দেশে কি এখন সরকার আছে? থাকলে এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?

ইউটিউব ঘাঁটতে-ঘাঁটতে পেয়ে গেলাম কয়েকটি ভয়ংকর ভিডিও। এগুলো দেখে আমার মনে হলো: কতকগুলো আদিম-হিংস্র শূয়র খোঁয়াড় ভেঙ্গে আমাদের লোকালয়ে এসে পড়েছে। কী ভয়ংকর এদের চেহারা! আর কী উগ্র ও হিংস্র এদের কথাবার্তা! এরা নিজদেশে থেকে খেয়ে-পরে সেই দেশকে পদাঘাত করছে, আর সাধারণ মূর্খ-মুসলমানদেরও তা-ই করতে বলছে! এদের ধৃষ্টতা, বেআদবি আর শয়তানীর যেন কোনো শেষ নাই! এরা ইসলামের নাম-ভাঙ্গিয়ে নিজেদের নাজায়েজ-শয়তানী কথাবার্তাকে আজ কুরআন-হাদিসের কথা ও ব্যাখ্যা বলে অপপ্রচারের দুঃসাহস দেখাচ্ছে! এদের বক্তব্য শুনে ও আচার-আচরণ দেখে আমার মনে হলো: দেশে কি এখন সরকার আছে? থাকলে কোথায়? আর থাকলে এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?

দেশে কি এখন সরকার আছে? থাকলে এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?
সাইয়িদ রফিকুল হক

পহেলা বৈশাখ আসার আগেই মনটা কেমন যেন আনচান করে! আর কী যে ভালো লাগে! আমাদের বাংলার নিজস্ব একটি সংস্কৃতি এই পহেলা বৈশাখ। এর আগমনে দেহমন ভীষণরকম সজীব হয়ে ওঠে। আর এসব এককথায় বলে বোঝানো যাবে না। শুধু জানি: মন যে কেমন করে!

পহেলা বৈশাখের ওপর একটি লেখা তৈরি করার জন্য ইউটিউব ঘাঁটছিলাম। কারণ, আমাদের সমাজের ফতোয়াবাজরা পহেলা বৈশাখ নিয়ে খুব বাড়াবাড়ি করছে। আর এদের বাড়াবাড়িটা আজকাল ধৃষ্টতার সীমাঅতিক্রম করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এরা আজ সবকিছুতে হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে পাচ্ছে। আসলে, এদের নাকে লেগে আছে পাকিস্তানীদের মূত্রঘ্রাণ! তাই, এরা বাঙালি-জনসমাজের সবকিছুতেই হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে পায়। ওদের আদিপিতা পাকিস্তানীজেনারেলগণও বাঙালির সবকিছুতে হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে বেড়াতো। এরা তো তাদেরই বংশধর। নিজদেশের সমাজ, রাষ্ট্র, সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এরা আজ এতোটাই উন্মত্ত ও অসভ্য হয়ে উঠেছে যে তা ভাষায় প্রকাশ করা দুরূহ। আর এরা দিন-দিন খুব বেশি হিংস্র ও জংলী হয়ে উঠেছে। এদের মুখোশউন্মোচনের জন্য একটি লেখা তৈরি করার কথা ভাবছিলাম।

ইউটিউব ঘাঁটতে-ঘাঁটতে পেয়ে গেলাম কয়েকটি ভয়ংকর ভিডিও। এগুলো দেখে আমার মনে হলো: কতকগুলো আদিম-হিংস্র শূয়র খোঁয়াড় ভেঙ্গে আমাদের লোকালয়ে এসে পড়েছে। কী ভয়ংকর এদের চেহারা! আর কী উগ্র ও হিংস্র এদের কথাবার্তা! এরা নিজদেশে থেকে খেয়ে-পরে সেই দেশকে পদাঘাত করছে, আর সাধারণ মূর্খ-মুসলমানদেরও তা-ই করতে বলছে! এদের ধৃষ্টতা, বেআদবি আর শয়তানীর যেন কোনো শেষ নাই! এরা ইসলামের নাম-ভাঙ্গিয়ে নিজেদের নাজায়েজ-শয়তানী কথাবার্তাকে আজ কুরআন-হাদিসের কথা ও ব্যাখ্যা বলে অপপ্রচারের দুঃসাহস দেখাচ্ছে! এদের বক্তব্য শুনে ও আচার-আচরণ দেখে আমার মনে হলো: দেশে কি এখন সরকার আছে? থাকলে কোথায়? আর থাকলে এই শয়তানদের কেন গ্রেফতার করা হয় না?

আসুন, আমরা আগে ভিডিওগুলি দেখি। নিচে পশুত্বের ক্রমানুসারে ভিডিওগুলির লিংক দেওয়া হলো:

প্রথম পশু-দেখার ভিডিওলিংক:

এই পশুটি একেবারে আদিম ও হিংস্র। সে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের মাতৃভাষা-বাংলা, আমাদের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত, পহেলা বৈশাখসহ আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ইত্যাদি নিয়ে নানারকম অশ্লীল ও মিথ্যা বলে আসছে। আর এই পশুটির নাম আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। সে নিজের নামের আগে মাওলানা, মুফতী, আল্লামা ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে। আসলে, সে নিরেট পশু। আর চিরমূর্খ।
এই ভিডিওটির শেষের পশু হচ্ছে শাইখ মুযাফফর বিন মুহসিন। পরে তাকে আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাবে। পঞ্চম ভিডিওতে তাকে আবারও গলাবাজি করতে দেখবেন।

দ্বিতীয় পশু-দেখার ভিডিওলিংক:

দ্বিতীয় পশুটির নাম মোহাম্মদ সিফাত হাসান। সে বাংলাভাষা, বাঙালি-জাতি আর বাংলাদেশ কোনোকিছুই মানে না। সে একেবারে জাহেল আর নরপশু। আর এমন পশু এই দুনিয়ায় খুব কমই আছে। সে ‘জাতি’ বলতে কোনোকিছুই বোঝে না। তবুও সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

তৃতীয় পশু-দেখার ভিডিওলিংক:

তৃতীয় পশুটির নাম আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক। আর সে প্রথম পশুটির সন্তান। এবার বুঝতেই পারছেন—সে কেমন নরপশু!

চতুর্থ পশু-দেখার ভিডিওলিংক:

এই পশুটির নাম ফয়জুল করিম। আর এই পশুটি চিরমূর্খ। কিন্তু এই ভণ্ডশয়তান তার নামের আগে সবসময় ব্যবহার করে ‘আল্লামা-মুফতী’ শব্দ!

পঞ্চম পশু-দেখার ভিডিওলিংক:

এই পশুটির নাম শাইখ মুযাফফর বিন মুহসিন। এর মতো পশু আর কয়টা আছে? আছে-আছে। এই বাংলায় এইরকম পশুর সংখ্যা বাড়ছে। এরা ইসলামের নামে বৈশাখবিরোধী ওয়াজ-নসিহত করে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

এইরকম পশু দেশের কোন কাজে লাগে? আর এরা কার বা কাদের কাজে লাগে? আর এদের কেনই-বা গ্রেফতার করা হয় না?
এদের ভণ্ডামি আর শয়তানী দেখে মনে বিরাট প্রশ্ন জাগে—দেশে কি সরকার আছে? আর থাকলে কোথায়? আর এইসব আদিম-হিংস্র নরপশুকে এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি?

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
১৪/০৪/২০১৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

83 − = 73