CP গ্যাং কালপুরুষ এর আসল কাহিনি পেশ করছেন আসল পুরুষ

সম্প্রতিফেসবুক এবং অনলাইন কমিউনিটি তে আত্মপ্রকাশ করেছে CP-গ্যাং নামে একটি ফেসবুকএকটিভিস্ট গ্রুপ।এই সিক্রেট গ্রুপটি সম্পর্কে গ্রুপের সদস্য ছাড়া আর কেউ জানার কথানা ফেসবুকের পলিসি অনুসারেই।কেউ জানতই না হয়ত আজ সকালের আজ পর্যন্ত যে এরা একটিসংঘবদ্ধ একটিভিস্ট টিম যারা কিনা ফেসবুক জামাত/শিবির/হেফাজত পন্থীদের বিভিন্নঅপপ্রচারকে রুখে দেওয়ার মিশনে নেমেছিল ঐক্যবদ্ধ হয়ে।আতঙ্ক ও সৃষ্টি করেছিলস্বাধীনতা বিরোধী এর গোষ্ঠীদের মনেও।কিন্তু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখে পড়লোইশটিশন ব্লগের একদিনের জন্মানো নিক ‘আমি কালপুরুষ’ এর ‘সিপিগ্যাং। আওয়ামী গ্যাং। চটি গ্যাং’ শিরোনামে লেখা অনুসন্ধানী পোষ্ট টি। পোষ্ট এ খুব সুন্দরকরেই গ্রুপ টিকেখুব ই বাজেভাবে উপস্থাপন করা হয় চটি গ্রুপ,গালিগালাজ এর আঁতুড়ঘর বলে।কিন্তু আসলেইকি তাই? যাই হোক,আমরা সেদিকে না গিয়ে দেখি আসলে কন সে স্পাই দে কিনা সেই গ্রুপেরমেম্বারদের সাথে প্রতারণা করে মিলেমিশে একাকার হয়ে পিঠে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে। কিন্তুআফসোস!সে যদি গাছের ডালে ডালে থাকে তাহলে আমরা থাকি পাতায় পাতায় 😉

ছাগলরা যেদিকেই যায় সেখানেই কিছু ল্যাদানি রেখে যায়। সেই ল্যাদানি দিয়েই খুব সুন্দর করেইধরা গেলো কে সেই বিশ্বস্ত ব্যাক্তি আমাদের।

প্রথমত,এই গ্রুপে এমনদেরকেই এড দেওয়া হয়েছে যাদের অনলাইনে ছাগু বিরোধী স্ট্যান্ড মোটামুটিক্লিয়ার এবং গ্রুপের কারো না কারো পরিচিত মুখ। সুতরাং বলা যায় এখানে অপরিচিত কোনভার্চুয়াল ফিগার ছিলো না।যে ব্যাক্তি এই কাজ করেছে সেও সবার পরিচিত মুখ।

সকালেরইশটিশন ব্লগের পোষ্ট এ দেওয়া গ্রুপ একটিভিটির স্ক্রিনশট গুলো দেখে এটা অন্তত বলাযায় যে ব্লগার নিজে গ্রুপে না থাকলেও এমন কাওকে দিয়ে নিইয়েছেন যিনি কিনা গ্রুপের ইএকজন।এইবার স্ক্রিনশট গুলাকে ব্যবচ্ছেদ করি চলুনঃ
১. পোস্ট এ দেওয়া গ্রুপ মেম্বারদের লিস্ট এর স্ক্রিনশটঃ

>>দেখা যাচ্ছে এখানে প্রথম সারিতে তিন জনের প্রোফাইলদেখা যাচ্ছে।

১.মহামান্য কহেন

২.রাসেল রহমান(গ্রুপ ক্রিয়েটর)

৩.রতন মজুমদার।

এখানে ভেতরেই লুকিয়ে আছে আসল স্পাই, যে কিনা ইনফো লিক করেছেবাইরে। আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন এতনের লিস্ট থেকে মাত্র ৩ জনকে কিভাবে সিলেক্টকরলেন বা কেন?-ওয়েল,উত্তরটা নিচে দেওয়া হল।

