জঙ্গির আগা কেটে গোড়ায় পানি ঢাললে লাভ হবে?

এই দেশে বর্তমানে জঙ্গিদের আগা কেটে গোড়ায় নিয়মিত পানি ঢালা হচ্ছে। এই কথাটি শোনামাত্র হয়তো কেউ-কেউ রাগান্বিত হতে পারেন। আবার অনেকেই সমর্থনও করবেন—এও জানি। আমাদের দেশে বর্তমানে জঙ্গিদমনের নামে মাঝে-মাঝে বিভিন্নরকমের বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালিত হয়। আর এতে মাঝে-মাঝে দেখি দুই-চারজন জঙ্গি ক্রসফায়ারে মারাও যাচ্ছে। আসলে, এগুলো জঙ্গিদমনের নামে এই দেশে আগাছার মতো গজিয়ে ওঠা জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষের সামান্য কয়েকটি আগা বা ডালপালা কেটে এর গোড়ায় পানি ঢালা। এভাবে, মাঝে-মাঝে দুই-চারজন জঙ্গি মারলেই জঙ্গিদমন হয় না। এজন্য দেশের ভিতরে জঙ্গিউৎপাদনে সমস্ত বিষবৃক্ষের শিকড় কেটে বা এই বিষবৃক্ষ শিকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলতে হবে। আসুন, আমরা এবার এই দেশের জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষগুলোকে চিনে নিই।
বাংলাদেশে জঙ্গি নামক জঙ্গিউৎপাদনকারী-বিষবৃক্ষের শিকড়গুলো হচ্ছে—

জঙ্গির আগা কেটে গোড়ায় পানি ঢাললে লাভ হবে?
সাইয়িদ রফিকুল হক

দেশের জঙ্গিরা এখন বেপরোয়া। আর তারা নিজেদের অস্তিত্বরক্ষার জন্য একেবারে মরীয়া হয়ে উঠেছে। আর নিজেদের শক্তির জানান দিতে এরা এখন চোরাগোপ্তা-হামলার মাধ্যমে জনজীবনে আতংকসৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। আর বর্তমানে এই জঙ্গিরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করছে। একদল রয়েছে সম্পূর্ণ আন্ডারগ্রাউন্ডে। আর অপর দল রয়েছে মাঠপর্যায়ে। যারা আন্ডারগ্রাউন্ডে রয়েছে তারা মাঠপর্যায়ের সর্বস্তরের জঙ্গিদের বুদ্ধি-পরামর্শ, অস্ত্রশস্ত্র, অর্থ তথা সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করছে। আর সাধারণ জঙ্গিরা এদেরই নির্দেশে দেশের বিভিন্নস্থানে হামলা করা সহ বোমাবাজি করে যাবতীয় নাশকতাসৃষ্টিতে ব্যস্ত রয়েছে।
এই জঙ্গিদেরই একটি অংশ (এদের বড়সড়-নেতাসহ সাধারণ কর্মী পর্যন্ত) এখন নিরাপদআশ্রয়ের সন্ধানে ভারতে পালাচ্ছে। এরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন করিডোর দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। আর বাকীরা মাঝে-মাঝে শয়তানী করার উদ্দেশ্যে রয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে। এরা মাঝে-মাঝে নিজেদের শক্তিমত্তাপ্রদর্শনের জন্য বিভিন্নস্থানে বিভিন্নরকমের হামলা করছে। এই জঙ্গিপশুদের অধিকাংশই পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আবার আমাদের বাংলাদেশেও জঙ্গিরা এখন নিয়মিত প্রশিক্ষণগ্রহণ করছে।

