বাংলাদেশে হবে ৫৬০টি ওহাবী জিহাদী কেন্দ্রঃ শেখ হাসিনার অবদান, বাংলা হবে আফগান!


বাংলাদেশে প্রতি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করে দেবে সৌদি আরব মানে সৌদি রাজপরিবার। মসজিদগুলোর পাশাপাশি স্থাপন করা হবে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও। এ ছাড়া কেরানীগঞ্জে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনেও আর্থিক সহায়তা দেবে মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রভাবশালী দেশটি।

হিসাব ফকফকা! এগুলোই হবে ওহাবী সালাফী জিহাদীদের বাংলাদেশী ঘাঁটি! সাধু সাবধান! শেখ হাসিনা ধর্মপ্রাণ, কিন্তু তিনি ইসলাম বোঝেন না। জিহাদ কি তিনি বোঝেন না। তাই বুঝে হউক বা না বুঝে হউক তিনি বাংলাদেশকে এক গভীর সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ওহাবী যারা আজকে আই.এস.আই.এস নামে সারা পৃথিবীতে আতংক তৈরি করেছেন তারাই প্রক্রিতপক্ষে এই ৫৬০টি মসজিদে তাদের জিহাদী মতবাদ প্রচার করবেন। তখন কিন্তু কেউ আর আটকাতে পারবে না। সৌদি রাজপরিবার হলেন এই ওহাবী জিহাদীদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক!

এখন দেখা যাক, ওহাবী কারা আর তারা কি করেন! আরবের নাজদ প্রদেশের অধিবাসী ছিলেন মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব নাজদী। নজদের ‘হুরাইমিলা নামক স্থানে ১১১১ হিজরী সনে (১৬৯৬ খ্রি) তিনি জন্ম গ্রহন করেন এবং ১২০৬ হিজরী (১৭৮৭ খ্রি) মারা যান।

বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের মধ্য অসংখ্য দল ও মতের উদ্ভব ঘটেছে। যথা শিয়া, সুন্নী, খারেজী, রাফেজী, কাদিয়ানি ইত্যাদি। ইবনে তাইমিয়ার চিন্তাধারার অন্যতম প্রচারক মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওহাব বলেছিলেন ‘ যারা ফেরেশতা, পয়গাম্বর এবং আল্লাহর অলিদের প্রতি তাওয়াসসুল করে এবং তাদেঁরকে নিজেদের শাফায়াতকারী হিসেবে চিন্তা করে কিংবা তাদেঁর ওসিলায় আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশা করে, তাদেরকে হত্যা করা বৈধ এবং তাদের মালামাল মোবাহ।” তিনি বলেছেনঃ ‘ ইসলাম সকল মাজহাব এ ব্যাপারে একমত যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তার মাঝে তৃতীয় কাউকে মাধ্যম হিসেবে দাঁড় করাবে এবং ঐ মাধ্যমের কথা উল্লেখ করবে, সে কাফের এবং মুরতাদ,তার রক্ত হালাল এবং তার ধন-সম্পদ মোবাহ।”

নবীজীর প্রতি তাওয়াসসুল সম্পর্কে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেইখ আব্দুল আযিয বিন আব্দুল্লা..আশ শেইখ মনে করেন, মৃত্যুর পর যেহেতু এই পৃথিবীর সাথে নবীজীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং কোনো কাজ করার শক্তি থাকে না, এমনকি কারো জন্যে দোয়া পর্যন্ত করতে পারে না, এক কথায় সর্বপ্রকার কর্মশক্তি হারিয়ে ফেলেন, তাই অক্ষমের প্রতি তাওয়াসসুল করা বিবেক-বুদ্ধি অনুসারে বাতিল এবং শের্‌ক হবে।”

এই মতবাদে বিশ্বাসী হয়ে ওহাবী বা সালাফীরা শিয়া, খারেজী, রাফেজী, কাদিয়ানি ইত্যাদি মুসলিম সম্প্রদায়ের লোককে কাফের আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি হত্যা, ধর্ষণ ও তাদের সম্পত্তি লুটপাট জায়েজ করেছেন। তাই আই,এস,আই,এস মধ্যপ্রাচ্যে যত মানুষ হত্যা করেছেন তার ৯০% হলো এইসব সম্প্রদায়ের মুসলমান। অমুসলিমদের প্রতিও তারা হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটকে বৈধ মনে করেন। এমনকি তারা ইসলামের নবীর রওজা বা কবর উপর তৈরি করা মসজিদে নববী ভেংগে ফেলতে যান। তাহলে দেখুন বাংলাদেশকে কি এক আপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে শেখ হাসিনা। এসব মসজিদ দেশে নির্মিত হলে ওহাবীরাই এসবের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন আর শীঘ্রই বাংলাদেশ আফগানিস্থান, সিরিয়ায় পরিণত হবে এতে কোন সন্দেহ নেই!!!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “বাংলাদেশে হবে ৫৬০টি ওহাবী জিহাদী কেন্দ্রঃ শেখ হাসিনার অবদান, বাংলা হবে আফগান!

  1. শেখ হাসিনা ধর্মপ্রাণ, কিন্তু
    শেখ হাসিনা ধর্মপ্রাণ, কিন্তু তিনি ইসলাম বোঝেন না। জিহাদ কি তিনি বোঝেন না। তাই বুঝে হউক বা না বুঝে হউক তিনি বাংলাদেশকে এক গভীর সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।
    আমাদের এটা মনে করা যুক্তিযুক্ত হবে যে শেখ হাসিনা বুঝেই দেশকে এই মহাসংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তার মনের গোপন আকাঙ্ক্ষা পূরণের এর চেয়ে ভাল আর সর্ব সাধারণের (মনে রাখতে হবে বাংলাদেশে বর্তমানে ৯২% মুসলমান, যাদের বেশীরভাগই অশিক্ষিত। শিক্ষিতদের মাঝেও ৯৫% ই ধর্মের মূল বিষয়ে অজ্ঞ) সমর্থন বা সাধুবাদ পাওয়া (অবশ্যই ধ্বংসের দিকে যেতে চাওয়া) দ্বিতীয় কোন পন্থা অবলম্বন সহজ হত না।

    1. ইসলামের প্রধান লক্ষ্য জিহাদ
      ইসলামের প্রধান লক্ষ্য জিহাদ মানে অন্য ধর্মকে ধ্বংস করে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করা! জিহাদকে ইসলামে ফরয করা হয়েছে। শেখ হাসিনা এটা ভালো ভাবেই জানেন। সম্প্রতি তিনি আলেমদেরকে অমুসলিমদের মাঝে ইসলাম প্রচার জোরদার করতে বলেছেন। তার বাবা মুসলিম লীগের ক্যাডার ছিলেন, পরে ইসলামী মৌলবাদী ও পাঞ্জাবীদের প্যাঁদানি খেয়ে হয়েছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি। কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার অব্যবহিত পরেই বাংলাদেশকে ইস্লামীকরণে তিনি উঠেপড়ে লেগে গিয়েছিলেন! মাদ্রাসা বোর্ড, ইসলামী ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা ও ওআইসি তে তাড়াহুড়া করে যোগদান তার ইসলামী জিহাদী চরিত্রই প্রকাশ করে। কিন্তু তার পরেও তার সকরুন মৃত্যু হয়েছিল সবংশে! শেখ হাসিনা তার বাবার নীতিই চালিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা হোয়াইট কলার জিহাদী! তাকেও তার বাবার মতো ভাগ্য বরণ করতে হবে যদি তিনি সময় মতো মৌলবাদীদের চালাকী বুঝতে ব্যর্থ হন!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 50 = 55