অশ্লীলতা নাটকে নাকি সমাজের মগজে?

এইবার উৎসব এর নাটকগুলোতে নাকি অশ্লীলতা ছিলো – ” রেইনবো ” নিয়ে সবাই পারলে চাপাতি উৎসব শুরু করে, কারোর সেকশ্যুয়ালিটি তার বাই বর্ন স্বাভাবিকতা সেখানে সমকামিতা নিয়ে নাটক বানালেই সমকামিতা প্রমোট করবার কি আছে? হেটেরোসেকশ্যুয়ালিটিও কি তবে আমরা প্রমোট করি? নাটকে কোথাও আশফাক নিপুণ বলেননি – ” আসুন, সবাই সমকামী হয়ে যাই,! ”

সমকামীদের মানবিক অধিকার নিয়ে বড় বড় সব মানবাধিকার সংস্থা কাজ করে তার মানে কি তারা সবাই সমকামীতা প্রমোট করে বা নিজেরা তার চর্চা করে? – অথচ, আমাদের দেশে এ নিয়ে কেউ কথা বললেই তাকে সমকামী বলে গালি দেয়া হয়!!

প্রমোট না করলে কি তবে বিপরীত লিঙ্গের সেকশ্যুয়াল সম্পর্ক যা সমাজের ভাষায় একমাত্র বৈধ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক, তো সেটাও কমতে থাকবে? এত এত প্রেম বিয়ে ( নারী-পুরুষের) কি তবে নাটক-সিনেমার সৌজন্যেই হয়? মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি তাতে বিন্দুমাত্র অবদান রাখে না? তাহলে- নাটক বানালেই সমাজে সমকামিতা বাড়বে এটার মানে কি? কি রকম হাস্যকর একটা বিষয়!!

আর ধর্ষিতা নিয়ে বানানো নাটকের রিভিউতে একজন কমেন্ট করেছেন – এইবার ঈদের নাটকগুলো সব সেকশ্যুয়াল কেনো? সত্যিই! এমন দিনো দেখতে হলো!! ধর্ষণ একটা ক্রাইম আর আমাদের জনতা সেখানে সেক্স এর অনুভূতি খুঁজে পায় তাহলে?

আবার, যৌথ প্রযোজনার ছবিগুলোতে হয়েছে এরকমি কিছু, মুভিতে দেশের ছেলেরা যাই করুক সেটা ঠিকাছে আর ” নুসরাত ফারিয়া ” কে — কি কি আখ্যা দিয়েছে সবাই তা আর নাই বললাম, শাকিবের মুভিতে ছোট কাপড় পরা নায়িকা এক্সেপ্টেবল কিন্তু নুসরাত তো মুসলিম তার সব কিছু ঠিক করে দেবে সমাজ –
যুদ্ধটা শাকিব আর জিৎ এর ছিলো না – একটা মেয়ের যোগ্যতাকে ছোট করে “পুরুষতান্ত্রিকতার” জয় কে আরো বেশি বেগবান করার যুদ্ধ নেমে গ্যাছিলো সবাই, সেখানে এক পাশে পুরো সমাজ আর অন্যপাশে নুসরাত ফারিয়া ছিলো।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 41 = 42