সোয়াত,সোয়াট এবং অপারেশন টোয়ালাইট

আমাদের পুলিশ বাহিনীর গর্বের ধন “সোয়াট ” বাহিনীকে জাতীয় দৈনিক থেকে আবাল মিডিয়াগুলো সবাই সোয়াত বাহিনী বলে প্রকাশ করেছে।
মূলত, সোয়াত হচ্ছে ১৯৭১ সালের পাকিস্তানী পাক বাহিনীদের অস্ত্র সাপলাই দেওয়া একটি জাহাজের নাম।
তাই আমাদের সোয়াট বাহিনীকে সোয়াত নামে ডাকার মানেই একটি কলঙ্ক রটনা।
বাংলা ইউকিপিডিয়ার মতে সোয়াট অর্থ হচ্ছে- বিশেষ অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।
যাই হোক এখন অনেকটাই সংশোধিত হয়েছে সোয়াট নামে।

এবার আসি সিলেটের আতিয়া মহলকে ঘিরে ‘অপারেশন টোয়ালাইট’ নিয়ে।
এই অপারেশন টোয়ালাইট যখন শুরু হয়,তখনই অনেকেই এটাকে রাজনৈতিকভাবে বিশ্লেষণ করতে থাকে।
তাদের কিছু প্রশ্ন এবং সমাধান নিয়েই আমার লেখা।
যেমন-
অনেকেই বলেছেন- অপারেশন টোয়ালাইটে সেনাবাহিনীর কমান্ডো কেন?
মাত্র চার-পাঁচজন জঙ্গির জন্য সেনাবাহিনী নামাতে হয়?
এরপর সেনাবাহিনী ব্যর্থ হলে আমাদের সেনাবাহিনীর বদনামের জন্য এটা একটা নাটক।
একটা অপারেশন সফল হতে এত দীর্ঘ সময় লাগবে কেন?
তাদের আনসার হলো-মাত্র চার পাঁচজন জঙ্গির জন্য না,প্রায় একশ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করতে হলে সেনাবাহিনীর উপরে কিছু থাকলে তাও প্রয়োজন হত।
আর এত দীর্ঘ সময় লাগার কারনতো স্বয়ং সেনাবাহিনীর সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফকরুল আহসান বলেছেন-” ভবনটিতে ৩০ টির মত ফ্ল্যাট আছে এবং ২৮ টিতে মানুষ থাকে। জঙ্গিরা বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।”
বুঝতেই পারছেন ২৮ টি ফ্ল্যাটের সবাইকে বিস্ফোরক দ্রব্য থেকে অক্ষত উদ্ধার করতে কতটুকু সময়ের প্রয়োজন ছিলো।
আর মনে রাখবেন আমাদের সেনাবাহিনী অনেক প্রথম শারীর দেশ থেকে বেশি প্রশিক্ষিত ও শক্তিশালী বলেই জাতীসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে প্রথম।তাই বলা যায় যে, যেখানে আমাদের সেনাবাহিনী ব্যর্থ হবে,সেখানে ইন্ডিয়া কেন; বিশ্বের কোন দেশের সেনাবাহিনীই সফল হবেনা।
শেষে একটা উপদেশ দিয়ে যাই-সব স্থানে রাজনীতিজ্ঞ হতে যাবেন না।আর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সব ক্ষেত্রে করা থেকে বিরত থাকুন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “সোয়াত,সোয়াট এবং অপারেশন টোয়ালাইট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

54 − = 52