সাধু সাবধান – “আমরা”

যে কোন ঘটনায় কে কার প্রতিনিধিত্ত্ব করছে এটা বুঝতে পারাটা খুবই দুষ্কর হয়ে উঠছে দিনকে দিন । আমি এবং আমার মত অনেকেই, যাদের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্দের পক্ষে তবে কোনোভাবেই বি,এন,পি, বা আওয়ামীলীগ এর দলীয় ছাতার নীচে নয়, তাদের অবস্থা সবচেয়ে করুন এবং সঙ্কটাপন্ন । চলতি ঘটনাপ্রবাহের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে প্রায় সময়ই বিভিন্ন লেখা, ঘটনার ছবি ও ভিডিও চিত্রের প্রতি পছন্দ, অপছন্দ বা একাত্বতা দেখাতে হয় । এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক আচরণ বলেই আমার ধারনা । যে কোন সংবেদনশীল ঘটনা ঘটবার পর যারা নিজের অনুভুতি সযত্নে লুকিয়ে নিরপেক্ষতার ভুমিকা নিতে চান তাদের ব্যাপারে আমার ধারনা হল – তারা হয় বোধহীন, নির্বোধ, অতিমাত্রায় ভীতু, অপরাধসংশ্লিষ্ট বা অত্যন্ত সুবিধাবাদী।
যারা উপরের কোণটাই নন, তারা ভাল অথবা মন্দ অথবা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করবেন কিন্ত কোনমতেই চুপ থেকে সুবিধাভোগের অপেক্ষায় থাকবেন না বলেই আমি মনে করি ।
আমরা যখনই সাম্প্রতিক কোন ঘটনা নিয়ে পছন্দ ও অপছন্দ প্রকাশ করি তখনই সরকার ও বিরোধীদলীয় সমর্থকরা আমাদের গোত্র নির্ধারণের চেস্টা করেন । মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় আমাদের স্থান । একই ব্যাক্তি বিভিন্ন সময়ে বিবেচিত হই নাস্তিক, রাজাকারের দালাল, আওয়ামী দালাল, বি,এন,পি, র দালাল এবং ভন্ড হিসাবে ।
আমি মনে করি আমরা যারা কোন দলীয় মতামতের তোয়াক্কা না করে সরাসরি মন্তব্য করছি তারাই সত্যিকারভাবে জনমত তৈরির প্রধান সহায়ক । কারন আমরাই শেষপর্যন্ত আলোচনা ও সমালোচনার মাঠ ত্যাগ করছি না । কখনো ডান, কখনো বাম এবং কখনো ধর্মান্ধদের তীরে বিদ্ধ হচ্ছি । দলীয় রাজনীতি সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরা সামাজিক মাধ্যমগুলোতে নিজেদের সুবিধামত সময়ে এসে মন্তব্য করছেন । এটাই স্বাভাবিক এবং তাদের মন্তব্য পক্ষপাতসম্পন্ন হবে এটাও স্বাভাবিক । সবারই মনে রাখা উচিত যে , যে কোন সত্য মন্তব্য কারো না কারো পক্ষে যাবেই, কারন একটা সমাজের সব মানুষ একত্রে ভাল বা খারাপ বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে পারে না । কাজেই মন্তব্য যাদের পক্ষে যাবে তারা আনন্দিত হন এবং অবশিষ্টরা মন্তব্য কারীকে শত্রু হিসাবে বিবেচনা করতে শুরু করেন । এই কারনে আমরা আলোচনাকারীরা টেনিস বলের মত একবার নেটের এপাশে একবার ওপাশে এবং কখনো মাঠের বাইরে নিক্ষিপ্ত হই । আপাততঃ বর্ণনার সুবিধার্থে আমরা এটা মেনে নিচ্ছি ।
আমরা যথার্থই বিভ্রান্ত হই যারা আমাদের মত অনিদৃষ্ট সংজ্ঞার অবস্থানে নেই এমন সব ব্যাক্তি ও দলের মতামত ও কর্মকাণ্ডে । প্রতিনিয়তই রাজনৈতিক দলগুলো এবং এদের নেতৃবৃন্দ পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন । উদাহরণস্বরূপ দু-একটা ঘটনা ও তার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গের অবস্থান এর বর্ণনা করছি ।
প্রেক্ষিত- সাভারে রানা প্লাজায় ধ্বস ।
