ডাক্তার আইজু – মহামান্য কহেন – নিঝুম মজুমদার এবং আমি

বরাবরের মতই কিভাবে সুচনা শুরু করব তা বুঝতে না পেরে সরাসরি কথাতেই চলে যাই। এই বছরটা যখন শুরু হচ্ছিল তখন মনে বারবার একটা কথা বেজে উঠছিলো এই বছরটা ভালো কাটবে না। আর গত কয়েকমাস ধরেই তা দেখছি। এই বছরের শুরুর দিকে অনলাইনের যে আন্দোলন সেটিকে রাজপথে ছড়িয়ে দেবার যে সুযোগটি পেয়েছিলেন চরম উৎসাহ নিয়ে, সেটিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে, সব ভুলে, গণজাগরণ মঞ্চকে নিয়েই পড়েছিলাম। শুধু আমি না, সাথে এই চট্টগ্রমের হাজারো স্বপ্নবাজ, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের তরুণ-তরুণী। আশা ছিলো এই গণজাগরণ মঞ্চকে ঘিরেই এই বাংলার নতুন দিনের সুচনা হবে। সুচনা হবে, নতুন ইতিহাসের। অথচ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, কয়েকদিন যেতে না যেতেই দেখা গেলো সেটিকে যে যার মত করে দলীয়করনে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। যাক সেসব কথা, কেননা সেসব নিয়ে কম লিখিনি। পরে যখন সেখানে নিজের আদর্শ আর নীতিকে বিসর্জন দিতে পারছিলাম না, তখন সরে দাঁড়ালাম আর বললাম থাক তোরা ভাই ভাই কমিটি করে।

সেই গণজাগরন থেকেই শুরু হয়েছে ব্লগারদের একটা চরম আধিপত্য বিস্তার। মানুন কিনবা না মানুন, অথচ চরম কঠোর বাস্তব সত্য কথা এটি। কে কার থেকে বেশি আধিপত্য রাখতে পারবে, কত বেশি মিডিয়ার সামনে নিজের নুরানী খোমা খানা দেখাতে পারবে অথবা টক-শো বা গোলটেবিলে বসে নিজেকে মুছওয়ালা প্রমান করবে এটিরই একটা প্রতিযোগিতা চলছিল। নিজেও কম করিনি এসব। আর এদিক থেকে মিডিয়াওয়ালারাও কম যায় না, তারাও কিন্তু এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে এইসকল বিভেদ তৈরীতে। যেমন ধরুন তারা চট্টগ্রামে এমন একজনকে ব্লগারদের আহ্বায়ক বানিয়ে তুলল যিনি কিনা ই-মেইল করা ছাড়া আর কিছুই করতে জানেন না আবার এমন একজনকে ব্লগারদের প্রতিনিধি বানালো যার গোটা পঁচিশেক ফেসবুক ফ্রেন্ড এবং যিনি কিনা শুধু কমেন্ট করেছেন এ পর্যন্ত, অন্য কিছু করেননি।

গণজাগরন যখন শুরু হয়েছিল ঠিক তখনই একটা শোর উঠেছিল যে, হু ইজ ইমরান এইচ সরকার এন্ড হাউ ক্যান হি বি দ্য লীডার অফ ব্লগারস। এই নিয়ে একইরকম কথা যে, তিনি কয়টা ব্লগ লিখেছেন কি করেছেন, হেনা ত্যানা অনেক কিছুই। এইরকম প্রশ্নের তীর যখন তার দিকে ছোঁড়া হল তখন সেই সুযোগ লুফে নিতে ভুলে গেলো না জামাতীরা। একটা গুজব রটিয়ে দিলো যে ইমরান এইচ সরকারের দাদা রাজাকার। ব্যস এটা নিয়ে শুরু হলো আরেক ত্যানা প্যাচানি। বাদ পড়েনি ব্লগার সবাক পাখিও, তুলে ধরা হয়েছিল তার অতীত ইতিহাস। এরপর তো নাস্তিকতার কথা তুলে শুরু হয়ে গেলো তান্ডব। যাক সেসব কথা।

