আপনারা আয়েশা হত্যার সত্যিকারের বিচার চান না?

আট বছরের আয়েশা যৌণ নির্যতনের বিচার পেল না। ১০০০ টাকা যা দিয়ে ৬.২৫ কেজি মুরগী কিনা যায় সুরাহা করতে বলেছিল সমাজপতি, পুলিশ, শিক্ষিতজন। পরে- আয়েশার বাপ মেয়েকে নিয়ে ট্রেনের নিচে আত্নঘাতী হলো।

কিছু দেখার আগেই, বোঝার আগেই পৃথিবী নিয়ে খারাপ ধারনা করে চলে গেল আয়েশা। কে জানে সেখানে হয়তো এখন সে পুতুল খেলছে বা মায়ের জন্য অপেক্ষা করছে।

কেমন ছিল আয়েশার মৃত্য যন্ত্রনা? যখন ট্রেণ এসে ছোট নরম পুতুলটাকে ছিন্ন ভিন্ন করলো। আহ! আয়শা। ছোটলোকের মৃত্যু যন্ত্রণা মনে হয় কম হয়। বেশি হলেতো এতদিনে ফেবু, নেট, ব্লগ গরম হয়ে যেত। কে খোঁজ রাখে ফইরার ঝি আয়েশার কথা? সে তো শিক্ষিত কেউ না। সে তো গান জানে না। তাকে নিয়ে তো জাতীয় রাজনিতী করা যাবে না। সে ধর্ষিত হলে কি? তারবাপ তারে নিয়ে ট্রেণের নিচে ঝাঁপ দিলেই কি?

আয়েশাদের নিয়ে কাব্য হবে, উপন্যাস হবে, জাতীয় পুরুস্কার হবে। ছোটলোকের জীবন শিক্ষিত সূধীর শোকেস। আহ আয়েশা তুই কেন ক্যা্ন্টম্যান্টে ধর্ষিত হলি না? তুই কেন নামী দামী স্কুলের ছাত্রী হলি না?

আজ চিকন চাঁদ উঠবে। চাঁদ ধীরে ধীরে বড় হয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করবে। শিক্ষিত সূধীর আইরিনরা চাঁদে সাথে বড় হয়। ধীরে ধীরে। তারপর আলোকিত করে পৃথিবীকে। ছোট আয়েশা = ১০০০ টাকা=৬.২৫ কেজি বয়লার মুরগী। বয়লারে আয়ুস্কাল এক মাস বড় জোর দেড় মাস।

আপনারা আয়েশা হত্যার সত্যিকারের বিচার চান না?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 4