সহি্ ইসলামিক Hypocrisy

কাউকে শারিরিক ভাবে অপমান-অপদস্থ করার উস্কানি মূলক মন্তব্য করা এবং তা করতে পারলে পুরুস্কিত করা হবে, এমন ফতুয়া দেওয়া, কোনো ভাবেই কোনো বেক্তির বাক স্বাধীনতার ভিতরে পরে বলে আমার জানা নেই, বরং এটি উগ্রতা ও আইনে শাস্তি যগ্য অপরাধ। এখন যখন পশ্চিমবঙ্গের এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা, সৈয়দ শাহ আতেফ আলি আল কাদেরি এমন একটি উস্কানি মুলক মন্তব্য/ফতুয়া ঘোষণা করলেন, তখন আর বলার অপেক্ষা রাখে না, যে উনি সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দিয়ে ফুতুয়া দিয়েছেন, যদিও ইসলামিক বুদ্ধীজীবিরা বরাবরি বলে এসেছেন ইসলাম সন্ত্রাসবাদে সমর্থন করে না। কিন্তু তার এই ফতুয়ার বিরুদ্ধাচার কোন একটি সহি্ মুসলমানও করেনি, বরংচ মাশ্আল্লা/সুবাহনআল্লা বলে নেকি আয় করেছেন। এখানে বলে রাখা ভালো আমাদের উপমহাদেশে ধর্মিয় অনুভুতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য আইন আছে এবং এর প্রয়োগও খুব দ্রুত, কিন্ত কষ্টের সাথে বলতে হচ্ছে, যে এই সব উগ্রবাদে ও সন্ত্রাসবাদে উস্কানিমুলক ফতুয়ার জন্য, কোনো আইন ও আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে। বাংঙ্গালী মুসলিমরা বরাবরি বলে ভারতে মুসলিমরা নির্যাতনের শিকার, কিন্তু “সনু” আজান নিয়ে মন্তব্য করার পর “সনুর” সহ তার পরিবারে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিলো, প্রশ্ন হচ্ছে কেনো? সনুরা তো ভারতে সংখ্যাগরিষ্ট, তবে তাদেরই কেনো সংখ্যালঘুর ভয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় সংখ্যাগরিষ্টদের!? কি আর্শ্চয্য বিষয়…! তবে যদি সনুকে কোনো সহি্ মুমিন পেতো এই ফতুয়ার পরে, তবে বলাই বাহুল্য তার মথা থেকে চুল না কেটে ফেলে দিয়ে বরংচ তার মাথাই শরির থেকে কেটে ফেলে দিতো! ইসলামিষ্ট এর ভিতরে ইসলামপন্থা হলো সবচেয় বিষাক্ত একটি জিনিষ। জাকির নায়েক যখন ভারতে ভিবিন্ন রকমের আনুষ্ঠান করে অন্য ধর্মকে বেঙ্গ, বিদ্রুপ ও বিরধীতা করতো, কই তখন তো অন্য ধর্মের কিংবা সংখ্যাগরিষ্ট সম্প্রদায়ের কোনো মানুষ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে এমন কোনো ফতুয়া/মন্তব্য করতে শুনিনি, যে জাকির নায়েকের দাড়ি কেটে আনতে পারলে তাকে আমি এত/এই পুরুস্কার দিবো। ভরতে বসবাস করে ভারতের সংখ্যাগরিষ্টদের ধর্মের বিপক্ষে সব সময় বলেছেন, তাও মুসলিমরা বলে তারা নির্যাতনের শিকার অথচ আমাদের বাংলায় যদি ইসলামের বিরুদ্ধে কেউ একটি বাক্য বলে, তবেই তার অবস্থা করুন করে দেয় ইসলামপন্থীরা, আর সাথে তো ৫৭ধারার আইন আছেই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 + 3 =