একটা হলিউডি ফিল্ম ও ইসলাম

হঠাৎ করে একটা হলিউডি ফিল্ম দেখলাম। বিষয়বস্তু হলো -কোন একটা কারনে একটা শহরে একটা ভাইরাসের সংক্রমন হয় , যাতে মানুষ রাক্ষসে পরিনত হচ্ছিল, তাদের কোন সাধারন কান্ডজ্ঞান ছিল না। তারা রাতের বেলা বের হয়ে সাধারন মানুষকে আক্রমন করত , যাকে আক্রমন করত , সেও রাক্ষসে পরিনত হত। কিন্তু দিনের আলো সহ্য করতে পারত না। দিনের আলোতে আসলেই তারা মারা পড়ত। তো এই ফিল্মের সাথে ইসলামের কি সম্পর্ক ?



হঠাৎ করে একটা হলিউডি ফিল্ম দেখলাম। বিষয়বস্তু হলো -কোন একটা কারনে একটা শহরে একটা ভাইরাসের সংক্রমন হয় , যাতে মানুষ রাক্ষসে পরিনত হচ্ছিল, তাদের কোন সাধারন কান্ডজ্ঞান ছিল না। তারা রাতের বেলা বের হয়ে সাধারন মানুষকে আক্রমন করত , যাকে আক্রমন করত , সেও রাক্ষসে পরিনত হত। কিন্তু দিনের আলো সহ্য করতে পারত না। দিনের আলোতে আসলেই তারা মারা পড়ত। তো এই ফিল্মের সাথে ইসলামের কি সম্পর্ক ?

আর তাদের সাধারন যুক্তিবোধ, মানবিকতা ও নৈতিকতা কাজ করছিল না। সেই সব রাক্ষস রূপী মানুষ সারাক্ষন সুস্থ মানুষ আক্রমন করত , যাদেরকে আক্রমন করত , তাদের মধ্যেও সেই ভাইরাস সংক্রমিত হতো ও তারাও রাক্ষসে পরিনত হতো। তবে সেইসব রাক্ষস থাকত সারাক্ষন অন্ধকারে , দিনের বেলাতে তারা বের হতো না। কারন দিনের আলো তারা সহ্য করতে পারত না। দিনের আলোর সংস্পর্শে আসলেই তারা মারা পড়ত। পরে শহরের বাকী সবাই একত্রিত হয়ে , সেই ভাইরাস আক্রান্ত সবাইকে হত্যা করে শহর ও তার জনগোষ্ঠী রক্ষা করা হয়। প্রশ্ন হলো এই ফিল্মের অর্থ কি ? এর সাথে ইসলামের কি সম্পর্ক ?

বাস্তবে ও অনলাইন জগতে , আমরা খাটি মুমিনদের চরিত্র যদি দেখি , তারাও ঠিক এরকম রাক্ষসের মত। মনে হয় তাদের মনের মধ্যে কোন ভাইরাস বাসা বেধেছে। আর সেই ভাইরাসটা হলো ইসলাম। সেই কারনে তারা সারাক্ষন লেগে থাকে অন্য সাধারন মানুষকে বুঝিয়ে বা ভুলিয়ে ভালিয়ে তাদের মত করতে। তখন কেউ যদি তাদের মতের বিরুদ্ধে কথা বলে ,তাহলে তারা হুমকি ধামকি, গালাগালি তো দেয়ই , যদি বাগে পায় তাহলে আক্রমন করে চাপাতি দিয়ে হত্যা করতেও দ্বিধা করে না। অর্থাৎ তাদের ক্ষেত্রে কোন মানবিকতা , নৈতিকতা , অধিকার , ব্যাক্তি স্বাধীনতা কাজ করে না। তাদেরকে দেখতে অন্যান্য সাধারন মানুষের মতই মনে হয় কিন্তু আসলে ভিতরে ভিতরে তারা মানুষ না, আচার আচরন চরিত্র ইত্যাদি দিক দিয়ে তারা আসলে এক একটা রাক্ষস। কারন তাদের কোন কান্ডজ্ঞান আর থাকে না , থাকে না কোন যুক্তিবোধ। তারা মানবরূপী রাক্ষসে পরিনত হয়।

আর এরাও কিন্তু দিনের আলো অর্থাৎ মুক্তবুদ্ধি ও জ্ঞানচর্চাকে সহ্য করতে পারে না। যুক্তি তর্ক, বিতর্ক , জ্ঞানের সামনে আসলে এরা বড়ই অসহায় হয়ে পড়ে। এরা তাদের পক্ষে কোন যুক্তি দেখাতে পারে না। তাদের একটাই মাত্র যুক্তি – হয় তাদেরকে অন্ধভাবে অনুসরন কর , না হয় চাপাতির আঘাতের জন্যে প্রস্তুত হও।

তাহলে উক্ত হলিউডি ফিল্মের আসল বার্তাটা কি ? সেটা চিন্তা করতেই আমি শিউরে উঠছি আসলে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

45 − 43 =