আমাদের দেশে আগে জঙ্গি ছিল না। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত দেশটিতে কোনোপ্রকার জঙ্গির কোনোরকম অস্তিত্ব ছিল না। এগুলো স্বাধীনতার কিছুকাল পরে আশির দশকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। আর এরা আসে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে। মূলত শয়তানের জারজরাষ্ট্র-পাকিস্তান থেকেই এগুলো আমদানি করা হয়েছে। আর এখন দেশেই জঙ্গি পয়দা হচ্ছে। স্বাধীনতার পরাজিত-কুলাঙ্গাররা দেশটাকে আবার পাকিস্তান বানাতে চায়। এরা আফগানিস্তানের তালেবান আর পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়েবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এই দেশটাতে নানা-নামে আর নানাভাবে জঙ্গিসংগঠনপ্রতিষ্ঠা করে মানুষ আর মানবতার বিরুদ্ধে নিত্যনতুন শয়তানী ও ষড়যন্ত্র করছে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে: এসবকিছুর পিছনে রয়েছে ১৯৭১ সালের পরাজিতগোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান ও ইসলামী ছাত্রসংঘ তথা আজকের চিহ্নিত জামায়াত-শিবিরচক্র। বাংলাদেশে সমস্ত জঙ্গিসংগঠনের মূলহোতা, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষকও এই জামায়াত-শিবিরচক্র। আর এদের সহযোগিতা করে থাকে অর্থলোভী-স্বার্থলোভী-নরপিশাচ তথা একশ্রেণীর আওয়ামীলীগ-নামধারী নেতা-পাতিনেতা। এদের সঙ্গে আরও আছে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল বিএনপি’র উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতা-কর্মী। এরা সবাই মিলেমিশে আজ দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে। এরা আমাদের স্বাধীনতার চিরশত্রু।

এই দেশে বর্তমানে জঙ্গিদের আগা কেটে গোড়ায় নিয়মিত পানি ঢালা হচ্ছে। এই কথাটি শোনামাত্র হয়তো কেউ-কেউ রাগান্বিত হতে পারেন। আবার অনেকেই সমর্থনও করবেন—এও জানি। আমাদের দেশে বর্তমানে জঙ্গিদমনের নামে মাঝে-মাঝে বিভিন্নরকমের বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালিত হয়। আর এতে মাঝে-মাঝে দেখি দুই-চারজন জঙ্গি ক্রসফায়ারে মারাও যাচ্ছে। আসলে, এগুলো জঙ্গিদমনের নামে এই দেশে আগাছার মতো গজিয়ে ওঠা জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষের সামান্য কয়েকটি আগা বা ডালপালা কেটে এর গোড়ায় পানি ঢালা। এভাবে, মাঝে-মাঝে দুই-চারজন জঙ্গি মারলেই জঙ্গিদমন হয় না। এজন্য দেশের ভিতরে জঙ্গিউৎপাদনে সমস্ত বিষবৃক্ষের শিকড় কেটে বা এই বিষবৃক্ষ শিকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলতে হবে। আসুন, আমরা এবার এই দেশের জঙ্গি নামক বিষবৃক্ষগুলোকে চিনে নিই।
বাংলাদেশে জঙ্গি নামক জঙ্গিউৎপাদনকারী-বিষবৃক্ষের শিকড়গুলো হচ্ছে—

বিষবৃক্ষ—১. জামায়াত-শিবির নিয়ন্ত্রিত স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং-সেন্টারসমূহ।
(বাংলাদেশরাষ্ট্রের স্বার্থে চিরতরে এসব বিষবৃক্ষের শিকড় কেটে ফেলতে হবে। আর সোজা কথায় এগুলো চিরতরে ধ্বংস করে ফেলতে হবে, এবং একইসঙ্গে জামায়াত-শিবিরকেও চিরতরে ধ্বংস করে ফেলতে হবে।)

বিষবৃক্ষ—২. জামায়াত-শিবিরের অর্থলগ্নিকারী সকল লাভজনক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
(এই সকল প্রতিষ্ঠানের মালিকানা চিরস্থায়ীভাবে সরাসরি রাষ্ট্রের হাতে ন্যস্ত করতে হবে। আর এগুলোকে রাষ্ট্রের সম্পদ বলে গন্য করতে হবে।)

