যে পরস্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করবে না , সে খাটি মুমিন না

নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করা প্রতিটা মুমিনের জন্য আবশ্যক। তার অন্যতম একটা আদর্শ কাজ ছিল পরস্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করা। মুহাম্মদের জায়েদ নামে এক পালিতপুত্র ছিল যার ছিল সুন্দরী বউ জয়নাব। একবার জায়েদের অনুপস্থিতিতে জায়েদের বাড়ীতে গিয়ে অর্ধনগ্ন জয়নাবকে দেখেই তার প্রেমে পড়ে যায় মুহাম্মদ। তারপরে নানা কায়দা কসরত করে, অবশেষে জয়নাবকে বিয়ে করে ঘরে তোলে সে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে পরস্ত্রী ভাগিয়ে বিয়ে করা একটা আদর্শ কাজ। কারন কাজটা করেছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানব মুহাম্মদ।

নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করা প্রতিটা মুমিনের জন্য আবশ্যক। তার অন্যতম একটা আদর্শ কাজ ছিল পরস্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করা। মুহাম্মদের জায়েদ নামে এক পালিতপুত্র ছিল যার ছিল সুন্দরী বউ জয়নাব। একবার জায়েদের অনুপস্থিতিতে জায়েদের বাড়ীতে গিয়ে অর্ধনগ্ন জয়নাবকে দেখেই তার প্রেমে পড়ে যায় মুহাম্মদ। তারপরে নানা কায়দা কসরত করে, অবশেষে জয়নাবকে বিয়ে করে ঘরে তোলে মুহাম্মদ। সুতরাং দেখা যাচ্ছে পরস্ত্রী ভাগিয়ে বিয়ে করা একটা আদর্শ কাজ। কারন কাজটা করেছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানব মুহাম্মদ।

বিষয়টা সুন্দরভাবে বর্নিত আছে নিচের আয়াতে —-

সুরা আহযাব – ৩৩: ৩৭: আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন, আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।

ইবনে ইসহাকের সিরাত রসুলুল্লাহ , আল তাবারীর ইতিহাস সহ জালালাইনের তাফসিরে বর্ণিত আছে- মুহাম্মদ জায়েদের অনুপস্থিতিতে তার বাড়ীতে গেলে, অপ্রস্তুত অর্ধ নগ্ন জয়নাবকে দেখে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে ও তার প্রেমে পড়ে যায়। যারই ফলশ্রুতি হলো এইসব আয়াত ও মুহাম্মদের সাথে জয়নাবের বিয়ে। কিন্তু এখনই কিছু মুমিন এসে বলবে এসব দলিল সহিহ না। কারন এসব বিষয় তাদের পছন্দ না। তারা বলবে কোরান বা হাদিসে কোথায় এসব কথা বলেছে ? সেক্ষেত্রে আমরা শুধু উক্ত ৩৩:৩৭ নং আয়াতটা লক্ষ্য করি।

সেখানে পরিস্কারভাবে বলা হচ্ছে – জায়েদ তার স্ত্রী জয়নাবকে তালাক দিতে চাইলে মুহাম্মদ বলেছিল – তুমি তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই রাখ। কিন্তু একই সাথে দেখা যাচ্ছে , তালাকের আগেই মুহাম্মদ একটা বিষয় গোপন করছিল লোক নিন্দার ভয়ে। প্রশ্ন হলো জায়েদ তখনও জয়নাবকে তালাক দেয় নি , তাহলে মুহাম্মদ কি এমন বিষয় গোপন করছিল লোকনিন্দার ভয়ে ? এর পরে বলছে , লোকনিন্দার ভয় করার দরকার নেই , বরং আল্লাহকেই ভয় করা উচিত এবং একই সাথে বলছে, পরে যায়েদ যখন জয়নাবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল , তখন আল্লাহ মুহাম্মদের সাথে জয়নাবের বিয়ে দিয়ে দিল।

