আসলে ভাস্কর্য নয় হেফাজতিদের শয়তানী অন্যখানে

হেফাজতে ইসলাম-নামধারী ওরফে হেফাজতে শয়তান বাংলাদেশের আদি-আসল শয়তান। এরা বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে এর সঙ্গে শত্রুতাসৃষ্টি করে অদ্যাবধি সেই শয়তানী বহাল রেখেছে। এরা কোনোদিনও ভালো হবে না, এবং এদের চরিত্র কোনোকালেও বদলাবে না। শয়তান যদি ভালো হয়ে যায় তো এই পৃথিবীতে শয়তানী করবে কে? তবুও ইবলিশ শয়তান ভালো হয়ে যেতে পারে—কিন্তু বাংলাদেশের হেফাজতে শয়তান কখনও ভালো হবে না। এদের জন্মই হয়েছে শয়তানী করার জন্য।


২০১৩ সালের ৫ই মে হেফাজতিরা আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে কুরআন শরীফ।

আসলে ভাস্কর্য নয় হেফাজতিদের শয়তানী অন্যখানে
সাইয়িদ রফিকুল হক

হেফাজতে ইসলাম-নামধারী ওরফে হেফাজতে শয়তান বাংলাদেশের আদি-আসল শয়তান। এরা বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে এর সঙ্গে শত্রুতাসৃষ্টি করে অদ্যাবধি সেই শয়তানী বহাল রেখেছে। এরা কোনোদিনও ভালো হবে না, এবং এদের চরিত্র কোনোকালেও বদলাবে না। শয়তান যদি ভালো হয়ে যায় তো এই পৃথিবীতে শয়তানী করবে কে? তবুও ইবলিশ শয়তান ভালো হয়ে যেতে পারে—কিন্তু বাংলাদেশের হেফাজতে শয়তান কখনও ভালো হবে না। এদের জন্মই হয়েছে শয়তানী করার জন্য।

২০১৩ সালের ৫ই মে’র ঘটনার পর এরা শয়তানী করার কোনো সুযোগ খুঁজে পাচ্ছিলো না। অবশেষে তাদের দৃষ্টিতে পড়লো দেশের সুপ্রীমকোর্টচত্বরে সংরক্ষিত ‘লেডি অব জাস্টিস’-এর সামান্য একটি ভাস্কর্য। ১৯৭১ সালে, পাকিস্তানীদের দালাল হিসাবে সংগঠিত হেফাজতে শয়তান স্বাধীনবাংলাদেশে ২০১০ সালে পুনর্বার জন্মলাভ করে। আর এতোদিনে তাদের শয়তানীর অনেক ডালপালা ও শাখাপ্রশাখা গজিয়েছে। এমনকি শিকড়ও গজিয়েছে কিছু!
১৯৭১ সাল থেকে অদ্যাবধি হেফাজতিদের স্বীয় স্বার্থচরিতার্থ করার একমাত্র মাধ্যম বা হাতিয়ার হলো ইসলামধর্ম। এরা সবখানে, সবজায়গায় আর সবসময় নিজেদের স্বার্থে ইসলামধর্মকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে থাকে। আর এরা মনে করে থাকে ইসলামধর্ম এদের ব্যক্তিগত ও পৈতৃক ধর্ম। এরা ইসলামের নামে যা-খুশি তা-ই করতে পারবে। এই হলো বাংলাদেশের হেফাজতে শয়তানদের প্রকৃত ধর্মবোধ। আর এই শয়তানদেরই অনুসরণ ও অনুকরণ করছে কিছুসংখ্যক মুসলমান-নামধারী অমানুষ। এদের না আছে ধর্মবোধ আর না আছে সচ্চরিত্র, সততা ও মনুষ্যত্ব।

সু্প্রীমকোর্টচত্বরে সংরক্ষিত ভাস্কর্যটিকে এরা প্রথমে গ্রীকদেবীর মূর্তি বলেছে তারপর এটিকে অনৈসলামিক বলেছে আর সবশেষে বলেছে এটি নাকি মূর্তিপূজার শামিল! এসবকিছুই তাদের পরিকল্পিত ও মনগড়া শয়তানী। আসুন, এবার দেখি এদের এসবকিছু বলার ও করার পিছনে আসল শয়তানী কোনটি ও কী-কী? আসলে, এদের মনে কী দুরভিসন্ধি লুকিয়ে আছে? নিম্নে কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করা হলো:

