জাগ্রত করো চেতনাকে

ভেবেছো কি কখনো কী অর্জন তোমার?
কাহার যত্নে তুমি করিতেছো পানাহার?
কিসে আসিতেছে তোমার বিলাস বাহার?
ইমারতে করিতেছো বাস মহাসুখে,সে শ্রম কাহার?
সাজিয়া ধর্মবেত্তা যাহারে তুমি করিতেছো প্রহার
কখনও সত্তা সৃজিয়া প্রভু সাজিয়া নিয়াছো শাসনের ভার,
আজিকে এসেছে সময় তার ঋণ শুধিবার।
শুধু বুদ্ধির জোরে যাহারে খাটাইয়া গড়িয়াছো ধনের পাহাড়
কখনও কি ভাবিয়াছো সে ধনে তাহার কী অধিকার?
রাজদণ্ড হাতে নিয়ে সাজিয়াছো শাসক যাহার
দিয়াছো বিনিময়ে তাহাকে শুধুই ভোটের অধিকার?
যে ভোটে তোমাদের অন্ন জোটে
তাহারা কি শুধুই মুটে,
জীবন স্রোত হইতে যাহাদের দিতেছো ফেলে
করিতেছো শোষণ-শাসন মজুর বলে
তাহাদেরই আজ লইতে হইবে তুলে
সব ভেদাভেদ ভুলে– তোমাদেরই কোলে।

যদি বলো পারিবে না সে আজ
তবে কেন তুমি রাজপথে
মিথ্যে সেবকের বেশে ভুলিয়াছো লাজ।
আজি সময় আসিয়াছে জবাব দেবার
আসিয়াছে সময় আজ জবাব নেবার।

আর,আজ তোমরা যাহারা
ভাবাবেগে হয়েছো দিশেহারা,
হইয়াছো ভয়ে-ভক্তিতে উদাসীন,
জেনে রাখো,এভাবে যাইবে নাতো দিন।

আজিকে সময় আসিয়াছে জাগিবার
বুঝিয়া লইতে হইবে তোমাদের
পাওনা, বখরা, অধিকার।
তা’ না হলে
তোমাদের পায়ে দলে
ওরা চিরকাল —
বলিবে তোমায় কাঙাল
এমন।ভোগে তোমাদের নাহি অধিকার
যতো ভোগ-উপভোগ শুধু তাহাদের তরে
মরো না কেন তুমি, ব্যাধি ভয় ভক্তি ভরসারে
আঁকড়ে ধরে।

তাই বলি জাগ্রত করো চেতনাকে
জিততে হলে মুক্ত থাকো অন্ধ সংস্কার ও প্রাচীন অন্ধকার হতে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

92 − = 84