এইসকল কিছুর ফল সরাসরি কিনবা ঘুরে ফিরে অনলাইন জগতে বারবার আঘাত করছে বেশ কয়েকদিন ধরে। গত কয়েকদিন ধরে যা হচ্ছে তাকে এক কথায় ক্ষমতা দখলের অপকৌশল ছাড়া আর কিছু বলতে নারাজ। সে যে পক্ষ থেকেই হোক না কেন, মোদ্দা কথা ক্ষমতা দখলের অপকৌশল হচ্ছে এগুলো। ঠিক যেমনটি গণজাগরন মঞ্চকে নিয়ে হয়েছে একইরকমভাবে এখানেও হচ্ছে।

ক্ষমতা দখলের প্রথম অপকৌশল শুরু হয় ডাক্তার আইজুকে দিয়ে। প্রজন্ম ব্লগ দিয়ে সেখানে প্রকাশিত হয় আইজুর রুপ। তুলে ধরা হয় আইজুর পরিবারকে, টেনে আনা হয় তার পরিবারের ইতিহাস। টানা ছয় বছর ছাগু পুন্দানোর পর আমার ব্লগেরদ্য এ টিম”-এর অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য ডাক্তার আইজুকে ছাগু হিসেবে প্রমাণ করা হয় সেখানে। অপ্রত্যাশিত ঘৃণ্য আঘাতে হতবিহবল আইজু নীরবে সব মেনে নিয়ে অনলাইন ছেড়ে দিয়েছিল। আইজু নিক পরিচালনাকারীদের প্রথমজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তিনি গোপনে জামায়াতের সাথে জড়িত, তিনি কট্টর ইসলামিস্ট এবং তিনি হাসিনা বিরোধী, অন্যদিকে দ্বিতীয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল তিনি বাম ঘরানার এবং হাসিনা বিরোধী। এখানে দুইজনের অভিযোগগুলোর মধ্যে একটাই মিল, সেটি হলো তারা উভয়েই হাসিনা বিরোধী অর্থাৎ এই ইঙ্গিত দিয়ে আওয়ামীপন্থী ব্লগারদের মনে একটি বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরী করে দেওয়া এর অন্যতম উদ্দেশ্য। সেই সাথে আওয়ামী ঘরানার প্রভাবশালী ব্লগার হিসেবে পরিচিত অমি রহমান পিয়াল ভাইকেও, তারা যে করেই হোক বাগিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল, হয়েছিল কিছু অন্যান্যদেরও বাগাতে।

এরপর আঘাত করা হলো মহামান্যকে। ইস্টিশন ব্লগের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাকে আঘাত করা হলো। মহামান্যের ভাষ্যমতে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। জানিনা কোনটা সত্য আর মিথ্যা তবে আশা করছি যেন মহামান্যের আশংকাই সত্য হয়। এদিক থেকে মহামান্যকে বেঈমান প্রমাণিত করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আরো যেসকল অভিযোগ আনা হয়েছিল সেখানে উল্ল্যেখযোগ্য ছিলো তিনি ব্লগার আনিস রায়হানের বন্ধু এবং তার সাথে ভালোই সখ্যতা রয়েছে মহামান্যের। শুধু যে তাকে গোপন কথা ফাঁস করার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে তা নয়, বরং তার সাথে বাম ঘরানার ব্লগারের সখ্যতা দেখিয়ে তাকে ছুপা প্রমাণিত করা হয়েছে। হতবিহবল মহামান্য আইজুর মত সব মেনে নিয়ে ছেড়ে না দিলেও প্রতিবাদ জানিয়ে সরে দাড়িয়েছেন।

