চরিত্রহীন সরকার

আর এই অমিলটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার চরিত্র; এটাকে কেউ রাজনৈতিক পটুতা হিসেবে ইতিবাচক হিসাব করলে ভুল হবে; এটা ভাউতাবাজি, ধাপ্পাবাজি,পল্টিবাজি হিসেবেই নিতে হবে। হেফাজতে ইসলামের একটা রাজনৈতিক চরিত্র আমরা ধরতে পারি; এরা মৌলবাদি… কিন্তু ধাপ্পাবাজ সংগঠন কিংবা ভাউতাবাজি , পল্টিবাজি করা সংগঠনের মৌলিক চরিত্র নেই, শাসনের গদিতে আরামে বসে থাকতে এরা চরিত্র বদলায়,
রাজনৈতিকভাবে এরা চরিত্রহীন।

মৌলবাদ বিরোধী শক্তির নরম অবস্থানই শেখ হাসিনাকে মৌলবাদি স্বিদ্ধান্ত নিতে সাহস জুগিয়েছে। কেননা শেখ হাসিনা কিংবা খালেদা জিয়াকে ধরে নিয়ে যদি আমরা চিন্তা করি তবে ইনাদের চরিত্রের বহুমাত্রা; শাসন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ঠিক যতটা প্রগতির কথা এবং যতটুকু মৌলবাদি হতে হবে তারা ঠিক ততটুকুই হবে।

২০১৩ সালের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা, ২০১৭ সালের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার মধ্যে বড্ড অমিল; আর এই অমিলটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার চরিত্র; এটাকে কেউ রাজনৈতিক পটুতা হিসেবে ইতিবাচক হিসাব করলে ভুল হবে; এটা ভাউতাবাজি, ধাপ্পাবাজি,পল্টিবাজি হিসেবেই নিতে হবে। হেফাজতে ইসলামের একটা রাজনৈতিক চরিত্র আমরা ধরতে পারি; এরা মৌলবাদি… কিন্তু ধাপ্পাবাজ সংগঠন কিংবা ভাউতাবাজি , পল্টিবাজি করা সংগঠনের মৌলিক চরিত্র নেই, শাসনের গদিতে আরামে বসে থাকতে এরা চরিত্র বদলায়. রাজনৈতিকভাবে এরা চরিত্রহীন।

গণজাগরণ মঞ্চকে নিয়ে প্রগতিশীল সমাজের মধ্যেও বিভিন্ন চিন্তা আছে; কিন্তু এটা অস্বীকার করলে ভুল হবে যে সেখানে বিশাল স্রোত দেশপ্রমিক জনতারই ছিল; প্রগতিশীল জনতার সেই চিত্রটিই বাংলাদেশ! জাগরণের ব্যানার কে কোন দিকে টেনে নিয়ে- কার স্বার্থ হাসিল কে কিভাবে করেছে সামনের লোকেদের জানার বিষয়… কিন্তু সেই স্রোতকে রাষ্ট্র ভয় পেয়েছিল-শাসন ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের কথা -কথার আগে -পরে-মাঝখানে-উপরে-নিচে চারদিকে লাগানোটাই নিরাপদ ছিল; হেফাজতের ঘাড় মটকানোই তখন আরামে গদি শাসন করার হাতিয়ার ছিল; নিরাপত্তা ইস্যু পাল্টেছে- এখন ভাস্কর্য সড়ানোর কথার আগে-পিছে ঐ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশের কি খবর? হেফাজতের সিলেবাসে দেশ চালিয়ে আওয়ামীলীগ আজ কোন মুখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলবে? শাসকের চরিত্র জনগণ নির্ধারন করে নাকি জনগণের চরিত্র শাসক নির্ধারন করে; নাকি পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক… সবগুলোই হতে পারে; কিন্তু এদেশের মৌলবাদি শক্তি চরিত্রহীন শাসককে যে চরিত্রে এনে দাঁড় করিয়েছে; শাসকের পৃষ্ঠপোষকতায় সেই শক্তি আরো শক্তিশালী হচ্ছে -আর একটা অন্ধ মৌলবাদি সমাজ যখন বিনির্মান হবে- তাদের হয়ে তাদের শাসন করাটা বড় জুতের। আর এই অবস্থান থেকে ফেরাতে একমাত্র পথটাই হচ্ছে প্রগতিশীল শক্তির মজবুত অবস্থান -আরো শক্তিশালী অবস্থান! আশু বিপদ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে – শেখ হাসিনার স্বৈরাচার আর মৌলবাদের ডাবল একশানের উপর যেমন আস্থা রাখা চলেনা, আস্থা রাখা চলেনা নিরেট মৌলবাদি বিএনপি-জামাত জোটের উপর; তার বাইরে প্রগতিশীল/মনাদের সম্মিলিত শক্তি হয় চরিত্রহীন শাসকের চরিত্র সাময়িক বদল করবে -নয়তো চরিত্রহীনদের ছোঁড়ে ফেলবে রাজনীতিরই পচা নর্দমাখা

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

91 − 82 =