সূরা আল ইমরান বিশ্লেষণ !!

আজ কুরআনের সূরা আল ইমরানের কিছু বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণমূলক আলোচনা করবো । চলুন দেখি কি আছে এই বিজ্ঞানময় কিতাবের বিজ্ঞানময় সূরায় !

একটা কথা সচরাচর আমি বলি যে , আপনি যদি নিজেকে একজন মুসলমান দাবী করতে চান তবে প্রথমেই আপনাকে কুরআন পড়তে হবে । তবে তা পড়তে হবে আপনার বোধগম্য ভাষায় । আপনি যদি আরবি ভাষা না বুঝেন , তবে আরবিতে কুরআন সম্পূর্ণ মুখস্থ করেও কোন লাভ নেই । আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা কুরআন হয়তো আরবিতে পড়েছে কিংবা পড়েও নি , কিন্তু মুসলিম পরিবারের সদস্য বলে দিব্বি ইসলামের জন্য লড়াই করতে করতে একাকার । একজন মানুষ মেডিকেল সাইন্স না পড়ে না বুঝে যেমন নিজেকে ডাক্তার দাবি করতে পারে না ঠিক তেমনি কুরআন না পড়ে না বুঝে আপনি নিজেকে মুসলিম দাবী করতে পারবেন না । এছাড়া ইদানিং একদল তথা কথিত নাস্তিকও দেখা যায় যারা কুরআন না পড়েই দিব্বি ইসলাম নিয়ে কথা তুলেন । তাদের জন্যও একই সাজেশন , কুরআন পড়ুন এবং হয়ে উঠুন একজন শরীয়ত সম্মত সহীহ নাস্তিক । কারণ এটুকু নিশ্চিত যে আপনি বুঝে বুঝে কুরআন পড়লে হয় জঙ্গি হয়ে যাবেন না হয় ইসলাম ত্যাগ করবেন ।

যাহোক আজ কুরআনের সূরা আল ইমরানের কিছু বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণমূলক আলোচনা করবো । চলুন দেখি কি আছে এই বিজ্ঞানময় কিতাবের বিজ্ঞানময় সূরায় !

আল্লাহ মোটেই দয়াবান নয় বরং নির্দয় !!

আমার পাশের বাড়িতে আবুল নামক এক ব্যক্তি বাস করেন । লোকটির দশতলা বাসা পাচটা গাড়ির পাশাপাশি ধন দৌলত কোন কিছুরই অভাব নেই । তার বাসার পাশে আমার মতোই আরও বেশ কিছু হত দরিদ্র বাস করেন । দরিদ্র বলতে দু মুঠো অন্য যোগাতেই খুব কষ্ট হয়ে যায় । মাঝে মাঝে অনাহারে দিন কাটানোর সময় দু হাত তুলে তার কাছে একটু খাবার ভিক্ষা চাইলেও তার সময় হয় না এই অনাহারীদের দিকে তাকাবার । অথচ দিব্বি সে সবাইকে বলে বেড়ায় তার প্রশংসা করতে । বলে প্রশংসা করলে মৃত্যুর পর নাকি আমাদের কবরে অনেক খাবার , এসির পাশাপাশি আত্নার জৈবিক কর্ম করার সুবাদে বাহাত্তর খানা যৌন দাসীও দেয়া হবে । আর কেউ প্রশংসা না করতে চাইলে শুরু করে নানা রকম ভয় ভীতি দেখানো । বলে তার প্রশংসা না করলে নাকি ধ্বংস হয়ে যাবো , মৃত্যুর পর যৌন দাসীর বদলে কঠিন আগুনে পোড়ানো হবে । আমি আবার একটু স্ট্রেটকাট পাবলিক । এসব শুনে একদিন বেশ প্রকাশ্যেই বলে বসলাম , ধুর বাল বেচে থেকেই আজ অবধি একখান সুন্দরী হুর তো দূর কালি বউই জুটাইতে পারলাম না , মরলে শরীর থাকবে না , আমি থাকবো না তখনকার ওই অলীক স্বপ্নে বিভোর হইয়া কি দিন কাটে ! এখনই ভাত পাই না তো বলি মরলে পেট থাকবে না , তথন খাবার দিয়া কি চুল ছিড়বো মশাই ! সেই আবুল ব্যাটার আবার বিশাল ক্ষমতা বাড়ির আশেপাশে সব জায়গায় সি সি ক্যামেরা লাগানো আছে । ঘরে বসে চট করে ব্যাটা বাইরে কে কি বলছে সব শুনে ফেলে । তো আমার কথাটাও শুনে ফেললো । তারপর আর যাস কই ! আমার কথা চারিদিকে ছড়িয়ে দিলো যে আমি বিদ্রোহী , আমি শয়তান , আমাকে হত্যা করা সকলের জন্য ফরজ । বোকা পাবলিক গুলোও তার কথা শুনে আমাকে হত্যা করতে খুজতে লাগলো । আমি উপায় না পেয়ে চামে গা ঢাকা দিলাম কিছুদিনের জন্য । কিন্তু আবুল ব্যাটা এরই মধ্যে কই থেকে যেন আমার অবস্থান জেনে গেলো । তারপর আর কি , তার কয়েক শিষ্য সহ একটা গাড়ি পাঠিয়ে দিলো আমাকে শায়েস্তা করতে । তারা আমার পায়ের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিলো । দুটি পা হারালাম আর সে এলাকার মানুষের কাছে বলতে শুরু করলো , নিশ্চই আমি আবুল ক্ষমতাবান এবং যথেষ্ট প্রতিশোধ গ্রহণকারীও বটে !! আর একদল বেয়াক্কেল তার কথায় হৈ হৈ করতে লাগলো ।

