ইসলাম আর জঙ্গীবাদ ভিন্ন নয় বরং অভিন্ন স্বত্ত্বা।



“ইসলাম” মহা শান্তির ধর্ম। ইহাকে যাহারা জঙ্গীবাদের সহিত মিশ্রন ঘটায় তাহারা বেশ দুষ্ট, নানা খোকা ভোলানো কথায় চিড়া ভিজিবে নহে। তাহারা সাম্প্রদায়িকতা পয়দা করে! কেহ কেহ এমনটাও বলিয়া থাকেন, যাহারা কোরান পড়ে তাহারা কখনও জঙ্গী হয় না! তাহলে কি হয়? মাঝে মাঝে শুনি, আমার দ্যাশের মহামান্য মডারেট মুমিনা শেখ হাসিনা বলিয়া থাকেন, তিনিও নাকি আল্যাফাকে পেয়ারে বান্দি (যেহেতু পুং বান্দা, মহিলাং বান্দি)। উনি নাকি কোরান পড়ে। আজ আমি কুরানের বেশ কয়েকটা আয়াত তুলে ধরিবো। যাহাতে সুস্পষ্ট, যাহারা বলিয়া থাকেন ইসলাম আর জঙ্গীবাদ এক নয় তাহারা জঙ্গীবাদকে দুধ-কলা দিয়ে খাইয়ে কাল সাপ পুষিতে বদ্ধপরিকর। তবে চলুন, পেয়ারে বান্দি শেখ হাসিনার মত কিছু মডারেট মুমিন-মুমিনাদের ইসলামের শান্তি দেখি…

“নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে
আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে
কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।

আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।”

(সুরা- বাকারাহ, আয়াত- ৬,৭)

আল্যাফাক কত সুন্দর করে এবং নিশ্চিত করে কুরানে এরশাদ করলেন মহাম্মক’কে,
কাফেরদের ভয় দেখাইয়া লাব নাই! বেশ বুঝলাম, তা তবে পরবর্তী অন্যান্য সুরাগুলোতে কেন জিহাদের কথা উল্লেখ করা!(?)
এতই যদি গান্ধীবাদী তো কেন আবার মৌলবাদী?

“অতঃপর যখন তোমরা কাফেরদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হও, তখন তাদের গর্দার মার, অবশেষে যখন তাদেরকে পূর্ণরূপে পরাভূত কর তখন তাদেরকে শক্ত করে বেধে ফেল। অতঃপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ লও। তোমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে যে পর্যন্ত না শত্রুপক্ষ অস্ত্র সমর্পণ করবে! একথা শুনলে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে পারতেন।”

(সুরা- মুহাম্মদ, আয়াত- ৪)

এখানে আমরা কি দেখতে পাচ্ছি?
কাফেরদের সাথে যুদ্ধে অবর্তীন হতে বলা হচ্ছে এবং সেটা কেবল যুদ্ধেই সীমাবদ্ধ নয়, ডাকতিতে রূপ দিতেও বেশ জোর দিয়ে বলা হচ্ছে।
এখন কথা হলো, শান্তির ধর্ম ইসলাম কোথায়? যেখানে আল্যাফাক মহাম্মক’কে বলেই দিয়েছে কাফেরদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হতে এবং যতক্ষন না অস্ত্র সমর্পন না করে ততক্ষন। আর পরবর্তীতে ডাকাতি করা’র বেশ জোরালো ইঙ্গিত দেয়াও হয়েছে।

“অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক।”

(সুরা- তওবাহ, আয়াত: ৫)

কি বলবেন, মহামান্য আল্যাফাকের পেয়ারে বান্দা-বান্দিগণ?
ইসলাম শান্তির ধর্ম!কোনটাকে মিথ্যা বলবেন, ইসলামকে জঙ্গীবাদের সাথে মিশ্রন? যেখানে আপনাদের আল্যাফাক আপনাদের পবিত্র গ্রন্থে এরশাদ করেছেন এবং সু-স্পষ্ট করেই বুঝিয়েছেন ইসলাম কখনও শান্তির নয় বরং ইসলাম এমন একটি ধর্ম যে ধর্ম দাঙ্গা বাঁধাবে, হত্যা করবে, রাহাজানি করবে, ডাকাতি করবে ইত্যাদি ইত্যাদি।

এখন বলতে ইচ্ছে করছে, তোমরা তার কোন কোন বিষয়গুলো অস্বীকার করবে! যেখানে তোমরা-ই বলো কুরান শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ? তোমরা আর কিভাবে বলবে ইসলাম আর জঙ্গীবাদ এক বিষয় নয়! যেখানে কুরানের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গীবাদ ছড়িয়েছেন স্বয়ং তোমাদের আল্যাফাক?

“যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন। তাদের লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের জয়ী করবেন এবং মুসলমানদের অন্তরসমূহ শান্ত করবেন।”

(সুরা- তওবাহ, আয়াত- ১৪)

এ আয়াতে কি দেখতে পাচ্ছি! আল্যাফাক এমনভাবে যুদ্ধ করতে বলছেন আর মডারেট বান্দা-বান্দিরা বলে কিনা জঙ্গীবাদীরা মুসলমান নয়; তবে এ আয়াত দ্বারা কি দাঁড়ায়! আল্যাফাক তবে কি সহী ইসলাম পাঠায় নি? নাউজুবিল্লা।

ইসলাম আর জঙ্গীবাদ ওৎ-প্রোৎ ভাবে জড়িত। ইসলাম’র মাধম্যেই জঙ্গীবাদের বিস্তার, যা মুমিনদের কুরানে উল্লেখ্য। সুতরাং যে সকল মডারেট আল্যাফাকের পেয়ারে বান্দা-বান্দি আছেন যারা প্রতি নিয়ত ইসলাম শান্তির ধর্ম বলে মুখে ফেনা তুলছেন নিঃসন্দেহে তারা মূর্খ, আবাল। মহামান্য আল্যাফাকের পেয়ারে বান্দি শেখ হাসিনা দাবি কররেন তিনি কুরান পড়েন! হ্যা তিনি কুরান পড়েন তবে তেলওয়াত বাংলা অনুবাদসহ নয়। যদি পড়তেন তবে নিশ্চিত করে বলতে পারি উনি জঙ্গীবাদীদের পক্ষে মাঠে নামতেন নচেৎ ধর্মকে তুলোধুনো করতেন। কিন্তু এখন এই সমস্ত মূর্খ মডারেটদের জন্য হুরহুর করে জঙ্গীরা আস্কারা পাচ্ছে জঙ্গীবাদ বিস্তার করতে।

সুতরাং ইসলাম কখনও শান্তির ধর্ম নয় বরং একটি জঙ্গী, সন্ত্রাসী ধর্ম। জঙ্গীবাদ আর ইসলাম আলাদা কিছু নয়।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “ইসলাম আর জঙ্গীবাদ ভিন্ন নয় বরং অভিন্ন স্বত্ত্বা।

  1. ‘হ্যা তিনি কুরান পড়েন তববপ
    ‘হ্যা তিনি কুরান পড়েন তববপ তেলওয়াত বাংলা অনুবাদসহ নয়। যদি পড়তেন তবে নিশ্চিত করে বলতে পারি উনি জঙ্গীবাদীদের পক্ষে মাঠে নামতেন নচেৎ ধর্মকে তুলোধুনো করতেন।’
    Great speech

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 3 = 1