টাইম মেশিন দিয়ে টাইম ট্রাভেলিং আদৌ কি সম্ভব ?

আমরা যদি একটি সাদা খাতা অথবা কোন ব্ল্যাকবোর্ড দেখি তাহলে বুঝি যে এটি একটি দ্বি-মাত্রিক বস্তু ,কারণ এর দৈর্ঘ্য , প্রস্থ আছে ।এখন আমরা যদি আমাদের নিজেদের শরীর দেখি অথবা একটা পানির বোতল দেখি দেখব এর দৈর্ঘ্য , প্রস্থ , পুরুত্ব আছে অর্থাৎ এটি ত্রি-মাত্রিক । এখন চারমাত্রিক ব্যাপারটা আবার কি ?স্টিফেন হকিংস খুব সহজ ভাবে বলেছেন সময় হল চারমাত্রিক যা কিনা দৈর্ঘ্য , প্রস্থ , পুরুত্ব এর মতই । ধরি ,আমরা একটি গাড়ি চালাচ্ছি ।এখন গাড়িটি যদি সামনের দিকে যায় তাহলে সেটা হবে প্রথমমাত্রা, গাড়িটি যদি ইউটার্ণ নিয়ে ডান কি বামে যায় তাহলে সেটা হবে দ্বিতীয় মাত্রা , গাড়িটি যদি ওপরের দিকে কোন পাহাড়ের রাস্তা ধরে উঠতে থাকে তাহলে সেটা হবে তৃতীয় মাত্রা ।আর চতুর্থমাত্রাটা হল সময় ।

আমরা সায়েন্সফিকশন সিনেমায় দেখি একটি সুবিশাল,শক্তিশালী টাইম মেশিন যেটি চতুর্থমাত্রার মাধ্যমে একটি সুড়ংগ তৈরী করে ,একজন বিশেষ চরিত্র থাকে যিনি এই মেশিনের মধ্যে দিয়ে চলাফেরা করতে জানেন ।এই ধারণাটা করা খুব কষ্টকল্প ,বাস্তব এর থেকে ভিন্ন হতে পারে ; কিন্তু এমন সম্ভাবনা বাস্তব জগৎ এ অসম্ভব নয় ।

পদার্থবিদ্যার সুত্রসমুহ টাইম মেশিন দিয়ে সময় ভ্রমণ করার একটা ধারণা দেয় যেটা সম্ভব হতে পারে ওয়ার্মহোল’র মাধ্যমে । ওয়ার্মহোল হল একটা অবস্থার নাম । ওয়ার্মহোল অসম্ভব ছোট দেখার জন্য এবং এরা আমাদের চারিদিকেই অবস্থান করছে ।স্টিফেন হকিংস বলেন , এমন কোনকিছুই নেই যা কিনা সমতল এবং কঠিন ।আমরা যদি খুব ভাল করে দেখি দেখব পরমাণুগুলোর ভেতরে একটা শুণ্য স্থান আছে ।এটা হল মৌলিক ভৌত নীতি যেটা সময়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ।

পরমাণুর চেয়েও আকারে অনেক অনেক ছোট একটি শুণ্য স্থান যেটিকে কোয়ান্টাম ফোম বলা হয় ,সেখানেই ওয়ার্মহোল অবস্থান করে ।এই ওয়ার্মহোলটিকে যদি ক্ষুদ্র সুড়ংগ ধরি নির্দিষ্ট স্থান ,সময় ধরে তা অদৃশ্য করার মাধ্যমে নতুন সময়, স্থান পাওয়া যাবে ।এটি আসলে দুটি ভিন্ন সময় ও স্থান এর সাথে একটি সংযোগ স্থাপন ।

কিন্তু এই সুড়ংগটি অথবা ওয়ার্মহোল অত্যাধিক ক্ষুদ্র (বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন সেন্টিমিটার)হওয়ার দরুন এর ভেতর দিয়ে মানুষ কিংবা অন্যকিছুর যাতায়াত সম্ভব নয় ।কিন্তু পদার্থবিদগণ বিশ্বাস করেন ওয়ার্মহোল কে হয়ত একদিন বড় করে তৈরী করা সম্ভব হবে ।