এবার বলুনতো আমার কাছে মিঃ আবুল সম্পর্কে কি ধারণা থাকবে ? আমি আবুলকে ক্ষমতাধর প্রতিশোধ গ্রহণকারী হিসেবে ঠিকই জানবো কিন্তু তাকে কি কখনো দয়াবান বলবো ? একজন ভয় ভীতি প্রদর্শনকারী এমনকি ভয়ংকর প্রতিশোধ গ্রহণকারী কী কখনো সর্বশ্রেষ্ঠ এবং দয়াবান হতে পারে ?

উপরের ছবিটি সূরা আল ইমরানের চার নম্বর আয়াতের যেখানে স্পষ্টভাবে লিখা আছে আল্লাহ ক্ষমতাধর এবং চরম প্রতিশোধ গ্রহণকারী । সুতরাং একজন নিজ প্রশংসা নিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারী ক্ষমতাধর প্রতিশোধ গ্রহণকারী দয়াল তো দূর একজন নির্দয় ছাড়া কিছু নয় যা উপরোক্ত আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় ।

মানুষের আকৃতি গঠন নিয়ে লিলাখেলা !!

আমাদের এলাকায় কিছু নাম করা সন্ত্রাসী আছেন । তাদের মধ্যে একদল এমন আছেন যারা মানুষ খুন করার ব্যাপারে একেবারে নিয়মিত । তাছাড়া নানাভাবে এলাকার সবাইকে হয়রানির পাশাপাশি জোর জুলুমে একেবারে ওস্তাদ । একই এলাকার ছেলে রহিম । এলাকার এক কোণে তার ঝুপড়ি একটা বাড়ি । খুবই দরিদ্র সে । জন্ম থেকেই তার পা নেই । দুমুঠো অন্ন যোগাতে তাকে এই অবস্থায় ভিক্ষা করতে হয় । সে যেমন একটা ভালো মানুষ তেমনি সৎ । ভিক্ষার টাকায় ভাত না জুটলেও কখনো চুরি করে নি । একদিন আমি তার সাথে কথা বলছিলাম , সে ভীষণ আক্ষেপ করে বলছিলো যে আমি তো কারও ক্ষতি করি না , সৎ জীবন যাপন করি , আল্লাহ কেন আমার একটা পা দেননি ? কিংবা জন্মের আগে আমি এমন কী পাপ করেছিলাম যার জন্য আল্লাহ আমার একটা পা জন্ম থেকেই কেড়ে নিলেন । আমি দিনদার মুসলমানের মতো বললাম , দেখো আল্লাহ দুনিয়ায় তোমাকে কষ্ট দিয়ে পরীক্ষা নিচ্ছেন । মৃত্যুর পর তোমার জন্য তিনি রেখেছেন চরম শান্তি , যৌনদাসী আরও অনেক কিছু । সে তখন বললো , আর পা ? আচ্ছা মৃত্যুর পর কী আমি পা পাবো যখন আমার শরীরের অস্তিত্ব মাটিতে মিশে যাবে ? আমি তখন মোল্লাদের মতো ছল চাতুরি করে বললাম , ইয়ে মানে তোমার রুহ হাটতে পারবে ঠিকই । সে বললো আমি কি তখন আর তাই মানুষ্য শরীরে পৃথিবীতে নিজ পায়ে হাটার মতো এই দিনগুলো কাটাতে পারবো ! তখন আবার চতুরি করে বললাম , নাহ কিছু পেতে হলে তো একটু