গোটা সাভার ছেয়ে আছে রানা ও মুরাদ জং এর বন্ধুত্ব পূর্ণ অবস্থান সম্বলিত ছবিময় পোস্টারে। এ ছাড়াও যুবলীগের নানারকম পোষ্টারে রানার ছবি গর্বের সাথে শোভা পাচ্ছে সাভারের সব অলিতে গলিতে । অথচ প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই সাফাই গাইলেন এই মর্মে যে রানা যুবলীগের কর্মী নয় । আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারাও দলের খাতা থেকে রানার নাম মুছে ফেলতে উদ্যোগী হলেন । কেন এই তৎপরতা ? আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী মানেই কি ফেরেশতা ? সকল প্রকার অপকর্মের উর্ধে ? মেনে নিতে কষ্ট কোথায় ? আওয়ামী কর্মীরা খুব খুশী হননি বলাই বাহুল্য ।
পরবর্তীতে দেখা গেল রানা প্লাজার অনুমোদন বি,এন,পি, র আমলে নেয়া এবং এর সাথে মির্জা আব্বাস সহ অনেকেই জড়িত, এমনকি রানাকে গ্রেপ্তার করা হয় বি,এন,পি, নেতার বাড়ী থেকে । এই ঘটনা প্রকাশের পর থেকে বি, এন,পি, সমর্থকরাও রানার বিচারের ব্যাপারে অনেকটা নির্বিকার ভাব প্রদর্শন করছেন – কেন ? বি,এন,পি, ও অপকর্মের দায় এড়াতে পারবে না তাই ? অথচ মাত্র দুদিন আগেও উভয় দলই বিভিন্ন মাত্রায় ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার ছিল । এত দ্রুত পট পরিবর্তনকে সাধারন মানুষ কিভাবে নিচ্ছে জানতে ইচ্ছা হয় না ?
প্রেক্ষিত- রাজাকারের ফাঁসির আন্দোলন ।
সাধারন মানুষ মত ও ভাব প্রকাশের সুবিধাজনক ক্ষেত্র ও পরিবেশ পেয়ে রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে শাহাবাগ আন্দলনে সমর্থন জানাল । রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার দৌড়ে – বি,এন,পি, র জামাত সংশ্লিষ্টতার সুযোগ নিয়ে আওয়ামীলীগ মঞ্চে হাজির হয়ে অগ্রণী ভূমিকা প্রমানে সচেষ্ট হল । ব্যাস অমনি বি,এন,পি, নাখোশ – মঞ্চ হয়ে গেল আওয়ামীলীগের । কে দিল আওয়ামীলীগকে এই সুযোগ ? বিভিন্ন পেশাজীবীরা কোন দলের পক্ষ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ? খেলোয়াড় এবং সংস্কৃতিকর্মীরা কোন দলের পক্ষে গিয়েছিলেন ? মহিলা ও শিশুরা কোন দলের হয়ে গিয়েছিলেন ? আওয়ামীলীগকে ফাকা মাঠে গোল দেবার সুযোগ কে দিল ? বিরোধী দলের ভূমিকা কি ছিল ? বিরোধীদলীয় নেত্রী একবার বলছেন – যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরাও চাই ,- কিভাবে চান ব্যাখ্যা করবেন প্লীজ ? কিছুপরেই বলছেন সাইদি ও মুজাহিদ সাহেবদের মিথ্যা মামলা দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে এবং হয়রানি করা হচ্ছে । যাদের দুই দুইবার ক্ষমতায় গিয়েও জনগনের এই চাওয়ার ব্যাপারে বোধোদয়ই হয়নি তারাই এখন ঠেলায় পড়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে চাইছেন তাও আবার নিজেদের তত্তাবধানে । এই বক্তব্যকে কতোটা সত্য হিসাবে নেবে জনগন ?
প্রেক্ষিত- ফটিকছড়ি।
মটরসাইকেল শোভাযাত্রীদের উপর নৃশংস আক্রমন এবং কুপিয়ে মানুষ মারার দৃশ্য দেশবাসী দেখবার পরও , নির্লজ্জ ভাবে বিরোধীদলের মুক্তিযোদ্দা নেতা ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে বলেছেন । বিরোধীদলীয় নেতাদের মতে ডাকাত ও সন্ত্রাসী প্রতিহত করেছে এলাকাবাসী । বিরোধীদলের এই ভুমিকা ও বক্তব্য জনগন কতটা গ্রহন করেছে ? ডাকাতরা মানুষের বাড়ী আক্রমন না করে রাস্তায় এবং ধানক্ষেতে কি করছিল ? ডাকাতির বিবরন বা মামলা কই ? বিরোধীদল কেন মামলার পূর্ণ বিবরন সহ শ্বেতপত্র দাবী করল না ? ফলাফল নিজের বিপক্ষে যাবার আশঙ্কায় ? প্রায় সব ঘটনাতেই তো মউদুদ এবং দুদু সাহেব শ্বেতপত্র চাইছেন , এক্ষেত্রে নই কেন ? যারা জীবন হারাল তাদের ব্যাপারে আওয়ামীলীগও খুব বেশী প্রতিবাদী নয় কেন ? মৃত ব্যাক্তিরা তেমন গুরুত্তপুর্ন কেউ ছিল না ? কেন উভয় পক্ষের এই অস্পষ্ট অবস্থান ?
