02/04/12

এক.

টিক টিক করে রাত ১২.২৭। আখাউড়া
জাংশন এ ট্রেন থামাল। দূর থেকে অজানা
কন্ঠ ডেকে উঠল শফিক!!
কারো মাথায় কোন চিন্তা নেই। শুধু
ঘুমোতে পারছে না শফিক। এটা কি ভ্রম?
ট্রেনের যাত্রীদের দেখে মনে হচ্ছে
না কেও ডাক টা শুনেছে।
কন্ঠ টা একদম শিউলির মত। কিন্তু শিউলি
তো হতেই পারে না।
মৃত মানুষ জাগে না। জাগে তার আত্মা।
শফিক ভীত, শফিক সম্ভ্রস্ত।

দুই.

০২/০৪/১২ ভোর ৩.০৮। এ হঠাৎ ই ঘরের
দরজায় কষাঘাত।
মেডিকেল রোডের ৪৩ আ/এ চারতলার
চিলেকোঠারর ঘরটায় শফিক থাকে। এই
শহরে তার নেই কোন আত্মীয়। একজন ছিল
যাকে সেসে আপঅঅন ভাবত সে ও কোন
ভাবে চলে গেছে।
খুলবে কি খুলবে না দ্বিধায় শফিক খুলেই
ফেলে। কিন্তু দরজায় কেও নেই। ছাদের
বা দিক টা তে একটা রমনী বসে আছে।
সাদা শাড়ী পরিহিতা।
শফিক অনিচ্ছা স্বত্তেও সেই দিকে
এগিয়ে যাচ্ছে।
তিন.
ওসামানী মেডিকেলের মর্গে আজ ১২
টা লাশ এসেছে।
শফিক সহ আত্মহত্যার কেস ৩ টা।
মর্গের ডোম পোস্ট মর্টেম এ এসে শফিক
এর হাতে একটা চিরকুট আবিষ্কার করল।
চিরকুটে লেখা ছিল
শিউলি আসছি………
বি:দ্র: কয়েক বছর আগে ডোম একটা লিখা
পড়েছিল তার মেয়ের ডাইরিতে।
ডাইরির একটা পাতায় ছোট্ট করে একটা
লাইন লিখা ছিল, সেটা ছিল
“অপেক্ষায় থাকব…..”
ডাইরির ডেইট টি ছিল ০২/০৪/১২

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

44 − 35 =