টকশোতে কি এমন বলেছিলেন সুলতানা কামাল যে কারণে হেফাজত গ্রেফতার অথবা তসলিমা নাসরিনের মতো নির্বাসন চান।

যে ভাবে সবকিছুকে হেফাজতিকণ ও তাদের দাবী মানা হচ্ছে তাতে তসলিমা নাসরিনের মতো সুলতানা কামালের নির্বাসন নিশ্চিত।


যে ভাবে সবকিছুকে হেফাজতিকণ ও তাদের দাবী মানা হচ্ছে তাতে তসলিমা নাসরিনের মতো সুলতানা কামালের নির্বাসন নিশ্চিত।

কি বলেছিলেন টকশোতে সুলতানা কামাল যার দরুন হেফাজত নেতারা তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দিলেন।হেফাজত নেতারা বললেন, ‘সুলতানা কামালের পরিণতি নির্বাসিত সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিনের মতো হবে।’

গত সপ্তাহে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরে ‘জনতন্ত্র গণতন্ত্র’ নামে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্য স্থানান্তর প্রসঙ্গে প্রচারিত টকশোতে অধ্যাপক রুবায়েত ফেরদৌসের উপস্থাপনায় আলোচক ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য অপু উকিল, গণজাগারণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ও হেফাজত ইসলামের প্রতিনিধি মুফতি সাখাওয়াত হোসেন। আর এই টকশোর জের ধরেই গত শুক্রবার হেফাজত অভিযোগ আনেন সুলতানা কামালের বিরুদ্ধে । হেফাজতের দাবি টকশোতে সুলতানা কামাল বলেছেন “ভাস্কর্য থাকতে না দিলে মসজিদ থাকতে দেওয়া হবে না।”

কি বলেছিলেন টকশোতে সুলতানা কামাল চলুন দেখা যাকঃ
টকশোতে অনেকেই কথা বলেছেন তার মধ্যে সুলতানা কামাল ও হেফাজত নেতা মুফতি সাখাওয়াত এর কথা তুলে ধরলাম কারণ অভিযোগটা সুলতানা কামাল কে ঘিরেই।

হেফাজত নেতা মুফতি সাখাওয়াত বলেন, ‘কেউ ভাস্কর্য বলেন, কেউ বলেন মূর্তি। আমি মূর্তি বলি। গ্রিক গড অব জাস্টিস। এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট-এই মূর্তিটি থেমিসের। প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, এটি থেমিসের মূর্তি। আর থেমিস হচ্ছে গ্রিক দেবী। তারা সেটিকে উপাসনা করে, পূজা করে। আর সেই মূর্তি স্থাপিত হয়েছে, এটা কখনও কোনও মুসলমান মেনে নিতে পারেন না।’

জবাবে সুলতানা কামাল বলেন, ‘যিনি এতক্ষণ কথা বললেন, আমি তার মতো প্রবক্তা নই। আমি যেভাবে বিষয়টি দেখি, তিনি কিছু কিছু জায়গায় খুবই গুলিয়ে ফেলেছেন। মূর্তি সেটাকেই বলা হয়, যেটা হিন্দু ধর্মের লোকজন পূজা করেন। তবে অনেকে করেন না। হিন্দুদের মধ্যেও নানা তরিকা আছে। মুসলমানদের মধ্যেও নানা তরিকা আছে। আমাদের এই উপমহাদেশে আমরা দেখি, সব জায়গায় একই মূর্তি প্রধান দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত না। সেটাও তাদের ব্যাপার। হ্যাঁ, ঠিকই তো তিনি (মুফতি সাখাওয়াত) ইসলাম ধর্ম নিয়ে যে কথা বলেছেন, একশত ভাগ সত্য। মুসলমানরা তাদের ধর্ম মানবে। কেউ তো বলছে না, সেখানে যে ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে, সেটাকে পূজা করতে হবে বা সেটাকে মূর্তি নাম দিয়ে সামনে গিয়ে মুসলমানদের সেখানে কোনও রকম ধর্মের আচরণ করতে হবে। সে রকম কথা তো আসেনি। অনেক দিন ধরে ভাস্কর্যের মধ্য দিয়ে বিচারের যে প্রতীক, সেটাকে একটা জায়গা প্রতিস্থাপন করা হয়। সেখানে মানুষ সেটাকে দেখে। না থাকলেও কোনও ক্ষতি নেই। সেটা যে থাকতে হবে, এমন কোনও কথা নেই। আমাদের বিষয়টি ছিল সেটাকে ধর্মের নাম দিয়ে, ধর্মকে ব্যবহার করে যেভাবে অপসারণ করা হলো, সেটা মুক্তিযুদ্ধের যে মূল চেতনা ছিল, তার সঙ্গে যায় না। এটা তো ঠিকই, বাংলাদেশে শুধু মুসলমান জাতি বাস করে না। এখানে বিভিন্ন জাতের ও ধর্মের মানুষ বাস করে। থেমিসের যে মূর্তি এখানে স্থাপন করা হয়েছিল, এটার সঙ্গে ধর্মেরও কোনও সম্পর্ক নেই। ধর্ম দিয়ে এটাকে থাকা না থাকার তর্কগুলো তোলা হচ্ছে। যেভাবে আমাদের পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা হয়েছে, ১৩ দফা দাবি তো আমরা জানি। মেয়েদের ক্লাস ফাইভের ওপরে পড়তে দেওয়া যাবে না। হেফাজত ইসলামের যিনি সর্বোচ্চ স্তরের নেতা, তিনি নারীদের সম্পর্কে যেসব কথা বলেছেন, আমি জানি না, ইসলামে যদি সেটার কোনও অনুমোদন থাকে, খুবই দুঃখ পেতে হবে।’