প্রেক্ষিত – হেফাজত ।
প্রথমবার জামাইআদরে হেফাজতকে স্বাগতম জানাল সরকার , যার কারনে হেফাজতও গদগদ হয়ে নিজেদের রাজাকারবিরোধী বলে প্রচার করলো । কিন্ত সমাবেশ শেষে দেখা গেল বিরোধীদলই তাদের পরম মিত্র । তাহলে আওয়ামী ষড়যন্ত্র কোথায় গেল ? হেফাজতের দ্বিতীয় সভার পূর্বে বিরোধীদলী একাত্মতা ঘোষণা করল ধর্মানুরাগের কারনে । কর্মীদের নির্দেশ দিলেন হেফাজতিদের পাশে দাড়াতে নিতান্তই মানবিক কারনে – উনারা (বিরোধীদল) জনগণকে কোন জাতের গাধা বলে মনে করেন ? হেফাজতিদের সহায়তা মানবিক কারনে অথচ সাভারের ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তার ক্ষেত্রে মানবতা কোথায় ?
হেফাজতের ধ্বংসযজ্ঞের দায় সরকারের এবং ঘটনার পূর্ন বিবরন দিতে হবে বি,এন,পি সমীপে ? বি,এন,পি র ভুমিকাটা কি এখানে? জনতা কতটা বেকুব ? কোরআন পুড়ানোর বিচার হোক সবাই চায় । সরকার ও বিরোধীদল নিজ নিজ জায়গা থেকে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছে । জনগন কি বুঝতে পারছে না ?
বি,এন,পি র লোকেরা বলছেন মাদ্রাসার এতিম ছেলেরা নিহত হয়েছে তাই অভিভাবক নাই ।জনতা জানে কতটা হাস্যকর এই বক্তব্য । মাদ্রাসা কতৃপক্ষ কি অভিভাবক নয় ? নাহলে তারা সমাবেশে আসলো কীভাবে ? অল্পবয়স্ক এতিমদের কেন ব্যাবহার করা হল ? জনগন কি ইডিয়েট ? কিছুই বোঝে না ?
এতিম মানেই অসহায় এবং দরিদ্র তবুও তাদের অভিভাবকরা কিভাবে প্লেন ও হেলিকপ্টারে চড়ে ঘুরে বেড়ায় ? ব্যাপারগুলো কতোটা পরস্পরবিরোধী জনগন পরিস্কার দেখতে পায় ।
উপরোক্ত আলোচনার বাইরেও ঘটনাসমূহ নিয়ে সরকার ও বিরোধীদলের বিভিন্ন নেতার রয়েছে উস্কানিমূলক ও হাস্যকর বক্তব্য এবং ক্রমাগত মিথ্যাচার ।
বাংলাদেশের জনগণকে কোনোমতেই অবিবেচক ও নির্দয় বলা যাবে না । কোনটা ভুল এবং কোনটা অপরাধ তা বিবেচনা করবার মত যথেষ্ট দক্ষতা ও ক্ষমাশীলতা জনগনের রয়েছে । ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের পর থেকে এ যাবত জনগন বারবার রাজনৈতিক দল ও নেতাদের বিভিন্নকারনে ক্ষমাপ্রদর্শন ও দেশ সেবার সুযোগ দিয়েছে । বি,এন,পি দুই দুইবার, আওয়ামীলীগ দুই দুইবার এই সুযোগ পেয়েছে । এছাড়াও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও যৌথবাহিনীর অভিযানের সময়ে দুর্নীতিগ্রস্থ হিসাবে বিবেচিত অনেক নেতাকেই জনগন বারবার শোধরানোর সুযোগ দিয়েছে । এমনকি এরশাদকেও ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করেছে ।
জামাত এর সাথে একত্রিত হয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করেছে আওয়ামীলীগ ও বি,এন,পি উভয়েই । ১৯৮৬ সালে জামাতের সাথে পথচলার পরও ২০০৬ সালে জনগন দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করেছে । জনগন বি,এন,পি কেও ভুল শোধরানোর সুযোগ দিতে প্রস্তুত বলেই আমি ধারনা করি । বি,এন,পি বার বার শুধরানোর সুযোগকে পায়ে ঠেলছে বলেই আমার ধারনা ।
আওয়ামীলীগের ভেতর রাজাকার আছে এই যুক্তিতে রাজাকারের বিচার বাতিল করতে হবে বা আওয়ামী রাজাকারদের বিচার আগে করতে হবে এযুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য ? তার চেয়ে যাদের নামে ইতিমধেই মামলা চলছে এবং যারা জনস্বীকৃত অপরাধী তাদের বিচার নিশ্চিত করতে একাত্ত্বতা জানিয়ে একই প্রক্রিয়ায় বাকিদেরও বিচার করতে হবে এই দাবি কি জনগনের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হতো না ?