বিজ্ঞানীগণ গবেষণা করে দেখলেন যে টাইম মেশিন বানানো সম্ভব হতে পারে কিন্তু তা দিয়ে কেবল ভবিষ্যতে যাওয়া সম্ভব ,অতীতে নয় ।কারণ ধরুন আপনি টাইম মেশিন দিয়ে অতীতে গেলেন আর কেউ তখন আপনাকে মেরে ফেলল ,তাহলে আপনি বর্তমানে আছেন কিভাবে কারন আপনিতো অতীতে মরে গেছেন ।

সময় নদীর মত বয়ে যায় ।কিন্তু এই কথাটি আমরা একটু ভিন্ন আঙ্গিকে যদি দেখি তাহলে বলা যায় ।নদীর পানি যেমন ভিন্ন ভিন্ন স্থান এ ভিন্ন ভিন্ন গতিতে বয় তেমনি সময়ও ভিন্ন ভিন্ন স্থান এ ভিন্ন ভিন্ন গতিতে প্রবাহিত হয় ,এটিই হল সময় ভ্রমণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে যাওয়ার একটি উপায় ।সময় ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন গতিতে প্রবাহিত হয় আইন্সটাইন বহু আগেই এই কথাটি বলেগেছেন ,এবং তিনি সম্পুর্ণ সঠিক ছিলেন ।
এর উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় – মিশরের পিরামিডগুলোর আশেপাশে যারা অবস্থান করে তারা যদি পিরামিড থেকে দূরে অবস্থানরত মানুষদের দেখে তাহলে দেখবে যে পিরামিড থেকে দূরে অবস্থানরত মানুষ গুলো খুব দ্রুত এবং তারা নিজেরা (পিরামিডের কাছে অবস্থানরত মানুষ)তাদের তুলনায় ধীর ।
আমাদের পৃথিবীর চারদিকে ৩১টি স্যাটেলাইট আছে । এই কৃত্তিম উপগ্রহ গুলোর সময়ের গতি দ্রুত পৃথিবীর চেয়ে অর্থাৎ মহাকাশের সময় গতি অন্তত পৃথিবীর চেয়ে দ্রুত ।
প্রতিটি মহাকাশযান অভ্যন্তরে থাকে একটি সঠিক ঘড়ি। কিন্তু সঠিক হওয়া সত্ত্বেও তা পৃথিবীর এক সেকেন্ডের শতকোটি ভাগের তিন ভাগ এগিয়ে ।একারনে এই হিসেব টাকে ঠিক করে নেওয়া হয় পৃথিবীর সময়ের সাথে মেলানোর জন্য ।এক্ষেত্রে মহাকাশযানের ঘড়ির কোন ত্রুটি নেই এমন হয় পৃথিবীর মেরুর কারণে ।সময়ের যেহেতু ধীর গতি আর দ্রুত গতি আছে তাহলে এখানেই শুরু হয় সময় ভ্রমণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে পৌছনোর পথ ।

আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থিত কৃষ্ণ গহ্বর স্বয়ং নিজে একটি টাইম মেশিন ।কৃষ্ণ গহ্বর এর ঘনত্ব এত বেশি যে আলোও এর ভেতর ঢুকলে বেরিয়ে আসতে পারে না । কিভাবে কৃষ্ণ গহ্বর প্রাকৃতিক টাইম মেশিন হতে পারে তা ব্যাখ্যা করছি ।ধরি , পৃথিবী থেকে ২৬০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত আমাদের মহাবিশ্বের কেন্দ্র কৃষ্ণ গহ্বরকে কেন্দ্র একটি মহাকাশযান আবর্তন করছে তার চারপাশে ।তখন পৃথিবী থেকে দেখা যাবে মহাকাশযানটির মাত্র ১৬ মিনিট লাগছে একটি আবর্তন সম্পন্ন করতে কিন্তু মহাকাশযানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের কাছে সময় ধীর মনে হবে কারন মহাকাশযানের ভেতর থেকে দেখলে মনে হবে একটি আবর্তন করতে মাত্র আট মিনিট লাগে ।এভাবে করে মহাকাশযানটি যদি ৫ বছর (মহাকাশযানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের সাপেক্ষে ৫ বছর) ধরে কৃষ্ণ গহ্বরকে আবর্তন করতে থাকে তাহলে পৃথিবীর সময়ের সাপেক্ষে দেখা যাবে তারা মহাকাশযানটি ১০ বছর অতিক্রম করে ফেলেছে । এই পদ্ধতিতে ওয়ার্মহোল পদ্ধতির মত কোন ত্রুটি নেই ,কিন্তু এটি করা একটি অসাধ্য ব্যাপার ।

