ইসলামি বাংলা নববর্ষ !!

••••• বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হয়েছে একজন মুসলমানের হাত ধরেই । যদিও যে এইকাজ করেছে তার চারিত্রিক গুণাবলী কেবল আড়ালে আলাপনের জন্যই যোগ্য , প্রকাশ্যে নয় । যে নিজের ধর্মকে নিয়ে রাজনীতি করতে পারে তার পক্ষে নিজের স্বার্থের জন্য নিজের মা বোন বিক্রি করে দেয়াটা খুব সহজ ও স্বাভাবিক একটা কাজ ।

••••• পহেলা বৈশাখ কিংবা বাংলা সনের প্রথম দিন ঘটা করে উদযাপন করা মূলত বাঙালি হিন্দুর সংস্কৃতিই (যদিও বাংলা সনের প্রথম দিনটিকে উদযাপন করা মুসলিমদের জন্য জায়েজ করতে মুসলিম শাসক আকবরকে সামনে আনা হয়) । এতে ইসলাম কিংবা মুসলমানদের অবদান বিন্দুমাত্র নাই । মুসলমান এবং ইসলাম এই বঙ্গে বহিরাগত ও বিষাক্ত এক সাপ মাত্র যার/যাদের একমাত্র লক্ষ্য এই বঙ্গে ইসলামি বর্বরতাকে স্থায়ী রুপ দেয়া ও নিয়মিত করা ।

••••• মোহাম্মদ এরশাদ নিজের অনুসরনকৃত শান্তির ধর্মকে বঙ্গদেশের ধর্মও বানিয়ে দিয়েছে সেই ৮০’র দশকে, হয়তো এরশাদের ইচ্ছা ছিল আমি মুসলমান হইতে পারলে আমি যে দেশে থাকি সেটাও মুসলমান হতে হবে !! হাস্যকর যে, বঙ্গদেশের সংবিধান শুরুই হয় মুসলমানের বিসমিল্লাহ্ দিয়ে …… যদি বিসমিল্লাহ দিয়ে একটা দেশের সংবিধানের শুরুই হয় তবে সেটা আর সংবিধান নয়, সংবিধান একে বলা যায়ও না । বরং, এটা একটা মডারেট ইসলামি শাসন ব্যবস্থার দলিল মাত্র যাতে শুধুমাত্র ধর্মের নামে মুসলমানের সকল আকাম কুকামকে বৈধতা দেয়া যায় ও হচ্ছে ।

••••• যে পঞ্জিকামতে বাংলা সনের শুরু হয় সেই পঞ্জিকারও মুসলমানি করা হয়েছে । এবং এই কাজটা করেছে মুসলমানেরাই যাদের কাজই হচ্ছে যে কোন জিনিসকে দুই টুকরা করা । হোক সেটা মানুষ কিংবা ভূখন্ড । মুসলমান কখনোই নিজের ধর্মের বাইরে গিয়ে অন্য ধর্মের কোনকিছু সহ্য করতে পারে না । আর তাই, বহিরাগত মুসলিম অধ্যুষিত এই বঙ্গদেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয় “সহিহ মুসলিম বাংলা ক্যালেন্ডার” অনুযায়ী । অর্থ্যাত, ধর্মের নামে বিভাজনে পটু মুসলমান বাংলা সনকে দুইভাগ করাতেও সফল !! আর তাইতো বঙ্গদেশের বসবাসরত বহিরাগত মুসলিমরা সজ্ঞানে মালাউনদের এড়িয়ে গিয়ে ইসলামি জোশে একদিন আগেই করে ফেলে “সহিহ ইসলামি বাংলা বছরের” শুরু !! ঠিক যেমন সৌদির সাথে মিল রেখে একদিন আগেই দেশের ৩৪ জেলায় মুসলমানের ঈদ উদযাপন ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 33 = 43