বঙ্গমাতাকে

আলোটা নিভিয়ো না জননী, বড় ভয় করে!
অন্ধ সংস্কারে কেটে গেছে বহুদিন
এই অন্ধ গহ্বরে থেকে তুমি আজ শীর্ণা, রুগ্না।
তোমার শীর্ণ হাতে আমাকে স্পর্শ করো না,বড় ভয় করে!
তোমার রুক্ষ কেশে হাত দিতে বলো না আমায়
মনে হয় কাঁটাবন হয়ে গেছে যেন তা।
আলোটা নিভিয়ো না জননী,
আঁধার হলেই তো হায়নারা হানা দেয় বারে বারে।

তোমায় বড় ভালোবাসি বলেই, আমার ভয় করে
তোমার রুগ্নতা,তোমার কদর্য -শীর্ণতা
তোমার লুপ্তশোভা বিভৎস দন্তপ্রকাশ
মনে জাগায় সংশয়;তুমি কি আজ উন্মাদিনী?
যদি তাই হও, উঠাও খড়গ,
নাচো উন্মাদ নৃত্যে;যে তোমারে করলো
উন্মাদিনী পরো তার মুণ্ডুমালা নিজ গলে।
আর না হলে, চামুণ্ডা -চণ্ডিকা বেশে
হানো হায়নারে।

আলোটা নিভিয়ো না জননী, বড় ভয় করে!
এই অন্ধকারেই যদি মিলিয়ে যাও তুমি;
আমি চোখ বন্ধ করি আবেগে,অন্ধকার দেখবো না বলে
কিন্তু বন্ধচোখে জ্ঞানের দীপ্তি নিয়ে কতোকাল
আড়াল করা যায় অন্ধকার; বড় ভয় করে তোমার জন্যে,
ভয় করে তোমার সবৎস সুস্থতার শংকট যখন
আসে মনে। আলোটা জ্বালিয়ে রাখো মাতা,
ভয়,ভয় বড় ভয় করে অন্ধকারে।।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

29 − 20 =