্বঘোষিত নাস্তিক হিসেবে পরিচয় দিত।অনেকে তাকে মুরতাদ বা ধর্মত্যাগী ঘোষনা করেন। ধর্মীও কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সবসময় সক্রিয়। কিন্তু কই তাকে তো কেউ কোপাতে আসেনি!
তারপর খোন্দকার আশরাফ ও আরো অনেকে
মোট কথা ৭১ এর আগে আর কিছু থাকুক আর না থাকুক লেখা,বা ভাব প্রকাশের অধিকার ছিল।
লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন স্বাধিনতার পর কোন মুক্তচিন্তা বা মননশীল বেক্তির ভাব প্রকাশের অধিকার কেরে নিয়েছে কোননা না কোন সরকারি দল।
স্বাধিনতার এত বছর পর অপঘাতে মৃত্যু হয়েছে
হুমাউন আজাদ স্যার
দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছে Taslima Nasreen দিদিকে
প্রান হারাতে হয়েছে অভিজিৎ দাকে নিলাদ্রি,বাবু,অনন্ত,রাজিব দা ছাড়া বহু লেখক প্রকাশককে।
বন্ধ করে দিয়েছে বহু মননশীল বেক্তির মুখ
এদের সকলের অপরাধ ছিল মুক্তচিন্তা করা।
অন্ধদের আলো দান করা।
পরিশেষে আমার প্রশ্ন হল আমরা কি সত্যি স্বাধিনতা লাভ করতে পেড়েছি নাকি আবার যুদ্ধ করতে হবে।
ফিরিয়ে আনতে হবে মুক্ত ভাবে ভাব প্রকাশের সতেজ অনুভূতি।
ধন্যবাদ
#টিটপ_হালদার

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

58 − 53 =