ছাড় দিতেই হবে । সে তখন বলে বসলো , কিসের ছাড় ! আমি ওপারে জান্নাত পেলেও তো পৃথিবীতে ঠিকই জাহান্নাম ভোগ করছি । কোন পাপে ? কি দোষ আমার যে এই এক মানুষ্য জীবন দিব্বি জাহান্নাম খাটছি যেখানে একদল সন্ত্রাসী দিব্বি সুস্থতা নিয়ে দিন কাটাচ্ছে ? ওই সন্ত্রাসীদেরই বা জন্মের আগে কী পূণ্য আর আমারই বা কি পাপ যার দরুন এগুলো আল্লাহ আগেই ঠিক করে দিলেন যে ওরা সুখে থাকবে আর আমি কষ্টে ! আমি তখন পাক্কা ঈমানদারের মতো বলে বসলাম , চুপ বেয়াদব ! আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন । এসব নিয়ে প্রশ্ন তুললে মৃত্যুর পর জাহান্নাম পাবে । সে তখন দিব্বি বললো , ধুর ওসবে আর ভয় পাই না । কিছু না করে দুনিয়াতেই জাহান্নাম ভুগছি আর মৃত্যুর পর যে কি দিবে তা আর বুঝতে বাকী নেই । এমন সৎ বিচার কারীর প্রতি কোন আশা রাখার মতো ইচ্ছে নেই ।

এখন আপনি বলবেন এসব বিকৃত অঙ্গের জন্য দায়ী জিন , বাবা মা ইত্যাদি ! তবে দেখুন সূরা আল ইমরানের ৬ষ্ঠ আয়াত !

এখানে স্পষ্ট লিখা আছে , আল্লাহ মায়ের পেটে শুক্রকীট থাকতেই মানুষের আকৃতি গঠন করেন । সুতরাং আল কুরআন মতে এসব নিরীহ মানুষগুলোর জন্মগত বিকলাঙ্গতার দায় আল্লাহর । আপনি মুসলিম হলে আপনাকে তাই মানতে হবে । আর তার ন্যায় বিচার নিয়ে প্রশ্ন উপরের লিখা পড়ার পর নিশ্চই বোঝা গেছে ।

আপনি কখনো কুরআনের মানে জানতে পারবেন না !

আপনি একজন মুসলমান হয়ে কুরআনের বিভিন্ন রূপক অায়াতের ব্যাখ্যা কখনোই জানতে পারবেন না । কারণ সূরা আল ইমরানে স্পষ্ট লিখা আছে “এসব (রূপক) বিষয়ের ব্যাখ্যা আল্লা ছাড়া কেউ জানে না । যারা জ্ঞানী এবং সহীহ মুসলিম তারা এসব বিষয়ের ব্যাখ্যা না জেনেই শুধু বিশ্বাস করবে ।” সুতরাং প্রথমত আপনি যদি এসব রূপক ঘটনার মানে জানতে পারেন বলে দাবি করেন তাহলে একদিকে আল্লার বানী মিথ্যে প্রমাণিত হবে অন্যদিকে না বুঝেই বিশ্বাস না করায় আপনি মুসলিমও হতে পারছেন না । সুতরাং কুরান বুঝতে হলে জানতে চাইলে হয় আপনাকে অমুসলিম হতে হচ্ছে নয়তো না জেনে বিশ্বাস আনতে হচ্ছে । ব্যাপারটা অনেকটা এমন যে কুরানে সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়া আছে , তবে প্রশ্ন করা নিষেধ !

