আলহাজ্ব হাসিনা ও হেপাজতে আওয়ামীলীগ কেমন হবে আগামী দিন

আলহাজ্ব হাসিনার এই পরিবর্তন আবার বিম্পি জামাত মানতে পারছে না। তারা বলছে এটা হাসিনার নাটক। অনেক মাদ্রাছা ছাত্র ও বিম্পি জামাতের সাথে একমত তারা কেঁদে কেটে এর প্রতিবাদ করছে। তারা বলছে ৫ মের জনসভায় তাদের পুটকিতে যে পিডান দেয়া হয়েছিল সেই পিডানোর দাগ এখনো মুছে নাই। বৃষ্টিতে ভিজিয়ে কানধরে উটবস করিয়ে তাদের ইজ্জতের পাংচার করা হয়েছিল। এছাড়াও তো রয়েছে হাজার হাজার ছাত্রকে লাশ বানিয়ে দেয়া, আলেম হত্যা, দাড়ি টুপিওয়ালাদের নির্যাতন।হুজুররা এতো কিছু ভুলে কি করে আমাদের এই পুটকির দাগ আর রক্তের উপর দিয়ে হেটে এই খুনি হাসিনার সাথে আঁতাত করলো। কি জাদু টোনা দিয়ে হাসিনা সফি হুজুরকে বশ করলো। যে হুজুর এখন বলছে আসলে ৫ মের রাতে কোনো মাদ্রাসা ছাত্র হত্যা হয় নি

শেখ মুজিবুর রহমান মুসলিমলীগ ত্যাগ করে গঠন করেছিলেন আওয়ামীলীগ।মহান মুক্তি যুদ্ধের প্রাক কালে একটি আদর্শকে সামনে রেখে ভিন্ন ভিন্ন জাতি ধর্মের মানুষকে তিনি এক ছাতার নিচে এনেছিলেন।যেখানে বলা হয়েছিল দেশ হবে ধর্ম নিরপেক্ষ।এই দেশে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে। মানুষে মানুষে ধর্মে ধর্মে থাকবেনা কোনো বিভেদ। সকলের একটিই পরিচয় হবে বাঙালি বাংলাদেশী। কিন্তু ডক্টরেট করা মহা জ্ঞানী আলেম ওলামাগণ গবেষণা করে রাই দিলেন ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীন। কাজেই এই দেশ ধর্মনিরপেক্ষ হলে ইসলামের বারোটা বেজে যাবে ।
?oh=e782653e211e9caeddfdd99d38f68d66&oe=59528BE9″ width=”500″ />

শেখ মুজিবুর রহমান মারা গেছেন মূলত মারা পড়েছেন সেই মহা জ্ঞানীদের পরিকল্পনাতেই।আর এটি একে একে প্রায় অর্ধ শতাব্দী হতে চললো।এই দীর্ঘ সময়ে সেই মহা জ্ঞানীগুলো তাদের শক্তি ও পরিকল্পনাতেও এনেছেন আমূল পরিবর্তন।এখন তারা হতে চলেছে এই দেশের মূল কর্ণধার। শেখ মুজিব মারা পড়ার সাথে সাথে তার আদর্শ ও মারা পড়ে গেছে। এতদিন তার কন্যা হাসিনা আবেগের মধ্যে ছিল তাই আল্লার নামে এই দেশ উৎসর্গ করতে একটু দেরি হলো যা। হাছিনাকে আল্লা হেদায়েত দিয়েছেন। আর তার ও বয়স হয়েছে। মনের মধ্যে উঁকি দিচ্ছে জান্নাতের সেই মহা সুখের দৃশ্য।তাই পূর্বে তিনি যা করেছেন তার জন্য তওবা করে বাকি জীবন আল্লার খেদমত করে জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা তৈরী করছেন। এই রাস্তা তৈরির কাজে তার সামনে নাস্তিক হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান যাই আসুক না কেন সব কিছুই তিনি সমূলে বিনাশ করবেন।