মুফতি সাখাওয়াত বলেন, ‘এখানে মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাজ করা হয়েছে।’
জবাবে সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমার কথা হলো, সেটা যদি মূর্তিও হয়, সেটা সেখানে থাকলে অসুবিধা কী? মুসলমানরা সেটা পূজা না করলেই হলো।’

প্রতুত্তরে মুফতি সাখাওয়াত বলেন, ‘অসুবিধা আছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত।’

সুলতানা কামাল বলেন, ‘তার মানে কি কিছুই থাকবে না?’
উত্তরে সাখাওয়াত বলেন, ‘সব থাকবে।’

সুলতানা কামাল বলেন, ‘তাহলে মসজিদও থাকার কথা না।’ এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মুফতি সাখাওয়াত বলেন, ‘এই মূর্তি সাম্প্রদায়িক। আদালত প্রাঙ্গণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কোনও সাম্প্রাদায়িক কিছু থাকতে পারে না।’

সুলতানা কামাল বলেন, ‘থাকতে পারে, ওখানে ঈদগাহও আছে কেন? সেখানে যদি মসজিদ থাকতে পারে, মূর্তি থাকতে পারবে না কেন?’

মুফতি সাখাওয়াত বলেন, ‘মসজিদ থাকবে, মুসলমানরা সেখানে নামাজ পড়বে, হিন্দুরা তাদের মতো করে পূজা করবে। ইসলামের এ জায়গায় বক্তব্য স্পষ্ট-কোনও ধর্মের ওপর আঘাত হোক, ইসলাম সেটা বরদাশত করে না।’

এই হল মুল ঘটনা। কি বুঝলেন? সুলতানা কামাল কোথায় “ভাস্কর্য থাকতে না দিলে মসজিদ থাকতে দেওয়া হবে না” এমন কথা বলেছেন। হেফাজতের সঙ্গে কোনও সুষ্ঠু বিতর্ক কি সম্ভব ? তারা কোনও যৌক্তিক তর্ক মানেন তো না বোঝেন তো?

গত শুক্রবার( ০২-জুন-২০১৭) বায়তুল মোকারম মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে হেফাজতে ইসলামের হাজার খানেক নেতারা বিক্ষোভ করে সুলতানা কামালকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন।হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মসজিদগুলোয় সৌর বিদৎুতের ব্যবস্থা করেছেন, প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে মসজিদ বানাবেন ঘোষণা দিন। সুলতানা কামালকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করুন। না হয় তাকে তসলিমা নাসরিনের মতো দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিন। সুলতানা কামালের দেশ বাংলাদেশ নয়।’