কিন্তু আরো একটি সম্ভাবনা আছে সেটি হল অতি দ্রুত ভ্রমণ ।আর এই অতি দ্রুত ভ্রমণ সম্ভব মহাকাশযানের গতি আলোর গতির সমান হলে ।বিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত একটি সুত্র কোন কিছুর গতিই আলোর গতিকে অতিক্রম করতে পারে না ।কিন্তু আলোর গতির কাছাকাছি গতি হলেই আমরা ভবিষ্যত সময়ে পৌছতে পারব ।

এখন আমরা একটি ট্রেন এর চিন্তা করি যেটি পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত ভ্রমণ করে । ট্রেনটি যদি এক সেকেন্ডে সাত বার পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত যায় তাহলে এটির যেই গতি সেটি আলোর গতির সমান হবে আর এর ভেতর যাত্রীদের সময় খুব ধীরভাবে চলবে ।কারন ট্রেনের ভেতরে যদি কেউ সামনের দিকে দৌড় দেয় তাহলে তার গতিটিও ট্রেনের গতির সাথে যোগ হত আর তা আলোর গতিকে অতিক্রম করত যা ট্রেনটির এক্সিডেন্ট ঘটাতে পারত ,তার ভারসাম্যের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই ট্রেনের ভেতরে সময় খুব ধীর ভাবে চলবে ।এভাবে করে চলতে থাকলে ট্রেনটি এক সপ্তাহে ১০০ বছর সামনে অর্থাৎ ভবিষ্যতে চলে যেতে পারবে । অর্থাৎ সময় ভ্রমণ করে ভবিষ্যতে পৌছনো আসলে সম্ভব ।কিন্তু বাস্তবে এমন সুপার ফাস্ট ট্রেনের অস্তিত্ব এখন পর্যন্ত নেই ।

এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন কণা পাওয়া গেছে জেনেভায় অবস্থিত সার্ণের গবেষণাগারে যেখানে একটি বেলনাকৃতি সুড়ংগ দিয়ে কণা গুলোর মধ্যে সংঘর্স ঘটে সবচেয়ে দ্রুত গতির মাধ্যমে ।
কিন্তু মানুষের গতি বারাতে হলে আমাদের যেতে হবে মহাকাশে ।এপোল-১০ এর গতি ছিল ঘন্টায় ৩০,০০০ কিলোমিটার ।কিন্তু টাইম ট্রাভেলের জন্য দরকার এর চেয়ে ২০০০ গুণ গতি সম্পন্ন অনেক বড় ভারী মহাকাশযান ।যেটা অনেক জ্বালানী ধরে রাখতে পারবে আলোর গতিতে পৌছনোর জন্য ।এই গতি সম্পন্ন মহাকাশযানটি যদি আমাদের মহাবিশ্বের কেন্দ্রে অবস্থিত কৃষ্ণ গহ্বরকে আবর্তন করতে থাকে তাহলে এই আবর্তন শুরুর ৬ বছর পরে তা আলোর গতি অর্জন করবে ।তখন মহাকাশযানের একদিন হবে পৃথিবীর এক বছরের সমান ।

বিজ্ঞানীগণ আশা করেন সঠিক প্রযুক্তি ও পদার্থবিদ্যার সুত্র গুলো সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে একদিন টাইম মেশিন তৈরী হবে এবং মানুষ তা দিয়ে ভবিষ্যত সময়ে যেতে পারবে ।

বিদ্র. আমি লেখাটি লিখেছি ডিসকভারী চ্যানেলের ডকুমেন্টারী দেখে ।আশা করি খারাপ লাগবে না ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৩ thoughts on “টাইম মেশিন দিয়ে টাইম ট্রাভেলিং আদৌ কি সম্ভব ?

