ইসলামের প্রধান অবলম্বন মিথ্যাচার এবং সেটা শত কোটি বার প্রচার করা

কোরান ও হাদিসে বলেছে, ইসলামের আগে আরবে নারীদের কোন সম্মান অধিকার স্বাধীনতা ইত্যাদি ছিল না। শিশু নারীদের নাকি জীবন্ত কবর দেয়া হতো। অথচ মুহাম্মদের জীবনকাহিনী ও তার সাহাবিদের জীবনকাহিনী দেখলে দেখা যায় এসবই মিথ্যা , ভুয়া ও মিথ্যাচার। আর এই মিথ্যা প্রপাগান্ডাই শত শত বছর ধরে মুসলমানরা প্রচার করে এসেছে , ফলে , বর্তমানে এসে মনে হয় এসব স্বত:সিদ্ধ সত্য।

কোরান ও হাদিসে বলেছে, ইসলামের আগে আরবে নারীদের কোন সম্মান অধিকার স্বাধীনতা ইত্যাদি ছিল না। শিশু নারীদের নাকি জীবন্ত কবর দেয়া হতো। অথচ মুহাম্মদের জীবনকাহিনী ও তার সাহাবিদের জীবনকাহিনী দেখলে দেখা যায় এসবই মিথ্যা , ভুয়া ও মিথ্যাচার। আর এই মিথ্যা প্রপাগান্ডাই শত শত বছর ধরে মুসলমানরা প্রচার করে এসেছে , ফলে , বর্তমানে এসে মনে হয় এসব স্বত:সিদ্ধ সত্য।

কোরান ও হাদিসে বলেছে, ইসলামের আগে আরবে নারীদের কোন সম্মান অধিকার স্বাধীনতা ইত্যাদি ছিল না। শিশু নারীদের নাকি জীবন্ত কবর দেয়া হতো। বিষয়টা যে ডাহা মিথ্যা কথা , তার প্রমান স্বয়ং মুহাম্মদের প্রথম স্ত্রী খাদিজা। ইসলাম পূর্ব যুগে খাদিজা উত্তরাধিকার সূত্রেই বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে স্বাধীনভাবে তার ব্যবসা পরিচালনা করত সেই ১৪০০ বছর আগেকার আরব সমাজে। সেই সমাজে খাদিজা একজন সম্ভ্রাান্ত নারী হিসাবে সমাজে সু উচ্চ মর্যদার অধিকারী ছিল। ইসলাম পূর্ব যুগে আরবে নারীদের যদি কোন সম্মান , অধিকার , মর্যাদাই যদি না থাকে , খাদিজা কিভাবে সেসব অর্জন করেছিল ?

মুহাম্মদের সাথে যারা ঘুরত সেই সাহাবিরা প্রত্যেকেই গন্ডায় গন্ডায় বিয়ে করেছিল। মুহাম্মদের নিজেরই ছিল ১৩ টা স্ত্রী , তাছাড়া গন্ডার ওপর যৌনদাসী। তার মধ্যে মারিয়া ছিল বিখ্যাত। যদি নারী শিশুকে জীবন্ত কবরই দেয়া হয়ে থাকে , তাহলে মুহাম্মদ ও তার সাহাবীরা এত গুলো করে নারী পেল কোথা থেকে বিয়ে করার জন্যে ? এসব নারীরা সবাই ইসলাম পূর্ব কালেই জন্ম গ্রহন করেছিল।

অথচ এই দুইটা মিথ্যা ঘটনা সকল মুমিন মুসলমানরা সেই গত হাজার বছর ধরে কোটি কোটি বার প্রচার করে চলেছে সমস্বরে। দীর্ঘ সময় ধরে এভাবে এই মিথ্যাগুলো প্রচার হওয়ার কারনে , এখন স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ মনে করে এসব সত্য। তাই দেখা যায় , যে কোন মুমিন ইসলামের মাহাত্ম প্রচারের প্রারম্ভেই কোনরকম দ্বিধা ছাড়াই এই ঘটনাগুলো এমনভাবে বলে যেন , এসব স্বত:সিদ্ধভাবে সত্য।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 64 = 72