বাংলাদেশ নিশ্চিহ্নকরন পার্টি (বিএনপি)

বাংলাদেশের চরিত্রহীন রাজনৈতিক দেউলিায়ারা যে দলটিতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে সে দলটির নাম হলো বিএনপি। সবার আগে শিরোনামটির প্রতি সুবিচার করা দরকার। লক্ষনীয় ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরবর্তী আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে প্রায় সবগুলো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে জিতেও গেছে, কুসিক নির্বাচন তার সাম্প্রতিক উদাহরণ। অথচ জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিয়ে জামাতের সাথে হাতে মিলিয়ে আগুনে বোমা নিক্ষেপ করে বাংলাদেশকে ভস্ম করে শ্বশানে পরিনত করার ব্যার্থ অপচেষ্টা করেছে। অন্যসব নির্বাচনে অংশ নিলেও জাতীয় নির্বাচনে কেন নয়

হয়তো অনেকেই জানেন যে গোলাম আজমসহ ঘাতক-দালালরা বাংলাদেশের জন্ম রুখে দেবার জন্য রক্তক্ষয়ী ব্যার্থ চেষ্টা করেই ক্ষান্ত থাকে নি, ১৯৭১ সালের পরও তারা লণ্ডনে ‘পুর্ব পাকিস্তান পুনুরুদ্ধার কমিটি’ গঠন করে শিশু রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাদের উত্তরসুরী হিসাবে এখন তারেক জিয়া লণ্ডনে বসেই দেশ বিরুধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আবার যখন সরকার এইসব ঘাতক-দালালদের বিচার শুরু করেছে তখন তারা পাকিস্তানের সাথে হাত মিলিয়ে বিচার কার্য বিঘ্নিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

ক্ষমতার বাইরে থকার সময় বিএনপি চূড়ান্ত ভারত বিরুধী, আর ক্ষমতায় গিয়ে ভারতের কোলে বসে থাকে। ভারত সফর শেষে ফিরে এলে বিমানবন্দরে ফারাক্কার বিষয়ে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করলে দেশনেত্রী বলেন, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম।

জঙ্গীদমন করতে গিয়ে যখন দেশপ্রেমিক সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা প্রান দিচ্ছে তখন মির্জা ফখরুল গংরা তোতা পাখীর মতো বলে এটা প্রহসন-নাটক আর ও দিকে খালেদা জিয়া শুধু সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানায় পুলিশকেও না, র‍্যাবকেও না কারণ তিনি ভালই জানেন বিএনপির ক্ষমতার উৎস কোনটা।

এই মুহুর্ত্তে বাংলাদেশে ১৫০ শর বেশী দেশের সাংসদরা সভায় মিলিত হয়েছে, আর বিএনপির অন্তর্জ্বালা শুরু হয়েছে, একবার বলছে এই সন্মেলন প্রহসন, আবার বলছে এ সন্মেলন বাংলাদেশে হওয়ায় তারা বিস্মিত, অবশ্য পাকিস্তানে হলে তারা খুশী হতো। লক্ষনীয় বিএনপির ইচ্ছা অনুযায়ী পাকিস্তান সন্মেলনে প্রতিনিধি পাঠায় নি।
এদের এ রকম আরো হাজারটা কুকীর্তি রয়েছে যা লেখার ধৈর্য আর সময় আমার নেই, বিচারের ভার পাঠকদের উপর

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 1 =