>>খুব সূক্ষ্মভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন আপনি নিজে যে যেগ্রুপে এড করা আছেন সে সব গ্রুপে ঢুকে যদি মেম্বারলিস্ট চেক করেন তবে সার আগেআপনার প্রোফাইলই দেখাবে,ক্ষেত্রবিশেষে প্রথম স্থানে না থাকলেও প্রথম সারির তিনটারমধ্যে এক স্থানে থাকবেই, এটাই ফেসবুকের ডিফল্ট সিস্টেম। নিজে এড হয়ে থাকা অনেকগুলো গ্রুপের মেম্বারলিস্টে আমার অবস্থান দেখে এবং আরো কিছু বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেসে ব্যাপারে নিশ্চিত হই। বিশ্বাস না হলে নিজেরা ট্রাই করে দেখতে পারেন।

>> আরো লাগবে?

আশা করি,না 😉

যেহেতু ব্লগ পোষ্ট এর স্ক্রিনশট এ মহামান্য কহেন নিকটিই আগে আসে সেহেতু ঐ ব্যক্তি ই ঐ পোষ্ট এর স্ক্রিনশট গুলো নিয়েছে বলে ধরে নেওয়াযায় এখনি।কিন্তুএখনি মজা শেষ না যেহেতু মাঝে মাঝে অনেকের ক্ষেত্রে মেম্বারলিস্টে নিজের প্রোফাইলপ্রথম সারির দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানে দেখা যায়।সেক্ষেত্রে ব্লগ পোষ্ট মতে সেই লিককরা ব্যাক্তি হতে পারে রাসেল রহমান কিংবা রতন মজুমদার।

এখানে একটি প্রশ্ন থেকে যায়, যেহেতু রাসেল রহমান ই এইসিক্রেট গ্রুপ তথা গ্যাং এর ক্রিয়েটর সেহেতু তিনি কোন দুঃখে তা লিক করবেন তা আমিবুঝতে পারছি না।উনার মাথা খারাপ হলেই কেবল এমনটি সম্ভব, কথা বলেই বোঝা যায় উনারমাথা ঠিক আছে, আপনার বিশ্বাস না হলে উনার সাথে কথা বলে দেখতে পারেন :p

তো সেকেন্ড অপশন রাসেল রহমান কে এই অভিযোগ থেকেঅব্যাহতি দেওয়াই যায়, কি বলেন? এখন বাকি থাকে রতন মজুমদার নামের ভদ্রলোক।

>>উনার ব্যাপারটা পরিস্কার করার জন্যে একটু ফ্ল্যাশব্যাকএ যেতে হবে। আমরা দেখবো ব্লগ পোষ্ট এর আরেকটি স্ক্রিনশট, যেখানে বলা হয়েছে “বাদপড়ছে না আওয়ামী লীগাররাও।আওয়ামী লীগ নেতা জনাব রাকিবুল বাষাড়কে এরা ধোলাইদিয়েছে।”

স্ক্রিনশটঃ

>>তো স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে স্পাই ভদ্রলোক এই পোষ্টেএকটিভ যার কারণে পোষ্ট টি উনার দ্বারা ‘followed’ হয়ে আছে ফেসবুকের বাইডিফল্ট সিস্টেম অনুসারেই।আশা করি সিস্টেমটা সম্পর্কে সবাই জানেন যে গ্রুপের কোনপোষ্টে কাওকে ট্যাগানো হলে বা কোন ব্যাক্তি কোন পোষ্ট এ কমেন্ট করলে তাঅটোমেটিকালি ‘followed’ হয় তার জন্যে,মানে তিনি নটিফিকেশন পান সেই পোষ্ট এর।তারমানে এটা সিওর যে উনি এই পোষ্টে একটিভ আছেন।

>>স্ক্রিনশটে পরের স্কয়ার বক্সে দেখা যাচ্ছে তিনি রাসেলরহমান এর একটি কমেন্ট এ লাইক ও দিয়েছেন!!(এইভাবেই ছাগুরা ল্যাদায়ে রেখে যায়;))

—যাই হোক, তাপস সরকারের সেই মঙ্গলবারের সন্ধ্যা৭.৫২ মিনিটের পোষ্ট অনেক কষ্টে তল থেকে খুঁজে বের করার পর কমেন্ট টিতে কে কেলাইক দিয়েছিলেন তা বের করলাম। যার স্ক্রিনশট নিচে দেওয়া হলোঃ

