ভিন্ন স্বাদের কিছু জোকস ও ওয়ান লাইনার

১।

স্যার ক্লাসে পড়া ধরলেন।  
এখন কি হবে? 
জেগে আছি কিনা বুঝার জন্য চিমটি কাটলাম।  
ব্যাথা পেলাম না।
বুঝলাম স্বপ্নই দেখতেছি। 
ইতিমধ্যে স্যার হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন, 
-বদমাইশ। তর কত বড় সাহস, আমারে চিমটি দ্যাও? 

২।

পুলিশঃ এক্সকিউজ মি স্যার, আমাদের কুকুর বলছে আপনি ড্রাগ নিয়েছেন।
পথচারীঃ ও তাই? ড্রাগ? আমি নিছি? তা, কুকুরের সাথে কথাবার্তা কী আমি বলতেয়াছি?

৩।

একটি মেয়ে পানিতে ঝাঁপ দিচ্ছে দেখতে পেয়ে দৌড়ে গেলাম। গিয়ে বললাম, “আপনি তো মরেই যাচ্ছেন, একটা কিস করতে পারি? আমি না কোনদিন কিস করি নি।”
মেয়েটি কিস করল। আমি জিজ্ঞাস করলাম,
“আপনি আত্মহত্যা করতে চান কেন?”
“আমার বাবা মা কেউ আমার মনের কথা বুঝতে চায় না। আমি চাই সবসময় সেজেগুঁজে থাকতে, মেয়েদের মত সুন্দর সুন্দর ড্রেস পরতে। কিন্তু সবার ঐ এক কথা, ছেলে হয়ে মেয়েদের ড্রেস পরে থাকবি কেন তুই?”
এবার আমি পানিতে ঝাঁপ দিলাম।

৪।
ডাক্তার আর উকিলরা যদি বলে তারা প্র্যাকটিস করে, তাইলে কার না ভয় লাগে?

৫।
আমি তোমার সাথে সম্পূর্ণ একমত; তবে এও বলে দিচ্ছি, সেক্ষেত্রে কিন্তু আমরা দুজনেই ভুল।

৬।

গার্ড: এক্সকিউজ মি ম্যাম। গতকাল থেকে সুইমিং পুলটিতে গোসল করার নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
-যখন কাপড় খুলছিলাম তখন বলতে পারতেন।
-ওয়েল, কাপড় খুলার তো নিষেধাজ্ঞা ছিল না।

৭।
:হ্যালো ক্লিনিক অমুক, আমার স্ত্রীর লেবার পেইন উঠেছে। এ্যাম্বুলেন্স পাঠান।
:নো টেনশন স্যার, রিলাক্স। এটা কি উনার প্রথম সন্তান?
:জী না, এটা উনার প্রথম হাজবেন্ড।

৮।
সানি লিওন মারা গেলে তার এপিটাফে কী লিখা থাকবে?
“এতদিনে মেয়েটি একা ঘুমাচ্ছে।”

৯।
আজকাল তো আর সিঙাড়া নাই, সব সিঙ্গার হয়ে গেছে।

১০।

বাবাদের দাদাদের সময়ে ছেলেদের প্রেমে মেয়েরা ‘ধন্য হত ওগো ধন্য’-
আজ আমাদের সময়ে এসে উল্টো ছেলেরা মেয়েদের প্রেমে হচ্ছে “তোর জন্য আমি বন্য।”
দুনিয়া সব লইয়া বন জংগলে রওনা দিসে।

১১।
একজন আমাকে বলল, আমি নাকি এতই আইলসা যে লোকজন আমাকে বকলেও আমি চুপ করে থাকি কথা বলতে কষ্ট হয় বলে।
আমি তাকে কিছু বল্লাম না।

১২।
“জানো? আমাকে না আজকে ৪ টা ছেলে প্রপোজ করেছে ফেসবুকে, আমি এক্সেপ্ট করিনি।”
ওরে …! কেউ ওকে বল না রে, ফ্রেইন্ড রিকোয়েস্ট মানে প্রেম নিবেদন নয়।

১৩।
চিড়িয়াখানার জবটা আমার শুধু শুধু গেল। সিংহের খাঁচা খোলা রাখছি বইলা। আমি একটা জিনিস বুঝলাম না, সিংহ চুরি করবে কেডা?

১৪।
দাদা: জলদি পালা। তোর স্কুলের স্যার ম্যাডামরা আমাদের বাড়ীর দিকেই আসতেছে।
:এহ! আমি পালামু ক্যান, আমি লিগ্যাল ছুটি নিয়া আসছি আপনে মারা গ্যাছেন বইলা। এখন ভূত হইতে না চাইলে জলদি পলান ।

১৫।
এক জীববিজ্ঞানী আমাজনের ঘন জঙ্গলে নতুন প্রজাতির খোঁজে অভিযান চালাচ্ছেন। একবার গাছের পাতার ফাঁক থেকে একটা পোকা সংগ্রহ করে উঠে দাঁড়াতেই খেয়াল করলেন, অত্যন্ত হিংস্র চেহারার একদল আদিম উপজাতি তাঁকে ঘিরে ধরেছে। আর সবচেয়ে সামনে দাঁড়িয়ে জ্বলজ্বলে চোখে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে দলের বৃদ্ধ সর্দার।
তিনি মনে মনেই বললেন, “হায় ঈশ্বর, আমি এবার গেছি!”
তখনই আকাশের ফাঁক দিয়ে এক আলোর রেখা তাঁর মুখে এসে পড়ল, আর মেঘমন্দ্র স্বরে দৈববাণী হল, “না, এখনও কিছুই হয় নি। মনে বল আনো। যা বলছি তাই কর – পায়ের সামনের পাথরটা তুলে সর্দারের মাথায় বসিয়ে দাও এক ঘা।”
বিজ্ঞানী তাই করলেন। হঠাৎ আঘাত সামলাতে না পেরে মরে পড়ে গেল বৃদ্ধ সর্দার। দারুণ অবাক হয়ে গেল সব আদিবাসীরা।
আবারও দৈববাণী হল, “হ্যাঁ, এখন ঠিকাছে। এইবার তুমি বলতে পারো যে তুমি গেছ!”

১৬।

লেডিস হোস্টেল। ৪দিন হলো ইলেক্ট্রিসিটি ফেইল। রেগেমেগে সুপারিন্ট্ডেন্ট কর্তৃপক্ষকে আবারো ফোন দিলেন।
‘গত ৪ দিন ধরে মেয়েগুলি মোমবাতি দিয়া কাজ চালাচ্ছে, আজ অন্ত:ত একটা ছেলে পাঠান।’

১৭।
-পরীক্ষার হলে উত্তরপত্রে সবার আগে কী লেখা উচিত?
-এই উত্তরপত্রে সমস্ত লেখা কাল্পনিক। কোনো বইয়ের সঙ্গে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়!

১৮।
জুতার গন্ধ : Shoe-বাস

১৯।
-আর কত বাকীতে খাবা মিয়া কিনা খাও।
-ধূর মিয়া! জানেন না, ছাগলে কিনা খায়। আমি কি ছাগল নাকি?

২০।

আইন হাতে তুলে নিবেন না
বলেন কি? হাতে তুলে নেড়েচেড়ে আছাড়ও দেয়া শেষ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

54 + = 62