ডা: জাকির নায়েকের বক্তব্য শুনে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া যুবক কেন জঙ্গি হচ্ছে ?

জাকির নায়েক জিহাদী বা মডারেট মুসলমান উভয়ের মধ্যেই সমান জনপ্রিয়।কারন সে কোরান ও হাদিসের মধ্যে দুনিয়ার সকল বিজ্ঞান আবিস্কার করে থাকে। প্রকৌশল, মেডিকেল বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া একজন ছাত্রের কাছে এর মাহাত্ম অপরিসীম। যদি তারা জানতে পারে যে , কোরানের মধ্যেই আছে দুনিয়ার সকল বিজ্ঞানের সূত্র , তাহলে একজন মাদ্রাসা ছাত্রের চাইতে বিজ্ঞান মনস্ক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রই হবে সব চাইতে বড় মুমিন ও জিহাদী।

জাকির নায়েক জিহাদী বা মডারেট মুসলমান উভয়ের মধ্যেই সমান জনপ্রিয়।কারন সে কোরান ও হাদিসের মধ্যে দুনিয়ার সকল বিজ্ঞান আবিস্কার করে থাকে। প্রকৌশল, মেডিকেল বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া একজন ছাত্রের কাছে এর মাহাত্ম অপরিসীম। যদি তারা জানতে পারে যে , কোরানের মধ্যেই আছে দুনিয়ার সকল বিজ্ঞানের সূত্র , তাহলে একজন মাদ্রাসা ছাত্রের চাইতে বিজ্ঞান মনস্ক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রই হবে সব চাইতে বড় মুমিন ও জিহাদী।

আমরা জানি , সে-ই খাটি মুমিন যে কোরান ও সুন্নাহ অনুসরন করে। যদি কোনভাবে প্রমান করা যায় , কোরান হলো একটা ১০০% বেহেস্তি গ্রন্থ আর মুহাম্মদ হলো আল্লাহর নবী, তখন যে কোন মুমিনই কোরান ও হাদিসের প্রতিটা বানী অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করবে। বিজ্ঞান হলো এমন এক বিষয় যা যে কোন ঘটনার চুড়ান্ত সত্যতার সাক্ষ্য দেয়। যেমন ধরা যাক , আলবার্ট আইনস্টাইন মাত্রই ১৯০৫ সালে তার আপেক্ষিকতার সূত্র উদ্ভাবন করেন। এখন যদি কোন কায়দায় প্রমান করা যায় যে , কোরানের মধ্যে উক্ত সূত্রের বিবরন কোন আয়াতে আছে , তাহলে নিশ্চিতভাবেই প্রমানিত হবে যে কোরান একটা বেহেস্তী গ্রন্থ কারন সেই ১৪০০ বছর আগে দুনিয়ার কেউ আপেক্ষিকতাবাদের কথা জানত না। এই ঘটনাটার মাহাত্ম একজন আরবী পড়ুয়া মাদ্রাসা ছাত্রের চাইতে , বিজ্ঞান পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের কাছে অনেক বেশী। কারন বিজ্ঞান জানা ছাত্রটাই এ ঘটনা থেকে বেশী অনুপ্রানিত হবে , আর তার মধ্যে ইমানী জোশ বৃদ্ধি পাবে হাজার গুন।

জাকির নায়েক জানে , পারিবারিকভাবে ধর্মপ্রমান মুসলমানদের কাছে কোরানের যে কোন একটা আয়াতকে নিজের মত করে , এমন কি আরবী শব্দের বিকৃত অর্থ করে যদি গোজামিল দিয়ে কোন ভাবে তার মধ্যে বিজ্ঞান আবিস্কার করা যায়, তাহলে মুসলমানরা সেই অর্থকেই গ্রহন করে আনন্দে নাচতে থাকবে , কারন সেটা ইসলামের পক্ষে যাবে।

একজন বিজ্ঞান পড়ুয়া ছাত্রকে যখন বুঝান হলো কোরানের মধ্যে সব বিজ্ঞান বিদ্যমান তখন সে কোরানকে একটা ১০০% বেহেস্তি কিতাব হিসাবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে , কোরানের ও হাদিসের সব বিধানই আন্তরিকভাবে অনুসরন ও বাস্তবায়ন করতে কঠিনভাবেই অনুপ্রানিত হবে। তার এই অনুপ্রেরনা এমন কি মাদ্রাসা পড়ুয়া বিজ্ঞান না জানা ছাত্রদের চাইতে বেশী হবে। কোরান ও হাদিসে শত শত বিধান আছে – যাতে বলা হয়েছে – অমুসলিমেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে , তাদেরকে হত্যা করতে হবে , যারা মুনাফিক, মুর্তাদ ও ইসলামের সমালোচনা করে তাদেরকে হত্যা করতে হবে। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান পড়ুয়া সেই ছাত্রটা এসব বিধানকে আক্ষরিক অর্থেই গ্রহন করে তা বাস্তবায়নের জন্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে, আত্মঘাতী জিহাদ করতে তথা জঙ্গি কার্যক্রম করতে বের হবে। তাকে তখন যতই বুঝান হোক , যে কোরানের এসব বিধান সেই ১৪০০ বছর আগের জন্যে প্রযোজ্য ছিল বা এসবের ভিন্ন অর্থ আছে বা এর প্রেক্ষাপট জানতে হবে বা মূল আরবীতে এসব আয়াত পড়ে বুঝতে হবে , এসব কোনই কাজে আসবে না। বরং এ ধরনের ধানাই পানাই মার্কা কথা যারা বলবে , তাদেরকে এরা মুনাফিক হিসাবে গন্য করে , প্রথমে তাদেরকেই হত্যা করার জন্যে টার্গেট করবে।

এখন কি বোঝা যাচ্ছে , কেন মেডিকেল , প্রকৌশল, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া স্বচ্ছল পরিবারের সন্তানরা জঙ্গি হচ্ছে ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 + = 22