তো এইখানে আবার চারজন লাইকারের ভেতর দুইজনের নাম দেখা যাচ্ছেমাউস হোভার করার পর।সেই দুইজন হলেন মহামান্য কহেন এবং তাপস সরকার। তো তদন্তের খাতিরেআমাদের বাকি দুইজন কে তাও দেখা দরকার। স্ক্রিনশট দ্রষ্টব্য

>> চারজন লাইকারের সবাই হলোঃ

১.মহামান্য কহেন

২.তাপস সরকার

৩.এক আবীর

৪.বেলের কাঁটা

***যেহেতু এই চারজন লাইকারের ভেতরে ‘রতনমজুমদার’ নামের ভদ্রলোককে দেখা যায় না সেহেতু তাকেও অভিযোগ থেকে অব্যাহতিদেওয়া যায় নিঃসন্দেহে।***

এবার কেঁচো কুড়তে সাপ বেরিয়ে যাচ্ছে মনে হয়।আসুন এক এক করেরিমান্ডে নিয়ে যাই।পেছন থেকে শুরু করিঃ

৪. বেলের কাটা-ব্লগ পোষ্ট এ দেওয়া গ্রুপের মেম্বারদেরস্ক্রিনশট এ প্রথম তিনজনের ভেতর ‘বেলের কাঁটা’ নিক টি দেখা যায় না। সেক্ষেত্রেতাকে সরাসরি অব্যাহতি দেওয়া যায়।কেন দেওয়া যায় অব্যাহতি সেটা জানতে পোষ্ট আবারশুরু থেকে পড়েন।

৩.এক আবীর-ব্লগ পোষ্ট এ দেওয়া গ্রুপের মেম্বারদের স্ক্রিনশট এপ্রথম তিনজনের ভেতর ‘এক আবীর’ নিক টিও দেখা যায় না। সেক্ষেত্রে তাকেও সরাসরিঅব্যাহতি দেওয়া যায়।কেন দেওয়া যায় অব্যাহতি সেটা জানতে পোষ্ট আবার শুরু থেকে পড়েন।

২.তাপস সরকারঃব্লগ পোষ্ট এ দেওয়া গ্রুপের মেম্বারদের স্ক্রিনশটএ প্রথম তিনজনের ভেতর ‘তাপস সরকার’ নিক টিও দেখা যায় না। সেক্ষেত্রে তাকেও সরাসরিঅব্যাহতি দেওয়া যায়।কেন দেওয়া যায় অব্যাহতি সেটা জানতে পোষ্ট আবার শুরু থেকেপড়েন।আর যেই ব্যাক্তি পোষ্ট দিয়েছে পোন্দানোর জন্যে সেই ব্যাক্তি লিক করার প্রশ্নতোলাই বোকামি।

বাকি আছে একজন,

১.মহামান্য কহেনঃ ‘এই ব্যাক্তি’র নাম ব্লগ পোষ্ট এ দেওয়াগ্রুপের মেম্বারদের স্ক্রিনশট এ প্রথম তিনজনের ভেতর ই আছে,এবং সেই পোষ্টে তারএকটিভিটিও আছে সেই পোষ্টে(একমাত্র পোষ্ট যেখানে স্পাই বাবার একটিভিটি আছে)। সাথেতার লাইক ও আছে সেই কমেন্ট এ যেই কমেন্ট টিতে ব্লগ পোষ্ট এর ক্রিনশট নেওয়াব্যাক্তিটির ও লাইক আছে।সো, কে এই ব্যাক্তি(স্পাই) তা ধারনা নিশ্চয়ই এখন সবাই করেফেলেছেন।

এখানেই শেষ নয়,

>>উনার ব্লগ পোষ্টে দেওয়া স্ক্রিনশটের মেম্বার লিস্টেদেখা যায় অনেকের সাথেই উনার এড আছে ফেসবুকে। তো উনার যাদের সাথে এড নেই তাদেরনামের পাশে ‘add as friend’ লেখা আছে। তো, ‘add as friend’ লেখা কয়েকজনেরসাথেই যোগাযোগ করলে দেখা যায় তাদের কারো সাথেই ‘মহামান্য কহেন’ এর ফেসবুকেএড নেই কিন্তু রাসেল রহমান,তাপস সরকার,বেলের কাঁটা, রতন মজুমদার এবং এক আবীরনিকগুলোর এর সাথে এড এ আছেন :p