১. হেফাজতে শয়তান দেশের স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তিকে তাদের পক্ষে টানতে চাইছে। তারা খুব কৌশলে ইসলামের নামে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী-অপশক্তিদের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাচ্ছে। আর তাদের এই অপকর্মে প্রধান বাধা আওয়ামীলীগ। তাই, তারা অত্যন্ত কুকৌশলে আওয়ামীলীগের ভিতরে ঢুকে তাদের সর্বনাশ করে বাংলাদেশটাকে তালেবানরাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। এরা সবসময় আওয়ামীলীগের বুকে-পিঠে ছুরি মারছে। তবুও আওয়ামীলীগ তাদের সঙ্গে কীসের আশায় সখ্যতা গড়ে তুলছে? এরা জীবনে-মরণে কোনোদিনও আওয়ামীলীগকে বিশ্বাস করেনি আর করবেও না কখনও। বরং সখ্যতার ভান করে এরা আওয়ামীলীগের বিবিধ ক্ষতি করতে চাইছে। যেমন—আওয়ামীলীগকে সাধারণ মানুষের নিকট থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে চাইছে, দেশের সকল ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের মনে আওয়ামীলীগের প্রতি বিরূপধারণার সৃষ্টি করতে চাইছে, আওয়ামীলীগের ধর্মনিরপেক্ষদৃষ্টিভঙ্গিতে ফাটল ধরাতে চাইছে ইত্যাদি।

২. সুপ্রীমকোর্টচত্বরের ভাস্কর্য এমনকিছু নয়। তবুও এটিকে বিরাট একটি ইস্যু বানিয়ে হেফাজতিরা দেশের সাধারণ ও গোরুখেকো মুসলমানদের সংগঠিত করতে চাইছে। এদেশে অনেকেই শুধু একটি আরবি-নাম বা গোরুখাওয়ার জোরে আজ মুসলমান। এরা চরম অশিক্ষিতশ্রেণী। এদের কোনো হিতাহিতজ্ঞান নাই। আর এই শ্রেণীটিই হেফাজতিদের টার্গেট। এরা মূর্তির নামে ভীষণ ক্ষ্যাপা। আর এই সুযোগে হেফাজতে শয়তান এদের মন ও মগজের মধ্যে মূর্তির প্রসঙ্গটি ঢুকিয়ে দিয়েছে! এখন হুজুগে মুসলমানরা নামাজ-রোজা ছেড়ে ভাস্কর্য-অপসারণের দাবিতে সোচ্চার হচ্ছে। আর আওয়ামীলীগের মতো একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলের ঘাড়ে বন্দুক রেখে স্বার্থশিকার করছে হেফাজতে শয়তান! নিজেদের ভুল কবে বুঝতে পারবে আওয়ামীলীগ? আর কবে তারা বুঝতে পারবে যে, হেফাজতিরা বাংলাদেশের প্রধান শয়তান।

৩. একটি ভাস্কর্যকে কেন্দ্র করে হেফাজতে শয়তানরা ধীরে-ধীরে তাদের টার্গেটে পৌঁছাতে চায়। আর তাদের শয়তানী-১৩দফাকে বাস্তবায়িতও করতে চায়। তাদের এই ১৩দফার ৭-নাম্বার দফা হচ্ছে—দেশের সকল স্থান থেকে সকলপ্রকার মূর্তি (ভাস্কর্য)অপসারণ করা। বর্তমানে সুপ্রীমকোর্টচত্বর থেকে ভাস্কর্য-অপসারণ করায় তাদের স্পর্ধা আরও বেড়ে গেছে। আর তাই, ইদানীং এরা দেশের সকল ভাস্কর্য-অপসারণের হুংকারও দিচ্ছে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে: বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা হয় না। হেফাজতে শয়তানদের কুপরিকল্পনা এখানেই থামিয়ে দিতে হবে। এজন্য আওয়ামীলীগকেই তাদের ধর্মনিরপেক্ষ-চরিত্র আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। আর তাদের দেশ ও জাতির পাশে দাঁড়াতে হবে। এটি দেশ ও আওয়ামীলীগ উভয়ের জন্যেই মঙ্গলজনক।

