যে মঞ্চে অভিজিৎদার স্মরন সভার আয়োজন করা হয় ঠিক সেই মঞ্চের মুখ্যপাত্রের মুখে কি করে ধর্মিয় কিতাবের জয়জয়কার ধ্বনি উচ্চারন হয়?

যে মঞ্চে অভিজিৎ দার স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল, ঠিক সেই মঞ্চের মুখ্যপাত্রের মুখে কি করে ধর্মীয় কিতাবের জয়জয়কার ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব হচ্ছে না ।
আমার মনে প্রশ্ন বাসা বেঁধেছে! কেমন যেন একটা রহস্যের কু ঘ্রাণ বের হচ্ছে! ছড়িয়ে যাচ্ছে সর্বত্র ।
ঐ যে একটা কথা আছে না, বাজারে দুই প্রকার ঘি পাওয়া যায়-
১।সুশ্রী আর
২।কুশ্রী…
ইমরান বাবু এখন বাজারের ঘি হয়ে গেছেন।
কিন্তু এখান থেকে আমি বিশ্রী রকমের কুশ্রী ঘিয়ের গন্ধ পাচ্ছি।
আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, ইমরান এইচ সরকারের হঠাৎ করে চৈতন্য ভাব উদয় হওয়া কিসের আলামত বলে মনে করেন? আশানুরূপ উত্তর পাই নি।
তবে আমি যা গবেষণা করে পেয়েছি, তা প্রকাশ করতে মনটা আনচান আনচান করছে।
এখানে একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। যদিও বা এ আমার সম্পূর্ণ নিজস্ব অভিমত ।
কারো অনুভূতিতে আঘাত লাগলে আমি দায়ী থাকব না!
উনি কোথায় ছিলেন আর এখন কোথায় এসে স্থান পেয়েছেন!? উনি কি ছিলেন তা আমরা খুব ভালো করেই দেখেছি। গণজাগরণ মঞ্চে কি করে এলেন তাও সবাই জানে। হয়ত তখনকার প্রেক্ষাপট ছিল তার অনুকূলে।
কিন্তু হাতিয়ার ছিল সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যম।
যদিও, উনি যে পাল্টি খাবেন তা অনেকেই ঠাওর করতে পেরেছিলাম। তার বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে এখন ।
তবে অনেকে এই পাল্টে যাওয়া খোলা চোখে দেখতে পেলেও, সবাই দেখতে পাচ্ছেন না । দুঃখিত, অন্ধদের দেখার উপায় নেই । আর দুঃখের এই যে, অন্ধদের পাল্লাই এখনও অবধি ভারী ।
আচ্ছা, কেন তার এই পরিবর্তন?
আমি বলব এ পরিবর্তন নয়, এ চরম অধঃপতন!
কারন তিনি আজ অর্থের মোহের কাছে মাথা নত করেছেন। বিকৃত করেছেন নিজের মুল্যবান আদর্শকে।
এখন ওনার যা অবস্থা তাতে যে কোন সময় নির্বাচনও করতে পারেন । তা না হয় আমরা সামনেই দেখব। এখনো কিছু সময় বাকি আছে ।
তার যে অধঃপতন হয়েছে বা হচ্ছে,
তার প্রমান পেয়েছি নাহিদ কাকার মেয়েকে বিয়ে করা দিয়ে!
আমি হতাশ হয়েছিলাম।
কিন্তু হতাশা প্রকাশ করে সবাইকে বোঝাতে পারিনি। তখন চাটুকাররা বলেছিলেন, আরে ভাই এখানে প্রেম করে বিয়ে।
বোঝাতে ব্যার্থ হয়েছিলাম , বোঝাতে পারি নি, যেখানে আদর্শকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করে প্রেমকে জয়ী করতে হয় সেখানে এই প্রেমের কোন মুল্য নেই! এ এক গভীর নাটক!
তখন কেউ আমার এই কথার সাথে একমত প্রকাশ করেন নি।
তিলে তিলে আরো অনুধাবন করেছি যখন রাষ্ট্রের খৎনা উৎসব হল!
তখন চুপসে গিয়েছিলেন তিনি,
হয়ত তখন ছিল গভীর কামুক প্রেম।
অনেকেই বলবেন, প্রতিবাদ করেছে তো!
যারা এই কথা বলবেন, আমি তাদেরকে বলি , চলমান জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে দুটি হরতাল হয়েছে।
সেখানে বি এন পি সমর্থন দিয়েছিল। কিন্তু মাঠে তারা ছিলেন না ।
ঠিক তেমনি ভাবে আপনারও নামমাত্র ধিক্কার জানিয়ে প্রেমে মগ্ন হয়েছেন ।
যখন পাঠ্যপুস্তকে হেপাজত ইসলামের ২৯ টা সংযোজন বিয়োজোন নিয়ে প্রকাশ করল এক নিকৃষ্ট ইতিহাস, তখনও তিনি চুপসে ছিলেন ।
ওহ থুরি, ভুল বললাম , প্রতিবাদ করেছেন অপেক্ষার বর্ষপুর্তির দিনে ।
ঐ মানে, করতে হয় তাই!
আমি বুঝতে পেরেছি তখন, যখন সুন্দরবন বিনষ্ট করার বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিবাদ করেছে সবাই, তখনও তার মুখে কোন বুলি নেই।
তখনও চাটুকাররা বলেছিল, আরে উনি তো হানিমুনে গেছেন!
অথচ, কিতাবে কি না কি করেছে, তা নিয়ে তার খুব মাথা ব্যাথা, তখনও কিন্তু তার হানিমুন চলছিল!
যাই হোক, এখন প্রশ্ন,
এই ব্যাথার ওষুধ কি তাহলে জাতীয় নির্বাচন করা ?
আর জয় হবে নৌকা প্রতীক নিয়ে?
যা ছিল তার অতীত আদর্শ।
#টিটপ_হালদার

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

36 − 30 =