মাদ্রাসা হুজুরদের নোংরামি ধর্ষিত হাফেজের জবানবন্দি

সকালে জ্ঞান ফিরলে আমি বুজতে পারলাম আমার পিছনের চামড়া ছিড়ে গেছে।ডাক্তার এসে সেখানে ব্যাণ্ডেজ করে দিয়েছে সেদিন আমার বাড়ির লোক এসে আমাকে নিয়ে যায় হুজুরেরা।আমার বাড়ির লোকদের বলেছিলো আমি গাছ থেকে পরে গিয়েছিলাম।আর গাছের একটি ডাল ওখানে ঢুকে এই অবস্থা হয়েছে।বাড়ির লোকদের সত্য ঘটনা বোঝানোর আমি অনেক চেষ্টা করেছি।কিন্তু হুজুররা এরকম করতে পারে তারা তা বিশ্বাস করে নি।আসলে বিশ্বাস করেনি বললে ভুল হবে।আমার পরিবার বা সমাজ চাইনি এই লজ্জাকর ঘটনা লোক সম্মুখে বলে নিজ ধর্মকে হেয় করতে।
?oh=92050fda649a8852e1efcefca1005fea&oe=592817ED” width=”500″ />

মাদ্রাসা হুজুরদের বিকৃত যৌনতার কাহিনী শুধু শুনেছেন কিন্তু বাস্তবে দেখেননি।আজ আমি সেই কাহিনীই আপনাদের দেখাবো।মুমিন ভাইরা এটাকে নাস্তিকদের ষড়যন্ত্র বলবেন।তাই এখানে একটি ভিডিও দিয়ে দিয়েছি।ভিডিওটি দেখে আপনাদের মন্তব্য প্রদান করবেন।হাফেজ কিভাবে হয়, হতে কতদিন সময় লাগে, এ ধরণেরই কথা হচ্ছিলো আমার প্রতিবেশী এক মুসলিম ভায়ের সাথে।কথা প্রসঙ্গে সে জানালো সেও শিশু বয়সে হাফেজ হওয়ার জন্য মাদ্রাছায় ভর্তি হয়েছিল।কিন্তু মাদ্রাসা হুজুরদের নোংরামির কারণে সে আর হাফেজ হতে পারে নি। কিন্তু কেন।কি ঘটেছিলো তার সাথে। তারই একটি বাস্তব কাহিনী তুলে ধরা হচ্ছে এখানে। সে বলছিলো ….

?oh=92050fda649a8852e1efcefca1005fea&oe=592817ED” width=”500″ />

আমরা একসাথে ২৫ জন ছাত্র একসাথে থাকতাম।কিন্তু প্রতি রাতে মাদ্রাছার বড়ো হুজুরের সাথে একজন ছাত্রকে রাতে থাকতে হতো। এভাবে একদিন আমার পালা আসলো।হুজুর তার ঘরে আমাকে নিয়ে দরজা বন্দ করে দিলো।আমি তখন ও জানতাম না হুজুর প্রতি রাতে ছাত্রদের সাথে কি করতো।আর আমার সহপাঠী অন্য ছাত্ররা যারা এর আগে হুজুরের সাথে রাত কাটিয়েছে তারাও এই বিষয়ে কাউকে কিছু বলতো না।এ কারণেই আমার মনের মধ্যে কোনো ভয় বা দুশ্চিন্তা ছিল না।মনে মনে ভাবছিলাম হুজুর মনে হয় রাত্রে একাএকা থাকতে ভয় পায় বা কিভাবে কোরান পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্ত হবে তাড়াতাড়ি হাফেজ হওয়া যাবে এ বিষয়ে বিশেষ কোনো তালিম দেবে।কিন্তু আসলে সেই রাতে আমার জন্য কি দুর্ভোগ নেমে আসছে তা আমার মাথাতে কখনোই আসে নি।