সো, কে এই বন্ধুবেশী শত্রু এবং কালপ্রিট তা বুঝতে আর দেরিনেই,উনি হলেন আমাদের সবার পরিচিত বিপ্লবী ফিগার- ‘মহামান্য কহেন’।

যিনি ইশটিশনের ব্লগ পোষ্টটির নিচে গিয়ে দুইটি কমেন্ট দিয়ে খুবসুন্দর করে রিভার্স ও খেলার চেষ্টা করেন।কমেন্ট গুলোর স্ক্রিনশটঃ

>> উনি কে বা কি অথবা কার সাথে উঠা বসা তা আমরা সকলেইজানি। তিনি গাছেরটাও পেড়ে খাবেন সাথে মাটির টাও কুরিয়ে খাবেন। তিনি তীব্র আওয়ামীঅমি পিয়াল,আইজু,রাসেলদের সাথেও থাকবেন সাথে উনি তীব্র বাম মাহবুব রশিদ আর আনিসরায়হান, বাকিবিল্লাহ, ফারুক ওয়াসিফদের সাথেও চলবেন কোলে কোল মিলিয়ে। এই হলো উনারঅবস্থা।দিনশেষে তিনি যে চৈনিক বামদের হয়েই কাজ করেন বলে প্রমাণ দিলেন কারণ এই ‘CP-গ্যাং’অনলাইনে রাজত্ব করতে চায় নি। চেয়েছে অনলাইন ছাগু মুক্ত করতে,আতঙ্ক ও ছিলো এই গ্যাংছাগুদের জন্যে। কিন্তু তিনি কেন বন্ধুবেশে এই গ্যাং এর পিঠে ছুরি চালাতেচাইলেন?কাদের আতঙ্ক এই গ্যাং? ছাগুদের নিঃসন্দেহে। তাহলে উনিও কি ছাগু? ছুপা ছাগু?উনিকাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন অনলাইনে?নাকি চৈনিক বামদের?যারা কিনা দেশের মধ্যেনেতা খুঁজে পায় না?যাদের কিনা বঙ্গবন্ধুর চেয়ে চে গু কে বড় নেতা মনে হয়?যাদের কাছেবঙ্গবন্ধুর আদর্শের চেয়ে চেগুদের আদর্শ বেশি ভালো লাগে?কার হয়ে কাজ করছেন তিনি?যাইহোক,আমি সেদিকে যাব না, সেই প্রশ্নের উত্তর আপনারাই খুঁজে নিবেন আশা করি।

আর ইশটিশন ব্লগ নিয়ে কিছু কথাঃ

যেই নিক থেকে ব্লগ টি পোষ্ট করা হয় সেই নিক এর বয়স আমি পোষ্টপড়া পর্যন্ত ১ দিন ৭ মিনিট। এই নিক টি যে এরকম অশ্লীল কিছু কাজ করার জন্যেইসৃষ্টি তা এই নিক এর প্রথম পোষ্ট এই লক্ষনীয়, উল্লেখ্য বুঝতে বাকি নেই যে এই পোষ্টটি করার জন্যেই এই নিকটি বানানো হয় কারণ অরিজিনাল নিক থেকে দিলে তো তখনি ধরা পরেযেতো স্পাই বাবা। আর এই ব্লগ এর মডারেটর ও ‘মহামান্য কহেন’ এর আন্ডা কালের বন্ধু‘আনিস রায়হান’ সাহেব। সো খুব খিয়ালে কিন্তু 😉

পরিশেষে, এই ‘CP-গ্যাং’ গ্রুপের ১৪ নাম্বার নিয়ম হচ্ছে-
‘গ্রুপের কোন কথা বাইরে ফাঁসহলে ,যে ফাঁস করবে তাঁকেধরতে পারলে রিমুভকরা হবে এবং ভার্চুয়ালি গনধর্ষন কৈরা মাইরা ফেলা হবে’

>>সো, এডমিন কি একশান নেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। আর এমন বিশ্বস্তছুপা ছাগুদেরকে আপনারা কি করবেন তাও আপনাদের ব্যাক্তিগত ব্যাপার।আমি কেবল সত্যটা উন্মোচিত করে দিলাম।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৬ thoughts on “CP গ্যাং কালপুরুষ এর আসল কাহিনি পেশ করছেন আসল পুরুষ