সুতরাং কতকগুলো বিষয় এখানে চলে আসছে –

(১) জায়েদ তার স্ত্রী জয়নাবকে তালাক দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করল মুহাম্মদের কাছে
(২) কিন্তু তালাকের আগেই মুহাম্মদের মনে একটা গোপন বিষয় ছিল যা সে লোকনিন্দার ভয়ে কাউকে বলছিল না
(৩) অত:পর জায়েদ যখন জয়নাবকে তালাক দিল , তখন মুহাম্মদ জয়নাবকে বিয়ে করল
(৪) এভাবেই আল্লাহ বিধান দিয়ে দিল যে পালিত পুত্রের স্ত্রীকে পালক পিতা বিয়ে করতে পারে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , সর্বপ্রথমে মুহাম্মদ এমন একটা বিষয় গোপন করছিল লোকনিন্দার ভয়ে , যার ফলেই জায়েদ আসলে তার স্ত্রী জয়নাবকে তালাক দিতে চাইল। তার ফলেই অবশেষে আল্লাহ নানা আয়াত নাজিল করে অবশেষে জায়েদ জয়নাবকে তালাক দিলে মুহাম্মদ ও জয়নাবের বিয়ে মহা সমারোহে সম্পন্ন হলো। সর্বশেষে আল্লাহ বলছে – অত:পর এটাই বিধান যে পালিত পুত্রের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে পালক পিতা বিয়ে করতে পারবে।

উক্ত বিষয়টা ও ঘটনা প্রবাহ দৃষ্টে একটা বিষয় খুবই পরিস্কার যে , আসলে পালক পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করার বিধান জারির জন্যে উক্ত আয়াত নাজিল হয় নি , বরং উক্ত আয়াত নাজিল হয়েছিল মুহাম্মদ যাতে জায়েদের বিবাহিত স্ত্রী জয়নাবকে বিয়ে করতে পারে ,তারই যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে। অতিরিক্ত হিসাবে উক্ত বিধানটা সব শেষে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। সুতরাং এ থেকে আরও বোঝা যাচ্ছে ৩৩:৩৭ নং আয়াতের আগে পালক পূত্র সম্পর্কিত যে আয়াত নাজিল হয়েছিল , সেটাও মূলত: মুহাম্মদ যাতে জয়নাবকে বিয়ে করতে পারে , সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই নাজিল করা হয় যেমন —

সুরা আহযাব-৩৩: ৪: আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ যাদের সাথে তোমরা যিহার কর, তাদেরকে তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন।

অর্থাৎ মুহাম্মদ তার পালিত পুত্রের স্ত্রী জয়নাবের প্রেমে যখন হাবুডুবু খাচ্ছিল , তখনই আল্লাহর আরশ কেপে ওঠে তার দোস্ত মুহাম্মদের প্রেমের বিরহ যন্ত্রনায় কাতর হয়ে। আর তখনই উক্ত ৩৩: ৪ আয়াত নাজিল করে বুঝান হয় যে , যদিও মুহাম্মদের পালক পুত্র হিসাবে জায়েদ সমাজে পরিচিত , তা সত্ত্বেও সে প্রকৃত পুত্র না , এসব হলো মুখের কথা মাত্র। এই কথার রহস্য কি ? রহস্য একটাই , যাতে জায়েদ জয়নাবকে তালাক দিলে মুহাম্মদ তাকে বিয়ে করতে পারে। সেটা বুঝতে পেরেই জায়েদ সাথে সাথে মুহাম্মদের নিকটে গিয়ে জয়নাবকে তালাক দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এই বিষয়টাই সুন্দরভাবে বলা আছে তাফসিরে জালালাইনে—-

And when idh is dependent because of an implied preceding udhkur ‘mention when’ you said to him to whom God had shown favour by guiding him to Islam and to whom you too had shown favour by manumitting him — this was Zayd b. Hāritha who had been a prisoner of war before the coming of Islam in the period of al-jāhiliyya. The Messenger of God s purchased him before his call to prophethood and then manumitted him and adopted him as his son — ‘Retain your wife for yourself and fear God’ before divorcing her. But you had hidden in your heart what God was to disclose what He was to manifest of your love for her and of the fact that should Zayd part with her you would marry her and you feared people would say ‘He has married his son’s wife!’ though God is worthier that you should fear Him in all things so take her in marriage and do not be concerned with what people say. Zayd subsequently divorced her and her obligatory waiting period was completed. God exalted be He says So when Zayd had fulfilled whatever need he had of her We joined her in marriage to you — the Prophet consummated his marriage with her without the customary permission from her legal guardian and gratified the Muslims with a feast of bread and meat — so that there may not be any restriction for the believers in respect of the wives of their adopted sons when the latter have fulfilled whatever wish they have of them. And God’s commandment that which He has decreed is bound to be realised.
(সূত্র : http://altafsir.com/Tafasir.asp?tMadhNo=0&tTafsirNo=74&tSoraNo=33&tAyahNo=37&tDisplay=yes&UserProfile=0&LanguageId=2)