আর আজকে দেখলাম আমার ব্লগে আঘাতের শিকার হলেন ব্লগার নিঝুম মজুমদার। খন্দকার মোস্তাক উপাধিপ্রাপ্ত নিঝুম মজুমদারের স্বরুপ সেখানে উন্মোচিত হয়েছে। সেখানে দেখানো হয়েছে হরেক রকম নিক ব্যবহার করে নিঝুম মজুমদার নানা সময়ে জামায়াতী উদ্দেশ্য হাসিল করতে চেষ্টা করেছেন। সেখানে দেখানো হয়েছে তার পরিবারের ইতিহাস, টেনে আনা হয়েছে তার আয়-ব্যয়, তুলে ধরা হয়েছে তার পূর্বের কিছু লেখার চিত্র যেখানে তিনি তার সহযোদ্ধা অমি রহমান পিয়ালকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন, করেছেন সুশান্ত দাশগুপ্তকে। এখনে এও উল্লেখ্য যে এই নিঝুম মজুমদার আমার ব্লগের “দ্য এ টিম” এর সদস্য, যতদূর জেনেছি।

এখানে দেখুন চারজনের বিরুদ্ধে যেসকল অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে, প্রথমটা হলো এখানের দু’জন জামায়াতের গোপন এজন্ডা বাস্তবায়ন করছে এবং দ্বিতীয়টি হলো এরা বামদের গোপন এজন্ডা বাস্তবায়ন করছে। এদের কেউই কিন্তু আওয়ামীলীগের গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এরকম অভিযোগ আনা হয়নি। আর এজন্যই আনা হয়নি যাতে করে তারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের অনলাইন এক্টিভিস্টদের হাতে সহজেই হেনস্তা হতে পারে।

ধরে নিচ্ছি চারজনের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগই সত্যি, এরা সকলেই এসবই করেছে। কিন্তু তোমরা কতটুকু বুদ্ধিসম্পন্ন যে এদের এতোসব কিছু জেনেও তোমরা তাদের নিজেদের গোপন দলে নিয়েছো? মহামান্যের কথা বাদই দিলাম ধরে নিলাম তার ছলনা ধরতে পারোনি এবং তিনিও “দ্য এ টিম” এর সদস্য নন। কিন্তু বাকী তিনজন? স্পষ্টভাবেই তাদের বিরুদ্ধে যেসকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা অবশ্যই অবশ্যই তোমরা পূর্বে জানতে এবং তা তো স্বীকার করেছোই। তাহলে এতো কিছু জানবার পরেও কেন তোমরা তাদের নিজেদের ভেতর নিলে? আরে জামায়াত-শিবিরের কাছে গিয়ে হাজার বছর ধরে পড়ে থাকলেও তোমাদের তারা নিবে কিনা তাদের গোপন মজলিশে সেটি নিয়ে আমার মতো চুনোপুটি ১০০ ভাগ সন্দেহ করে। কেন তোমরা তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে জয়গান গাইলে? আজ আবার কেনইবা তাদের পিছে লাগলে?

হয়তো তোমাদের কাছে এ কিছুই না, অতি সামান্য। হতে পারে, কেননা তোমাদের চিন্তা-চেতনা অনেক উঁচুতে। তোমরা উঁচুমাপের মানুষ বলে কথা কিন্তু আমরা তো তোমাদের মতো উঁচু নই। আমরা নিচুমাপের মানুষ, এই আমাদের কথা কি একবার ভাবোনি তোমরা? ভাবোনি আমাদের আবেগের কথা? আমরা তো তোমাদের মতো সুপারস্টার নই, হতেও চাইনা কিন্তু তোমরা কি জানোনা আমাদের সব আবেগ তোমাদের ঘিরে? নাকি গলা উঁচিয়ে বলবে আমাদের নিচু আবেগ পোন্দানোর সময় তোমাদের নাই!!! তোমাদের দেখে আমরা শিখেছি ছাগু পোন্দানি, চলেছি তোমাদের দেখানো পথে অথচ আজ এই মুহুর্তে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে যা শিখেছি যেভাবে চলেছি সবই ভূল ছিলো। যতটা সময় দিয়েছি তার পুরোটাই জলে ভেসে গেলো আবার নতুন করে শিখতে হবে, শিখতে হবে এই তোমাদের কাছ থেকে। তারপর আবার একদিন মনে হবে ধুর শালার সবই ভূল ছিলো, আবার শিখতে হবে। এভাবে আর কতদিন শিখতে থাকবো আমরা বলতে পারো? যেই তোমরা এতো নীতির কথা বলো, সেই তোমরাই কি করে এরকম করে বারবার শিখাতে থাকো আমাদের আর আমরাও তা শিখতে থাকি বারবার। আগে বলেছি আমরা নিচুমাপের মানুষ আর তাই যতই তোমরা আমাদের দূরে সরিয়ে দাও তারপরেও এই আমরা ঘুরে ঘুরে তোমার দ্বারপ্রান্তে আড়ালে লুকিয়ে থাকবো। এতো আমাদের স্বভাব। আজ দেখো তোমাদের কিলাকিলিতে জর্জরিত হচ্ছি আমরা ঠিক একই রকম ভাবে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কিলাকিলিতে জর্জরিত হচ্ছে আমাদের মতোই সাধারন মানুষেরা। তোমরা দরকারে আপোষ করে চেইন খুলে বুলু ধরে ঘষাঘষি করো আবার দরকার ফুরালেই টেনে পুরো প্যান্ট খুলে পুটুতে ভরে দিতেও ছাড়ছো না।