  1. রতন মজুমদার কে আমি চিনি।
    রতন মজুমদার কে আমি চিনি। চাঁদপুর আলিম পারা বাড়ি। পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক। সুবিধাবাদী লোক। পথের কাঁটা সরানোর জন্য যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। নাম্বার ১ বেঈমান। সম্প্রতি চাঁদপুর গণজাগরণ মঞ্চের সাথে যুক্ত আছেন। চাঁদপুরের রাজনীতি সে এবং আর কিছু লোক নিয়ন্ত্রন করে।

    1. এখানে রতন মজুমদাওকে নিয়ে কথা
      এখানে রতন মজুমদাওকে নিয়ে কথা বলার মানে কি? পোষ্টের বিষয়বস্তু থেকে সরে আস্রা কারণ কি? রতন এর সাথে মহামান্যের কি সমস্যা?এইখানে কার ব্যাক্তিগত বিরোধ তুলে ধরা হয় নি আমার দেখামতে। এখানে কালপুরুষ এর কালকের ব্লগ পোষ্ট উত্তর টাই দেখতে পাচ্ছি কেবল আমি।

  2. কি কমু বুঝতাসি না ! খালি
    কি কমু বুঝতাসি না ! খালি অপেক্ষায় আছি। সময় হোক তারপর। মহাঅমান্য যে কত বড় **** তা আইজ প্রমান অইল !

  3. সিপি গ্যং নিয়া চুদুর বুদুর
    সিপি গ্যং নিয়া চুদুর বুদুর করলে গুয়া মারা খাইতে হবে এইটা আগেই বুঝা উচিত ছিল।এইটা আশা করি নাই।বাল এইটাই সত্য, ভার্চুয়াল লাইফে আসলে বিশ্বাস করতে হয় সবাইরে কিন্তু কাউরে না ।

  4. ইস্টিশন মাষ্টার কি ডরাইছেন
    ইস্টিশন মাষ্টার কি ডরাইছেন নাকি? আগের পোস্টেও দেখলাম, এই পোস্টেও দেখতেছি গালিউর বহর। অথচ আপনাদের টু শব্দ নাই। ঠিকই তো আবার আগের পোস্টে আপত্তিকর ছবি সরাইছেন!

    পুরা জিনিসটা কেমন যেন সাজানো মনে হইতেছে। এক দিন আগের কালপুরুষ, এক দিন পরেই হইল আসল পুরুষ।

    যাই হোক চটিবাজির অভিযোগ কি অস্বীকার করতেছেন? নাকি বলতেছেন তার দায়ও মহামান্যর? অনেকেই এইখানে আইসা আমারে গালি দিবেন আমার কোনো একটা লেখা না পইড়াই। এমনকি কোনো স্ট্যাটাসও না। এদের সঙ্গে জামাতি ছাগুদের তফাত কি? ওরা চিন্তা করে না হুজুরের কথায় ঝাপ দেয়। এরাও চিন্তা করে না বসের কথায় ঝাপ দেয়। তফাত একটাই এরা সরকারে আছে। বেশি কিছু কইলে আমারে থাবার মত ছুরি ভইরা দিব আর সকালে স্ট্যাটাস দিয়া কইব তার লগে অমুকের গেঞ্জাম ছিল সেই খুনী।

    গ্যাং করে ছাগু পোন্দাও না কি পোন্দাও তা দেখাই যাইতেছে। নিজের নিজের পোস্ট হিট করা আর বিপক্ষ পেলেই ঝাপায়া পড়া। গালি দিয়া কি কাউকে শায়েস্তা করা যায়? এগুলো সুস্থতার লক্ষণ না। যেই ভাই কাজটা করছেন সেই মহান পুরুষ।

  5. পোস্ট নিয়া কিছু কমু না।
    খালি

    পোস্ট নিয়া কিছু কমু না।

    খালি কমু, কয় দিন পর ফেবু আর ব্লগ তুন এফ.বি.আই.তে রিক্রুট করা হইব, আই থিংক…

  6. যেই নিক থেকে ব্লগ টি পোষ্ট

    যেই নিক থেকে ব্লগ টি পোষ্ট করা হয় সেই নিক এর বয়স আমি পোষ্টপড়া পর্যন্ত ১ দিন ৭ মিনিট

    এহেম এহেম। এই আসল পুরুষ নিকটার বয়সটা যেন কত???