উক্ত তাফসিরে দেখা যাচ্ছে , কেন জায়েদ জয়নাবকে তালাক দিতে চাচ্ছিল , সেটা হলো —But you had hidden in your heart what God was to disclose what He was to manifest of your love for her— অর্থাৎ মুহাম্মদ জয়নাবের প্রেমে পড়েছিল , আর সেটা জায়েদ বুঝতে পেরেছিল। বিষয়টা সুন্দরভাবে বর্নিত আছে আল তাবারীর ইতিহাসে , সেটা এরকম—

একদিন মুহাম্মদ(সা) জায়েদের বাড়ীতে যান, তখন জায়েদ বাড়ীতে ছিলেন না। মুহা্ম্মদ(সা) বাইরে থেকে জিজ্ঞেস করেন – জায়েদ কোথায় ? ভিতর থেকে জয়নাব উত্তর দেন – উনি তো বাড়ীতে নাই। তখন মুহাম্মদ দরজার ফাক দিয়ে উকি দেন , আর তার নজরে স্বল্প বসনা জয়নাবকে পড়ে, যা মুহাম্মদ(সা) এর দৃষ্টিকে আকৃষ্ট করে। অত:পর মুহাম্মদ(সা) ফিরে যাওয়ার সময় বলতে থাকেন – আল্লাহ যে কখন কার মনকে পরিবর্তন করে দেয়।

এরপর যখন জায়েদ বাড়ী আসে , জয়নাব তাকে সব খুলে বলেন। তিনি এটাও বলেন যে রসুলুল্লাহ যাওয়ার সময় বলতে বলতে গেছেন – আল্লাহ যে কখন কার মনকে পরিবর্তন করে দেয়। এটা শোনা মাত্রই জায়েদ সাথে সাথেই মুহাম্মদ(সা) এর কাছে গমন করে বলেন – হে রসুল , আমি শুনেছি আপনি আমার বাড়ীতে গেছিলেন। আমার মনে হচ্ছে , আপনার প্রতি জয়নাব আকৃষ্ট, তাই আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আল তাবারী, ভলিউম-৮, পৃষ্ঠা-২

আব্দুল আলা বর্নিত –রাসুলুল্লাহ(সা) জায়েদের সাথে তারই চাচাত বোন জয়নাবের বিয়ে দেন। একদিন রসুল জায়েদের বাড়ীতে যান যখন জায়েদ বাড়ীতে ছিল না। দরজার ওপর যে পর্দা ছিল সেটা বাতাসে নড়ে যায় , তার ফাক দিয়ে রসুলের দৃষ্টি ঘরের মধ্যে পড়ে , জয়নাব তখন প্রায় অর্ধনগ্ন ছিল , সেটা রসুলের দৃষ্টিতে পড়ে আর সেটা রসুলের অন্তর এতে আকৃষ্ট হয়। সেটা জয়নাব বুঝতে পারেন , বোঝার পর , তিনি অন্যের কাছে ( জায়েদের ) অনাকর্ষনীয়া হয়ে যান। অত:পর জায়েদ বাড়ীতে আসার সব শোনেন এবং বুঝতে পারেন , রসুল জয়নাবের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছেন। তখন তিনি রসুলের নিকট গিয়ে জয়নাবকে তালাক দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। রসুল বলেন- জয়নাবকে তোমার কাছেই রাখ। তখন আল্লাহর এই বানী নাজিল হয় – ” আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন , তুমিও তাকে অনুগ্রহ করেছ, তোমার স্ত্রী তোমার কাছেই রাখ আর আল্লাহকে ভয় কর–এবং তুমি তোমার মনে একটা বিষয় গোপন করছিলে যা আল্লাহ প্রকাশ্যে আনবেই–। ” তুমি যে বিষয়টা গোপন করছিলে তা হলো – যদি সে জয়নাবকে তালাক দেয় , তাহলে তুমি তাকে বিয়ে করবে। “ আল তারাবী , ভলিউম- ৮, পৃষ্ঠা – ৪

(সূত্র : http://kalamullah.com/tabari.html)

