“যে কোন মূল্যে” কার্যক্রম বেগবান হচ্ছে!! মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে হবে – আবার যে কোন মূল্যে হিন্দু ও আদিবাসীদের উচ্ছেদ করতে হবে

গনতান্ত্রিক দেশ বাংলাদেশ। সময়ে সময়ে সারাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা হয় ও উচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ী ও সমতলে বসবাসকারী আদিবাসীদের উপরও একই ধরনের বর্বরতা হয়। আবার একই সঙ্গে মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের প্রতি সহমর্মীতা ও তাদের পূণর্বাসনের ব্যবস্হা করা হয়। একদিকে প্রচন্ড শীতের মধ্যে আদিবাসীদের ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, আবার অন্যদিকে বহিরাগত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। একদিকে রোহিঙ্গারা ঢুকেছে, অন্যদিকে আদিবাসীর একই চলে যাচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে মনে হয়ে “যেকোন মূ্ল্যে” শব্দটির ব্যবহার নিশ্চিত করছে এদেশে। যেমন (১) যে কোন মূল্যে মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে হবে। (২) যে কোন মূল্যে এদেশ হতে হিন্দু, আদিবাসী, এদের উচ্ছেদ করতে হবে। মনে হয় এক গনতান্ত্রিকভাবে এগুচ্ছে যে কোন মূল্যের কার্যক্রম। আওয়ামী, বিএমপি, জাতীয়পাটি, জামাত, হেফাজত – সকলেই “যে কোন মূল্যে” কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।?oh=4c6bf3a097d570ee77303deb5e52f0fa&oe=599DF273″ width=”500″ />

এদেশে “যে কোন মূল্যে” কার্যক্রম বেগবান হচ্ছে!!
মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে হবে – যে কোন মূল্যে
আবার একই সাথে হিন্দু ও আদিবাসীদের উচ্ছেদ করতে হবে – যেকোন মূল্যে।

গত ১ জুন ২০১৭ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় খাগড়াছড়ি-দিঘীনালা সড়কের চার মাইল (কৃষি গবেষণা এলাকা সংলগ্ন) নামক স্থানে নুরুল ইসলাম নয়ন নামে একজন মোটর সাইকেল চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির বাড়ি লংগদু উপজেলায়। এটাকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার (০২ জুন, ২০১৭) সকালে রাঙ্গামাটি জেলার লংগদুতে সেটলার বাঙ্গালি কর্তৃক পাহাড়িদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। কারা নুরুল ইসলামকে খুন করেছে – এব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তথাপি মৃতব্যক্তির লাশ নিয়ে মিছিল করে লংদুর আদিবাসীদের উপর হামলা করেছে বাঙ্গালী সেটলাররা। পাহাড়িদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে।

কিছু দিন আগে মায়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা দলে দলে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে এদেশে ঢুকেছে। টিভি টক শো, সংবাদের প্রতিটি মাধ্যম ও এদেশের সকল শ্রেণীর মানুষের মানবতা উছলে উঠেছিল। একাত্তর জার্নালে এক সাংবাদিক নেতাকে লাইভে বলতে শুনেছি “পরে যা হবার হবে, এখন যে কোন মূল্যে – মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে হবে” – এরকম সুপরামর্শ।

কিন্তু গত শুক্রবার লংদুর ঘটনায় সে কথার ছবির বিপরীত প্রতিচ্ছবিরই মনে হলো। এইতো গেলো শীতের সময় রংপুর সুগার মিলের জায়গা উদ্ধারের নামে সেখানকার আদিবাসীদের উচ্চেদের জন্য পুলিশই তাদের বাড়ী ঘরে আগুন লাগিয়েছে – যা সচিত্র ছবি প্রকাশিত হয়েছে। গত এপ্রিলে সেনাবাহিনী তাদের নির্যাতনে নিহত রমেল চাকমার লাশ তার মা-বাবার কাছে ফেরত তো দেয়ইনি, অধিকন্তু ধর্মীয় রীতিনীতির তোয়াক্কা না করে পেট্রোল ও কেরোসিন ঢেলে তার লাশ দাহ করেছে সেনাবাহিনী।

গনতান্ত্রিক দেশ বাংলাদেশ। সময়ে সময়ে সারাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা হয় ও উচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ী ও সমতলে বসবাসকারী আদিবাসীদের উপরও একই ধরনের বর্বরতা হয়। আবার একই সঙ্গে মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের প্রতি সহমর্মীতা ও তাদের পূণর্বাসনের ব্যবস্হা করা হয়। একদিকে প্রচন্ড শীতের মধ্যে আদিবাসীদের ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, আবার অন্যদিকে বহিরাগত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। একদিকে রোহিঙ্গারা ঢুকেছে, অন্যদিকে আদিবাসীর একই চলে যাচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে মনে হয়ে “যেকোন মূ্ল্যে” শব্দটির ব্যবহার নিশ্চিত করছে এদেশে। যেমন (১) যে কোন মূল্যে মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে হবে। (২) যে কোন মূল্যে এদেশ হতে হিন্দু, আদিবাসী, এদের উচ্ছেদ করতে হবে। মনে হয় এক গনতান্ত্রিকভাবে এগুচ্ছে যে কোন মূল্যের কার্যক্রম। আওয়ামী, বিএমপি, জাতীয়পাটি, জামাত, হেফাজত – সকলেই “যে কোন মূল্যে” কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।
=========

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 58 = 60