দ্বিপ্রহরের রৌদ্রদহন

পোড়া রোদ মরচে পড়া গ্রিল ঘেঁষে
তামাটে মনের খুব কাছে এসে
হাতছানি-খুলে দিতে মন
ডাক পাঠায় খুঁজে নিতে
পথের খোঁজ বোহেমিয়ান ,
তারপর হঠাত্‍
হাত ছুঁতে গিয়ে হাত ফসকে
অতলে হারিয়ে যাওয়া নিজেতেই ।

স্মৃতির পোড়া রোদ ,
কি ধৈর্য্য নিয়ে পুড়িয়ে যায়-
ক্লান্তি নেই , অবসাদ নেই
শুধু খুশির সাথে আড়ি ,
শুধু ওদের করে দহ
যাদের জীবনে শোকের বাড়াবাড়ি,
যাদের সুখের সাথে আজন্ম বিরহ।

হলতে পাতার স্মৃতিতে
বদ্ধ স্মৃতির উঠোনটায়
খুব খুউব একলা লাগায়
সঙ্গী হয়ে থাকে ঝড়া পাতার দল ,
পথের ধার দিয়ে হেঁটে যাওয়া যাযাবর-
অচেনা সাজে চেনা কেউ
অথবা তপ্ত বাতাসের ঢল ।

নিঝুম দুপুরের পোড়া রোদটাও
হয়তো একা খুব
তাই সঙ্গ খুঁজে ফেরে
মন খারাপের ভিড়ে ,
ভেজা বাতাসের প্রবল ঝাপটাও
বোধহয় ভালবাসে খুব
তাই পোড়া রোদের
পিছু ছুটে ফেরে ।

মধ্যপ্রহরে , খোলা পথে
বিষণ্ন রোদে যাযাবর ছোটে
খুব যত্নে কষ্ট পোড়ায় –
রোদের তাপে স্মৃতির ছাপে
ভেজা চোখের বৃষ্টি শুকায় ।
যাদুর শহরে রেখে যায়
শুধু পায়ের ছাপ ,
কেউ ছিল বা কেউ নেই
শুধু সময়ের অভিশাপ ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “দ্বিপ্রহরের রৌদ্রদহন

  1. “নিঝুম দুপুরের পোড়া
    “নিঝুম দুপুরের পোড়া রোদটাও
    হয়তো একা খুব
    তাই সঙ্গ খুঁজে ফেরে
    মন খারাপের ভিড়ে ,
    ভেজা বাতাসের প্রবল ঝাপটাও
    বোধহয় ভালবাসে খুব
    তাই পোড়া রোদের
    পিছু ছুটে ফেরে ।”

    অন্তঃমিল,অর্থ,ছন্দ — সবমিলিয়ে ভালো লাগলো বেশ । চালিয়ে যান

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

38 − 35 =