  1. . . .মাথার তার ছিঁড়ে যাচ্ছিল
    :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: . . .মাথার তার ছিঁড়ে যাচ্ছিল বুঝতে যেয়ে । তবুও অনেক কিছু জানলাম। পোস্ট ভাল হয়েছে। ধন্যবাদ 🙂

  2. *
    ওয়ার্মহোল অত্যাধিক ক্ষুদ্র

    *

    ওয়ার্মহোল অত্যাধিক ক্ষুদ্র (বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন সেন্টিমিটার)

    এটি কি দশমিক বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন সেন্টিমিটার হবে না???
    _______________________________________________________

    * প্যারালাল ইউনিভার্স থিওরি কিন্তু বলে অতীতে যাওয়া সম্ভব। ধরুণ আপনি অতীতে গেলেন। পিচ্চি মিতুকে খুন করলেন। সাধারণ দৃষ্টিতে এটি অসম্ভব। কিন্তু, প্যারালাল ইউনিভার্স থিওরি বলে, যখনই আপনি অতীতে যাবেন তখনই সময়ের একটি নতুন প্রবাহ শুরু হবে। অর্থাৎ, আগের জগতের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক থাকবে না। তখন নতুন সময়ের প্রবাহটাই এমনভাবে এগোবে যে, মিতু পিচ্চিকালে খুন হয়েছে।
    ________________________________________________________

    *

    মহাবিশ্বের কেন্দ্রে অবস্থিত কৃষ্ণ গহ্বর

    চেয়ার থেকে উল্টায় পড়তে গেছিলাম। মহাবিশ্বের কেন্দ্র কে আবিষ্কার করল??? আপনি কি আমাদের গ্যালাক্সির কেন্দ্রের কথা বোঝাতে চেয়েছিলেন???
    _________________________________________________________

    *

    কৃষ্ণ গহ্বর স্বয়ং নিজে একটি টাইম মেশিন

    যেহেতু কৃষ্ণগহ্বরে সময় স্থির, তাই এটি টাইম মেশিন হিসেবে কাজ করতে পারবে না। বরং এর চারপাশের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র কাজ করবে টাইম মেশিন হিসেবে।
    _________________________________________________________

    *অতিদ্রুত ভ্রমণের কথা এই শতাব্দির জন্য বাদ দেয়াই ভাল। সেকেন্ড যদি কোন মহাকাশযান দেড় লক্ষ আবারও বলছি সেকেন্ডে দেড় লক্ষ কিলোমিটার বেগে গেলে পথ সংক্ষিপ্ত হবে মাত্র ৩০%।
    _________________________________________________________

    আর সবশেষে,

    বিদ্র. আমি লেখাটি লিখেছি ডিসকভারী চ্যানেলের ডকুমেন্টারী দেখে ।সচলে এটা আমার প্রথম লেখা ।আশা করি খারাপ লাগবে না ।

