মা কে ভালোবাসতে নির্দিষ্ট কোন বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না

আজ ১৪ মে।মে মাসের ২য় রবিবার।বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রায় সবাই এই দিনটায় মাকে ভালোবাসে।মায়ের প্রতি সবার এত ভালোবাসা।যে ভালোবাসা দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। সবাই এই দিনটা নিয়ে মাতামাতি করলেও আমার যথেষ্ট বিরক্ত লাগবে।কারন মা আমার।আমাকে মা কে ভালোবাসতে কোন নিদিষ্ট দিন,ক্ষণ, সময় দরকার প্রয়োজন হয় না।মায়ের প্রতি ভালোবাসা থাকে প্রতি মুহুর্ত,প্রতিটি সেকেন্ড।



আজ ১৪ মে।মে মাসের ২য় রবিবার।বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রায় সবাই এই দিনটায় মাকে ভালোবাসে।মায়ের প্রতি সবার এত ভালোবাসা।যে ভালোবাসা দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। সবাই এই দিনটা নিয়ে মাতামাতি করলেও আমার যথেষ্ট বিরক্ত লাগবে।কারন মা আমার।আমাকে মা কে ভালোবাসতে কোন নিদিষ্ট দিন,ক্ষণ, সময় দরকার প্রয়োজন হয় না। মায়ের প্রতি ভালোবাসা থাকে প্রতি মুহুর্ত, প্রতিটি সেকেন্ড।

প্রতি বছর মে মাসের ২য় রবিবার আসলেই পত্রিকার কলাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই দিন কিছু মহান মহান ব্যাক্তিরা তাদের মূল্যবান বক্তব্য পেশ করে। মা ভক্ত হয়ে পড়ে। অথচ খোঁজ খবর নিলে দেখা যায় অনেকেই বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখা শুনা করছে না। কেউ কেউ স্ত্রীর জন্য জন্মদাতাদের খবর পযন্ত নেয় না। অথচ এই সব লোকদের টকশোর জন্যই ১৪ মে বিশ্ব মা দিবস। আমাদের মায়েদের জন্য কোন নিদিষ্ট সময়, সেকেন্ড প্রয়োজন পড়ে না।

অনেক দিন আগে নিজের চোখে দেখা একটি ঘটনা বলি।ঘটনার চরিত্রের নাম বলব না। জনৈক এক লোক অনেক বড় ধরণের চাকরী করে।দেশ বিদেশ অনেক শুনাম। অথচ মায়ের কোন খোঁজ নিচ্ছে না। অবশেষে তার মা বাধ্য হয়ে বৃদ্ধাশ্রোমে আশ্রয় গ্রহন করছে। অথচ ছেলে মা দিবসে মহান মহান বাণী দিচ্ছে। হায় রে লোক দেখা মা ভক্তরা।

এতই যদি সবাই মা কে ভালোবাসে তবে পৃথিবীর কোন মায়ের স্থান বৃদ্ধাশ্রম কিংবা ফুটপাতে ভিক্ষা করত না। আমরা নীতি কথা সবাই বলতে পারি। নীতি কাজ সবাই করতে পারি না। যেদিন পৃথিবীর কোন মায়ের শেষ বয়সে আর বৃদ্দাশ্রম, নোংড়া ডাস্টবিনের পাশে কিংবা বস্তির কাছে দাড়িয়ে ভিক্ষা করতে দেখব না। সেদিনই মা দিবস হিসাবে মনে মনে স্বীকার করে নিব। মিথ্যেয় মিথ্যেয় এই খেলাকে আমি কখনো সমর্থন করি না।

মা এমনি একজন মানুষ যাকে মাথায় তুলে রাখলেও ঋণের ভার একবিন্দুও কমবে না।
মা শব্দটা শুনতে প্রতিটি মানুষের কাছে যেমন মধুর লাগে। তেমনি মা শব্দটির সাথে সাথে চোখে সামনে এক মমতাময়ী নারীর ছবি ভেসে আসে। নিষ্পাপ একটি মুখ। যে মুখটি দেখলে জীবনের সব দুঃখ কষ্ট নিমিষেই হারিয়ে যায়। যার কোলে মাথা রাখলে পৃথিবীর মহামূল্যবান সুখের স্বাদ পাওয়া যায়। যার বুকের দুধের ঋন সন্তান কোনদিন শোধ করতে পারবে না। যার জন্ম না হলে জন্মাইতো না পৃথিবীর বুকে কোন সন্তান।

দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে একটি সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখায়। এমনকি সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে নিজের জীবনের বিনিময় এক নবজাতকে উপহার দিয়ে যায়। এই ত্যাগী মহান নারীই আমার আপনার মা। সন্তানের সুখে জন্য যে মানুষটি নীরবে শত কষ্ট সয়ে যায়। একজন বাবার চেয়েও একজন মায়ের দায়িত্ব সন্তান্ট সয়ে যায়। একজন বাবার চেয়েও একজন মায়ের দায়িত্ব সন্তানের প্রতি বেশি থাকে।

আমাদের সমাজের এমনও মা দেখা যায়। যে মাকেই সন্তানের ভরন পোষণ করতে হয়। এমনও অক্ষম বাবা আছে যারা সন্তান জন্ম দিয়ে নিরুদ্দেশ। তখন ঐ মা তার সন্তানকে ফেলে যেতে পারে না। নাড়ির টানে প্রতিকূল পরিবেশে একাই লড়াই করে। সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে কষ্ট ভুলে থাকে।

একজন বাবাকে সন্তান ভুলে যেতে পারে। কিন্তু একজন মাকে সন্তান কখনো ভুলে না। মা যে জান্নাত। তাকে অবহেলা না করে ভালোবাসো। শেষ বয়সে তার পাশে গিয়ে দাড়াও। সন্তানের মুখ দেখলে মা হাসতে হাসতেও ফাঁসির দঁড়ি পড়তেও রাজি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

59 + = 69