  7. কংস মামা, শকুনী মামার পর এবার
    কংস মামা, শকুনী মামার পর এবার এলো মহামান্য মামা। নামে নামে যমে টানে ……’র পোলার নাম আযম না?

  8. এই পোষ্টটি করার জন্যেই এই

    এই পোষ্টটি করার জন্যেই এই নিকটি বানানো হয় কারণ অরিজিনাল নিক থেকে দিলে তো তখনি ধরা পরেযেতো স্পাই বাবা। আর এই ব্লগ এর মডারেটর ও ‘মহামান্য কহেন’ এর আন্ডা কালের বন্ধু‘আনিস রায়হান’ সাহেব। সো খুব খিয়ালে কিন্তু

    আনিস রায়হান কবে কার কাছে দাবি করেছে সে ইস্টিশনের মডারেটর? এটা আপনাকে প্রমাণ করে দেখাতে হবে মিস্টার ফেইক আইডি।

    আমি ইস্টিশন ব্লগে লিখি। তাও অনেকের তুলনায় কম। কমেন্ট করি কালেভদ্রে। আইডি লগিন করি জাস্ট পোস্ট দেয়ার সময়। আমার একটা স্টিকি পোস্ট ঝুলতেছে। আমার কোনো কমেন্ট নাই। আমারে মডারেটর বানানো হবে কি … ফালাইতে।

    উদ্দেশ্যমূলক প্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ইস্টিশন মাস্টারকে অনুরোধ জানাচ্ছি পোস্টের এই অংশটা মডারেট করার জন্য

  9. সবার কমেন্ট
    সবার কমেন্ট পড়লাম।

    @রেলমন্ত্রী, আপনার মন্তব্যের শুরু যেভাবে:
    “ইস্টিশন মাষ্টার কি ডরাইছেন নাকি? আগের পোস্টেও দেখলাম, এই পোস্টেও দেখতেছি গালিউর বহর।অথচ আপনাদের টু শব্দ নাই।”

    আপনার মন্তব্যের শেষ যেভাবে:
    “গ্যাং করে ছাগু পোন্দাও না কি পোন্দাও তা দেখাই যাইতেছে।”

    >>আপনি যেভাবে “শুরুটা” করেছিলেন তা বিবেচনা করলে বলা যায়, আপনি শেষটা ও মার্জিত ভাবেই করতে পারতেন।

    কাজের কথায় আসা যাকঃ
    ব্যাপারটাকে “চটিবাজী” নয়, “গালিবাজী” হিসেবেই ধরা হয়। এবং এখানে লুকোচুরির কিছু নেই। গ্রুপটায় যে ক’জন মেম্বার ছিলেন, সবাই-ই সমমনা ছিলেন, নিয়মিত ছাগু বিতাড়ন করেন অনলাইন থেকে। হ্যাঁ, মহামান্য কহেন নিজেও।

    গ্রুপের প্রথম পোস্টই ছিলো, এখানে শুধুমাত্র গালিবাজদেরকেই এড করা হল।

    কহেন নিজে গিয়ে গালি দিত, আমরা গালি দিলে লাইক দিতো, আমরা তার গালিযুক্ত কমেন্ট এ লাইক দিতাম। আর সে নিজেই গেইম খেলতে গিয়ে ধরা খেলো (আরে ভাই, সে বুঝে শুনে স্ক্রীনশট নিতে না পারলে তা কি জাতির দোষ? :/ )

    মোদ্দাকথা, সে যে একজন জোচ্চোর, ধান্দাবাজ, সুবিধাবাদী -এইটা ভুল প্রমাণ করার মত এখন আর কোন উপায় নাই।

    আপনাদের এই “চটিবাজী” ইন্টারপ্রেটেশন নিয়ে কিছু কথাঃ

    যারা যারা এই উদ্যোগ কে খারাপ উদ্যেগ বলে অভিহিত করছেন তারা আমাকে বুঝান,

    ছাগুরা যখন মখা আলমগীর আর তার মেয়ের ছবি দিয়ে বলেঃ মখার গোপন অভিসার, তখন কি কমেন্ট এরকম হওয়া উচিত- “এডমিন ভাইয়া এটা তো ভালো ছবি না, পঁচা ছবি। হিহিহি, এটাকে একটু রিমুভ করে দেন না, হিহিহি”?

