রাজনীতি এখন কারও-কারও কাছে কেন বেশ্যানীতি (দ্বিতীয় পর্ব)

মেয়েরা বিপদে পড়ে, অন্যের দ্বারা প্রতারিত হয়ে, সীমাহীন-লাঞ্ছনার শিকার হয়েই বেশ্যায় পরিণত হয়। গবেষণা করলে দেখা যাবে—অধিকাংশ বেশ্যাই কিন্তু জীবনে ভুক্তভোগী। তবে অধুনা একশ্রেণীর বিপথগামী ও হালফ্যাশনের তরুণী-যুবতী অর্থনেশায় পাগল হয়ে এই পথ বেছে নিচ্ছে। তাদের কারও কথা আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক—সকলেই আজ বেশ্যা। আর বেশ্যাদের একমাত্র লক্ষ্য, উদ্দেশ্য হলো—জীবনে টিকে থাকার তাগিদে অর্থোপার্জন। কিন্তু এই দেশের একশ্রেণীর রাজনীতিবিদ-নামধারী-ব্যক্তিবর্গ আজ বেশ্যা হচ্ছে কীসের আশায় আর কীসের নেশায়! রাজনীতির এই বলদরা আজ লোভের আগুনে পুড়ে-পুড়ে একেকটা ভয়ানক বেশ্যায় পরিণত হচ্ছে। আর এরা সমাজ-রাষ্ট্রের সাধারণ বেশ্যাদের চেয়ে ভয়ানক বিপজ্জনক।


রাজনীতি এখন কারও-কারও কাছে কেন বেশ্যানীতি (দ্বিতীয় পর্ব)
সাইয়িদ রফিকুল হক

প্রথম পর্বের লিংক এখানে: https://istishon.blog/?q=node/22025

বহুকাল থেকে এই বাংলায় একটা কথা প্রচলিত রয়েছে: বেশ্যারও নাকি ধর্ম আছে! কথাটা শুনেছি কিন্তু বিশ্বাস করিনি। আসলে, বিশ্বাস করতে কখনও ইচ্ছে করেনি। ভিতর থেকে এর পক্ষে কোনো সাড়াশব্দ পাইনি। প্রকৃতপক্ষে, বেশ্যার কোনো নীতি নাই—ধর্ম নাই—চরিত্রও নাই। তার কারণ আছে। কারণ বলছি: বেশ্যার কাছে বাপ-ছেলে (পিতা-পুত্র) কোনো পার্থক্য নাই। এমনকি জামাই-শ্বশুর, ভাই-ভাই, চাচা-ভাতিজা কোনোকিছু দেখারও বালাই নাই। সামান্য অর্থকড়ি বা টাকা-পয়সা পেলে বেশ্যা যে-কারও কাছে শুইতে পারে—অর্থাৎ, দেহদান করতে পারে। আর এতে অবাক হওয়ার কিছুই নাই। কারণ, বেশ্যাবৃত্তির মূল লক্ষ্যই তো অর্থোপার্জন। এখানে, একজন সামান্য বেশ্যাকে দোষ দিয়ে কোনো লাভ নাই। সমাজ-রাষ্ট্রে সে প্রতারিত ও অত্যাচারিত হয়েই তো আজ একটা বেশ্যায় পরিণত হয়েছে। নইলে, এই পৃথিবীতে স্বামী-সংসার, সন্তানসন্ততি আর সামাজিক মানুষের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করে কে বেশ্যা হতে চায়? আর কে বেশ্যা হতে চায়?

মেয়েরা বিপদে পড়ে, অন্যের দ্বারা প্রতারিত হয়ে, সীমাহীন-লাঞ্ছনার শিকার হয়েই বেশ্যায় পরিণত হয়। গবেষণা করলে দেখা যাবে—অধিকাংশ বেশ্যাই কিন্তু জীবনে ভুক্তভোগী। তবে অধুনা একশ্রেণীর বিপথগামী ও হালফ্যাশনের তরুণী-যুবতী অর্থনেশায় পাগল হয়ে এই পথ বেছে নিচ্ছে। তাদের কারও কথা আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক—সকলেই আজ বেশ্যা। আর বেশ্যাদের একমাত্র লক্ষ্য, উদ্দেশ্য হলো—জীবনে টিকে থাকার তাগিদে অর্থোপার্জন। কিন্তু এই দেশের একশ্রেণীর রাজনীতিবিদ-নামধারী-ব্যক্তিবর্গ আজ বেশ্যা হচ্ছে কীসের আশায় আর কীসের নেশায়! রাজনীতির এই বলদরা আজ লোভের আগুনে পুড়ে-পুড়ে একেকটা ভয়ানক বেশ্যায় পরিণত হচ্ছে। আর এরা সমাজ-রাষ্ট্রের সাধারণ বেশ্যাদের চেয়ে ভয়ানক বিপজ্জনক।

