নর্থ কোরিয়ান ফ্যাক্টস, নট ফিকশন!


এইটা সেই দেশের মিলিটারী প্যারেড, যেই দেশের রাজধানীতেই বিদ্যুতের অভাবে ঘরের বাতি জ্বলে না। ফ্রিজ কিনতে লাইসেন্স লাগে, ইলেকট্রিক কেতলি ইউজ কইরা ধরা খাইলে বহুবছর জেল। যেই দেশের মানুষ সরকার অনুমোদিত ১০-১৫ টা হেয়ারকাটের বাইরে হেয়ারকাটও নিতে পারে না। যেইদেশে ধর্মগ্রন্থ্য রাখা মারাত্মক অপরাধ, যাদের দেশে প্রতি হাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র ১ টা গাড়ি। অনাহারে লাখ লাখ মানুষ মরা যেইদেশে প্রতিবছরের স্বাভাবিক ঘটনা, রাষ্ট্রের ফাউন্ডিং ফাদার কিংবা তার উত্তরসূরীদের মরণ দেইখা কিংবা স্মমুখে দেইখা আবেগে না কান্নাকাটি করলে কিংবা সেই কান্নারেও যথাযথ মনে না হইলেও বিচার হয়, যেই দেশের রাজধানীর ভিতরেও এলিট এরিয়া আছে যার সীমানা পাহারা দেয় সৈন্যরা যাতে গরীব কেউ না আসতে পারে, যেই দেশে রাজধানীতে বসবাস কিংবা আসবার জন্য অনুমতি লাগে। বিশাল হাইওয়েতে যেইখানে ঘন্টায় গোটাদশেক গাড়ির দেখা পাওয়া দুস্কর। দেশে যতগুলা প্রাইভেট কার আছে তার চেয়ে সম্ভবত ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বেশি এবং তারা প্রায় সকলেই আকর্ষণীয়া নারী।

ইউটিউব লিঙ্কঃ উত্তর কোরিয়ার মিলিটারী প্যারেড ২০১৭

এইটা সেই দেশের মিলিটারী প্যারেড, যেই দেশের রাজধানীতেই বিদ্যুতের অভাবে ঘরের বাতি জ্বলে না। ফ্রিজ কিনতে লাইসেন্স লাগে, ইলেকট্রিক কেতলি ইউজ কইরা ধরা খাইলে বহুবছর জেল। যেই দেশের মানুষ সরকার অনুমোদিত ১০-১৫ টা হেয়ারকাটের বাইরে হেয়ারকাটও নিতে পারে না। যেইদেশে ধর্মগ্রন্থ্য রাখা মারাত্মক অপরাধ, যাদের দেশে প্রতি হাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র ১ টা গাড়ি। অনাহারে লাখ লাখ মানুষ মরা যেইদেশে প্রতিবছরের স্বাভাবিক ঘটনা, রাষ্ট্রের ফাউন্ডিং ফাদার কিংবা তার উত্তরসূরীদের মরণ দেইখা কিংবা সম্মুখে দেইখা আবেগে না কান্নাকাটি করলে কিংবা সেই কান্নারেও যথাযথ মনে না হইলেও বিচার হয়, যেই দেশের রাজধানীর ভিতরেও এলিট এরিয়া আছে যার সীমানা পাহারা দেয় সৈন্যরা যাতে গরীব কেউ না আসতে পারে, যেই দেশে রাজধানীতে বসবাস কিংবা আসবার জন্য অনুমতি লাগে। বিশাল হাইওয়েতে যেইখানে ঘন্টায় গোটাদশেক গাড়ির দেখা পাওয়া দুস্কর। দেশে যতগুলা প্রাইভেট কার আছে তার চেয়ে সম্ভবত ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বেশি এবং তারা প্রায় সকলেই আকর্ষণীয়া নারী।

হ্যা, এইটা সেই দেশের মিলিটারী প্যারেড, যাদের সরকারী বিমান সংস্থ্যা পৃথিবীর একমাত্র ওয়ান স্টার রেটিংধারী বিমান সংস্থা। যাদের জাতির পিতার প্রতিকৃতির দিকে পুচ্ছদেশ প্রদর্শন কইরা দাঁড়াইলে বাঁইচা থাকার আশা করা টাফ।

এইটা সেই দেশ যেইখানে সরকারের প্রতিনিধির সাহচর্য্য ছাড়া কাকও ঢুকতে পারে না। যেই দেশে টিভি চ্যানেল মাত্র দুইটা এবং তাও সারাদিন রাষ্ট্রের নাটের গুরুর খেমা দেখানোয় ব্যস্ত, এইটা প্রচারেই ব্যস্ত যে নিজ দেশের সীমানার বাইরে প্রায় সকলেই শয়তান। এইটা সেই দেশ, যেইদেশে কোনোভাবে ভ্রমণের অনুমতি পাইলেও ছবি তুলতে পারবেন কেবল অল্প কিছু জায়গায়। গাও গেরামের ছবি তুলা নিষিদ্ধ। এইটাই সেই দেশ যেইখানে জনসাধারণের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার অবৈধ, যা ব্যবহার করা যায়, তাতে কেবল সরকারী প্রোপাগান্ডামূলক সাইটই আসবে, বাইরের কিছু পাওয়া যাবে না। কেউ অপরাধ করলে শাস্তি পাইতে হবে বাপ মা ভাই বোন সহ পুরা পরিবার নিয়া। এইটাই সেই দেশ, যেইখানে গানও শুনতে হবে সরকার অনুমোদিতগুলাই।

এইটাই সেইদেশ, যারা সবকিছুর পরেও দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে ১৪ হাজার কামান তাক কইরা রাখছে, দক্ষিণের রাজধানী মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে, আর্টিলারী রেঞ্জে। নিজের প্রতিরক্ষার সবচেয়ে বড় অস্ত্র বানাইছে সেইটারেই। এরা আক্রমণের শিকার হইলে পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেই, কিন্তু আক্রমণ না হইলে আরও কি করবে কেউ জানে না। ট্রাম্প যুদ্ধ বাধাইয়া দিবে নাকি জানি না, কিন্তু এই রাষ্ট্রের ধ্বংস আবশ্যক, কারণ, শিশুকাল থাইকা ব্রেইনওয়াশের পরে দেশের বেশিরভাগ মানুষই মানুষ নাই। সব জোম্বিতে পরিণত হইছে।

হেইল ট্রাম্প! হেইল কিম জং উন! তোমরা পৃথিবীর জন্য আশীর্বাদ…

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.