বন্ধুত্বের বন্ধনে সমঝোতা সহ ২২ চুক্তি, জনগণের প্রাপ্তি কতটুকু?

“বন্ধুত্ব বহমান নদীর মতো” বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে গত ৭ এপ্রিল ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার শিরোনাম ছিল এটি। বাংলাদেশ ও ভারতের দিপাক্ষীয় সকল সমঝোতা, চুক্তি ও প্রতিশ্রুত জনগনের স্বার্থে এবং জনগনের কল্যাণে হলে প্রতিবেশী এই দুই দেশের জনগনের মূল চেতনা ও বন্ধুত্ব নদীর মতোই বহমান থাকবে।

দীর্ঘ সাত বছর পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে গত ৭ এপ্রিল ৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেছেন (প্রধানত প্রতিরক্ষা চুক্তি) দিপাক্ষীয় কিছু চুক্তি ও সমোঝতা স্বারক সই করতে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনার পর দুদেশের মধ্যে (বাংলাদেশের জনগনের বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি ছাড়াই) সই হলো ২২টি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক। এসব চুক্তি এবং সমঝোতার বেশিরভাগই হচ্ছে প্রতিরক্ষা এবং পরমাণু শক্তির ব্যবহার সংক্রান্ত।

ভারতের পররাষ্ট্র দফতর থেকে চুক্তি এবং এমওইউ’র তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সই হওয়া সেই চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলো হলো-

♦ ‘বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ফ্রেমওয়ার্ক’ সমঝোতা স্মারক।
♦ কৌশলগত ও ব্যবহারিক শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকার মিরপুরের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের সঙ্গে তামিলনাড়ুর ওয়েলিংটনের (নিলগিরিস) ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ জাতীয় নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও কৌশলগত শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সঙ্গে নয়াদিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সমঝোতা স্মারক।৪. মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা বিষয়ে দু’দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা বিষয়ে দু’দেশের সরকারের মধ্যে চুক্তি।
♦ পরমাণু নিরাপত্তা ও বিকিরণ সুরক্ষা নিয়ন্ত্রণে কারিগরি তথ্য বিনিময় ও সহযোগিতার লক্ষে বাংলাদেশ আণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বিএইআরএ) ও ভারতের আণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (এইআরবি) মধ্যে চুক্তি।
♦ বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যু‍ৎ কেন্দ্র প্রকল্পে সহযোগিতা বিষয়ে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আণবিক শক্তি কমিশনের (বিএইসি) সঙ্গে ভারতের আণবিক শক্তি বিভাগের গ্লোবাল সেন্টার ফর নিউক্লিয়ার এনার্জি পার্টনারশিপের (জিসিএনইপি) সঙ্গে আন্তঃসংস্থা চুক্তি।
♦ তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেক্ট্রনিক্স খাতে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এবং ভারতের ইলেক্ট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের সঙ্গে ইন্ডিয়ান কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের সমঝোতা স্মারক।
♦ নেভিগেশনে সহায়তার ওপর সহযোগিতা বিষয়ে বাংলাদেশের নৌপরিবহন বিভাগ ও ভারতের লাইটহাউজ অ্যান্ড লাইটশিপস মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএলএল) মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত হাট স্থাপনে দু’দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ বিচারিক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় দুই সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ ভারতে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ভারতের ন্যাশনাল জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমির মধ্যে সমঝোত‍া স্মারক।
♦ ভূবিদ্যায় গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে পারস্পরিক বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (জেএসবি) সঙ্গে ভারতের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (জিএসআই) সমঝোতা স্মারক।
♦ কোস্টাল ও প্রটোকল রুটে পেসেঞ্জার ও ক্রুজ সার্ভিসেসের ওপর দুই দেশের সমঝোতা স্মারক ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি)।
♦ বাংলাদেশ-ভারত প্রটোকল রুটে সিরাজগঞ্জ থেকে দইখাওয়া (লালমনিরহাট) ও আশুগঞ্জ থেকে জকিগঞ্জ পর্যন্ত নাব্য চ্যানেলের (ফেয়ারওয়ে) উন্নয়নে দু’দেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ গণমাধ্যম ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ অডিও-ভিজুয়াল কো-প্রোডাকশনের ওপর দু’দেশের সরকারের মধ্যে চুক্তি।
♦ প্রতিরক্ষা খাতে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা (এলওসি) বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের সমঝোতা স্মারক।
♦ মোটরযান যাত্রী চলাচল (খুলনা-কলকাতা রুট) নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তি এবং এসওপি।
♦ ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে তৃতীয় ঋণ সহায়তা দিতে (৪.৫ বিলিয়ন ডলার) দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
♦ বাংলাদেশে ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণে অর্থ‍ায়নের জন্য ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে চুক্তি।
এই ২২ চুক্তি ও সমঝোতার মধ্যে ৪ টি চুক্তি-স্মারক
দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই বিনিময় করা হয়।