এজ অফ আল্লাপাক !

এককালে কম্পিউটার গেমসের বেশ নেশা ছিলো । তখন এজ অফ মিথলোজি নামক একটা গেমস বেশ পছন্দ করতাম । গেমসটির একটি বিশেষত্ব হচ্ছে সেখানে গড পাওয়ার ছিলো । অর্থাৎ অনেক গুলো দলের মধ্যে যে কোন দলের উপর যখন তখন ভুমিকম্প , আগ্নেয়গিরি , বজ্রপাত , প্রটেকশন ইত্যাদি ইত্যাদি দেয়া যেতো । এতে সহজেই যখন যে দল ইচ্ছে সে দলের উপর দয়া কিংবা দূর্যোগ দেয়া যেতো । যাকে ইচ্ছে তাকে জিতানো যেতো । চাইলে নিজের দলের উপরও এগুলোর প্রয়োগ করা যেতো । যখন নিজের দল ভালো পারফরম্যান্স না দিতে পারতো তখন তাদের উপরই গড পাওয়ার ব্যবহার করে পৈশাচিক আনন্দ নিতাম । কুরআনের বিভিন্ন আয়াত দেখে গেমসটার কথা বড্ড মনে পড়ে ।

উপরের ছবিগুলো দেখে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন কেন মনে পড়ে । খারাপ ভালো নির্বিশেষে যাকে ইচ্ছে তাকে ক্ষমতা দেবেন , অপমান করবেন ! এমনকি নিজের একটি দলও ঠিক করা আছে যাদের ভিক্টোরিয়াস করতে এবং রাজ করতে দিতে আগে থেকেই তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ । ব্যাপারটা সত্যিই একটা গেমসের মতো যা ইচ্ছে তাই করবো সব নিজের প্রপার্টি । মন মর্জি খারাপ থাকলে নিজের দলের উপরই আঘাত হানবো আর ভালো থাকলে অপনেন্টদের উপর । ইহা একখানা সহীহ গেমস যাহার নাম হইতে পারে এজ অফ আল্লাপাক !

বিধর্মী কাফেরদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না !

মানুষ সামাজিক জীব । আর সমাজে বাস করতে হলে কিছু সম্পর্ক , বন্ধুত্ব এগুলোও থাকবে । এই যেমন ধরুন আমার একজন বন্ধু আছে যে বিধর্মী কিংবা নাস্তিক কাফের । তার সাথে আমার সম্পর্ক এতটাই দৃঢ় যে আমার বিপদ মানে তার বিপদ । কিন্তু জীবনে অনেক মুসলিম বন্ধু দেখলাম যাদের কাছ থেকে শুধু ধোকাই খেয়েছি । সে তুলনায় নাস্তিক বন্ধুটি যথেষ্টই ভালো । এখন যদি আমি তার সাথে বন্ধুত্ব রক্ষা করতে যাই তাহলে আমার সাথে আল্লার কোন সম্পর্ক থাকবে না । নিচের ছবিটা লক্ষ্য করুন ।

