মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান আর সৌদিআরবের কী এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!

১৯৭১ সালের জুলাই-মাসের দিকে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধপরিচালনা শুরু করে বাংলাদেশমুক্তিবাহিনী। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে পাকিস্তানীহায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালির মরণপণ লড়াইসংগ্রাম। আর তখন থেকেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে শুরু করে পাকিস্তানীনরখাদকরা। বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ গেরিলা-কায়দায় মুক্তিযুদ্ধপরিচালনা করে পাকিস্তানীহায়েনাদের মনে ভীতিসঞ্চার করতে থাকে। একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে মিত্রবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানীহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে পাকিস্তানীরা পালাতে থাকে। আর এরই আগে পরে শুরু হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীঅপশক্তির নতুন ষড়যন্ত্র। এখন সেই কাহিনীই বলছি:

মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান আর সৌদিআরবের কী এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র!
সাইয়িদ রফিকুল হক

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সামরিকজান্তাগং—শয়তানের জারজপুত্র ও স্বঘোষিত-জেনারেল ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করার জন্য তার দেশের জারজ-সেনাবাহিনীকে সর্বাত্মক নির্দেশ দিয়েছিলো। আর এরসঙ্গে সুর মিলিয়ে আরেকটি ঘোষণা দিয়েছিলো পাকিস্তানের স্বঘোষিত-লে.জেনারেল ও শয়তানের আরেক জারজপুত্র টিক্কা কসাই খান। শয়তানের জারজপুত্র টিক্কা কসাই বলেছিলো: “আমি বাংলাদেশের মানুষ নয়, মাটি চাই। রক্ত চাই।… আর বাঙালির প্রতিটি নারীকে ধর্ষণ করো।” এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছিলো টিক্কা কসাই খানের ভাই শয়তানের আরেক জারজপুত্র মেজর জেনারেল মিক্কা কসাই খান। আরও ছিল জেনারেল নিয়াজী ও মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর মতো বেজন্মা। এরা সবাই মিলেমিশে বাংলাদেশটাকে গোরস্থান বানাতে চাইছিলো। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওরা তা করতে পারেনি।

পাকিস্তানের আত্মস্বীকৃত-জেনারেলদের একতরফা-যুদ্ধংদেহীমনোভাব তথা জারজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ। আর তখনই গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী। শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ২৫-এ মার্চের কালরাত্রি থেকে শুরু করে পাকিস্তান দিনে-রাতে সবসময় সর্বস্তরের বাঙালির উপর হামলা চালাতে থাকে। আর পাকিস্তানী-জারজ-সেনাবাহিনী প্রতিদিন বাংলাদেশে হাজার-হাজার মানুষহত্যা করতে থাকে। আর এই সময় সরাসরি এদের পক্ষে এসে দাঁড়ায় বিশ্বপরাশক্তির একটি শয়তানরাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, শক্তিধর ও শয়তানরাষ্ট্র গণচীন। আর এদের সবরকমের সহযোগিতা করতে অর্থজোগান দিতে থাকে মানবতাবিরোধী-রাজতন্ত্রের দেশ শয়তানবাদশাহরাষ্ট্র সৌদিআরব। এভাবে, বিশেষ শক্তি অর্জন করে বাঙালি-জাতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ চালাতে থাকে পাকিস্তান নামক একটি জারজরাষ্ট্র। আর পৃথিবীর কতিপয় জারজরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সবরকমের সাহায্য-সহযোগিতা করতে বিন্দুমাত্র লজ্জাবোধ করে না।

১৯৭১ সালের চরম দুর্দিনে বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলো মানবতাবাদীরাষ্ট্র ও বিশ্বসেরা পরাশক্তি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন (আজকের রাশিয়া), ভারত, ভুটান আর একমাত্র আরবরাষ্ট্র—সাদ্দাম হোসেনের ইরাক। মূলত বাঙালি-জাতি তথা বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা ভারত ও রাশিয়াকে পাশে পেয়ে নিজেদের মনোবলবৃদ্ধি করে দুর্বার গতিতে পাকিস্তানীজানোয়ারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এরই মধ্যে প্রায় দেড় কোটি বাঙালি সেই সময় হিংস্র-হায়েনা পাকিস্তানীদের আক্রমণে পর্যুদস্ত হয়ে আমাদের প্রতিবেশীরাষ্ট্র ভারতে আশ্রয়গ্রহণ করেছিলো। তবুও বাঙালি-জাতি তাদের মনোবল হারায়নি।

