জীবনের রেলগাড়ি…

মাঝে মাঝে নিজের মনে ভাবি জীবন একটা রেলগাড়ি।যা সোজা চলে সবসময় যে রুটিই ধরি না কেন আমাদের সবসময় সামনের দিকেই যেতে হয় অনেকটা আমাদের জীবনের মতো।আমাদের সবার জীবনে একটি শেষ গন্তব্য আছে শেষ ইষ্টিসন আমাদের লাস্ট স্টপ।আমাদের যেতে হবে সেই লাস্ট স্টপ টিতে কারো যাত্রাপথ হয় দ্রুত আবার কারো হয় ধীর।কিন্তু,গন্তব্য সেই একটাই।মাঝে মাঝে জীবনটা রেলগাড়ির মতো এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যায়।আমাদের জীবনের রেলগাড়িটা বিভিন্ন ঝামেলা আর পাহাড় সমান উঁচু বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে শুধু সামনের দিকেই চলতে থাকে।হটাৎ আমাদের থামতে হয় কোন এক লাল সিগন্যাল দেখে দাড়াতে হয় ১৫ মিনিট এই ১৫ মিনিটে আমরা পেছনের দিকে ফিরে দেখি কতটা পথ পারি দিলাম পেরিয়ে আসলাম কতোটা বাধা।ভাবি কত দূরে ছেরে আসলাম আমার ফেলে আসা শেষ ইষ্টিসন টি?সামনের যাত্রাটিই বা কেমন যাবে?যদি কোন অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ আসে তাহলে যাত্রাটাই না শেষ হয়ে যায়।ভাবতে ভাবতে ১৫ মিনিট শেষ হয় শুরু জ্বলে উঠে সবুজ বাতিটি যাত্রা শুরু হয় আবার সামনের দিকে অজানার উদ্দেশে।ফেলে যাই পিছনের সৃতি ভুলে যাই পিছনের ফেলে আসা সেই ১৫ মিনিট।যাত্রা শুরু হয় আবার কোন এক নতুন ইষ্টিসনের উদ্দেশে।আবার আমরা পথ বদলাই একদিক থেকে আরেক দিকে।মাঝে মাঝে পথে বাধার সম্মুখীন হই কিন্তু ফের আবার কোন না কোন পথ বের হয়ে আসে চলা শুরু হয় সেই পথে।দিন-রাত,সকাল-দুপুর,বিকেল-সন্ধা চলতে চলতে এক সময় যাত্রাটা শেষ হয় আমরা পৌছাই আমাদের কাঙ্খিত সেই গন্তব্যটিতে সেই ইষ্টিসনটিতে।মাঝে মাঝে আমাদের এই যাত্রাপথ টি হয়তো সহজ হয় যদি সঙ্গে কেও থাকে না হয় একলা নিজেকেই এই একলা যাত্রাপথ টি পার করতে হয়।
Image and video hosting by TinyPic

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “জীবনের রেলগাড়ি…

  1. জীবনের রেলগাড়ির চালক আমরা
    জীবনের রেলগাড়ির চালক আমরা নিজেই। কেউ থাকুক আড় নাই থাকুক এ গাড়ী চলতেই থাকবে। সুখে কাটুক আর দুখে কাটুক , চলতেই থাকবে। তারপর নিজে নিজেই থেমে যাবে……।

  2. বাই তো দেখি আমার লাইনের …
    বাই তো দেখি আমার লাইনের … প্রকাশ পাইতে একটু সময় লাগব খালি | লাগলে কইয়েন মোহাম্মদপুরের হায়দার বাবার গরম তাবিজ নিয়া দিমু …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 8