উল্লেখ্য, গত কয়েকবছরে বাংলাদেশকে আট বিলিয়নের বেশি মার্কিন ডলার ঋণ হিসেবে দিয়েছে ভারত ৷

দিল্লি থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে ভায়া খুলনা কলকাতা-ঢাকা বাস এবং মৈত্রী এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করেন মোদি ও শেখ হাসিনা।
এ ছাড়া একই মঞ্চ থেকে ৭০ বছরের পর আবার চালু করা হয় কলকাতা-খুলনা যাত্রীবাহী ট্রেনসেবা। চলতি বছরের জুলাই থেকে কলকাতা থেকে পেট্রাপোল-বেনাপোল হয়ে খুলনা পর্যন্ত নিয়মিত যাত্রীবাহী ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সেবার উদ্বোধন করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

বিবৃতির আগে দুই শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের হিন্দি সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বইটি হিন্দি ভাষায় অনুবাদ করে।

হলো না এবারও বাংলার আপামর জনগনের বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি:

ভারতের প্রধানমন্ত্রী তিস্তা প্রসঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যে আজ আমার আতিথ্য গ্রহণ করেছেন তাতে আমি খুব খুশি। আমি জানি বাংলাদেশের জন্য তার আন্তরিক হৃদ্যতা ও অনুভূতির উষ্ণতা আমার চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। আমি বাংলাদেশের মানুষকে কথা দিচ্ছি, তাড়াতাড়ি এই চুক্তি সম্পাদনের জন্য আমাদের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমার ও শেখ হাসিনার সরকারই পারবে এই চুক্তি স্বাক্ষর করতে এবং আমরা তা করেও দেখাব।”

এর আগে শনিবার দুপুরে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে তিস্তা চুক্তি সম্ভব নয়, বরং দুই দেশের সদিচ্ছার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিকতা যোগ হলে খুব শিগগির তিস্তাজট কাটবে।

নয়াদিল্লি সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শনিবার ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে বৈঠকের সময় তিস্তা পানি না থাকার কথা তুলে ধরে তিনি তিস্তার বদলে বিকল্প হিসেবে তোর্সা, ধানসিঁড়ি, জলঢাকা, রায়ডাক কিংবা মানসিঁড়ি নদীর প্রস্তাব দেন।

পরে তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেছেন, “তিস্তায় পানির অভাবে এনটিপিসির বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। শুকনো মৌসুমে কখনও কখনও পানির প্রবাহ ১০০ কিউসেক হয়ে যায়। তাই এটা নিয়ে চুক্তি হলে ভবিষ্যতে সমস্যা হবে।আশপাশের জেলাগুলোতে সেচের জন্য পানি পেতে সমস্যা হয়। তোর্সায় সারা বছর পানি থাকে। পানি নেওয়া যেতে পারে ধানসিঁড়ি নদী থেকেও। এ নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার সমীক্ষা করুক। প্রয়োজনে আলোচনা হোক। এতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে। তিনি আরো বলেন বাংলাদেশের সাথে পশ্চিম বঙ্গের সম্পর্ক যেমন ছিল তেমনি থাকবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা বঙ্গবুন্ধুর সম্মানে চেয়ার স্থাপন করব, কলকাতায় রাস্তার নাম এরই মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরণি’ রাখা হয়েছে। ফলে তিস্তা নিয়ে সহমত না হলেও সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুল আলোচিত তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে এবারও আশাবাদী;