এবার আসি নিজের কথায়, প্রতিনিয়তই মনে হচ্ছে যদি আজ অনলাইনে আগের মতো সক্রিয় থাকতাম তাহলে আজ না হয় কাল অবশ্যই ফাঁসতাম। কেননা মহামান্যকে যে দোষে ফাঁসানো হয়েছে ঠিক একই জাতীয় কোন দোষে আমাকেও ফাঁসানো হতো। আওয়ামী ঘরানার এক্টিভিস্ট হিসেবে মহামান্যের ন্যায় এরকম কোন সিক্রেট গ্রুপে থাকতাম আর ফেঁসে যেতাম। সেই সাথে মহামান্যের সাথে আনিস রায়হানের সখ্যতা যেমন দেখানো হয়েছে ঠিক তেমনি আমার বেলাতেও দেখানো হতো নূর নবী দুলাল ভাইকে। আর ফড়ফড় করে টেনে আনা হতো আনিস রায়হানকেও ঠিক যেমনটি নাগরিক ব্লগে করেছিল জনৈক হ্যাডা। ভাগ্যিস তার আগেই নিজের উপর অভিমান করে সরে গিয়েছিলাম ফেসবুক থেকে। হুম হয়তো এখনই নয় কিন্তু পরবর্তীতে হতো। যদি হতো তখন হয়তো একটা কথা বলেই সরে দাড়াতাম “ধিক তোমাদের ক্ষমতা দখলের অপকৌশলে, নিজের হীন স্বার্থের জন্য আজ তুমি আমাকে বলি করে দিলে এভাবে!” তবে একদিক থেকে শান্তি, তারা আর যাই করুক আমাকে অন্তত জামায়াতের গোপন এজন্ডা বলে প্রমাণিত করতে পারবে না, কেননা হিন্দুর ঘরে জন্মেছি। যদিও তাদের বুদ্ধিলোপ পায় আর ভাই ভাই কমিটির মত মন্তব্য ছুঁড়ে দেয় যে শিবিরের হিন্দু শাখার সুরা মজলিশের সদস্য আমি তাহলে কিছুই বলার থাকবে না।

শেষে এসে বলতে চাই আর যাই হোক আইসিএসএফ(ICSF) তাদের মিশনে সফল হয়েছে। সফল হয়েছে রেমন্ড সুলেমান গং। একটু খেয়াল করে দেখলেই ক্লুগুলো একসুতোয় বেঁধে বেঁধে এগুলেই একটা মালা হয়ে যাবে। আপাত দৃষ্টিতে দেখা না গেলেও এটি ঠিক আমেরিকান চিকন চালবাজির মত চাল। যেমনটি আজ আম্রিকান প্রতিনধি মন্তব্য ছুঁড়ে দিলো যুদ্ধাপরাধ বিচার প্রক্রিয়া ঠিক পথে এগুচ্ছে না। এটা কি তারা এতদিন ধরে দেখে নাই নাকি হঠাৎ করে উদ্ভব হলো আজকেই? এটা আর কিছুই না, এটা হলো উস্কে দেয়া। যুদ্ধাপরাধের দায়ে আর গণজাগরন মঞ্চের চাপে জামায়াত ইন-হাউস হলো, পরে জেগে উঠলো হেফাজত। কোরান পুড়িয়ে হেফাজতও এখন ইন-হাউস। যেহেতু মাঠ গরম রাখার মত কোন দল নাই তাই উস্কে দিতেই আজকের দিনে এমন একটি মন্তব্য করলো আম্রিকান সাদা চামড়া।