বিষবৃক্ষ—৩. জঙ্গিউৎপাদনকারী কওমীমাদ্রাসা, আলিয়া-মাদ্রাসা, কথিত-ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, জঙ্গিবাদের বীজরোপণকারী চিহ্নিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন—নর্থসাউথ, ইস্টওয়েস্ট, দারুল ইহসান, এশিয়া, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি)।
(দেশ, জাতি ও মানবতার স্বার্থে এইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-নামের আবর্জনাসমূহ চিরতরে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। আর রাষ্ট্রের স্বার্থে এগুলো অবিলম্বে বন্ধ-ঘোষণা করতে হবে।)

বিষবৃক্ষ—৪. জঙ্গি ও জঙ্গিবাদের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক দেশবিরোধী-পাকিস্তানপন্থী শিল্পপতিগণ। কথিত নামকরা শিল্পপতিসহ বিভিন্ন ‘সিআইপি’ ও ‘ভিআইপি’ ব্যক্তিবর্গ।
(পাকিস্তানের দালাল, মুসলিম-লীগের দালাল ও তাদের বংশধর, আর একাত্তরের পরাজিতগোষ্ঠীরা যতই শিল্পপতি হোক না কেন—তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ এদের সমূলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে।)

বিষবৃক্ষ—৫. দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের ভিতরে ঘাপটিমেরে থাকা একশ্রেণীর অর্থলোভী-স্বার্থলোভী-দেশপ্রেমবর্জিত নেতা-পাতিনেতা-গডফাদার।
(আওয়ামীলীগের ভিতরে ঘাপটিমেরে আছে একটি দেশবিরোধীচক্র। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এদের সবার আগে নির্মূল করতে হবে।)

বিষবৃক্ষ—৬. বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা-শহরসহ দেশের আনাচে-কানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা একশ্রেণীর কওমীমাদ্রাসা। আর এগুলো কখনও-কখনও ফোরকানিয়া বা নুরানী মাদ্রাসা নামেও পরিচিত।
(এইসব মাদ্রাসা চিরতরে ভেঙে দিতে হবে। আর চিরতরে তা বন্ধ-ঘোষণা করতে হবে। আর মনে রাখতে হবে: এগুলো রাষ্ট্রবিরোধী আগাছা-পরগাছা মাত্র।)

বিষবৃক্ষ—৭. এদেশের আত্মস্বীকৃত-আলেম-নামধারী মাদ্রাসা-পাস একশ্রেণীর গোমূর্খ, জাহেল, জালেম, দেশবিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী পাতিহুজুর।
(এই ভণ্ডশ্রেণীটির সকল কার্যক্রম রাষ্ট্রের মনিটরিংয়ের আওতায় এনে চিরস্থায়ীভাবে এদের নিয়ন্ত্রণ ও শায়েস্তা করতে হবে। আর একইসঙ্গে এদের রাষ্ট্রবিরোধী-কথাবার্তা বলাও চিরতরে বন্ধ করতে হবে। এরা কেউই আলেম নয়—এরা শুধুই মৌ-লোভী!)

বিষবৃক্ষ—৮. মোল্লা-মৌলোভী ও মাওলানা-নামধারী একশ্রেণীর জাহেলদের বাংলাদেশবিরোধী ওয়াজ-নসিহত।
(বাংলাদেশরাষ্ট্র জনস্বার্থে এদের মনগড়া, আবোলতাবোল, উদ্ভট, আজেবাজে, ভিত্তিহীন, আলতুফালতু, লাগামহীন, মিথ্যা, আজগুবি ও রাষ্ট্রবিরোধী ওয়াজ-নসিহত চিরতরে বন্ধ করে দিবে।)

বিষবৃক্ষ—৯. ‘হেফাজতে শয়তানে’র মতো আরও কতিপয় উগ্রবাদীদলের অপতৎপরতা।
(বাংলাদেশরাষ্ট্রের স্বার্থে ‘হেফাজতে শয়তান’কে শুধু নিষিদ্ধই নয়—এদের চিরতরে ধ্বংস করে ফেলতে হবে, এবং এরকম যত জারজসংগঠন রয়েছে সব ধ্বংস করতে হবে। আর সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে, আর কখনও যেন এইরকম শয়তানীসংগঠনের জন্ম না হয়। মানুষের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে রাষ্ট্র এদের সমস্ত বিষাক্ত-বীজ ধ্বংস করে ফেলবে।)