    আর তা করলেই সে রিমুভ করে দিবে তাইনা?

    @ক্লান্ত কালবৈশাখী, আসল পুরুষ আর যেই হোক, গ্রুপের বাইরের কেউ নিশ্চয়ই নয়? নিশ্চয়ই সে কহেন এর প্রতারণার শিকার বাকিদের মত? সে তার প্রাইভেসি রাখতেই পারে। এখানে আহামরি কিছু নেই।

    1. বুঝলাম।
      এখন আপনি দয়া করে

      বুঝলাম।

      এখন আপনি দয়া করে বলুনতো- কালপুরুষ আর আসল পুরুষ নিক দুইটার এত মিল কেন? কোন স্বার্থে একবার ‘কালপুরুষ’, বিতর্ক তৈরী হওয়ার পর একইভাবে ‘আসল পুরুষে’র জন্ম হল? কেমন যেন একটা রিভার্স খেলার আভাস কি পাওয়া যায় না? আপনারা আপনাদের CP-গ্যাং’কে মানুষের নজরে আনার জন্য কেমন একটা গেইম খেললেন? অথচ, বলির পাঁঠা করলেন ‘মহামান্য কহেন’ নামের জনপ্রিয় নিকটাকে। যে নিকটি ছাগুদের জন্য ছিল আতংক। যে নিকটি সরকারের শেষ সময়ে সরকার বিরোধীদের প্রোপাগান্ডার জবাব দেওয়ার জন্য ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা যে ‘মহামান্য কহেন’ নামের জনপ্রিয় নিকটা’র বিরুদ্ধে একটা বিশাল ষড়যন্ত্র নয়, সেটা আমরা কিভাবে বুঝব? যেভাবে আপনারা ‘ডাক্তার আইজু’ নামের নিকটাকে ষড়যন্ত্রের মধ্যে ফেলে দিয়ে বিতর্কিত করেছিলেন পরিকল্পিতভাবে।

      ‘মহামান্য কহেন’ নিক থেকে যখন ফেসবুকের আরেক জাতীয়তাবাদী সেলিব্রেটি ‘আরিফ জেবতিক’ এর গার্মেন্টস্‌ ব্যবসা নিয়ে কথা বলেছিলেন, তখন আঁচ করতে পেরেছিলাম জেবতিক সাহেব এত সহজে ছেড়ে দেবেন না। উনি আবার সকল দিকেই হাত রেখে চলেন। উনার এখনো বিএনপি’র সাথে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ যোগাড় করা হচ্ছে। আশাকরি আগামী নির্বাচনে এই সেলিব্রটি ব্লগারের ভুমিকা কি হবে অতি অল্প সময়ের মধ্যে সবাই টের পাবেন।

      আবার এদিকে আপনাদের এই নোংরা খেলার প্লাফর্ম হিসাবে বেছে নিলেন অতি অল্প সময়ে জনপ্রিয় হওয়া ‘ইস্টিশন’ নামের ব্লগটিকে। যাতে এই ব্লগটিকেও বিতর্কিত করে অপমৃত্যুর মুখে ফেলে দেওয়া যায়! মানুষকে আপনারা এত বোকা ভাবেন কেন? কার ঈশারায়, কার স্বার্থে আপনারা এসব রির্ভাস গেইম খেলছেন এটা প্রকাশ একদিন হবেই।

      সর্বপরি বলব, ‘মহামান্য কহেন’ ও ‘ডাক্তার আইজু’ নিকটা ভবিষ্যতে খুবই প্রয়োজন। দয়া করে আর কাঁদা ছোড়াছুড়ি করে নিজেদের ক্ষতি নিজেরা করবেন না।

  10. কিছুই বলার নাই । নিজেরা এভাবে
    কিছুই বলার নাই । নিজেরা এভাবে বিভেদ তৈরী করে গণজাগরণ খাইছে , এখন তিল তিল করে গড়ে ওঠা অনলাইন জাগরণও খাবে ।
    সব শালা দাতাল শুয়োরের দল ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

42 − = 33