আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব আসলে ইসলামের বিরুদ্ধে একটা ইহুদি ষড়যন্ত্র


সবাই জানে আইনস্টাইন একজন ইহুদি। তিনি আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেছেন – আলোর গতিতে চলমান কোন মহাশূন্যচারীর কাছে সময় থেমে যাবে। তার মানে কেউ যদি আলোর গতিতে চলমান কোন মহাশূন্যযানে চড়ে পৃথিবী থেকে মহাশূন্যের দিকে রওনা হয়ে আবার ফিরে আসে, সে এসে দেখবে দুনিয়াতে কয়েক বছর বা কয়েকশত বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু তার নিজের কাছে মনে হবে , সে এই মাত্র ভ্রমনে গেছিল এবং সাথে সাথে ফিরে এসেছে। অর্থাৎ আলোর গতিতে চলমান থাকার কারনে , তার কাছে সময় থেমে গেছিল ঠিকই কিন্তু পৃথিবীর মানুষের কাছে সময় চলমান থাকায় , পৃথিবীতে বহু বছর পার হয়ে গেছে।

কথিত আছে এক রাতে মুহাম্মদ চুপিসারে তার চাচাত বোন উম্মে হানির ঘরে তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে রাত্রিযাপন করার পর ভোর বেলাতে তার সাহাবীরা তাকে উম্মে হানির ঘরে আবিস্কার করলে মুহাম্মদ তৎক্ষনাৎ গল্প ফেদে বসে , সে নাকি রাতের বেলা সাত আসমান ভ্রমন করে আল্লাহর আরশে গিয়ে আল্লাহর সাথে বাৎচিৎ করে এসেছে। যাকে বলে মেরাজ। আরও বলা হয়েছে , এই ভ্রমনে মুহাম্মদ ২৭ বছর পার করেছে কিন্তু দুনিয়াতে এসে দেখেছিল যে যাওয়ার আগে যে পানি দ্বারা অজু করেছিল , তা নাকি তখনও গড়িয়ে পড়ছিল। অর্থাৎ মুহাম্মদ তার ভ্রমনে ২৭ বছর পার করলেও দুনিয়াতে মুহুর্তমাত্র ব্যয় হয় নি।

আইনস্টাইনের তত্ত্ব মতে , বাস্তব কোন বস্তুর ক্ষেত্রে আলোর গতিতে চলা সম্ভব না। তবুও যুক্তির খাতিরে ধরে নেয়া যাক , মুহাম্মদ নারীর মুখ ওয়ালা ও দুই ডানা ওয়ালা এক গাধা যার নাম বোরাক তার পিঠে চড়েই দুনিয়া থেকে আল্লাহর সাথে মোলাকাত করতে রওনা হয়েছিল আর তার গতি ছিল আলোর গতির সমান। সেই হিসাবে যদি সে শুধু আল্লাহর সাথে দেখা করে ফিরে আসে , তাহলে তার কাছে মনে হবে , সে এইমাত্র দুনিয়া থেকে রওনা দিয়ে ফিরে আসল , কিন্তু বাস্তবে দুনিয়াতে ২৭ বছর পার হয়ে যাবে , কারন দুনিয়া তো আর আলোর গতিতে চলে নি। অথচ ঘটনা ঘটেছে উল্টো। মুহাম্মদের কাছে ২৭ বছর পার হয়েছে , কিন্তু দুনিয়াতে কোন সময়ই ব্যয় হয় নি। যা আইনস্টাইনের তত্ত্বের বিপরীত।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে আইনস্টাইন খুব সূক্ষ্মভাবে ইসলামকে তথা মুহাম্মদকে হেয় করার জন্যে তার এই আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রচার করেছেন। যা বস্তুত: একটা ইহুদি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব আসলে ইসলামের বিরুদ্ধে একটা ইহুদি ষড়যন্ত্র

  1. when a body is moving with
    when a body is moving with the speed of light time is dilated for that body and it is observed by the many astronauts moving with vilocities approaching to speed of light. check the details in time dilation.
    Hazrat Muhammad May Peace and blessings be upon him was moving with speed of light on Buraaq so Time was Dilated for Him thats why when he returned his bed was warm and all other things were presenting as if he just used them.

    1. মুহাম্মদের উম্মত হতে হলে তাকে
      মুহাম্মদের উম্মত হতে হলে তাকে মূর্খ ও উন্মাদ হতেই হবে – এটা একটা পূর্ব শর্ত।

      আলোর গতিতে যে ব্যাক্তি চলবে , তার কাছে সময় থেমে যাবে , কিন্তু পৃথিবীতে যারা অবস্থান করবে , তাদের কাছে সময় স্বাভাবিক গতিতেই চলতে থাকবে। সুতরাং মুহাম্মদ আলোর গতিতে চলে যদি আল্লার সাথে খোশ গল্প করে ফিরে আসে , তাহলে সময় মুহাম্মদের কাছে থেমে ছিল আর সে ফিরে এসে মনে করবে , সে যেন এইমাত্র পৃথিবী থেকে রওনা হয়েছিল ও ফিরে আসল, কিন্তু পৃথিবীর মানুষজনের কাছে সেটা হবে বহু বছর , এমনকি শত শত হাজার হাজার বছর। তার মানে মুহাম্মদ বাস্তবে ফিরে এসে যদি দেখত দুনিয়াতে বহু বছর পার হয়ে গেছে , তাহলেই মুহাম্মদের এই গাধায় চড়ে মহাশুন্য ভ্রমন সত্যিকার ঘটনা হতো। কিন্তু হয়েছে উল্টো। তার মানে মুহাম্মদের এই মিরাজ কাহিনী দুনিয়ার সব চাইতে মহা আষাড়ে গল্প।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 5 = 3