একটি দিবস।

একটি গোষ্ঠীর মতে এই দিনটির সূত্রপাত প্রাচীন গ্রীসের মাতৃ আরাধনার প্রথা থেকে যেখানে গ্রিক দেবতাদের মধ্যে এক বিশিষ্ট দেবী সিবেল-এর উদ্দেশ্যে পালন করা হত একটি উৎসব। এশিয়া মাইনরে মহাবিষ্ণুব – এর সময়ে এবং তারপর রোমে আইডিস অফ মার্চ ( ১৫ই মার্চ ) থেকে ১৮ই মার্চের মধ্যে এই উৎসবটি পালিত হত।

প্রাচীন রোমানদের ম্যাত্রোনালিয়া
নামে দেবী জুনোর প্রতি উৎসর্গিত
আরো একটি ছুটির দিন ছিল, যদিও
সেদিন মায়েদের উপহার দেওয়া হত।
মাদারিং সানডের মতো ইউরোপ এবং
যুক্তরাজ্যে দীর্ঘকাল ধরে বহু
আচারানুষ্ঠান ছিল যেখানে মায়েদের
এবং মাতৃত্বকে সম্মান জানানোর জন্য
একটি নির্দিষ্ট রবিবারকে আলাদা করে
রাখা হত। মাদারিং সানডের অনুষ্ঠান
খ্রিস্টানদের অ্যাংগ্লিকানসহ বিভিন্ন
সম্প্রদায়ের পঞ্জিকার অঙ্গ। ক্যাথলিক
পঞ্জিকা অনুযায়ী এটিকে বলা হয়
লেতারে সানডে যা লেন্টের সময়ে
চতুর্থ রবিবারে পালন করা হয় ভার্জিন
মেরি বা কুমারী মাতার ও “প্রধান
গির্জার” সম্মানে। প্রথানুযায়ী
দিনটিকে সূচিত করা হত প্রতিকী উপহার
দেওয়া এবং কৃতজ্ঞতাস্বরূপ রান্না আর
ধোয়া-পোছার মত মেয়েদের
কাজগুলো বাড়ির অন্য কেউ করার
মাধ্যমে।
[তথ্যসুত্র:উইকিপিডিয়া]
একদিনের জন্য ভালবাসা জমা রাখার
কারনেই হয়ত দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে
বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা। ভবিষ্যৎ এ হয়ত আরো
বৃদ্ধি পাবে।
পশ্চিমা কিংবা দেশীয় আজ অনেক
ছেলে-মেয়েই তার মায়ের সাথে
দেখা করতে যাবে বৃদ্ধাশ্রমে।
সাথে থাকবে মায়ের সাথে হাসি
মাখানো একটি সেল্ফি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

36 − 31 =