১৯৭১ সালের জুলাই-মাসের দিকে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধপরিচালনা শুরু করে বাংলাদেশমুক্তিবাহিনী। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে পাকিস্তানীহায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালির মরণপণ লড়াইসংগ্রাম। আর তখন থেকেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে শুরু করে পাকিস্তানীনরখাদকরা। বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা সম্পূর্ণ গেরিলা-কায়দায় মুক্তিযুদ্ধপরিচালনা করে পাকিস্তানীহায়েনাদের মনে ভীতিসঞ্চার করতে থাকে। একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করার মনোবল হারিয়ে ফেলে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মিলেমিশে মিত্রবাহিনী গঠন করে পাকিস্তানীহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে পাকিস্তানীরা পালাতে থাকে। আর এরই আগে পরে শুরু হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীঅপশক্তির নতুন ষড়যন্ত্র। এখন সেই কাহিনীই বলছি:

আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান ও সৌদিআরবের ভয়ানক ষড়যন্ত্র:

আমাদের বিরোধিতাকারী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ১৯৭১ সালে আমেরিকা, চীন ও সৌদিআরবসহ আরও কয়েকটি রাষ্ট্র জারজ-পাকিস্তানের পক্ষে একেবারে উলঙ্গ হয়ে আমাদের বাংলাদেশরাষ্ট্রের বিরোধিতা করেছিলো। সেদিন এদের মধ্যে সামান্যতম বা ন্যূনতম মনুষ্যত্ব বা মানবতাবোধ খুঁজে পাওয়া যায়নি। আজও এরা একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে তাদের শয়তানীবুদ্ধিতে যারপরনাই শয়তানীপ্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিবাহিনী যখন বীরদর্পে গেরিলা-কায়দায় যুদ্ধ করতে-করতে পাকিস্তানী-জারজসেনাবাহিনীকে একেবারে পর্যুদস্ত করে ফেলেছিলো তখন ডিসেম্বর-মাসের শুরু থেকে তারা কথিত ‘যুদ্ধবিরতির নামে’ নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। পাকিস্তানীরা দেখলো যে, তাদের পরাজয় অত্যাসন্ন—তাই, তারা বাঙালিদের ‘যুদ্ধবিরতির ফাঁদে’ ফেলতে চাইছিলো। আর তারা এই শয়তানী করার জন্য সেদিন তাদের মনোনীত-পরিচালিত জাতিসংঘের মাধ্যমে এই শয়তানী করতে চেয়েছিলো। আর এই ‘যুদ্ধবিরতি’ নামক জারজ-ষড়যন্ত্রের মূলনায়ক শয়তানের জারজরাষ্ট্র পাকিস্তান ও তাদের চিরদোসর শয়তানরাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের এই শয়তানীউদ্দেশ্য সফল করতে তারা একে-একে তিন-তিনবার জাতিসংঘের নিরাপত্তাপরিষদে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান যুদ্ধকে থামানোর জন্য ‘যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব-উত্থাপন’ করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো—একবার কিছুদিনের জন্য যুদ্ধ থামাতে পারলে আবার তারা নতুনভাবে গোলাবারুদ, ট্যাংক, কামান, মেশিনগান, বোমারু-বিমানসহ ইত্যাদি অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করে আমাদের ধ্বংস করতে পারবে। আর যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তারা আবার নিত্যনতুন ষড়যন্ত্র করতে পারবে। তাই, তারা সেদিন বিশ্ববিবেক ও বিশ্বজনমতকে পদদলিত করে পৃথিবীর জারজরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে প্রথমবার জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবউত্থাপন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র—১৯৭১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর। আর এই জারজ-প্রস্তাব উত্থাপিত হওয়া মাত্রই তা সরাসরি ভেটো-প্রয়োগ করে নাকচ-বাতিল করে দেয় আমাদের সেদিনের অকৃত্রিম-বন্ধুরাষ্ট্র মহান সোভিয়েত ইউনিয়ন। এরপর পরদিন আবার জারজ-পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধবিরতির জারজ-প্রস্তাব-উত্থাপন করে ৫ই ডিসেম্বর শয়তানের আরেক জারজ-রাষ্ট্র আর্জেন্টিনা। সেই প্রস্তাবও ঘৃণাভরে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে সরাসরি ভেটো-প্রয়োগ করে বাতিল করে দেয় মহান সোভিয়েত ইউনিয়ন। এরপর তারা কয়েকদিন পরে আবার কিছুটা শক্তি ও সাহস সঞ্চয় করে তৃতীয়বারের মতো পৃথিবীর জারজরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে একতরফা যুদ্ধবিরতির জারজ-প্রস্তাব-উত্থাপন করে শয়তানরাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র—১৯৭১ সালের ১৩ই ডিসেম্বর। এবার তাদের জারজ-প্রস্তাবের সমর্থনে ছিলো চীন, বেলজিয়াম, সৌদিআরব, জাপান, ইতালী, ব্রুন্ডি, নিকারাগুয়া, সিয়েরালিওন, সোমালিয়া, লিবিয়া ইত্যাদি। এবারও তারা শোচনীয়ভাবে পরাজয় বরণ করে—মহান সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের জারজ-প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরাসরি তৃতীয়বারের মতো ভেটো-প্রয়োগ করে। এভাবে, সেই একাত্তর সাল থেকে এরা আমাদের সমস্ত মহৎ অর্জনগুলোকে আজও গিলে খাওয়ার নিত্যনতুন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে আমাদের আগের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইসংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। এদের ব্যাপারে আর কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশেবিরোধী আধিপত্যবাদী কোনো জারজরাষ্ট্রের জারজদর্শন আমরা কখনও-কোনোদিন মানবো না। আর পাকিস্তানের মতো একটি জঙ্গি ও জারজ রাষ্ট্র যতোই অপচেষ্টা করুক না কেন—বাঙালির অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না।

