হতে পারে এমন? যদি এমন হয় তবে বলা যায় সে সফল হতে যাচ্ছে।

ইমরানের এখন লম্ফ ঝম্প নাই। বেইল নাই। তার পরিচয় মন্ত্রীর জামাই।কয়েকটা টিভি চ্যানেল তাঁকে নেতা বানানোর চেষ্টা করেই যাচ্ছে। শাহবাগ আন্দোলনের ছন্দপতন হওয়ার পিছে এ চ্যানেলগুলো অবদান পরোক্ষ। শাহবাগে দ্বিধাবিভক্তির পর এ চ্যানেলগুলো ইমরানের একপেশে খবর প্রচার করেই যাচ্ছে। এক ইস্যুতে অন্যদের কর্মসূচীর কোন খবরই আসে না। এমনও শুনা গেছে অন্যদের জনসমাবেশের ভিডিও ফুটেজ ইমরানের বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন ভাবেই ইমরাণ জনগনের সমবেদনা বা আস্থার জায়গা হতে পারছে না। তাকে নিয়ে আলোচনাও নেই। যা আছে পুরাটাই সমলোচনা। কখনও কখনও কমেডি। নিজস্ব লোক দিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের ঘোষক সাজার প্রচার সাধরণ সচেতন মানুষ বুঝে গেছে। তার দলের সদস্য ও সে নিজে দাবী করতো সে গণজাগরণের ঘোষক। অথচ সাঈদীর রিভিউ রায়ের পর লক্ষ মানুষ ডেকে আনা দূরে থাক ইমরাণই আসে নাই। হাওয়াই মিঠাই একটু দেরীতে হলেও সরল মানুষ বোঝে।

সুন্দর জীবনের জন্য মগজ ও মনন দুইটাই দরকার। মগজ হলো শিক্ষা, মনন হলো সাংস্কৃতি। আমাদের মগজের মন্ত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে ব্যার্থ মন্ত্রী। অনেকে বলেন তিনি ইচ্ছা করেই এমন করছেন। সকল প্রশাশনিক জায়গায় তার ব্যার্থতা হলেও মনন ভাঙ্গনে তার সফলতা অসাধারণ। আমরা উন্নতির দিকে যাচ্ছি। কিন্তু শিক্ষা ব্যাবস্থা উল্টা রথে। আধুনিক উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে শিশুদের মনন দ্বারা মগজ তৈরি হয়। কিন্তু তিনি সফল ভাবে মগজের উপর চাপ প্রোয়গ করে মনন পুরা ধ্বংস করে দিচ্ছেন। যে খানে উন্নত দেশের প্রাথমিক ও হাই স্কুলের শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার বিষয়টি যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি জেএসসি, পিএসসি নামক আজিব এক তরিকা উদ্বাবন করেছেন। এতে শিশুদের মগজতো শেষ হচ্ছেই মননও শেষ। প্রশ্ন ফাঁস, শিক্ষা ব্যাবস্থা হেফাজতিকরনের কথা বাদই দিলাম।

হেফাজতি মনন সৃষ্টির চেষ্টায়- লেডী জাস্টেসিয়া ইস্যুতে ইমরান মিছিল করলো ছি: ছি: হাসিনা – লজ্জায় বাঁচি না।

এটা হেভী একটা ফাঁদও হতে পারে। সে বিষয়ে পরে আসছি। শিক্ষা ব্যাবস্থা হেফাজতি করণ ইস্যুতে ইমরানের লজ্জা কই ছিল। মগজ ছাড়া মনন হয় না। মগজ ধ্বংসের বৃক্ষাদি লাগিয়ে দিল মগজ মন্ত্রী মানে তার শ্বশুড় তখন তার লজ্জা লাগে নাই? কেন লাগে নাই? কখনও কখনও মনন থেকে মগজ অনেক বেশি দামী। মগজ হলো বালতি আর মনন হলো পানি । পানি ছাড়া বালতির চলে কিন্তু বালতি ছাড়া পানি বায়বীয় বা খনিজ। সেই মগজ ধ্বংসের বিষয়ে তার একটা ট্যা-ফু, হাচি-কাশিও নাই।
আগে ফাঁদের কথা বলে ছিলাম । ফাঁদ : মগজের বিষয়ে কথা বললে তার শ্বশুড় কট। এখন মনন নিয়ে নামছে সরকারকে বিতকৃত করতে। এখানে উল্লেখ্য ছাত্র ইউনিয়নের ছেলেরা মগজ এবং মনন উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিবাদ করেছে। তা ইমরাণ হঠাৎ এমন শ্লোগান দিল কেন? এমন কি হতে পারে : ছোট ভাই এমন করছে আপনাদের ক্ষেপানোর জন্য। আপনারা ক্ষেপলেন, তারে মাইর ধইর দিলেন। এতে তার বহুবিদ সুবিধা-

ক) সটাসট আলোচনায়। জণগনের সমবেদনা। তার চিক্কুরে জাস্টেসিয়ার একটু জায়গা হইছে তাই সরকার ক্ষিপ্ত হয়ে তারে পিটা দিছে। ছোবড়াইছে ( নোয়াখালীর ভাষা। থাপ্পড়) এ তত্ব ভালো ভাবেই অনেকের মনে ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে। নেতা। সরকারের উপর সাধারণ মানুষও ক্ষিপ্ত হবে।

খ) সরকার, সরকার দলীয় সংগঠন, সমর্থক ইত্যাদি আর্ন্তজাতিক ভাবেও বিতর্কিত করা। সে বিদেশে পরিচিত। বিদেশেও প্রচার হবে সরকার হেফজতের সাথে আতাঁত করছে । তার চিক্কুর পাক্কুর হূংকারে সরকার জাস্টেসিয়ারা এক কোনায় জায়গা দিছে কিন্তু তারে ধুনা দিছে। দেশে গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা কিছুই নাই। আস্তে আস্তে মৌলবাদীরা দেশের মগজে, মননে ঢুকে গেছে, যাচ্ছে। এর ফল কি হবে?
হতে পারে এমন? যদি এমন হয় তবে বলা যায় সে সফল হতে যাচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

43 − 38 =