প্রধান মন্ত্রী এখন ইসলামের একনিষ্ঠ খাদেমা। ওনার নতুন পদবি আলেমা হাফেজা আলহাজ্ব শেখ হাসিনা। যে দেশের প্রধান মন্ত্রী একজন আলহাজ্জ্ব সেই দেশের সুপ্রিম কোর্টের সামনে গ্রিক দেবীর মূর্তি থাকা তো আল্লার পরাজয়। তাই আলহাজ্ব হাসিনা গ্রিক দেবীর মূর্তি সরিয়ে দেবার নির্দেশ দিয়ে আবারও তার পরহেজগারির প্রমাণ দিলেন।ভবিষ্যতে দেশের মানুষের ঘরে যেসব মূর্তি আছে তা কিভাবে ধ্বংস করা যাই তা নিয়েও চিন্তা ভাবনা করছেন। ইনিই যে ইসলামের আসল খেদমতকার সে ব্যাপারে আর কোনো সন্দেহ রইলো না।শুধু তাই নয় আলহাজ্ব হাসিনা কওমি মাদ্রাসার ডিগ্রীকে মাস্টার্সের মর্যাদা দিয়ে ভবিষ্যতের সকল ছেলে মেয়েদের সাধারণ শিক্ষা বাদ দিয়ে কওমি মাদ্রাসায় পড়তে অনুপ্রাণিত করছেন। আলহাজ্ব হাছিনা এটা বুজতে পেরেছেন একমাত্র কোরান হাদিস পড়েই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সম্ভব।

আলহাজ্ব হাসিনার এই পরিবর্তন আবার বিম্পি জামাত মানতে পারছে না। তারা বলছে এটা হাসিনার নাটক। অনেক মাদ্রাছা ছাত্র ও বিম্পি জামাতের সাথে একমত তারা কেঁদে কেটে এর প্রতিবাদ করছে। তারা বলছে ৫ মের জনসভায় তাদের পুটকিতে যে পিডান দেয়া হয়েছিল সেই পিডানোর দাগ এখনো মুছে নাই। বৃষ্টিতে ভিজিয়ে কানধরে উটবস করিয়ে তাদের ইজ্জতের পাংচার করা হয়েছিল। এছাড়াও তো রয়েছে হাজার হাজার ছাত্রকে লাশ বানিয়ে দেয়া, আলেম হত্যা, দাড়ি টুপিওয়ালাদের নির্যাতন।হুজুররা এতো কিছু ভুলে কি করে আমাদের এই পুটকির দাগ আর রক্তের উপর দিয়ে হেটে এই খুনি হাসিনার সাথে আঁতাত করলো। কি জাদু টোনা দিয়ে হাসিনা সফি হুজুরকে বশ করলো। যে হুজুর এখন বলছে আসলে ৫ মের রাতে কোনো মাদ্রাসা ছাত্র হত্যা হয় নি। .

এই তো কয়েকদিন আগে আলহাজ্ব হাসিনা ভারত সফরে গিয়েছিলেন এ নিয়ে বাম নাস্তিকরা কত কিছুই না বলছে। তিস্তা তিস্তা করে মুখে ফেনা তুলছে।কিন্তু হাসিনা সেখানে কত বড়ো কাজ করেছেন তা তারা দেখেও দেখছে না। আলহাজ্ব হাসিনা সেখানে গিয়েছিলেন বন্ধুত্ব করতে। যেখানে তিনি নরেন্দ্র মোদী, প্রণব মুখার্জি ও মমতা ব্যানার্জিকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিয়েছেন। নিজ হাতে ইলিশ মাছ রান্না করে তাদের খাইয়েছেন। যে ইলিশে দেয়া ছিল সফি হুজুরের ফু দেয়া পানি। এখন তো শুধু সময়ের অপেক্ষা কিছু দিনের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদী প্রণব মুখার্জি ও মমতা ব্যানার্জি ইসলাম কবুল করবেন। আর এর পরেই পুরো ভারত বর্ষ ইসলামের অধীনে চলে আসবে। তার পর দেখেন তিস্তা ফিসটা, রামপাল, বাবরি মসজিদ সব আমাদের ইশারায় চলে আসবে।

শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন আরবিতে কথা বলছেন। আর তার দেহকে পুরো পুরি পর্দায় মুড়ে নিয়েছেন। ভারতে গিয়ে তিনি মমতাকে একটি বোরখাও উপহার দিয়েছেন। আর মোদী ও প্রণব কে দিয়েছেন একটি করে জায়নামাজ ও টুপি। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন উনার পূর্বপুরুষরা ছিল এরাবিয়ান। বহু বছর আগে ইসলাম প্রচার করতে আরব দেশ থেকে এদেশে এসেছিলেন।আসলে এই দেশে তারাই একমাত্র আসল মুসলমান। সত্যি প্রধানমন্ত্রীর পরহেজগারির এই কথা শুনে আমার গর্ভে ঈমান দাঁড়িয়ে গেলো ! শফি হুজুর কাল মোনাজাত করে ,”আল্লাহকে শেখ হাসিনার হায়াত বাড়িয়ে দিতে বলেছেন !আগামী নির্বাচনে কওমি হুজুররা সবাই আলহাজ্ব শেখ হাসিনার পক্ষে ভোট চাইবেন। আসুন, আমরা সবাই আমিন বলি!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

54 − 47 =