প্রতারকের অপর নাম মুহাম্মদ; প্রতরণার হাতিয়ার “ইসলাম”

ইসলাম ধর্ম।
এই ধর্ম বরাবর-ই শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করে এসছে । প্রতিষ্ঠাও করেছে শ্রেষ্ঠত্ব , কিন্তু সেটা অস্ত্র দিয়ে মানবতার গলা কেটে । ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা (মডারেট’র) দাবি করে থাকে ইসলাম শান্তির ধর্ম । তাদের ঈশ্বর ও তাদের ধর্ম পিতা বরাবর শান্তির সুবাতাস বইয়েছে বিশ্বে । হাহাহা । আশ্চর্য হবেন না । খানিকটা হাসতে হল । আচ্ছা , আসুন দেখি ইসলামে শান্তি কাকে বলে? (!) তত্‍কালীন সময়ে আরবের শক্তিশালী বংশ ছিল “কোরাইশ” বংশ । আর এই বংশের শক্তিশালী নেতা আবু জাহেল। তখন মুহাম্মদ তার উন্মাদনা এত মাত্রায় বাড়ায় যে মক্কায় উদ্ভট এক ধর্মের নামে ব্যভিচার চালায়। আবু জাহেল মুহাম্মদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ড়ায়, তার ভণ্ডামীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয় মক্কাবাসী। যার ফল সরূপ মুহাম্মদের তথাকথিত শান্তিকামী জঙ্গীদের বিরুদ্ধে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু মুহাম্মদ নির্বিচারে জনগণকে কতল করে। যা মুহাম্মদের উম্মতরা শান্তি প্রতিষ্ঠার জিহাদ আখ্যা দেয় ।

?x37042″ width=”500″ />

সম্ভবত আজ থেকে দীর্ঘ হাজার খানেক বছর পূর্বের মানুষ আজকের মত এতটা জ্ঞানী এবং সভ্য ছিলেন না নিশ্চই । কিন্তু খুবই আশ্চর্য হই যখন ইসলাম অনুসারীরা দাবি করে তত্‍কালীন সময়ে মুহাম্মদ নামক এক যুবক শান্তির পায়রা নিয়ে এসে আরব দেশে ছাড়লেন এবং শান্তি চলে এল । এ সমস্ত আজগুবি কথা শুনে কে না হাসবে বলুন! আসুন মুহাম্মদ সম্পর্কে আরও কিছু জানতে চেষ্টা করি । মুহাম্মদ ছিলেন তত্‍কালীন আরব দেশের এক নাম করা লম্পট , নারী লোভী পুরুষ । যখন যে নারীকে পছন্দ হত সে নারীকেই তিনি লালসার বস্তু করে ভোগ করতেন । এতে কোন নারী তার মায়ের বয়সী আর কোন নারী তার মেয়ের বয়সী তার কোন বাছ-বিচার ছিল না । উদাহরন স্বরূপ খাদিজা ও আয়েশা । এছাড়াও মুহাম্মদের কিছু কল্পকাহিনী তার বেকুব , ভন্ড উম্মতেরা এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যে , তা কল্পনার জগত্‍ কেও হার মানাতে বাধ্য । যেমন , একদা মুহাম্মদ আকাশ পথে যাত্রা করে ঈশ্বর দেখা পেয়েছেন । এসমস্ত আজগুবি কথা শুনে আমার একটা প্রশ্ন জেগেছে । যদি আসলেই মুহাম্মদ অসভ্য , অন্ধ যুগে বিনা যানে আকাশ পথে যাত্রা করে ঈশ্বরের দেখা পেয়ে থাকেন তবে তা লোক চক্ষুর অন্তরালে কেন ? সবার সামনে দিয়ে কেন আকাশ পথে যাত্রা করলেন না ? এর কোন উত্তর নেই । কারণ , উত্তর তখন ই পাওয়া যেত যখন সত্যের কাছে প্রশ্ন করা হত । বিনা যানে আকাশ পথে যাত্রা কেবল কল্পনাতেই করা যায় বাস্তবে না । আর মুহাম্মদ খুব চতুরতার সাথে তার কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়ে তা ছড়িয়ে দিল সমাজে । মূল কথা হচ্ছে মুহাম্মদ অতি দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পড়তেই মূলত এই কল্পকথা ছড়িয়ে দেন । আরও যদি দেখি যে মুহাম্মদ নাকি হেরাগুহায় ধ্যান করেছিল এবং তার নিকট ঈশ্বর বাণী পাঠিয়েছিল । এখানেও যে মুহাম্মদ খুব চতুর ছিলেন তা স্পষ্ট । হেরাগুহায় তিনি কখন ধ্যান করতেন রাতে নাকি দিনে ? যদি দিনে হয় তবে রাতে উনি কি করতেন আর যদি রাতে হয় তবে দিনে উনি কি করতেন ? তাছাড়া ইসলাম অনুসারীরা বলে থাকেন ঈশ্বর কোন এক জিব্রাইল নামক ফেরেশতার মাধ্যমে বাণী পাঠাতেন । জিব্রাইর এসে কি করে বাণী দিতেন মুহাম্মকে ?

আমার করা সব প্রশ্নের একটিরও সঠিক জবাব ইসলাম অনুসারীদের কাছে নেই । এমন কি যদি ঈশ্বর থেকে থাকে তবে তার কাছেও নেই । কেননা , কল্পকথার বিরুদ্ধে করা প্রশ্নের কোন উত্তর থাকেনা । আর যেহেতু কল্পকথার বিরুদ্ধে প্রশ্নের কোন উত্তর নেই সেহেতু ইসলাম অনুসারীরা নিজেদের রক্ষা করতে ব্যাকুল হয়ে উঠবেন এবং নিজেদের কল্প কথাকে সত্য প্রমাণ করতে যুক্তি , বিজ্ঞানকে শয়তানীয় কার্য কলাপ বলবে । এতেও কাজ না হলে চাপাতি দিয়ে কোপাবে । যেমন কুপিয়েছে হুমায়ুন আজাদ , অভিজিত্‍ রায় , অনন্ত বিজয় , দীপনকে ।
মুহাম্মদ নিজেকে আইডল করার জন্য তৈরি করেছেন এক একটি কল্পকথা , সাজিয়েছেন মিথ্যার ভান্ডার । মানুষের মস্তিস্ক করেছেন মিথ্যা ধর্ম আর ঈশ্বর চিন্তার আবাসস্থল । মানুষের মস্তিস্ককে যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলো থেকে সরিয়ে রাখার অপর নাম মুহাম্মদ ও ইসলাম ।
মুসলিমদের মস্তিস্কের কীট বাসা বাধা । কেননা মুসলিমদের মস্তিস্ক যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত নয় । আর যেখানে যুক্তি আর বিজ্ঞানের আলো নেই সেখানে কল্পনা ব্যতিত যুক্তি সহজে থাকতে পারে না । কারণ কল্পনা আলোতে নয় অন্ধকারেই তৈরি হয় । আর যেখানে কল্পনা বাসা বাধে , সেখানে যুক্তি থাকে না থাকে যুগে যুগে গড়ে তোলা আদিম কল্পকথা ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 3 =