রাজনীতি চর্চার বিষয়—আর তাতে মেধা ও মনন ঢেলে দিয়ে তা শেখারও বিষয় বটে। কিন্তু রাজনীতি কখনও করার জিনিস নয়। এখন তা-ই চলছে। আজ চারিদিকে শুধু রাজনীতি করাকরি! আর মারামারি-হানাহানি! এর কারণ কী? কারণ আর-কিছু নয়—এখানে, বেশ্যার ভয়ানক উপদ্রব! আজ আমাদের রাজনীতিতে বেশ্যা ঢুকেছে। তাই, লাভের আশায় কতকগুলো অমানুষ এখন ‘একবার সাপের মুখে চুমা দিচ্ছে আরেকবার ব্যাঙের মুখেও চুমা’ দিচ্ছে! সবখানে এখন এদের ভেল্কিবাজি! আর সবখানে এখন ফেরেববাজি আর অতিচালাকি! কিন্তু ‘অতিচালাকের যে গলায় দড়ি!’—এরা মনে হয় তা একেবারে ভুলে গেছে।

অর্থমোহে আর অর্থনেশায় এই দেশের একটি শ্রেণী আজ একেবারে পাগল। এরা ‘ছাগীর গন্ধে কামপাগল পাঁঠা’র চেয়েও ভয়ানক পাগল! এরা আজ অর্থমোহে জীবনের সবকিছু জলাঞ্জলি দিতে একটুও দেরি করছে না। আর তাই, রাজনীতিতে ঢুকতে-না-ঢুকতেই এদের বড়-বড়-পদ চাই! এরা শুধু পদের লোভে আর পদের মোহে আর অর্থউপার্জনের খায়েশে রাজনীতি করছে। এমপি-মন্ত্রী আরও কত পাতিমন্ত্রীর পদের লোভে আজ এরা একেবারে দিশেহারা। এর একটি প্রমাণ আজ জাতির সামনে সুস্পষ্ট: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ-আসনের আওয়ামীলীগ-দলীয় এমপি ছিলেন মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। তিনি গত ২০১৬ সালের ৩১-এ ডিসেম্বর নিজ-এলাকায় খুন হন। আর তাঁর এই খুন নিয়ে একটা সময় দেশে নানাধুম্রজালের সৃষ্টি হয়। একসময় আসল খুনীর নাম বেরিয়ে পড়ে। আর দেখা যায় একটা রাজনীতিক-বেশ্যার হাতে খুন হয়েছেন সরকারদলীয় এমপি লিটন। তাঁর প্রকৃত ও আসল হত্যাকারীর নাম কর্নেল কাদের (অব.)। সে সেনাবাহিনীর সদস্য থেকে রাজনীতিতে এসেছে অতীব লাভের আশায়। আর সে দেখেছে, এলাকার জনপ্রিয় সংসদ-সদস্য লিটন বেঁচে থাকতে তার ‘এমপি’ হওয়ার কোনো সুযোগ নাই—তাই, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করিয়েছে এই কাদের। এই দেশে এখন কাদেরের মতো বেশ্যার সংখ্যা ক্রমশঃ বাড়ছে। ইতঃপূর্বে আমরা দেখেছি, নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত-খুনের মূল আসামীরা হচ্ছে রাজনীতির বেশ্যা। এখানে, একটা হাজী নুর হোসেন বেশ্যা আজ জাতির সামনে এসেছে মাত্র। আর এইরকমসহ এরচেয়ে আরও বড়-বড় বেশ্যা আমাদের দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভিতরে-বাইরে ঘাপটিমেরে আছে।

