পাহাড়ে ‘নাকি’ শ’ দেড়েক প্রাণী মাটি চাপা পড়েছে?

বাঙালিদের কাছে উপজাতীরা ঊনমানুষ।

ডিসকোর্স: পাহাড় তো চাকমা মাগীদের থাকার জায়গা। পাহাড় তো কুমিল্লা, নোয়াখালি, চাঁদপুরের সেটেলারের ছাতার তলায় ‘হলিডে হোমস’। ঢাকার নব্য ধনীর দুলালদের কাছে প্রথম ল্যাসভাগাস। রাজনীতিকদের ‘গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়া’।

প্রতিবছর জুন-জুলাইয়ে পাঁচ ছয় বার প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। প্রত্যেকবার বৃষ্টিতে মাটির পাহাড়ের মাথায় পানি জমে। দ্বিতীয় সপ্তাহে সেই জমে থাকা পানি চিটাগাং শহরের উপর দিয়ে গিয়ে সমুদ্রে পড়ে। দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহের দিকে হয় ভূমিধ্বস।

পাহাড়ে জমে থাকা পানির গতিপথ নির্ণয়ের জন্য উপগ্রহের সহযোগীতা নিয়ে একটা ম্যাপিং করা যায়। সেই ম্যাপ থেকে বোঝা যাবে কোন কোন পাহাড়ে কতটুকু পানি জমে এবং ঠিক কোন ঢাল দিয়ে তা সমুদ্রে যাবার প্রবণতা বেশি। এই উপাত্তের উপর ভিত্তি করে বানানো যাবে কোন দিক দিয়ে জমে থাকা পানি অপসারণ করে সমুদ্রে ফেললে চিটাগাং শহবকে এড়ানো যাবে এবং ভূমিধ্বস রেহাই পাবে।

আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, নেদারল্যন্ডস এমনকি ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানীরা ঠিকাদারি নিয়ে এরকম কাজ করার জন্য অনেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বানিয়ে রেখেছে। তাদের সহযোগিতা নিলে পাহাড়ি ঢল এবং ভূমিধ্বস সমস্যার সমাধান বের করে বাস্তবায়ন করতে বছর দুই-তিনের বেশি লাগার কথা না। অথচ আমাদের পাহাড়ে ঢল-ধ্বস প্রাগৈতিহাসিক।

যারা আদিবাসীদের মানুষ ভাবেন, তারা খোঁজ নিতে পারেন সার্ফেস ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট, ইন্টিগ্রেটেড হাইড্রোলজিকাল ইন্জিনিয়ারিং, ইন্টিগ্রেটেড রিমোট সেন্সিং, জিওগ্রাফিক ইনফর্মেশন সিস্টেম অন সারফেস ওটার মুভমেন্ট ম্যাপিং। আমার নিজেরও আরও পড়াশুনা করা দরকার এই বিষয়ে। যতটুকু জানি, তাই শেয়ার করলাম।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

19 − 17 =