সুতরাং সব কিছু মিলে গেল। সুরা আহযাব ৩৩:৩৭ আয়াতের প্রকৃত অর্থ জানা গেল। এটা বোঝা গেল , মুহাম্মদ নিজেই জয়নাবের প্রেমে পড়েছিল , বলেই জয়নাবকে জায়েদ তালাক দিতে চেয়েছিল। কিন্তু জায়েদ সমাজে মুহাম্মদের পালক পুত্র হিসাবে পরিচিত ও স্বীকৃত থাকার কারনে সেটা মুহাম্মদ গোপন করছিল লোকলজ্জার ভয়ে। কারন সেই সময়ে আরবে যে কোন পালিত পুত্রকে নিজের পুত্র হিসাবে গণ্য করা হতো। তাই পালিত পুত্রের স্ত্রীকে নিজের পুত্রবধু হিসাবেই গণ্য করা হতো। তো সেই পুত্রবধুর প্রেমে মুহাম্মদ হাবুডুবু খাচ্ছে , সেটা তো অবশ্যই কারও কাছে প্রকাশ করা যায় না , তাহলে লোকজন তো তাকে বদমায়েশ , লু্চ্চা ইত্যাদি বলবে। এখন জায়েদ যখন জয়নাবকে তালাক দিল ,তখনও মুহাম্মদ তাকে বিয়ে করতে পারছিল না। সেই লোক লজ্জার ভয়ে। ঠিক তখনই ৩৩: ৪ আয়াত নাজিল করে বলা হলো – পালিত পুত্র কোন প্রকৃত পুত্র না , তাই পালিত পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করতে কোনই সমস্যা নেই।

সার্বিক বিচারে দেখা যাচ্ছে , পালিত পুত্রের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে বিয়ে করার বিধান জারি করার জন্যে ৩৩:৪ বা ৩৩:৩৭ নং আয়াত নাজিল হয় নি , বরং মুহাম্মদ যাতে তার পালিত পুত্রবধুকে বিয়ে করতে পারে , সেই উদ্দেশ্যেই এতসব আয়াতের আমদানী।

যদি ধরেও নেই , জায়েদ মুহাম্মদের পালিত পুত্র ছিল না , তাহলেও জয়নাব ছিল জায়েদের স্ত্রী। মুহাম্মদের কাছে পরস্ত্রী। সেই পরস্ত্রীকে দেখে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেটা কাছে সেটা মুহাম্মদ প্রকাশ করেছিল। তারপর সেই পরস্ত্রীকে বিয়ে করার জন্যে নানাবিধ আয়াত আমদানী করে অবশেষে তাকে বিয়ে করে ঘরে তুলেই মুহাম্মদ ক্ষান্ত হয়।

এখনই কিছু মুমিন এসে বলবে – জয়নাব ছিল মুহাম্মদের চাচাত বোন, ছোট বেলা থেকেই মুহাম্মদ তাকে দেখে আসছে। তাকে বিয়ে মুহাম্মদ করতে চাইলে সে আগেই করতে পারত। তা তো সে করে নি। হ্যা সেটা ঠিক। কিন্তু কথা হচ্ছে -মুহাম্মদ কখনই যুবতী জয়নাবের দেহ বল্লরী দেখে নাই আগে, তাই তার প্রতি কোন আকর্ষন আগে বোধ করে নি। যেদিন সে জায়েদের বাড়ীতে যায় , সেদিনই সে প্রথম জয়নাবের যৌবনের ঝিলিক দেখতে পায় আর তা দেখেই তার মাথা ঘুরে যায় এবং সাথে সাথেই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। সে যে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে , সেটা সে জয়নাবের কাছে প্রকাশও করে আসে। প্রকাশ করে বলেই কিন্তু জায়েদ সেটা জানতে পেরে মুহাম্মদের কাছে গিয়ে তালাকের প্রস্তাব দেয়। মদিনার রাজা মুহাম্মদের নজর পড়েছে জয়নাবের প্রতি , মুহাম্মদ জয়নাবের প্রেমে হাবু ডুবু খাচ্ছে, জায়েদের মত তুচ্ছ এক মানুষ কি আর তারপর জয়নাবকে স্ত্রী হিসাবে ধরে রাখার সাহস পায় ? সুতরাং নিজের প্রান বাচানোর তাগিদেই তো জায়েদ গিয়ে আগ বাড়িয়ে তালাকের প্রস্তাব করে মুহাম্মদের কাছে। অর্থাৎ সে বুঝাতে চায় , মুহাম্মদের জন্যে সে তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায় যাতে মুহাম্মদের কোন রকম ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পরে অপঘাতে নিহত হতে না হয়।

পরিশেষে এই সিদ্ধান্তে আসা যায় যে , মুহাম্মদের অন্যতম একটা আদর্শ কাজ ছিল পরস্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করা , আর সেই আদর্শ অনুসরন করেই একজন মুসলমান খাটি মুমিন হতে পারে যদি সেও অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করে। তাহলেই সে হতে পারবে মুহাম্মদের একজন খাটি উম্মত। আর তাহলেই বেহেস্তের টিকেট হবে কনফার্ম।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 5 =