হোলির রঙকে দূষিত করতে ….

✔ মুসলমানের কাম হইলো বাতাস গরম করার বাহানা খুঁজে বেড়ানো । এই গরম বাতাস ছাড়া মুসলমান টিকতে পারবে না এমনকি মুসলমান আর মুসলমান থাকবে না । বাতাস গরম করতে গিয়ে মুসলমান নিজের মসজিদে লক্ষীর প্রতিমা রাখে , মসজিদে ময়লা রাখে, মাত্র ৫০ টাকার জন্য মসজিদের দেয়াল ভেঙে দেয়, কাবার উপর শিব ঠাকুর বসিয়ে দেয়, কোরান পুড়িয়ে দেয় ইত্যাদি ! নিজেরাই নিজেদের খুন করা তো মুসলমানদের কাছে ডাল ভাত রান্নার চাইতেও সহজ কোন কাজ !

শয়তানের সাত ছালা বুদ্ধি যেমন তেমনি মুসলমানেরও ছলের অভাব হয় না । সর্বদা আগ্রাসী মুসলমান ছলে বলে কৌশলে অসাম্প্রদায়িকতার বেশ ধরে মিশে যায় অন্য ধর্মের কোন অনুষ্ঠানে কিংবা মিছিলে …. অত:পর শরীরে বেঁধে রাখা বোমায় রক্তস্নান শেষে রতিকর্মে ব্যস্ত থাকে জান্নাতে !! কি অসভ্যতা !

পুরান ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাতে জাতীয় লুচ্চা পদক প্রাপ্ত মোহাম্মদ বিশ্ববেহায়া এরশাদ ও তার ধর্মের মভাইয়েরা জন্মাষ্টমীর দিন জেনে বুঝে উষ্কানি দিয়ে হিন্দুদের সম্পদ ও সম্মান ক্ষয় করাতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। রাজউক ও চেয়েছিল যেন নতুন ফ্ল্যাটের টোপ দিয়ে পুরান ঢাকা থেকে হিন্দুদের উচ্ছেদ করা যায় । নয়তো পুরান ঢাকাতে ইসলাম কায়েম সম্ভব না। দোল পূর্নিমা উপলক্ষে আবির খেলা হিন্দুদের চিরাচরিত সংস্কৃতি যা বাঙালি সংস্কৃতির একটা অংশ। কিন্তু যে মুসলমান পহেলা বৈশাখ সহ্য করতে পারে না সেই একই রক্তের জিন্স পরা নব্য রক্তপিপাসু জঙ্গি মুসলমান কিভাবে এই আবির খেলা সহ্য করবে ?? তাও আবার এমন একটি দেশে যে দেশ চলে মদিনা সনদ অনুসারে অথচ এই দেশটির মুসলিমরা অন্য ধর্মের অনুসারীদের আবিস্কৃত ফেসবুক/স্মার্টফোন/ইন্টারনেট ছাড়া আধা ঘন্টাও কল্পনা করতে পারে না।

দোলের আবির দেয়ার জন্য পরিকল্পনা মতনই বেছে নেওয়া হয় হিজাবী মুসলিম মেয়েদের । তাতে অবশ্য এক ঢিলে চার পাঁচটা মালাউন মারতে চেয়েছিল তুহিন মালিক ও তার মুসলিম ভাইয়েরা …… প্রথমত, হিন্দু অধ্যুষিত শাখাঁরী বাজারের মালাউনদের ঘরবাড়ি মন্দির লুটপাট করা যাবে, মন্দিরে আগুন দেয়া যাবে, গনিমতের মাল হিসেবে মালাউনের বউ ঝি উপভোগ করা যাবে কন্ঠশিল্পী আল্লামা তাহসানের মতন এবং চার পাঁচ দিনের নন ষ্টপ ইসলামি তান্ডবে মালাউন উচ্ছেদ করে শাঁখারিবাজারে ইসলাম কায়েম করা যাবে ….. সব শেষ হওয়ার পর হানিফ পরিবহনের মাইকে ঘোষনা আসতো …. শাঁখারী বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত মালাউনদের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে দেয়া হবে !!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “হোলির রঙকে দূষিত করতে ….

  1. মুসলমানরা যখন কোনই অজুহাত পায়
    মুসলমানরা যখন কোনই অজুহাত পায় না , তখন তারা নিজেরই অন্যের পাছায় আঙ্গুল দিয়ে গন্ডগোল পাকায় ও মারামারিতে লিপ্ত হয়।

  2. সাম্প্রদায়িক এই পশুগুলো কখনও
    সাম্প্রদায়িক এই পশুগুলো কখনও মুসলমান নয়। এরা মুসলমান-নামধারী নরপশু মাত্র। এদের কাজই হলো দেশের ভিতরে সাম্প্রদায়িক-সংঘাতসৃষ্টি। ধিক্ এই নরপশুদের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

24 − = 23