বিষবৃক্ষ—১০. দেশের আসল ভণ্ড ও শয়তান ‘হেফাজতে শয়তানে’র আমির শাহ আহমেদ শফীগং।
(শফীর মতো রাষ্ট্রবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীগংদের খুব সংক্ষিপ্ত সময়ে বিচারের মাধ্যমে রাষ্ট্র এদের ফাঁসিতে ঝুলাবে। আর এই রাষ্ট্রে যখনই এইরকম কোনো হারামজাদার জন্ম হবে তখনই রাষ্ট্র আবার তাদের ফাঁসিতে ঝুলাতেই থাকবে।)

বিষবৃক্ষ—১১. বিএনপি’র প্রথম সারির একাধিক ও অন্যান্য স্তরের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ বাংলাদেশে জঙ্গিবাদপ্রতিষ্ঠার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।
(বিএনপি এই দেশে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিবাদের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। এইসব অপকর্মে জড়িত নেতা ও পাতিনেতাদের শনাক্ত করে রাষ্ট্র তাদের চিরতরে নির্মূল করবে।)

বিষবৃক্ষ—১২. মসজিদের ইমাম নামক একশ্রেণীর পাতিহুজুর।
(রাষ্ট্র মসজিদের ইমামদের সিলেবাস তৈরি করে দিবে। এরা সেই অনুযায়ী মসজিদে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এরা নির্দিষ্ট খুতবার বাইরে কোনোকিছুই বলতে পারবে না। আর রাষ্ট্র এদের রাজনৈতিক কথাবার্তা বলা চিরতরে বন্ধ করে দিতে বাধ্য থাকবে।)

বিষবৃক্ষ—১৩. দেশবিরোধী কতকগুলো প্রাইভেট টিভি-চ্যানেল ও কথিত ইসলামিক টিভি-চ্যানেলসমূহ।
(দিগন্ত-টিভির মতো রাষ্ট্রবিরোধী সকল টিভি-চ্যানেল রাষ্ট্র চিরতরে বন্ধ করে দিবে।)

বিষবৃক্ষ—১৪. দৈনিক ‘আমার দেশ’ ও দৈনিক ‘ইনকিলাবে’র মতো জারজপত্রিকার আত্মপ্রকাশ।
( ‘আমার দেশ’ ও ‘ইনকিলাব’ বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা জারজপত্রিকা। জনস্বার্থে বাংলাদেশরাষ্ট্র অনতিবিলম্বে জঙ্গিউৎপাদনকারী এই দুইটি জারজপত্রিকা ধ্বংস করে ফেলবে। আর দেশে এধরনের জারজপত্রিকার প্রকাশনা চিরতরে বন্ধ করবে রাষ্ট্র।)

উপর্যুক্ত সকল বিষবৃক্ষের শিকড় কেটে ফেলতে হবে। আর এই কাজটি করবে বাংলাদেশরাষ্ট্র ও তার নির্বাচিত সরকার। জঙ্গিদের শিকড় না কেটে শুধু তার কয়েকটি ডালপালা ছেঁটে বা সামান্য আগা কেটে এর গোড়ায় পানি ঢালার কোনো মানেই হয় না। আজ সময় এসেছে, জনস্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্তগ্রহণ করার। দেশের সরকার এখন এগুলো এড়িয়ে যেতে পারে না। আর জঙ্গিদের এই শিকড় কাটার অভিযানে সরকারকে এই মহৎকাজে সমর্থন করবে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। আর জঙ্গিনিধনের ক্ষেত্রে দলমত-জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র দেখার কোনো সুযোগ নাই।

বাংলাদেশরাষ্ট্র চিরতরে জঙ্গিমুক্ত হোক।
জয়-বাংলা।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
২৭/০৩/২০১৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “জঙ্গির আগা কেটে গোড়ায় পানি ঢাললে লাভ হবে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 2 =