ইসলাম অবশ্য সম্পর্কের মর্যাদা কেমন দিতে জানে তা দেখা যায় বিভিন্ন ঘটনায় আপন রক্তের সম্পর্কের মানুষগুলোকে ভিলেন বানানো থেকে । এমনকি নিজের রক্তের সম্পর্কের কেউ যদি নাস্তিক হয় তার প্রতিও কতটা কঠোর হতে হয় তাও দেখা যায় । সুতরাং আপনি যদি একজন সত্যিকারের মুসলিম হন তো আপনি অবশ্যই কোন নাস্তিক কিংবা বিধর্মীর সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে পারবেন না । মুসলিম ব্যতিত অন্য কাউকে বন্ধু বানানো যাবে না । যদি এগুলো করেন তো আল্লার সাথেই কোন সম্পর্ক থাকবে না । এখনো যেসকল মডারেট মুসলমানগণ সবাইকে সমান সম্মান দিয়ে সমান সম্পর্ক বজায় রাখছেন , এক বালতি সমবেদনা আপনাদের জন্য । আপনাদের সাথে আপনাদের আল্লার কোন সম্পকই নেই ।
এছাড়া আরও বলা আছে ইসলামের অনুসারী ব্যতিত অন্য কারো পরামর্শ , উপদেশ , সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া যাবে না । সুতরাং একজন বিধর্মী যতো ভালো মানুষই হোক আপনাকে সদা তার থেকে দূরে থাকতেই হবে ।

জঙ্গীবাদে উৎসাহ !

বর্তমানে সারা বিশ্বে এমনকি বাংলাদেশেও ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা কতটা তা হয়তো কারও জানার বাকী নেই । কিন্তু এটা কেউ বুঝতে চায় না যে এগুলোর পিছনে কারণ কী ! কিছু হলেই ইহুদী আমেরিকার চক্রান্ত অথচ কুরানেই যে কতো চক্রান্ত তা টের পায় না । অবশ্য বাংলাদেশের বেশীরভাগ মুসলিমই শুনে মুসলমান টাইপ নিজে বুঝে না । অর্থাৎ ইসলামের জন্য ইহুদী নাসারাদের গালি দিতে দিতে শেষ অথচ জানেই না যে জঙ্গীবাদের উৎপত্তিস্থল তাদেরই কুরান । নিচের ছবিগুলো লক্ষ্য করুন ।

আল্লার জন্য যুদ্ধ করার কতো কতো সুফল এখানে লিখা আছে তা নিশ্চই বুঝতে পারছেন । চোখের সামনে আজ যখন বুকে বোমা বেধে আল্লাহু আকবার বলে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে দেখছেন তখন অবাক লাগে ! অবাক হবার কিছু নেই । এগুলো ইহুদী আমেরিকার নির্দেশে নিজের জীবন দেয় না কিংবা কিছু টাকার লোভে নয় । বরং আল্লার এসব উৎসাহ উস্কানির জন্যই । তাই এরপর ইহুদী আমেরিকার দোষ দেয়ার আগে নিজে ভালো করে বুঝে বুঝে কুরআন পড়ে নিবেন । তাহলেই সব বুঝতে পারবেন যে মূল সমস্যাটা কোথায় ।

মৃত্যু আল্লার হাতে !


স্পষ্টভাবে বলা আছে আল্লাহ সবার মৃত্যুর দিন ক্ষণ সব আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছেন । সুতরাং হত্যাকারী কে দোষ দিয়ে তো লাভ নেই , আল্লাই তো ঠিক করে রেখেছে কার হাতে কে মরবে , কিভাবে মরবে ! এখানে তাহলে হত্যাকারীর কী দোষ বরং দোষ তো তারই যে আগে থেকেই এসব ঠিক করে রেখেছে ! তাছাড়া কার দ্বারা কি পাপ হবে তা নিজেই ঠিক করে আবার নিজেই শাস্তি দেয়া এ যে এক মহা উন্মাদের কর্ম তাতেও কোন সন্দেহ নেই ।

এরকম আরও শত শত অসঙ্গতি রয়েছে কুরআনে । একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলেই এবং বুঝে বুঝে বোধগম্য ভাষায় পড়লেই সহজে ধরা যায় । তবে কুরআন হাত দেয়ার আগেই যদি এক চুমু দিয়ে মনে করা হয় ভিতরে যা লিখা আছে সব সত্য , তাহলে হাজার চেষ্টা করলেও বোঝা সম্ভব নয় ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “সূরা আল ইমরান বিশ্লেষণ !!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

71 + = 79