    এটা সচল নয়, ইস্টিশন…

    1. দশমিক বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন
      দশমিক বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন সেন্টিমিটার না হলে আমি তো বলতাম বৃহৎ । সো, সেটা আপনি যখন ধরে ফেলতে পারছেন আশা করি বাকি সবাইও পারবে ।অতীতে যাওয়ার প্যারাডক্স নিয়ে যা আপনি লিখেছেন আর আমি যা লিখেছি তার মধ্যে কোন তফাৎ তো দেখছি না ।আশা করি আমি যা লিখেছি তা দিয়েও অনেকেই সহজে বুঝতে পারবেন ব্যাপারটা ।আমি গ্যালাক্সীর কেন্দ্রেই কৃশ্ন গহ্বর আছে বলতে চেয়েছি কিন্তু এর বাংলা করতে গিয়ে ভুল হয়েছে । ধন্যবাদ দিচ্ছি এ কারনে ।
      খুব সহজে নিজের ব্যাখ্যা দিয়ে দিলেন
      “যেহেতু কৃষ্ণগহ্বরে সময় স্থির, তাই এটি টাইম মেশিন হিসেবে কাজ করতে পারবে না। বরং এর চারপাশের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র কাজ করবে টাইম মেশিন হিসেবে।”
      আচ্ছা বলেনতো কোন বস্তু যদি অন্য কোন বস্তু কে প্রভাবিত করে তাহলে প্রথম বস্তুটিকে প্রভাবকইতো বলে ।ঠিক না !! কাজেই কৃষ্ণগহ্বর যদি এর চাওরপাশে ঐ ক্ষেত্র তৈরী করতে পারে তাহলে কৃষ্ণগহ্বরই টাইম মেশিন এটা আমার কথা নয় স্ব্য়ং স্টিফেন হকিংসের কথা ।ভাই আমি কোন জায়গায় বললাম এই শতাব্দীতেই টাইম ট্রাভেলিনং সম্ভব !! আমি ঠিক করেছিলাম সচলে এটা পোস্ট করব তাও অনেক দিন আগে ।তাই নিচের লাইনটা আর ঠিক করা হয়নি পোস্ট করার সময় ; এই জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি ।আমি এখানেই এটা প্রথম পোস্ট করলাম । কারন এটা একটি বিজ্ঞান পত্রিকায় যাবে । কয়েকজন পদার্থ বিদ্যার স্টুডেন্টদের দিয়ে লেখাটা চেক করানো হয়েছে ।
      ***তবে আপনি মাত্র কয়েকটি উপাদানের উপরই বলেছেন ।
      আমি টাইম ট্রাভেলিঙ্গের উপর ডকুমেন্টারী দেখেছি ডিসকভরী চ্যানেলে ও পরে এই থেকেStephen Hawking’s Time Machine লেখাটি লিখেছি । এই লেখাটি মৌলিক নয় ।আপনি যদি লেখাটির আরো ভুল বের করেন তাহলে কৃতজ্ঞ থাকবো ।
      চেয়ারে বসার সময় সাবধানে থাকবেন অথবা দরি দিয়ে নিজেকে বেধে রাখবেন ।
      কমেন্ট করার জন্য আবারো ধন্যবাদ দিচ্ছি ।

  3. এই বিষয়টা নিয়ে আমার ব্যাপক
    এই বিষয়টা নিয়ে আমার ব্যাপক আগ্রহ। নাহ, বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে না। ফ্যান্টাসি থেকে। ধরেন অতীত থেকে রবীন্দ্রনাথ এসে বললেন- কিরে, এতো রাইতে ব্লগে কি লিখিস এইসব আবোল তাবোল? জটিল না? :ভেংচি:

    1. আমার ইচ্ছা ছিল যদি অতীতে
      আমার ইচ্ছা ছিল যদি অতীতে যাওয়া যেত তাহলে ১৯৭১ সালে গিয়ে যুদ্ধ করে আসতাম আর সব রাজাকার গুলোকে খাল্লাস করে আসতাম । :ফেরেশতা:

  4. ” বিজ্ঞানীগণ গবেষণা করে
    ” বিজ্ঞানীগণ গবেষণা করে দেখলেন যে টাইম মেশিন বানানো সম্ভব হতে পারে কিন্তু তা দিয়ে কেবল ভবিষ্যতে যাওয়া সম্ভব ,অতীতে নয় ।কারণ ধরুন আপনি টাইম মেশিন দিয়ে অতীতে গেলেন আর কেউ তখন আপনাকে মেরে ফেলল ,তাহলে আপনি বর্তমানে আছেন কিভাবে কারন আপনিতো অতীতে মরে গেছেন । ”

    কথাটি ভুল বললেন। ভবিষ্যতে যাওয়া সম্ভব না, কারণ আপনি আলোর চেয়ে দ্রুত গতিতে চললে আপনি ভবিষ্যতে যেতে পারবেন।

    এর অর্থ এটা না, উল্টো দিকে আলোর বেগে ছুটলে আপনি অতীতে যেতে পারবেন। কারণ, এই আলোর বেগে ছোটার তত্ত্ব উল্টো সোজাতে কাজ করে না। আপনি যেদিকে মুখ করেই ছুটুন। আলোর বেগের চেয়ে জোরে ছুটলে আপনি সোজা ভবিষ্যতে ঢুকে যাবেন।