১৯৭১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশন চলাকালে তৎকালীন পাকিস্তানের জারজপুত্র জুলফিকার আলী ভুট্টোর এই অসহিষ্ণু আচরণই বলে দেয় তারা কতটা বিপর্যস্ত, হিংস্র আর উগ্র। ভিডিওলিংকটি এখানে তুলে দেওয়া হলো।

ভিডিওলিংকটি এখানে: https://youtu.be/rLSR9rWiBiU

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মকভাবে সবসময় শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে মহান সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারত। এদের ঋণ কখনও শোধ হওয়ার নয়। এরা আমাদের বাংলাদেশের জন্য বিশ্বস্ত-বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। আর সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের মহান প্রেসিডেন্ট লিওনেদ ব্রেজনেভ ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির মহান নেতা নিকোলাই পদগোরনী যে-বিচক্ষণতা ও মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিলেন তার তুলনা জগতে বিরল। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা আজকের রাশিয়ায় তাদের মতো মহান নেতা না থাকলে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়তো। ১৯৭১ সালে শয়তানরাষ্ট্রগুলোর ষড়যন্ত্রের কারণে বাঙালি-জাতি আর কখনও হয়তো মাথাতুলে দাঁড়াতে পারতো না। কিন্তু মহান রাশিয়ার কারণে দুনিয়ার সব শয়তান পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিলো। আজ আমি সকলের সামনে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে রাশিয়ার এই দুই মহান নেতাকে শ্রদ্ধা জনাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের বন্ধুপ্রতিম ও প্রতিবেশীরাষ্ট্রের মান্যবর ও মাতৃসম প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীও সেদিনের দুর্যোগমুহূর্তে যে বিচক্ষণতা ও মহানুভবতার পরিচয় তুলে ধরেছিলেন—খুঁজতে গেলে তার সন্ধানও আর কোথাও পাওয়া যাবে না। একাত্তরে পাকিস্তানী-জারজবাহিনীর ভয়াবহ আক্রমণ ও নৃশংসতা থেকে বাঁচার জন্য দেড় কোটির উপরে বাঙালি—হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সেই সময় ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো। আর ঘটনা এখানেই শেষ নয়—সেই সময় আমাদের অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাও ভারতে আশ্রয়গ্রহণ করেছিলো। আমাদের মুক্তিবাহিনীকে সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করেছিলো ভারত। আর ভারতই আজকের স্বাধীন-সার্বভৌম-পবিত্র বাংলাদেশের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম রাষ্ট্র। তারপর এগিয়ে আসে ভুটান। তারপর আরও কতিপয় রাষ্ট্রের স্বীকৃতিদানের পর আমাদের বিশ্বসভায় গ্রহণ করে নেয় বিশ্বপরাশক্তির আধার সোভিয়েত ইউনিয়ন। বাঙালি-জাতির স্বাধীনতাঅর্জনে চিরদিনের জন্য তাদের স্যালুট ও অভিবাদন।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
২৬/০৩/২০১৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

68 − 58 =