মাওলানা জুনায়েদ বলেন, ‘সাহস কত সুলতানা কামালের! তিনি বলেছেন, ভাস্কর্য থাকতে না দিলে মসজিদ থাকতে দেওয়া হবে না। সুলতানা কামাল রাজপথে নেমে দেখুন, হাড্ডি-গোস্ত রাখা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, বদরের যুদ্ধ কিন্তু রমজান মাসে হয়েছে। মক্কায় যত মূর্তি সরানো হয়েছে, সেটা রমজান মাসেই সরানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি মূর্তি কি এখান থেকে সরাবেন? নাকি আমরা আসব? যদি আমাদের আসতে হয়, বাংলাদেশে পূজা মণ্ডপ ছাড়া আর কোথাও মূর্তি রাখা হবে না। প্রশাসন ও সরকারকে বলতে চাই, আমরা যে আসতে পারি, আপনাদের নিশ্চয় তা জানা আছে। ২৪ ঘণ্টায় কোটি মানুষ ঘেরাও করবে হাই কোর্ট। মেহেরববানি করে আমাদের আসতে বাধ্য করবেন না। আমরা যে দিন আসব, পুলিশ ঠেকাতে পারবে না। আমরা যে দিন আসব, কাফনের কাপড় হাতে নিয়ে আসব।

হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে দু’টি শিবিরে বিভক্ত। একটি মূর্তির পক্ষে, অন্যটি মূর্তির বিরুদ্ধে। সুপ্রিম কোর্টের সামনে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে ভিনদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য। সুপ্রিম কোর্টের কোন স্থানেই মূর্তি থাকতে দেওয়া হবে না।’ হেফাজতের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘সেদিনের জন্য প্রস্তুত থাকুন, প্রয়োজনে আল্লামা আহমদ শফী ডাক দেবেন। এ দেশের আলেম সমাজ রাজপথে নামবে। থেমিসের গলায় রশি বেঁধে প্রয়োজনে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়া হবে।’

এতদিন বাংলাদেশের শাষক গোষ্ঠী এদেশের মানুষকে ধর্ম-বর্ণ, জাত-পাত বিভিন্ন ধারায় বিভক্ত করে রাখলেও মাওলানা মামুন সাহেব বাংলাদেশের মানুষকে দুটি ভাগে বিভক্ত করে ফেললেন একটি মূর্তির পক্ষে, অন্যটি মূর্তির বিরুদ্ধে। এদেশের প্রগতিশীল মানুষের কাছে শাষক ও শোষিত ছাড়া আর কোন বিভক্তি নাই।
মাওলানা জুনায়েদ বললেন, “প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি মূর্তি কি এখান থেকে সরাবেন? নাকি আমরা আসব? যদি আমাদের আসতে হয়, বাংলাদেশে পূজা মণ্ডপ ছাড়া আর কোথাও মূর্তি রাখা হবে না।” অর্থ্যাৎ তারা পূজা মণ্ডপ ছাড়া শেখ মুজিব, শহিদ মিনার ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ সব কিছুই ভেংগে ফেলতে চায়।

আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে হেফাজতের ১৩ দফা দাবীর কথা।যার একটি দাবি ছিল মেয়েদের ক্লাস ফাইভের ওপরে পড়তে দেওয়া যাবে না।আর শফি হুজুরের বিতর্কিত বেফাস মন্তব্য আপনারা ভুলে যান নি নিশ্চয়। আচ্ছা হাইকোর্টের সামনে মূর্তি হোক আর ভাস্কর্য হোক থাকলে কি সমস্যা ? মূর্তি হলেই কি কেঊ পুজা করতে যাচ্ছে । জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের সামনে হওয়াই ঈদের নামাজের সময় ভাস্কর্য দেখা গেলে নামাজ হবে বলে এটা সড়াতে হবে। দাবী মত নামাজ যাতে ঠিকঠাক মত হয় এ জন্য ভাস্কর্য সড়ানো হল প্রতিস্থাপবন করা হল ভিতরে । এবার তাতেও হবে না গ্রীক দেবীর ভাস্কর্য বাংলাদেশের কোথাও রাখা যাবে না । এ মূহুর্তে বাংলাদেশের জাতীয় সমস্যা কি ? নিশ্চয় আপনি উত্তর দিবেন হাওর অঞ্চল ও সাজেক এর দূর্ভিক্ষ, লক্ষ লক্ষ বেকার সমস্যা, নারী নির্যাতন ধর্ষণ, নিড়ীহ পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর উপর জুলুম খুন ধর্ষণ অগ্নিসংযোগ ও প্রশ্নফাস সহ অনেক।কেউ কি বলবেন বাংলাদেশের জাতীয় সমস্যা সুপ্রিম কোর্টের সামনে মূর্তি থাকা না থাকা ? বাংলাদেশের একজনও বলবেন না অথচ হেফাজত এটা নিয়েই লাফাচ্ছে। হেফাজত উক্ত জাতীয় সমস্যা নিয়ে একটা কথা তুলেছে বলে আপনি শুনেছেন কখনো। গত শুক্রবার সকালে রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলায় এক যুবলীগ কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনটিলা অর্থাৎ লংগদু সদরের পাহাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ শত শত ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় আওয়ামীলীগের ইন্ধনে ও সহযোগিতায় সেটেলার বাঙ্গালীরা অধচ জুম্মার নামাজের পর হেফাজতেরা এ ঘটনা জানার পরও একটা কথা বলল না। এটা যদি মায়ানমার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা বা ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমান বা ফিলিস্থিনির গাজায় মুসলমানদের উপর হত তা হলে এখানে বসেই দেখতেন । কারণ এরা মুসলমানদের সেন্টিমেন্ট পাবার চেষ্টা করে। হেফাজতি ইসলামের না আছে মায়ানমার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের প্রতি ভালবাসা না আছে ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমান বা ফিলিস্থিনির গাজায় মুসলমানদের প্রতি। কারণ এরা ধর্মকে রাজনীতি ও ব্যবসায়ের হাতিয়ার বানায়। এরা ধর্ম ব্যবসায়ী।