আজ অনেক হলো আর না। বাকী কথাগুলো মন্তব্য বা প্রতিমন্তব্যে আলোচনায় তুলে ধরার সুযোগ পেলে তুলে ধরবো। সকলেই ভালো থাকুন এবং ওয়ান ম্যান আর্মি হতে চেষ্টা করুন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩৮ thoughts on “ডাক্তার আইজু – মহামান্য কহেন – নিঝুম মজুমদার এবং আমি

  1. উস্কানি দিয়ে সুক্ষ কর্ম
    উস্কানি দিয়ে সুক্ষ কর্ম পরিকল্পনার ফাক ফোকরে ঠিকই উদ্দেশ্য হাসিল করবে আম্রিকান সাদা চামড়া !!!!!!!!! অথচ আবাল গুলা তা বোঝে নাহ।। এদের অবস্থা এমন যে , সরকার এর বিরুদ্ধে কিছু শুনলেই খালি ফাল পাইরা বেড়ায় । !!! যুক্তির ধারে কাছেও যায় না । বাই দা ওয়ে , পোস্ট সুন্দর হয়েছে । অনেক সুন্দর সুন্দর যুক্তি উপস্থাপন করেছেন । :থাম্বসআপ:

  2. এখানে তোমরা বা তোমাদের বলতে
    এখানে তোমরা বা তোমাদের বলতে কাদেরকে বুঝিয়েছেন, ঐ বিশেষ চার জন কেই কি? নচেৎ কাদের কে। বিশেষ এ চার জনের অবস্থান নিশ্চই একই পক্ষে নয় বর্তমানে। তাদের বিরুদ্ধে আনিত প্রকাশিত সত্য মিথ্যা পর্দাফাসে সকলের জন্যই কি সমান ভাবে ব্যাথিত আপনি, তাহলে আপনার অবস্থান কি? আমি বুঝতে পারছি নিজেদের মধ্যে এই বিভাজন আসলেই দুঃখ জনক। যে বা যার এ বিচ্ছিন্নকরন কে উস্কে দিচ্ছে তারা আদোতে সফলই বলা চলে। আমাদের সু-স্বদেশ দেখার স্বাধ বিঘ্নিত সময় সাপেক্ষ হল বলাই বাহুল্য।

    1. তোমরা বলতে তাদেরকেই যারা এসকল
      তোমরা বলতে তাদেরকেই যারা এসকল গোয়ান্দাগিরির দায়িত্ব নিয়েছেন। আর এই গোয়েন্দাগিরির দায়িত্ব এককভাবে কেউ নেয়নি। সমষ্টিগতভাবেই এসকল কাজ হচ্ছে। খেয়াল করে দেখুন আমি কালপুরুষের পোস্টখানা। নেহায়েত ঘাগু মাপের ব্লগার না হলে এরকম গোছানো ব্লগ পোস্ট লেখা সম্ভব না। এমনকি তার প্রোফাইল পিক দেখুন বাকীটা বুঝে যাবেন।

      আমি শুধু ব্যথিত ফাঁস করেছে সেই জন্যে নই বরং তারা জেনেশুনে এরকম কিছু লোকদের সাথে হাত মেলালো যাদের অতীত ইতিহাসকে তারাই ঘৃণ্যভাবে প্রকাশ করলো। তারাই বলে শুয়োরের সাথে সহবাসে না যেতে অথচ তারা কি করলো?