    একারণে অতীতে যাওয়া সম্ভব না।

  5. আমি যতটুকু জানতাম সেটা হল,
    আমি যতটুকু জানতাম সেটা হল, একটি বস্তু যত বেশি আলোর বেগের কাছাকাছি চলবে তার সময় তত স্লো হয়ে যাবে মানে সেটি তত তারাতারি ভবিষ্যতে যাবে। আলোর বেগে চললে তার সময় থেমে যাবে, তবে কোন দিকে যাবে সেটা জানি না। আর আলোর বেগের চেয়ে বেশি জোরে চললে সময়ের বিপরিত অবস্থার সৃষ্টি হবে, মানে অতীতে চলে যাবে (আলোর বেগের চেয়ে বেশি বেগে যাওয়া সম্ভব নয় বলে অতীতে যসোয়াও সম্ভব না)।

  6. বর্তমান সময়ে আমরা মানছি যে
    বর্তমান সময়ে আমরা মানছি যে টাইম মেশিন আবিষ্কার করা সম্ভব, তবে ধরে নেওয়া যাক আগামী ২০০ বছরে তা আবিষ্কার করা হয়েছে, তাহলে ২০০ বছর ভবিষ্যত থেকে তো কেউ আমাদের সময়ে travel করতে পারে,কিন্তু কোনো টাইম মেশিন বা টাইম ট্রেভেলার কে তো কখনোই বর্তমান সময়ে travel করতে দেখছি না।।।এর পরেও কি বলবেন টাইম মেশিন আবিষ্কার হবে আর এটা বিশ্বাস করতে হবে?

  7. পড়লাম। কোন মন্তব্য করবো না।
    পড়লাম। কোন মন্তব্য করবো না।
    ==============================================
    আমার ফেসবুকের মূল ID হ্যাক হয়েছিল ২ মাস আগে। নানা চেষ্টা তদবিরের পর আকস্মিক তা ফিরে পেলাম। আমার এ মুল আইডিতে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

  8. —“”মন্তব্য করেছেন: মঈনুল
    —“”মন্তব্য করেছেন: মঈনুল হাসান—রবি, 08/30/2015 – 01:50
    আমি যতটুকু জানতাম সেটা হল, একটি বস্তু যত বেশি আলোর বেগের কাছাকাছি চলবে তার সময় তত স্লো হয়ে যাবে মানে সেটি তত তারাতারি ভবিষ্যতে যাবে। আলোর বেগে চললে তার সময় থেমে যাবে, তবে কোন দিকে যাবে সেটা জানি না। আর আলোর বেগের চেয়ে বেশি জোরে চললে সময়ের বিপরিত অবস্থার সৃষ্টি হবে, মানে অতীতে চলে যাবে (আলোর বেগের চেয়ে বেশি বেগে যাওয়া সম্ভব নয় বলে অতীতে যসোয়াও সম্ভব না)।””—

    আমার এই তত্ত্বটি সঠিক বলে মনে হচ্ছে, অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ আপনাদের মতামত জানাবেন। ধন্যবাদ।

  9. —“”মন্তব্য করেছেন: মঈনুল
    —“”মন্তব্য করেছেন: মঈনুল হাসান—রবি, 08/30/2015 – 01:50
    আমি যতটুকু জানতাম সেটা হল, একটি বস্তু যত বেশি আলোর বেগের কাছাকাছি চলবে তার সময় তত স্লো হয়ে যাবে মানে সেটি তত তারাতারি ভবিষ্যতে যাবে। আলোর বেগে চললে তার সময় থেমে যাবে, তবে কোন দিকে যাবে সেটা জানি না। আর আলোর বেগের চেয়ে বেশি জোরে চললে সময়ের বিপরিত অবস্থার সৃষ্টি হবে, মানে অতীতে চলে যাবে (আলোর বেগের চেয়ে বেশি বেগে যাওয়া সম্ভব নয় বলে অতীতে যসোয়াও সম্ভব না)।””—

    আমার এই তত্ত্বটি সঠিক বলে মনে হচ্ছে, অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ আপনাদের মতামত জানাবেন। ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

26 − 16 =