৪. হেফাজতে শয়তানরা আন্দোলনের নামে সরকারের উপর চাপসৃষ্টি করে তাদের অন্যায্য ও শয়তানী দাবিদাওয়া পূরণ করতে চাচ্ছে। এখানে, তারা দেশের একটি চাপসৃষ্টিকারীগোষ্ঠীতেও পরিণত হতে চাচ্ছে—যাতে, ভবিষ্যতে তারা আরও বেশি শয়তানী করতে পারে। আসলে, তাদের শক্তি ও ক্ষমতা তেমন-একটা নাই। তাই, কওমীমাদ্রাসাভিত্তিক পাতিহুজুররাই তাদের একমাত্র ভরসা। আর দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একশ্রেণীর মুসলমান-নামধারী আগাছা, পরগাছা ও আবর্জনাই তাদের সহায়কশক্তি। এদের সামান্য কয়টা ভোটকে এতবড় করে দেখার কোনো সুযোগ নাই। ২০১৩ সালের ৫ই মে শাপলাচত্বরে তাদের কথিত মহাসমাবেশে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চরিত্রহীন নেতা-কর্মীরাও সমবেত হয়েছিলো। আর এই সুযোগ তারা পেয়েছিলো আওয়ামীলীগসরকারের হেফাজতপ্রীতির কারণে।

৫. হেফাজতে শয়তান ইসলামধর্মের নামে সংগঠিত হয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতাদখল করতে চায়। ২০১৩ সালে তাদের ৫ই মে’র যাবতীয় শয়তানী কার্যক্রম আমাদের তা-ই বলে দেয়। এরা সেই সময় সরকারপরিবর্তনের উদ্দেশ্যেই এই ভয়াবহ নাশকতাসৃষ্টি করেছিলো। এই সময় এদের পিছনে বাংলাদেশবিরোধী সমস্ত অপশক্তি দাঁড়িয়েছিলো। আজকে যারা মহাজোটের শরীক বলে দাবিদার—সেই জাতীয় পার্টিও সেদিন হেফাজতে শয়তানের সঙ্গে থেকে আওয়ামীলীগসরকারের পতন ঘটাতে চেয়েছিলো। সেদিন হেফাজতিদের সঙ্গে ছিল—জাতীয় পার্টি, বিএনপি, জামায়াত-শিবির, ন্যাপ (ভাসানী), বদরুদ্দোজা চৌধুরীদের বিকল্পধারা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-বিকৃতিকারী কর্নেল অলি আহমেদ (অবসরপ্রাপ্ত)-এর এলডিপি, আব্দুল কাদের গামছা সিদ্দিকীর কৃষক-শ্রমিক-জনতালীগ ইত্যাদি। আর এদের সঙ্গে আওয়ামীলীগের কিছুসংখ্যক বিশ্বাসঘাতকও জড়িত হয়েছিলো। সেদিন এরা সবাই মিলেমিশে পরিকল্পিতভাবে আওয়ামীলীগসরকারের পতন ঘটিয়ে আবার ‘নিজামী-মুজাহিদদের’ আদর্শের সরকারপ্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলো।
২০১৩ সালের ৫ই মে ঢাকার গাবতলীর কাছে হেফাজতি শয়তানদের পানি পান করিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে বীরউত্তম-খেতাবধারী আব্দুল কাদের সিদ্দিকী! সে এদের সঙ্গে কিছুটা সময়ও কাটিয়েছে—যাতে তার বেহেশতের দরজা খুলে যায়। আর সে সরকারের ভয়ে মতিঝিলের শাপলাচত্বরে যেতে পারেনি। কিন্তু আড়ালে থেকে এদের সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করেছে।
জাতীয় পার্টি সেদিন সবার চেয়ে এগিয়ে ছিল। সেদিন জাতীয় পার্টির একাধিক নেতা হেফাজতে শয়তানদের কার্যক্রম মনিটরিং করছিলো—এদের মধ্যে প্রেসিডিয়াম-সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ছিল শীর্ষস্থানে। আর তারা দেখছিলো হেফাজতিদের যেন কোনোপ্রকার কষ্ট না হয়। সেইজন্য তারা দেশের বিভিন্নস্থান থেকে ঢাকায় আগত হেফাজতিদের মাঝে কয়েক কোটি টাকার খাবার বিতরণ করেছিলো। হেফাজতিদের মাঝে সবচেয়ে বেশি ও দেদারসে খাবার-পানি বিতরণ করেছিলো বিএনপি ও তাদের চিরমিত্র জামায়াত-শিবির। আর অনেক শিবির ক্যাডারতো হেফাজতিদের সঙ্গে মিলেমিশে সেদিন নাশকতাসৃষ্টিও করেছিলো।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ ও বিকল্পধারার চেয়ারম্যান বদরুদ্দোজা চৌধুরীরা পরদিন শাপলাচত্বরে গিয়ে হেফাজতিদের সঙ্গে মিলেমিশে ও শফীর মূত্রপান করে জুম্মার নামাজআদায় করতে চেয়েছিলো। কিন্তু আগের দিন রাতে সরকারের সঠিক কার্যক্রমে তাদের আশা ভঙ্গ হয়। হেফাজতিরা রাতের আঁধারে পালিয়ে যেতে থাকে।
২০১৩ সালের ৫ই মে নারায়ণগঞ্জে হেফাজতিদের পানি পান করিয়েছে ও তাদের প্রচুর খাবার খাইয়েছে আওয়ামীলীগের চিরকুলাঙ্গার শামীম ওসমান। সেও হেফাজতে শয়তানের আমির শাহ শফীর মূত্রপান করেছে। এরকম আরও বহু শয়তান এখনও আওয়ামীলীগের মধ্যে ঘাপটিমেরে রয়েছে।