প্রাসঙ্গিক না হলেও উজ্জ্বল উদাহরন হতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেবার ঘোষণাটি । সুনিদৃষ্ট ব্যার্থতা বা ভুল না থাকবার পরও দায়বদ্ধতা ও নীতিগত কারনে সম্ভবত এই ঘোষণা । সারাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা মুশফিকের প্রতি বীরসুলভ সহানুভুতি দেখাচ্ছে ।এই জনতাই হয়তো ঘোষণা না পেলে তার গুস্টিউদ্দারে লিপ্ত হত ।
এখানে বিবেচ্য ব্যাপার হল মুশফিক যদি অধিনায়ক এর লোভনীয় পদ ছাড়বার মতো সাহসী হতে পারে, তাহলে আমাদের রাজনীতিবিদেরা কেন ভুল সিদ্ধান্তগুলো পেছনে ফেলে আসবার মত সাহস দেখাতে পারছেন না ?
বি,এন,পি গোঁয়ারের ভুমিকায় থেকে কার ক্ষতি বৃদ্ধি করছে ? তার জবাব জনতার কাছে রয়েছে ।
পক্ষান্তরে পদ্মা সেতু দুর্নীতি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, রেলমন্ত্রীর অর্থ কেলেঙ্কারি এই ঘটনাগুলো কি শুধুই বিরোধীদলের অপপ্রচার ? জনগন কি ঘাস খায় ? এইটুকু বুঝবার মত বুদ্ধি জনতার আছে । যুক্তি আর পরিসঙ্খান দিয়ে মানুষকে সাময়িক বোকা বানানো যায় কিন্ত এক সময় জনগন এসব তথ্য আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলে দেয় ।
আমরা সাধারন জনগন তাৎক্ষনিকভাবে প্রভাবিত হলেও সার্বিক ঘটনার গুরুত্ব ,সত্যতা এবং গভীরতা অনুধাবনে সচেষ্ট ও সক্ষম । আমাদের আপনারা যেসব গালগল্প ও সাফল্য ব্যার্থতার কাহিনী শোনাচ্ছেন আমরা ধৈর্য নিয়ে তা শুনছি এবং পর্যবেক্ষণ করছি । আমাদের সাময়িক উচ্ছ্বাস ও মেনে নেয়াকে আপনাদের পক্ষের সমর্থন বলে ভাবলে ভুল করবেন ।
আমরা ছোটবেলা থেকেই ঘটনার বিবরন পাঠ করে সারমর্ম তৈরি করতে শিখেছি । আমরা রচনার উপসংহার দেবার পদ্দতিটাও ভুলে যাইনি ।
রাজনৈতিক দলগুলোকে বলছি – নিজের ঢোল পেটানো ও প্রতিপক্ষের দোষারোপ এর সংস্কার থেকে নিজ স্বার্থে বের হয়ে আসুন । আমরা সব মনে রেখেছি, আমাদের ভুল বোঝাবার কোন অবকাশ নাই । নিজ স্বার্থে আচরন ও কর্মপদ্ধতি পরিবর্তন করুন । বৃহত্তর রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থকদের বাইরের এই “আমরা”ই আপনাদের ভবিষ্যৎ রচনা করবো । সাধু সাবধান !

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “সাধু সাবধান – “আমরা”

  1. যে কোন সংবেদনশীল ঘটনা ঘটবার

    যে কোন সংবেদনশীল ঘটনা ঘটবার পর যারা নিজের অনুভুতি সযত্নে লুকিয়ে নিরপেক্ষতার ভুমিকা নিতে চান তাদের ব্যাপারে আমার ধারনা হল – তারা হয় বোধহীন, নির্বোধ, অতিমাত্রায় ভীতু, অপরাধসংশ্লিষ্ট বা অত্যন্ত সুবিধাবাদী

    একমত

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 4 = 4