২০১১ সালে মনমোহন সিং ঢাকায় এসেছিল, সে সময়
টাইমস অব ইন্ডিয়া (৭ সেপ্টেম্বর ২০১১) শিরোনাম করেছিল, ” Monmohon Shing, Sheik Hasina put assaid Teesta behind, fix boundary” যার মানে হচ্ছে, মনমোহন সিং এবং শেখ হাসিনা তিস্তাকে সরিয়ে রেখে সীমান্ত ঠিক করলেন। মনমোহন সিং তিস্তা নিয়ে আলোচনা এগোনো তো দূরের কথা, ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপির( আজকের মোদির দল) বিরোধিতার কারণে সীমান্ত চুক্তিও তাঁর পার্লামেন্টে অনুমোদন।
করাতে পারেননি।

২০১৫ সালোর ফেব্রুয়ারীতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির তিন দিনের সফরে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আশ্বস্ত করেছিলেন।

ঐ একই বছরে (৬ ও ৭ জুন ২০১৫) নরেন্দ্র মোদি দু দিনের ঢাকা সফরেও তিস্তা চুক্তির আশ্বস্ত করে গিয়েছিলেন।

যে নরেন্দ্র মোদীর সরকার তিস্তা চুক্তিতে এবারও আশ্বস্ত করলেন সেই নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপি বিরোধী দলে থাকার সময় তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তিতে বাধা দিয়েছিলেন পার্লামেন্টে যার কারণে মনমোহন সিং (তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী) বাংলাদেশে (২০১১) এসেও তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তি করতে পারেন নাই।

আজ মমতার কারণে এবারও তিস্তা চুক্তি না করে তিস্তার বিকল্প পথ দেখিয়েছেন, তবে কবে নাগাদ হতে পারে তিস্তা চুক্তি তা তিনি একবারও উচ্চারন করেন নাই। অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবারও আশ্বস্ত।

প্রধানমন্ত্রী একবারও জোর গলায় বলতে পারলেন না তিস্তা না হলে অন্য কোন চুক্তি নয়, সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে অন্য কোন আলোচনা নয়। তাদের কন্ঠ আজ কেন স্থমিত।

১৯১৪ সালে ১ম বিশ্বযুদ্ধে সমৃদ্ধ আফগানিস্তান ব্রিটেনকে সমর্থন করে বসেছিল কারণ আফগান সরকারের উৎখাতের জন্য দেশের বিদ্রোহী বাহিনী জার্মানীর সাথে হাত মিলিয়েছিল। এদিক ব্রিটেন তার সাম্রাজ্য বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছিল আফগানিস্তান আর জার্মান এ অঞ্চলে তার শক্তি বাড়াতে বব্যবহার করেছিলো আফগান বিদ্রোহীদের।

বাংলাদেশ ঋণ নিয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ও চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন ক্রয়ের পরেই ভারত বাংলাদেশে তার একচেটিয়ে ব্যবসা ও সাম্রাজ্য বিস্তারে চিন্তিতে হয়ে পড়লো ফলে অতি দ্রুত ঋণ দিয়ে হলেও প্রতিরক্ষা চুক্তি সহ অন্যান্য চুক্তি সই করল যাতে তৃতীয় কেউ এখানে আসতে না পারে। আর বাংলাদেশ সরকার ভারতের এই পাতা জালে এত সহজেই পা দিল। অথচ দরকার ছিল তিস্তাসহ অভিন্ন নদী সমস্যার সমাধান প্রয়োজন ছিল সীমান্ত হত্যা বন্ধের চুক্তি করা তার কোনটাই হলো না।

এদেশের কোন সরকারি জনগণের নয়, জনগণের হলে জনগণের কি প্রয়োজন বুঝতো, কৃষকের হাহাকার কানে যেত, জনগণের হলে চুক্তিতে সই করার আগে অন্তত একবার হলেও কাঁটাতারে ঝুলন্ত ফেলানীর কথা মনে পরতো।

আল আমিন হোসেন মৃধা
সভাপতি
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
ঢাকা কলেজ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

90 − = 83