৬. আওয়ামীলীগের নেতৃত্বের একাংশের মধ্যে হেফাজতে শয়তানদের অপআদর্শ ঢুকে গেছে। আর এরা আকিদাহগত দিক থেকে সবসময় ওহাবীপন্থী। হেফাজতে শয়তান অত্যন্ত কুকৌশলে আওয়ামীলীগের এই নষ্ট-পচা অংশটিকে টার্গেট করে তাদের ষড়যন্ত্রের জালবিস্তার করতে চাইছে। একটি উদাহরণ দিচ্ছি: আওয়ামীলীগসরকারের সাবেক পাতিমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ-সদস্য চট্টগ্রামনিবাসী হাছান মাহমুদগংরা এই দলেরই অন্তর্ভুক্ত। এরা হেফাজতে শয়তানের আমির শাহ আহমেদ শফীকে আজ বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বেশি ভক্তি করে!

৭. আওয়ামীলীগ এখনও বাংলাদেশের একক-বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। আর এই দলের রয়েছে বিরাট এক কর্মীবাহিনী। আর এই কর্মীদের বিভ্রান্ত করছে হেফাজতপন্থীভণ্ডরা। এদের লোভ ও লালসার আগুনে পুড়ে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষ-আওয়ামীলীগ। আর আওয়ামীলীগের নিকট থেকে এই সুযোগটা গ্রহণ করছে আজকের হেফাজতে শয়তান।

৮. হেফাজতে শয়তান বাংলাদেশের তালেবান হতে চাইছে। এজন্য তারা সবসময় সূক্ষ্ণচালে রাজনীতি করছে। আর বাংলাদেশের সর্বস্তরের স্বাধীনতাবিরোধীদের ইসলামের নামে সংগঠিত করে আমেরিকা ও পাকিস্তানের মদদে রাষ্ট্রক্ষমতা করায়ত্ত করতে চায়। একটি ভাস্কর্যবিরোধী তাদের এই অপআন্দোলন সেই লক্ষ্যেই পরিচালিত। এরা ধীরে-ধীরে বাংলাদেশবিরোধী সর্বস্তরের দালালদের সংগঠিত করার স্বপ্ন দেখছে। সুপ্রীমকোর্টচত্বরের ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন এরই একটি অংশ মাত্র। এদের এখনই রুখে না দিলে এরা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের শয়তানী, চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, ভণ্ডামি ও নাশকতা করার অপচেষ্টা করবে। এদের রাষ্ট্রবিরোধী-ধৃষ্টতা এখনই রুখে দেওয়ার সময়।

হেফাজতে শয়তানের কাছে এই দেশ ও জাতি কখনও আত্মসমর্পণ করতে পারে না। তাই, এদের সর্বপ্রকার ধ্বংসাত্মক ও শয়তানী অপকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের জেগে উঠতে হবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এখনও হেফাজতে শয়তানের বিরুদ্ধে রয়েছে। দেশ, মানুষ আর মানবতার জন্য এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে আজ হেফাজতে শয়তানের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। ১৯৭১ সালের মতো আমাদের সর্বদলীয় ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন। আর বাংলাদেশরাষ্ট্রের স্বার্থে এখনই হেফাজতে শয়তানের মতো একটি অপরাজনৈতিক দলকে ধ্বংস করে ফেলা অতীব জরুরি।

জয়-বাংলা।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
০২/০৬/২০১৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “আসলে ভাস্কর্য নয় হেফাজতিদের শয়তানী অন্যখানে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 + 1 =