কালের বিবর্তনে যতবার নারীর উপর নির্যাতন, ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা ঘটেছে ঘটনাগুলোকে এই ধর্ম ব্যবসায়ীরা ব্যাখ্যা করেছেন নিপীড়িত-নির্যাতিত ও ধর্ষিত ঐ মা-বোনকে দোষারোপের মাধ্যমে। আল্লামা শফী নারীদের নিয়ে মন্তব্য করেছইলেন, নারীরা তেঁতুলের মতো। নারীরা সামনে আসলে তো পুরুষদের দিলে লালা ঝরবেই।’ নারীদের কে নিয়ে যারা এমন মন্তব্য বা যুক্তি করেন তারা কেউই নারী নির্যাতনকারীদেরকে বিচার-শাস্তির দাবী করেন না। তাদের মনোভাব এমন যে, নারীরা ঘরের বাহিরে বেড়িয়েছে বা হিজাব বিহীন বেড়িয়েছে, তাই লাঞ্ছিত বা ধর্ষিত হলে দোষ তো তাদেরই। পুরুষের আবার দোষ কি? এ মতানুযায়ী, ৩-৪ বছরের শিশু ধর্ষণের কারণও ঐ শিশুটি! সম্প্রতি মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য পেয়ারপুর গ্রামের এক ভ্যানচালকের মেয়ে শিশু শ্রেণীর ছাত্রী (৫) ধর্ষিত হয়। গত ১৮ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর খরতৈল এলাকায় ৮ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর একদিন পরেই ধর্ষিত হয় হবিগঞ্জের বাহুবলে চা বাগানে ২য় শ্রেণির এক শিশু। ধর্ম ব্যবসায়ী হেফাজতন ইসলাম এ নিয়েও নিশ্চয় নতুন কোন তেতুল তত্ত্ব হাজির করে রেখেছেন।

আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একমাত্র শক্তির দাবিদার আওয়ামী সরকার কওমী মাদ্রাসাকে সরকারী নিয়ন্ত্রনে আনতে না পারলেও হেফাজত ইসলাম মুল ধারার শিক্ষাকে হেফাজতিকরণ করার সুযোগ করে দিয়েছে। হেফাজত ইসলামের কথা মত সরকার পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন, চট্রগ্রামের রেলের সরকারি শত একর জমি শফি হুজুরের হাটহাজারি মাদ্রাসাকে দিয়ে দেওয়া, তাদের কথা মত সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্য অপসারণ। এখন এই ধর্ম ব্যবসায়ী হেফাজত ইসলামের কথা মত সুলতানা কামালকে গ্রেপ্তার করে সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিনের মতো নির্বাসিত করুন এবং বাংলাদেশে পূজা মণ্ডপ ছাড়া শেখ মুজিব, শহিদ মিনার ও জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ সকল ভাস্কর্য অপসারণ করুন।
আল আমিন হোসেন মৃধা (লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

73 + = 77