রাজনীতি এখন লাভের বিষয়। এখানে অর্থ আসছে, ক্ষমতা কুক্ষিগত হচ্ছে, আর সর্বোপরি সামাজিক ও রাষ্ট্রিক প্রতিপত্তিবৃদ্ধির এক সুবর্ণ-সুযোগ হচ্ছে—এই রাজনীতি। তাই, দেশের সর্বস্তরের ও সর্বদলের বেশ্যারা এখন নড়েচড়ে বসেছে। তারা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিতে চায়। এরা কেউই দেশের ভাগ্য বদলাতে চায় না। এরা শুধু চেনে নিজের ভাগ্য—আর নিজের স্বার্থে সবকিছু দখল করা।

টাকা পেলে বেশ্যার যে-কারও কাছে শুইতে কোনো আপত্তি নাই। পূর্বেই বলেছি, বেশ্যারা কখনও বাপ-ছেলের বিচার করবে না। আমাদের দেশের রাজনীতির বেশ্যারাও এখন টাকার লোভে হন্যে হয়ে দিগ্বিদিক-জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটছে। আজ এরা দেশ-জাতি-মানুষ কারও কথাই ভাবছে না। এরা একাত্তরের নরঘাতক জামায়াত-শিবিরকে আজ ‘ঘরজামাই’ বানিয়েছে। আবার ‘হেফাজতে শয়তানে’র মতো বিষধর সর্পকেও এখন কেউ-কেউ আত্মীয়জ্ঞান করছে! রাজনীতিকদের এই অধঃপতন আর কত দেখতে হবে এই জাতিকে?

আওয়ামীলীগের প্রথম-সারির অনেক নেতাই এখন ‘হেফাজতে শয়তানে’র অপআদর্শে বিশ্বাসী। আর এই নষ্ট-অমানুষগুলোই বর্তমানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রয়েছে। এগুলো আধুনিক পোশাকপরিহিত হেফাজতি। এই ভণ্ডশয়তানগুলোর কোনো ধর্ম নাই, চরিত্র নাই, কর্ম নাই, আর ন্যূনতম দেশ-জাতি-মানুষভাবনাও নাই। এরা আজ শুধু অর্থ-ক্ষমতার মোহে যেখানে-সেখানে আর যে-কারও কাছে শয্যাগ্রহণ করতে পারে। আর যারতার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে নিজেদের লাভের অঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলছে। এদের একমাত্র ধর্ম ও আদর্শ হলো অর্থ আর অর্থ। আর এই অধঃপতিত পশুগুলোই শুধু ‘হেফাজতে শয়তান’ কেন—আজ এরা টাকার লোভে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গেও ‘দোস্তি’ ও সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছে। আজ বাংলাদেশের ৬৪জেলার স্থানীয়-আওয়ামীলীগের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীরা দেশের স্বার্থে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে যেকোনো নির্ভযোগ্য ও সত্য অভিযোগদায়ের করলে এরা (আওয়ামীলীগের একশ্রেণীর নেতা-নামধারী ভণ্ড ও জামায়াত-শিবিরের দোসররা) এইসব অভিযোগ কখনও আমলে নেয় না।

আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীর সরল-উক্তিতে এসব আজ প্রমাণিত হচ্ছে:

একজন প্রত্যক্ষদর্শী নেতা ও কর্মী জানিয়েছেন, “মোহাম্মদপুরের এমপি’র কাছে গিয়েছিলাম—এলাকায় জামায়াত-শিবিরের আধিপত্যবিস্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছিলাম। স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় জামায়াত-শিবিরের ভয়ানক উৎপাত বেড়ে গেছে। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ-নামধারী জামায়াতী-ব্যক্তিটি প্রকাশ্যে-অপ্রকাশে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী—এমনকি আওয়ামীলীগবিরোধী অপতৎপরতাও চালাচ্ছে! তাই, এগুলো অপসারণের জন্য তার শরণাপন্ন হয়েছিলাম। তিনি প্রথমে এসব বিশ্বাসই করতে চাইলেন না। পরে আরও কয়েকজনের কথায় কিছুটা বিশ্বাস করলেন। আর পরে আশ্বাস দিলেন যে, তিনি এই বিষয়টি দেখবেন। কিছুদিন পরে দেখলাম, কোনোকিছুই হচ্ছে না। আর একদিন দেখলাম: সেই অভিযুক্ত-মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ওই এমপি নামক নেতা-নামধারী ছাগলটার বাসা থেকে বের হচ্ছে! আর যাইনি। আর মনে-মনে খুব লজ্জা পেয়েছিলাম। দ্বিতীয়বার কে ওইরকম একটা সাক্ষাৎ শয়তানের মুখোমুখী হতে চায়?” এই হলো ঢাকার মতো একটা জায়গার ক্ষমতাসীন-আওয়ামীলীগের প্রথম-সারির একটা ভণ্ডনেতার উল্লেখযোগ্য চরিত্র। আর এরা আজ ‘হেফাজতি’ হবে নাতো কে হবে? আর এরাই আজ দম্ভভরে শেখ হাসিনার চারপাশে ঘোরাফেরা করছে!