  3. এইসব বালের ক্যাচাল দেখতে
    এইসব বালের ক্যাচাল দেখতে ভাল্লাগেনা। শুধু বিরক্ত না মহাবিরক্ত। এইসব ইস্যুতে আর কোন কথা বলতেও ইচ্ছুক না। যার যা ইচ্ছা করুক। আমি আমার মতো করে নিজের কাজ সঠিক ভাবে করে যেতে চাই। এটাই দেশপ্রেম। ভবিষ্যতে অনলাইন ক্যাচাল বিষয়ক পোস্টে মন্তব্য করতেও ইচ্ছুক না। :ঘুমপাইতেছে: #-o

    1. আতিক ভাই ক্যাচাল এড়িয়ে যাবেন
      আতিক ভাই ক্যাচাল এড়িয়ে যাবেন ভালো কথা একদিন দেখবেন এরাই আবার আপনার ফুফার ঘরের চাচার শালীর শ্বশুর রাজাকার এইরকম একখান তত্ত্ব আবিষ্কার করে আপনার সাথে জামায়াতের একটা কানেকশন ফিট করে আপনার দেশপ্রেম মেরে দিবে। মনে রাখবেন আজকের নিঝুম মজুমদারই কিন্তু আইসিএসএফের পক্ষে থেকে গীত গাওয়াতে কোন এক সংবাদ সম্মেলনে ধ্যাদানি খেতে বসেছিল আর সেখানে যিনি তাকে বাঁচিয়েছিলেন তাকেই কিন্তু মুরগী বানিয়েছিলেন নিঝুম সাহেব।

    2. আতিক ভাই, কী নিশ্চয়তা আছে যে,
      আতিক ভাই, কী নিশ্চয়তা আছে যে, একদিনে একটা পোস্ট আপনাকে নিয়েও আসবে না?

  4. অনলাইনের ক্যাচাল খুব এনজয়
    অনলাইনের ক্যাচাল খুব এনজয় করি।এখানে আমি একজন ক্ষুধার্ত দর্শক।তাই ক্যাচাল দেখতেই থাকব।একেকজনের মুখোশ খষে পড়বে আর নিজেকে বোকাচোদা বলে গালি দিয়ে বলব দ্যাখ যারে তুই দেবতার মত ভাবটি সে একটা চ্যাটের বাল,হারামী আর তুই হইতাছস চোদনা।

  5. আইজুকে নিয়ে কি একটা পোস্ট
    আইজুকে নিয়ে কি একটা পোস্ট দেয়া হয়েছে শুনছি বেশ কদিন। আমাকে কি লিংক দিতে পারবেন সে পোস্টটার?

    1. এখনে এও উল্লেখ্য যে এই নিঝুম

      এখনে এও উল্লেখ্য যে এই নিঝুম মজুমদার আমার ব্লগের “দ্য এ টিম” এর সদস্য, যতদূর জেনেছি।

      আপনি বোধ হয় খেয়াল করেন নি আমার এই লাইনটি ভালো করে ।

      ভাই আগেই বলেছি আমি এই অনলাইন জগতে এক্কেবারে খোকাবাবু। মাত্র বছরখানেক বয়েস হবে। শুধুমাত্র ভাগ্যদেবী সুপ্রসন্ন থাকার কারণে হুড়হুড় করে সকলের সাথে অল্পপ সময়েই পরিচিত হয়েছি।

  6. আবার আইজু…………
    আবার আইজু………… :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ:

    1. (No subject)
      :মাথাঠুকি: :খুশি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :মানেকি: :ফুল:

  7. আস্তে আস্তে অনলাইন নোংরা
    আস্তে আস্তে অনলাইন নোংরা রাজনীতির সংসাদ হিসাবে দেখা দিয়েছে।
    সত্যি অনেক কষ্ট হয়।

  8. এই ক্যাচালগুলো দেখলেই একটা
    এই ক্যাচালগুলো দেখলেই একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি এই ভেবে যে, আমি কোন সেলিব্রেটি নই। কিন্তু, অবাক হয়ে খেয়াল করি, সেই স্বস্তির নিঃশ্বাসের সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেরিয়ে আসে একটা দীর্ঘশ্বাস। কেন আসে, কে জানে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 + 1 =