দরজা বন্ধ করে হুজুর আমার হাতটি ধরে তার খাটের উপর বসিয়ে আমার মাথাটি ধরে মুখে একটি চুমো দিলো।আমি অসস্তি প্রকাশ করে একহাত দিয়ে মুখে লাগা লালা মুছতে লাগলাম।কিন্তু হায় আল্লা মুখের লালা মুছে সামনে তাকাতেই আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো।হুজুর তার গায়ে থাকা সমস্ত পোশাক খুলে ফেলেছে। এর পর হাসি হাসি মুখে হুজুর আমার কাছে এসে আমার গায়ে থাকা সব কাপড় খুলে ফেললো।আমি লজ্জায় আমার দুহাত দিয়ে আমার পুরুষাঙ্গ ঢাকার চেচ্টা করলাম।কিন্তু হুজুর আমার কাছে এসে আমাকে বিছানায় তুলে আমার সমস্ত গায়ে চুমু খেতে লাগলেন এবং জিভ দিয়ে চাটতে লাগলেন।আমার পিছন দিকটাই হাত নিয়ে মাশাল্লা মাশাল্লা বলে চাপতে লাগলেন।এটুকু বলে লোকটি খুব বাজে ভাষায় হুজুরকে গালিগালাজ করলো।অতঃপর আবার বলতে শুরু করলো..

হুজুরের এই নোংরামি আমাকে প্রচন্ড অসস্তি দিচ্ছিলো।আমি বার বার হুজুরের হাতথেকে নিজেকে ছাড়াবার চেষ্টা করছিলাম।কিন্তু হুজুরের শক্তির সাথে আমি পেরে উঠছিলাম না।হুজুর জোর করেই তার বিকৃত যৌন লালসা আমার উপর প্রয়োগ করতে লাগলো।এর পরের কথাগুলো আসলে প্রচার যোগ্য নয় সত্য জবান বন্ধি বিধায় কথা গুলো তুলে ধরলাম।হুজুর তার উত্থিত পুরুষাঙ্গ আমার মুখে দেয়ার চেস্টা করলো।আমি মুখ বন্দ করে তা পতিহত করার চেস্টা করলাম।কিন্তু হুজুর আমার গলা চেপে ধরে তার পুরুষাঙ্গ আমার মুখে ঢুকিয়ে দিলো।কিছু সময় পর হুজুর আমার পায়ু পথ ব্যবহারের চেস্টা করলো আমি তখন জোরে জোরে চিৎকার করছিলাম আর হুজুরকে গালি দিচ্ছিলাম।হুজুর আমার মুখ চেপে ধরে বলছিলো আমাকে সুখ না দিলে তোকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেব।আমাকে যে যত বেশি সুখ দেয় সে তত তাড়াতাড়ি হাফেজ হয়ে যায়।এরপর প্রচন্ড ব্যথায় আল্লারে বলে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

সকালে জ্ঞান ফিরলে আমি বুজতে পারলাম আমার পিছনের চামড়া ছিড়ে গেছে।ডাক্তার এসে সেখানে ব্যাণ্ডেজ করে দিয়েছে সেদিন আমার বাড়ির লোক এসে আমাকে নিয়ে যায় হুজুরেরা আমার বাড়ির লোকদের বলেছিলো আমি গাছ থেকে পরে গিয়েছিলাম।আর গাছের একটি ডাল ওখানে ঢুকে এই অবস্থা হয়েছে।বাড়ির লোকদের সত্য ঘটনা বোঝানোর আমি অনেক চেষ্টা করেছি।কিন্তু হুজুররা এরকম করতে পারে তারা তা বিশ্বাস করে নি।আসলে বিশ্বাস করেনি বললে ভুল হবে।আমার পরিবার বা সমাজ চাইনি এই লজ্জাকর ঘটনা লোক সম্মুখে বলে নিজ ধর্মকে হেয় করতে।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “মাদ্রাসা হুজুরদের নোংরামি ধর্ষিত হাফেজের জবানবন্দি

  1. এতদিন থার্র্টি ফাস্ট নাইটে
    এতদিন থার্র্টি ফাস্ট নাইটে বান্ধবীদের ব্লাউজ টেনে খুটে ফেলতে দেখেছি – পয়লা বৈশাখে দলবেঁধে মেয়েদের শরীর মরর্দন করার দৃশ্য দেখেছি – ভালবাসা দিবসে টি এস সি মোড়ে গ্রূপ সেক্স করতে দেখেছি- এগুলো করেছে নাস্তিক আর হিন্দু ছেলে মেয়েরা
    মাদ্রসার হুজুররা এসব দেখে দেখে শিখেছে

  2. মুমিন ভাইদের রিপোর্টের কারণে
    মুমিন ভাইদের রিপোর্টের কারণে আগের দেয়া ভিডিও লিংক টি ব্যান হয়ে গিয়েছিলো।অনেকের অনুরোধ পেয়েছি তাই নতুন লিংক দেয়া হয়েছে ভিডিওটি এখন আবার দেখতে পারেন।

পার্থিব শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 53 = 60