বঙ্গবন্ধু আজ বেঁচে থাকলে হয়তো তাঁর হাতে সবসময় একটা জুতা রাখতেন। আর এই শূয়রগুলোকে প্রতিদিন দেখামাত্র প্রকাশ্যে জুতাপেটা করতেন। এর সপক্ষে প্রমাণ আছে তাই বলছি: ঘটনাটা ১৯৭৪ সালের দিকে ঘটেছিলো। তখন আমেরিকার চক্রান্তে দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। আর এরই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নেতা-কর্মী-নামধারী একশ্রেণীর বেশ্যা। এইসময় জাতীয় সংসদের অধিবেশনও চলছিলো। আর সেই অধিবেশন ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তখন আওয়ামীলীগের বড় পদে আর মন্ত্রীত্ব বাগিয়ে রেখেছিলো চাঁদপুরের বিশিষ্ট নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী। বঙ্গবন্ধু সেদিন সংসদ-অধিবেশনে এসে দেখলেন, দলের সিনিয়র নেতা মিজানুর রহমান অধিবেশনে যোগদান করেনি। বঙ্গবন্ধু পরে খোঁজ নিয়ে জানলেন, তিনি (মিজান চৌধুরী) ঢাকাই সিনেমার ফেভারিট নায়িকা সুচন্দার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন—আর তার সঙ্গেই বা তার পিছে ঘুরাঘুরি করছেন। এতে বঙ্গবন্ধু ভীষণ ক্রোধান্বিত হলেন। আর একটু পরে মিজান চৌধুরী সংসদ-অধিবেশনে যোগদান করা মাত্র বঙ্গবন্ধু তাকে ঘাড় ধরে সংসদ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। মিজান চৌধুরীর তুলনায় এদের অপরাধ ভয়ানক। তাই, এদের প্রকাশ্যে প্রতিদিন জুতাপেটা করা ছাড়া আর কোনো পথ নাই। পতিতা-চরিত্রের লোকগুলোকে দল থেকে বের করে দেওয়ার জন্য আজ আওয়ামীলীগের ভিতরে-বাইরে ‘বঙ্গবন্ধু’র মতো মহামানবের আবির্ভাব জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন। নইলে, দেশটা হেফাজতিদের তাণ্ডবে ছারখার হয়ে যাবে!

বাংলাদেশের ইতিহাসে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অপরাজনৈতিক দল বিএনপি’র কর্ম, চরিত্র ও আদর্শ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদের জন্মেই হয়েছে অগণতান্ত্রিক ও অবৈধ উপায়ে। এদের জন্মদাতাসহ এদের আত্মীয়স্বজন জামায়াত-শিবির ও মুসলিম-লীগারদের সঙ্গে দহরম-মহরমসম্পর্ক বজায় রাখতে-রাখতে ও তাদের সঙ্গে মধুরসম্পর্কের সহবাস করতে-করতে আজ তারা দিশেহারা। আজ বিএনপিকে কোনো রাজনৈতিক দলই মনে হয় না। এরা এখন রাজনীতির চেয়ে ষড়যন্ত্রে বেশি ব্যস্ত। এরা আপাদমস্তকভণ্ড ও বিপথগামী। আর এদের অপরাজনীতির প্রধান ও একমাত্র উদ্দেশ্য হলো—বাংলাদেশরাষ্ট্রের ক্ষমতাদখল করা। এর ভুলের রাজ্যে আর বোকার স্বর্গে বসবাস করছে। সেই একই ভুল বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী আওয়ামীলীগ করতে পারে না। বাঙালি-জাতি ও বাংলাদেশরাষ্ট্রের স্বার্থে আজ তাদের আত্মশুদ্ধি প্রয়োজন। দেশের এই দুর্দিনে জাতির আশাআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আওয়ামীলীগকে এবার ঘুরে দাঁড়াতেই হবে।

(চলবে)

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
২৬/০৪/২০১৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

82 − = 80